Jump to ratings and reviews
Rate this book

মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল

Rate this book
Author ড. কামাল হোসেনের জন্ম ১৯৩৭ সালের ২০ এপ্রিল। আইনবেত্তা ও রাজনীতিক। ১৯৫৮ সালে তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিসিএল এবং ১৯৬৪ সালে আন্তর্জাতিক আইনে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর পক্ষের অন্যতম কেৌঁসুলি হিসেবে এবং পরবর্তী সময়ে আইয়ুব খান আহূত গোলটেবিল বৈঠকে ও ইয়াহিয়া-ভুট্টোর সঙ্গে আলোচনায় বঙ্গবন্ধুর শাসনতানি্ত্রক পরামর্শদাতা হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। স্বাধীনতার পর দেশের প্রথম মনি্ত্রসভায় তিনি আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন। এ সময় বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে তিনি নেতৃত্ব দেন। পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছিলেন। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের তিনি একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। Book Introduction (বই পরিচিতি): আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধের পটভূমি বিশেষ করে যুদ্ধ শুরু'র পূর্ববর্তী দিনগুলোর ঘটনাপ্রবাহের অন্তরঙ্গ ও বস্তুনিষ্ঠ বিবরণ পাওয়া যাবে বইটিতে। লেখক ড. কামাল হোসেন আমাদের ইতিহাসের ওই কালপর্বের অনেক ঘটনারই প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষী ও সক্রিয় অংশীদার ছিলেন। সেদিক থেকে তাঁর এই বইটির একটি ঐতিহাসিক মূল্য ও তাত্পর্য আছে।

95 pages, Hardcover

Published January 1, 2016

5 people are currently reading
49 people want to read

About the author

Kamal Hossain

51 books1 follower
Dr. Kamal Hossain (কামাল হোসেন) is a Bangladeshi jurist, statesman, politician, and freedom fighter. After the independence of Bangladesh, he served as Minister of Law from 1972 to 1973 and as Minister of Foreign Affairs from 1973 to 1975.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
5 (19%)
4 stars
9 (34%)
3 stars
11 (42%)
2 stars
0 (0%)
1 star
1 (3%)
Displaying 1 - 9 of 9 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,664 reviews423 followers
September 14, 2024
১৯৬৯ থেকে ১৯৭১ এ যুদ্ধ শুরুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত ঘটনার সরলরৈখিক বর্ণনা আছে বইতে।"কী ঘটেছে"র চাইতে "কেন ঘটেছে" ও সেই ঘটনার তাৎপর্য নিয়ে বিশ্লেষণ থাকলে বেশি ভালো লাগতো।
Profile Image for Sanowar Hossain.
281 reviews25 followers
October 31, 2022
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্রের পঞ্চদশ খন্ডে সংকলিত লেখকের মূল ইংরেজি রচনার অনুবাদ বইটি। ড. কামাল হোসেন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতা হিসেবেই অধিক পরিচিত।

লাহোর সম্মেলনে শেখ মুজিব যখন তাঁর 'ছয় দফা' উত্থাপনের চেষ্টা করেন। তখন সম্মেলনের সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ আলী তা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি এমনি সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে তা অন্তর্ভুক্ত করতেও অস্বীকৃতি জানান। সম্মেলনে জোরালো গুঞ্জন শুরু হয় যে শেখ মুজিবের ' ছয় দফা কর্মসূচি' হলো সেই রকম একটা-কিছু যা কিনা বিরোধী ঐক্য প্রতিহত করতে এবং বিরোধী নেতাদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সরকারের 'প্ররোচনায়' উত্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছিল।

নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত ছিল ১৯৭০ সালের ৫ অক্টোবর। আগস্ট মাসের দিকে বন্যা দেখা দেওয়ায় নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন দলের নেতাদের চাপ সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হলো। তাঁরা ভেবেছিলেন নির্বাচন বিলম্বিত হলে তাঁরা নিজেদের পক্ষে কিছুটা ভিত্তি দাঁড় করাতে পারবেন। তাঁদের স্থগিতকরণ প্রচেষ্টা সফল হলো। নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারিত হলো ৭ ডিসেম্বর ১৯৭০। তবে এই স্থগিতকরণ প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগের জন্যই সহায়ক হলো। বাড়তি সময় শেখ মুজিবকে আরো বেশি সফর করতে এবং বাংলাদেশের সব অংশের মানুষের কাছে যেতে সাহায্য করল। উপরন্তু ওই বাড়তি সময়ের মধ্যে এমন এক ঘটনা ঘটল যা জনগণের ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলল। ঘটনাটি ছিল ১৯৭০ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলের মহাবিপর্যয় সৃষ্টিকারী ঘূর্ণিঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস।

