The Hamoodur Rahman Commission was officially reconstituted in 1974 to interview returning prisoners, particularly senior officers, and issue a supplementary report to their original landmark document. The supplementary report makes fascinating reading, based on the Commissions in-depth interviews with these senior officials and officers who were directly responsible for the conduct of Pakistani forces in East Pakistan. This supplementary report is also easier to read than the original document, being less technical and much shorter. However, it still manages to paint a vivid picture of the circumstances that led to the surrender of Pakistani forces in East Pakistan. The report, just like the original, is also extremely candid in discussing the culpability and responsibility of senior officers in the events that led up to Pakistan's humiliating surrender.
১. তিন মিলিয়ন খুনের ব্যাপারে বলা হল, এটা অসম্ভব। পাকিস্তানি বাহিনীকে মুক্তিবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করতে হয়েছে, ইন্ডিয়ানদের সাথেও, তাদেরকে প্রশাসন চালাতে হয়েছে, সাত কোটি মানুষের খাদ্য যোগাতে হয়েছে, এরমধ্যে এরকম হত্যাকান্ড চালানোর সময় কোথায়?
তবে মানুষ মেরেছে এটাতো সত্য এবং সংখ্যাটা হচ্ছে ২৬ হাজারের মত। এটা পাওয়া গেল GHQ থেকে এবং বিশ্বাসযোগ্য কেননা এটা পুরো সময়টায় যে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল সেটার ভিত্তিতে বলা। যদিও কমিশন মনে করে, সংখ্যাটা একটু বাড়িয়ে বলা। কেননা বাড়িয়ে বলা মানে সৈন্যদের বীরত্ব প্রকাশ করা।
তবে পাক-বাহিনী এত এত কাজ করে হত্যাকান্ড চালাতে পারেনা কিন্তু আওয়ামী লীগ কিভাবে মার্চ মাসে এক লাখ থেকে পাঁচ লাখ নিরীহ দেশপ্রেমিককে খুন করে ফেলতে পারে তা আমার মাথায় আসেনা!
২. দুই লক্ষ ধর্ষণের ব্যাপারেও একই মত। যুদ্ধের পর গর্ভবতী মেয়ের সংখ্যা ছিল শ'খানেক। তাহলে এত ধর্ষণ কিভাবে হয়?
তবে ধর্ষণ যে বেশ ভালো রকমের হয়েছে এটা কমিশন বলেছে। বিশেষ করে নিয়াজীর এই ব্যাপারে ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছে। একজন সৈন্যের বক্তব্য বলা হয়েছে, ওখানে আছে, যেখানে আমাদের কমান্ডারই ধর্ষক সেখানে আমরা নিজেদের কন্ট্রোল করি কিভাবে?
৩. বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড স্বভাবতই অস্বীকার করা হয়েছে। ফরমান আলী, জেনারেল জামশেদের ভাষ্যমতে, হ্যাঁ কিছু দুষ্কৃতিকারীকে গ্রেফতারের কথা ছিল। কিন্তু তাদেরকে কোথায় রাখবে, কিভাবে নিরাপত্তা দেওয়া হবে, ইন্ডিয়ানরা যদি বোমা মারে তখন রক্ষা করবে কিভাবে, এসব চিন্তায় আর গ্রেপ্তার করা হয়নি।
মারহাবা!
৪. লুটপাট যে হয়েছে সেটা নিয়ে কমিশনের কোন সন্দেহ নেই বলতে গেলে। নিয়াজী একবার বলেছিল, খাদ্যের ঘাটতি মানে? এদেশে কি গরু ছাগল নেই। এটা শত্রুর দেশ, যা পাও তাই নাও।
শুধু কি খাবার? তারা নিয়েছিল টাকা, টিভি, ফ্রিজ, এসি,... এমনকি কার পর্যন্ত। কেউ কেউ (পশ্চিম) পাকিস্তানে পাঠিয়েছিল পর্যন্ত।
৫. বারবার বলা হয়েছে ইন্ডিয়া (পূর্ব) পাকিস্তান আক্রমণ করেছে ২১ নভেম্বর। ৩ ডিসেম্বরের কথা হাওয়া হয়ে গেল।
৬. ইয়াহিয়ার রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ নিয়ে বলা হয়েছে। সমালোচনা করা হয়েছে ৩ মার্চের অধিবেশন স্থগিতের ব্যাপারে। মুজিবের কথা বলা হয়েছে কিন্তু আশ্চর্য হয়ে গেলাম, ভূট্টোর কথা বেমালুম চেপে যাওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলে কি একটা কথাও বলা যাবেনা?
