অ্যান্নোরা পেত্রোভা, স্কেটিং করতো মেয়েটি। হুট করেই তার নামে কারা যেনো খুলে ফেললো একটি উইকিপিডিয়া পেজ, আর সেখান যাই লেখা হত সেটাই ঘটে যেত অ্যান্নোরার জীবনে। কিংবা অনেক পুরনো একটি টিভিশোর কথা চিন্তা করুন, যেটি বাচ্চাদের ভয় দেখানোর জন্য বানানো হয়েছিল। তার পিছনে কি লুকিয়ে আছে কোনো অন্ধকার সত্য? সত্যিই কি কোনো অদ্ভুত পরীক্ষা করে মানুষকে শয়তানে রূপান্তরিত করেছিল রাশিয়ার একদল বিজ্ঞানী?
কেউ বলে এগুলো শুধুই গল্প! আবার কেউ বলে এগুলো বাস্তবেই ঘটেছিল!
ক্রিপিপাস্তা হলো ইন্টারনেটের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা কিছু ভয়ের গল্প! ভয়ের রাজ্যে আপনাদের যাত্রা শুভ হোক।
ইন্টারনেটে ঘুরতে থাকা নানান ভৌতিক গল্প যেগুলোকে সবই সত্য বলা হয় তাদের ক্রিপিপাস্তা বলে। লুৎফুল কায়সার এমনই ৬০ টি ছোট ছোট ক্রিপিপাস্তা সংকলিত ও অনুবাদ করেছেন উক্ত বইয়ে। কোন কোন গল্প অতি পরিচিত, কিছু একেবারেই নতুন। কিছু কিছু গল্প পড়ে বইটা রেখে আশেপাশে তাকাতে হয়েছে। ভয়ের একটা চোরাস্রোত রক্তে মিশে গেছে নয়তো ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন হয়ে ফিরে এসেছে। গুগলসার্চ বা ইউটিউব করে দেখার উপাদান রয়েছে।
অনুবাদ খুবই ঝরঝরে। অনুবাদক ক্রিপিপাস্তাস গুলোর অরিজিন কোথায় সেটারও উল্লেখ করেছেন। বিশেষ করে বলতে হয় গল্পের সাথে সংযোজিত ছবিগুলোর কথা। ছবিগুলো থিম্যাটিক হওয়ায় এবং সাদা-কালো বলেই অজানা ভয় আরো বেশি করে প্রকটতর হয়েছে।
লেখালেখিতে আইডিয়া জেনারেট কিংবা শুধু ভয় পেতে হলে এই বই হাতে নিতে পারেন। ৬০ টি ক্রিপিপাস্তার মধ্যে রয়েছে এক অদ্ভুত আকর্ষণ যা দ্রুত পড়ে যেতে বাধ্য করেছে।
আগে পরে ইন্টারনেটে ক্রিপিপাস্তা পড়া হলেও জিনিসটার যে এই নাম তা জানতাম না। নতুন জিনিস জানা হলো। লেখকের অনুবাদ/লেখা সাবলীল। পড়তে ভালোই লেগেছে। কয়েকটি গল্প ভালোই ভয়ের ছিলো। ভেবেছিলাম নেটে দেখবো, কিন্তু ভয়ে তখনি দেখিনি।
২০২৫ রিভিউ বিষয়: বই রিভিউ: ৩০ বই: ক্রিপিপাস্তাস লেখক: লুৎফুল কায়সার প্রকাশনী: ভূমিপ্রকাশ
আমাদের চারপাশে যেমন ছড়িয়ে আছে নানা রকমের মিথলজি, আছে পুরানো গল্প, আছে প্রচলিত অনেক রূপকথা, তেমনি আছে ভয়ংকর কিছু গল্প। সেই স্কুল কলেজ থেকে মুখে মুখে চলে আসা এসব গল্পের নামই ক্রিপিপাস্তাস।
এক দেড় পাতা করে, মোট ৬০ খানা সোশ্যাল মিডিয়া আর মুখে মুখে চলে আসা গল্পকে লিপিবদ্ধ করেছেন লেখক। ফেসবুকে এই গল্পগুলোর অনেকগুলোয় অনেক চেনা, অনেক পড়া। কিন্তু ৬০ খানা গল্প এক সাথে সাজিয়ে রাখা, পড়তে বেশ লেগেছে।