এইরকম আরো অনেক ছোট ছোট ঘটনা দিয়ে বইটি সমৃদ্ধ। বইটিতে আরো অনেক বিষয় উঠে এসেছে। মুক্তিযুদ্ধের পূর্ব বয়ান জানতে বইটি অবশ্যপাঠ্য। হ্যাপি রিডিং।
Profile Image for Wahida Akhtar.
37 reviews12 followers
March 18, 2020
#book_review!
আইনের প্রত্যেকটা ছাত্র-ছাত্রীরই বোধোয় ড. কামাল হোসেনের প্রতি একটা বাড়তি শ্রদ্ধাবোধ কাজ করে, তিনি আমাদের সংবিধান প্রণয়নে নেতৃত্ব দান করায়। সেই শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তির লেখা বই হওয়ায় খুব বেশি আগ্রহ নিয়ে পড়েছি।

বই - মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল
লেখক - ড. কামাল হোসেন
প্রচ্ছদ মূল্য - ২০০৳
পৃষ্ঠা সংখ্যা - ৯৫
প্রকাশনী - প্রথমা প্রকাশন

লেখক শুরু করেছেন ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ আর তার পরিণামে পাঞ্জাবিদের ক্ষয়ক্ষতি আর বাঙালিদের অরক্ষিত অবস্থার করুণ বহিঃপ্রকাশ এবং তার ফলশ্রুতিতে আইয়ুব খানের জনপ্রিয়তার ধসের বর্ণনা দিয়ে।
শোষিত-বঞ্চিত বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা দাবি প্রেক্ষাপট সহ উঠে এসেছে বিস্তারিতভাবে।
এরপর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, সার্জেন্ট জহুরুল হকের নিহত হওয়া, বিবাদীপক্ষের কৌসুলি দলে যোগ দিতে ঢাকায় এসে ব্রিটিশ ব্যারিস্টার টমাস উইলিয়ামস কিউসি, এমপি-র নজিরবিহীন ভাবে হয়রানির শিকার হওয়া, ফলশ্রুতিতে ইংল্যান্ড ফিরে যাওয়া এবং মামলাটির অন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ।
আইয়ুব খানের পতন এবং ইয়াহিয়ার ক্ষমতার মঞ্চে প্রবেশ, বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থান এবং একক এক নেতার নেতৃত্বে তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া - যা হয়ে উঠেছিলো ইয়াহিয়ার প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ! পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি আসনের ১৬৭টি তে আওয়ামী লীগের বিজয়ী হওয়া, ফলশ্রুতিতে পশ্চিমা ক্ষমতালিপ্সু শাসকগোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র, বঙ্গবন্ধুর 'অসহযোগ আন্দোলন'এর ডাক এবং বাঙালি জাতির স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেই ডাকে সাড়া দেয়া, ক্ষমতা হস্তান্তরে পশ্চিমাদের টালবাহানা - উঠে এসেছে বিস্তারিতভাবে।

ঘটনার পরম্পরায় সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিচলতা আর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সেই সাথে তাঁর পাশাপাশি আমাদের জাতীয় ৪ নেতার অবিস্মরণীয় অবদান। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে জাতির প্রতি তাঁর দেয়া নির্দেশাবলি, কেন 'স্বাধীনতা'কে চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে স্থির করা হলেও দেয়া হলো না সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা?
১৫ই মার্চ ১৯৭১ ইয়াহিয়া ঢাকায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর সাথে আলোচনা শুরু করলেও, আলোচনার আড়ালে ১৭ই মার্চেই তৈরী হয় 'অপারেশন সার্চলাইট'এর নীলনকশা। এরপর শুধু ছিলো বর্বর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর চূড়ান্ত আক্রমণের প্রস্তুতি পর্যন্ত কালক্ষেপণের পালা!
পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র অনুমান করে, সম্ভাব্য যুদ্ধ এড়ানোর জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় ক্ষমতা গ্রহণের ইচ্ছা ত্যাগ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন, তা অতুলনীয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত, পূর্ব পাকিস্তানের নেতাদের আশায় রেখেও, আড়ালে ২৩ মার্চই পাকিস্তানি জেনারেলরা দিয়েছিলো তাদের 'অপারেশন সার্চলাইট' পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন!
একটি ফরমান ঘোষণার চূড়ান্ত আলোচনা যা টেলিফোনেই করা হবে বলে ২৪শে মার্চ আস্বস্ত করছিলো বেঈমান পাকিস্তনী শাসকগোষ্ঠী, ২৫ শে মার্চের রাত সাড়ে ১০টা নাগাদও বঙ্গবন্ধু, ড.কামাল কে সে ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছিলেন। আর ঐ রাতেই পাকিস্তানি সৈন্যরা বাঙালি জনগণের ওপর আক্রমণ চালায়, শুরু কর গণহত্যা ও রক্তস্নান; যা এড়ানোই ছিলো আলাপ-আলোচনা চালানো ও দর-কষাকষির মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক মীমাংসায় পৌঁছানোর প্রয়াসের প্রধান লক্ষ্য।

পরিহাসের বিষয় এই যে, বাংলাদেশের গণহত্যার পর ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন যে, ক্ষমতাদস্যু ইয়াহিয়ার ক্ষমতায় অধিষ্ঠান ছিল অসাংবিধানিক!