৭. খুন, ধর্ষণ, লুটপাত, কর্তব্যে অবহেলা সহ নানা কারণে অনেককে বিচারের মুখোমুখি করতে বলা হয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ আনা হয়েছে। কাউকে কোর্ট মার্শাল, কারো বিরুদ্ধে ডিপার্টমেন্টাল অ্যাকশ্ন, কারো বিরুদ্ধে ... নিতে বলেছে।
হুঁ বিচার আমরাও চাই। কিন্তু কেন যুদ্ধ না করে আত্মসমর্পন করল বা ধরা যাক বাকির সিদ্দিকীর কথা, যার বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ হচ্ছে, ইন্ডিয়ায় বন্দী থাকাকালে ইন্ডিয়ানদের সাথে এতটাই সখ্যতা গড়ে তুলেছিল যে তারা তাকে শপিং এ পর্যন্ত যেতে দিয়েছিল; এরকম অভিযোগে বিচার চাইনা। এক নিয়াজীর বিরুদ্ধেই যত অভিযোগ আনা গেল, মানে আমরা যেটা করি। সো, কমিশনও বিচারের দাবি করেছে, বাংলাদেশে থেকে এটা নিয়ে চিৎকার করা খুব বেশি ভালো দেখায় না। (অনেকেই করেতো)
৮. এই রিপোর্টের সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে (আমার কাছে), যুদ্ধের শেষের দিকে দুই অংশের মধ্যে যে বার্তাগুলো পাঠানো হয়েছিল সেগুলোর থাকা। পড়তে বেশ ভালো লাগছিল! [শয়তানী মার্কা হাসির ইমোটিকন হবে।]
৯. কমিশন বিচারের কথাতো বলেছেই, বাহিনী গুলোর আমূল সংস্কারের কথাও বলেছে। অ্যালকোহলের বিরুদ্ধে, নারীপ্রীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে, যেহেতু সেনাবাহিনীর রাজনীতিতে আসাই এ যুদ্ধের কারণ সেহেতু কমিশন বলেছে, শিক্ষানবিশদের সিলেবাসে যাতে রাজনীতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বিষয়ক পাঠ থাকে। ধর্মের ব্যাপারে মনোযোগী হতেও বলেছে। ...
এরকম আরো অনেককিছু বলতে হয় আসলে। কত মিথ্যা আছে সেসবও বলা যায়, অন্য অনেককিছুও বলা যায়। বিশেষ করে নিয়াজীর ব্যাপারে ইন্ট্রেস্টিং এবং ভয়ংকর তথ্য আছে। আগে যা কখনো জানিনি।
আর না বলি!
এটা কিন্তু মূল রিপোর্ট না। সাপ্লিমেন্টারি রিপোর্ট। তাও আবার তিন দশক পর জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়েছে। কতটুকু প্রকাশ করা হল তা পাকিস্তান সরকারই জানে।
* ফরমান আলীর একটা কথা বেশ শুনি, সবুজ জমিনকে লাল করে দিবো। বঙ্গবন্ধু '৭৪ এ ভুট্টোর সাথে আলোচনা কালে এটার কথা বলেছিল। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তানকে এটার ফটোকপি পাঠিয়েছিল। এ ব্যাপারে ফরমান আলী অস্বীকার করে যে বক্তব্য দিয়েছে সেটা কমিশন সঠিক মনে করে। আমারও মনে হয়েছে সেটা যুক্তিযুক্ত।
Very important book for any Pakistani who is interested in learning the real history of Pakistan. The darkest chapters of a country are the ones that need the most attention. 10/10 recommended.