এখানে অমীমাংসিত কিছু গল্প যেমন আছে, রহস্য যেমন আছে, তেমন কিছু বাস্তব গল্প আছে, যার রহস্যের জবাব ও আছে। প্রচলিত গল্প নিজের ভাষায় লেখক লিপিবদ্ধ করেছেন। গল্পগুলো পড়তে বেশ ভালো লেগেছে। যেহেতু এতগুলো গল্প, তো আমি আলাদা করে কোন কিছুর কথা উল্লেখ করব না। বইটা যারা ভয় আর রহস্য ভালোবাসেন, ভূতের গল্প ভালোবাসেন তাদের ভালো লাগবে। রাতের বেলা, মোমের আলোয় গল্পগুলো পড়তে পারেন, তবে মোটাদাগে বলছি, লজিক খুঁজতে আসবেন না। প্রকৃতিতে অনেক কিছুই ঘটে, আমাদের সাথেও ঘটে যার কোন সমাধান নেই , যার কোন যুক্তি হয় না, তর্ক হয় না। চেনা জানার সাথে অজানা গল্প বেশ অনেকগুলো আছে। পড়ে ভালো লেগেছে। তবে, ছোট বই, লেখকের লেখাতে আরো একটু স্বকীয়তা দরকার ছিল। কিছু কিছু গল্পে মনে হচ্ছিল, ফেসবুক পোস্ট পড়ছি। কিছুটা নিজস্বতা হলে ভালো হত।
বই এর সবথেকে অড ছবিগুলো। সাদাকালো এই ছবিগুলো না থাকলেও কিছু ক্ষতি হত না। আর দিলে কালারফুল ছবি যুক্ত করা যুক্তিযুক্ত ছিল। সাদা কালো ছবি্র দরুন একদমই কালচে সবকিছুই। এটা চোখে লেগেছে। অন্তত আমার লেগেছে।
যারা ভূত, রহস্য, সাস্পেন্স, হরর বিষয়গুলো ভালোবাসেন, তারা পড়তে পারেন। বই এর কন্টেন্ট আমার ভালো লেগেছে। দু-একটা যা কিছু, এইগুলো ধরলেও চলে, না ধরলেও চলে।
ক্রিপিপাস্তা মানে হচ্ছে নেট দুনিয়াতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অদ্ভুত, ভুতুড়ে, রহস্যময়, অমীমাংসিত সব গল্প। খুব ছোট ছোট হয় এসব গল্প। যেসবের বেশিরভাগেরই কোন ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ পাওয়া যায় না। এরকম ৬০টার মতো গল্প নিয়েই লুৎফুল কায়সারের প্রথম একক গ্রন্থ ক্রিপিপাস্তা।
পড়তে ভালো লেগেছে। রাতের বেলা পড়েছি বলে আরো ভালো লেগেছে। বেশ কিছু ক্রিপিপাস্তা আগে থেকেই জানা আছে। আর কিছু নতুন জানলাম। সবমিলিয়ে উপভোগ্য তবে আরো বৈচিত্র্যময় হলে হয়তো ভালো হতো।
আর বানান ভুলসহ টুকিটাকি কিছু বিষয়, যেমন কিছু বাক্যগঠন অপরিপক্কতার পরিচয় দিয়েছে। এছাড়া, দারুণ উপভোগ্য একটা বই।
যারা ক্রিপিপাস্তা বা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে থাকা ভয়ের গল্প পছন্দ করেন, তাদের জন্য "ক্রিপিপাস্তাস" বইটি একটি দারুণ সংগ্রহ হতে পারে। বইটি কল্পনা ও বাস্তবের মিশেলে তৈরি হওয়া এক ভয়ের জগৎ যেখানে পাঠক বারবার ফিরে আসতে চাইবে। লেখক বইটিতে ইন্টারনেটের ভীতিকর এবং রহস্যময় গল্পগুলোকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করে এনেছে।
