এই সংকলনটির প্রতিটি কাহিনী বেড়ে উঠেছে আমাদের চারপাশের চেনা-জানা পরিবেশকে ঘিরে, কিন্তু গল্পগুলো অদেখা ভুবনের - যে ভুবন গা শিরশির করা ভয়, অচেনা রোমাঞ্চ আর অলৌকিকতায় ভরপুর। নিখাদ মৌলিক, নতুন স্বাদের এই অতিপ্রাকৃত গল্পগুলোর জগতে সমবয়সী রোমাঞ্চপ্রিয় পাঠক-পাঠিকাকে আমন্ত্রণ।
সূচি: ভূজঙ্গ বিভীষিকা গুডরোবোঙ্গা লাশের সঙ্গে বাস মৃত্যুছবি কালু ফকির অতিমানব হ্রিলা অশুভ এক রাতে তিথি অসমাপ্ত রহস্য দ্বৈত কবরস্থানের পাহারাদার স্বপ্নপুরুষ অমীমাংসিত বাসর বৃক্ষ মানব প্রেতাত্মার ছায়া নীল নির্জন
The stories are okay. The writer totally followed Humayun Ahmed. The style of writing is same. Even some of the stories are same from Humayun Ahmed's stories.
১. ভূজঙ্গ বিভীষিকা - বেশ ভালো লেগেছে। তবে কথায় কথায় নগ্ন হয়ে যাওয়া, ভয়ে খাটের নিচে নগ্ন হয়ে লুকিয়ে থাকা বার বার হুমায়ূন আহমেদকে মনে করিয়ে দিয়েছে। ২. গুডরোবোঙ্গা - ভালো লেগেছে। প্রেতাত্মা ডাকলে সেই প্রেতাত্মা কারও ক্ষতি না করে ফিরে না যাওয়ার ব্যাপারটা তারানাথ তান্ত্রিকের কোনও একটি গল্পে পড়েছিলাম। ৩. লাশের সঙ্গে বাস - ভালোই। ৪. মৃত্যুছবি - অ্যাভারেজ। ৫. কালু ফকির - এই ধরণের একটি গল্প কোথায় যেন পড়েছিলাম, হুমায়ূন আহমেদের কিনা মনে নেই। তবে গুরু মারা যাবার আগে শিষ্যকে তার একটি দুর্লভ গোপন বিদ্যা শিখিয়ে দিয়ে যান, এমন কিছু। ৬. অতিমানব - হরর টাইপের বইতে সায়েন্স ফিকশন জাতীয় গল্প ঢুকলো কেন, জানি না। ৭. হ্রিলা - এটাও সায়েন্স ফিকশন জনরাতে ফেলা যায়। ৮. অশুভ এক রাতে - এই গল্পটা বেশ ভয়ই লাগছিলো। তবে সমাপ্তিটা আরও ভালো হতে পারতো। ৯. তিথি - অতটা ভালো লাগেনি। ১০. অসমাপ্ত রহস্য - প্রতিটা গল্প নিয়ে আলাদা আলাদা করে লিখতে গিয়ে বিরক্ত লাগছে।
সত্যি কথা বলতে কি, প্রথম দুইটা গল্প বাদে বাকি গল্পগুলো অ্যাভারেজ। আরেকটা জিনিস, বেশিরভাগ গল্পেরই ফিনিশিং ভালো না। লেখক হুমায়ূন আহমেদ টাইপ ফিনিশিং দেবার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু জাদুকর একজনই ছিলেন।