লুৎফুল কায়সার ভাইয়ের লিখনশৈলীর বিশেষত্ব হলো তিনি সহজ ভাষায় ভয়ের অনুভূতিগুলোকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন। পাঠক যখন বইয়ের গল্পগুলো পড়তে শুরু করবে তখন গল্পের মধ্যে এক ধরনের টান অনুভব করতে পারবে। প্রতিটি ঘটনা, চরিত্র, এবং ভয়ের আবহ এমনভাবে তুলে ধরা হয়েছে যে পাঠক নিজেকে সেই জগতে অনুভব করবে। লুৎফুল কায়সার ভাইয়ের এই বইটি শুধুমাত্র ক্রিপিপাস্তার ভক্তদের জন্যই নয়, বরং যারা ভৌতিক গল্প পছন্দ করেন তাদের জন্যও একটি উপভোগ্য হতে পারে।
এককথায় দারুন একটা বই। অনলাইনে এমন অনেক মিথ বা অনেক ভূতুড়ে কাহিনী পড়ি যার উৎস সম্পর্কে ঠিক জানা যায় না। ক্রিপিপাস্তাস বইটার মাধ্যমে এরকম অনেক গা শিউড়ানো মিথের সাথে পরিচিত হলাম। ধন্যবাদ লেখককে, এরকম দারুন একটা নন ফিকশন উপহার দেবার জন্য।
ক্রিপিপাস্তা কী? এটি আসলে খাদ্য সংক্রান্ত কিছু নয় এটি হলো মূলত ইন্টারনেটের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা কিছু ভয়ের গল্প।
এট��তে রয়েছে ৬০ টি অমীমাংসিত হরর গল্প।কেউ কেউ বলে গল্পগুলো সত্য,আবার কেউ কেউ ভুয়া দাবি করে।দু' একটা গল্প পড়ে গুগল করতে হলো আসলেই এমন কিছু হয়েছে কিনা,।কয়েকটা কাহিনী নিয়ে শর্টফিল্ম,টিভি সিরিয়াল ইত্যাদি বানানো হয়েছে।কয়েকটা গল্প বেশ ভালোই ছিল_ Annora petrova,where bad kids go?,Red crayon, smiling dog, i heard it too..etc.
হরর সংকলন হলেও তেমন বেশ ভয়ের কিছু ছিলনা। ছোটদের যেহেতু কৌতূহলের শেষ নেই,সবসময় ইন্টারেস্টিং কিছু শুনতে চাই তারা বইটা লুফে নিবে ভালো করে।
অসাধারণ ৬০টি ছোট গল্পের কালেকশন। আমার কাছে বইটি অনেক ভালো লেগেছে। অনেকগুলো গা ছমছম ভয়ের গল্প বইটিতে পড়েছি, যেগুলো পড়ে রীতিমত দিনে-দুপুরে ভয় পেয়েছি। কিছু অদ্ভুত গল্প পরবর্তীতে গুগল এবং ইউটিউবে সার্চ করে দেখেছি। যারা বইটি পড়তে চান, তাদের অবশ্যই বলব যে রাতের বেলায় বইটি পড়বেন!
বেশ কিছু অমীমাংসিত, হরর ছোট কাহিনীর সংকলন। তবে সত্যি সত্যি ভয় পাওয়ার মত কিছুনা। দু একটা কাহিনী যদিও ইন্টারেস্টিং, সেটা বলতেই হবে! তাই আমার রেটিং চার তারকা।
আরবান লেজেন্ডস -র পর ক্রিপিপাস্তাস। মোটামুটি ভালোই ছিল। মোট ৬০টি গল্প উঠে এসেছে বইতে। তবে ৭৩ পৃষ্ঠার "বিষন্ন বুধবার" গল্পটি ইংলিশে gloomy Tuesday হয়ে গিয়েছে। আশা করি সামনে এগুলো ঠিক হয়ে যাবে।