বাংলাদেশের অভ্যুদয় ছিল ইতিহাসের এক অনিবার্যতা। পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ও ভুট্টোর একগুঁয়েমি, অপরিণামদর্শিতা ও উচ্চাভিলাষ সেই অনিবার্যতাকে শুধু ত্বরান্বিতই করেছে।
এই বইটিতে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমি, বিশেষ করে যুদ্ধ শুরুর পূর্ববর্তী দিনগুলোর ঘটনাপ্রবাহের একটি অন্তরঙ্গ ও বস্তুনিষ্ঠ বিবরণ পাওয়া যায়। বইটির লেখক ড.কামাল হোসেন ছিলেন একাধারে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষের অন্যতম কৌঁশুলি ও আওয়ামী লীগ প্রতিনিধিদলের একজন আইনি পরামর্শদাতা। অসহযোগ আন্দোলনের অনেক নীতি ও সিদ্ধান্ত প্রণয়নে তিনি যুক্ত ছিলেন সরাসরি। মোটকথা আমাদের ইতিহাসের ঐ কালপর্বের অনেক ঘটনারই তিনি একাধারে প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষী ও সক্রিয় অংশীদার। সে দিক থেকে এই বইটির রয়েছে ঐতিহাসিক তাৎপর্য।

- ওয়াহিদা আখতার ছাননা
Profile Image for Ronel Barua.
47 reviews5 followers
December 13, 2025
অল্প মানেই যে স্বল্প—তা নয়। স্বল্পের ভেতরেও বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নীরবে সুপ্ত থাকে, প্রয়াস আর সংবেদন থাকলে সেই নিদ্রাভঙ্গ মোটেই জটিল ���োনো সমীকরণ নয়। ঠিক সেইভাবেই এই ছোট্ট মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থটি তার সীমিত পরিসরেই ধারণ করে নিয়েছে এক বিশাল ইতিহাস।
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি ও তার পূর্ববর্তী দিনগুলির রাজনৈতিক-সামাজিক টানাপোড়েন এখানে সংক্ষিপ্ত অথচ স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। অল্প কথায়, সংযত বর্ণনায়, পাঠককে নিয়ে যায় সেই সময়ের গভীরে—যেখানে প্রস্তুতি, প্রত্যাশা ও বিস্ফোরণের পূর্বলগ্ন একসঙ্গে ধরা দেয়।
আকারে ছোট হলেও বইটি মুক্তিযুদ্ধের যথার্থ তাৎপর্য বহন করে। অতিরঞ্জন নয়, আবেগের বাহুল্য নয়—বরং সংক্ষেপে, সংযমে এবং সার্থকভাবে ইতিহাসকে ছুঁয়ে যাওয়ার এক আন্তরিক প্রয়াস।
Profile Image for Kamol Uddin.
51 reviews2 followers
September 8, 2023
ড. কামাল হোসেনকে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতা হিসেবেই জানতাম। 'মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল' বইয়ের মাধ্যমে আরো কিছু জানার সুযোগ হলো।

১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের ফলাফল পর্যালোচনার মাধ্যমে বইটার শুরু। তারপর ছয়দফা আন্দোলন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন, অসহযোগ আন্দোলনসহ ২৪ মার্চের সমঝোতার চেষ্টা পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা/বিষয় আলোচিত হয়েছে।

ড. কামাল হোসেন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আইনজীবী ছিলেন। পরবর্তীতে চলমান আন্দোলনে নীতিনির্ধারকদের একজন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
Profile Image for Faysal Shahi.
41 reviews44 followers
April 3, 2022
ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে সবচাইতে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা বাংলাদেশের সৃষ্টি। যদিও অনেকেই এই বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারে না। এই উপমহাদেশে অনেক ভাষা, সংস্কৃতি, জাতীয়তা থাকলেও একমাত্র বাংলাদেশেই পেরেছে স্বাধীনতার দাম দিতে। তাই ধর্মের ভিত্তিতে গড়ে উঠা ভারত পাকিস্তানের থেকে আলাদা একটা দেশ পেতে যারা প্রান দিয়েছে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি তাদের। জনাব কামাল হোসেনকেও ধন্যবাদ এমন চমৎকার একটি বই উপহার দেওয়ার জন্য।
Profile Image for Ridwan Anam.
126 reviews101 followers
December 4, 2017
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের গুরুত্বপুর্ণ প্রত্যক্ষ বয়ান হিসাবে এ বইটা পড়া উচিত। ৬৫ এ পাক ভারতযুদ্ধের পর থেকে ৭১ এর ২৫শে মার্চ পর্যন্ত সময়কাল এখানে তুলে ধরা হয়েছে। ডিটেইলস কম। তৎকালীন ঘটনাবলীতে নিজে একজন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়েও ড: কামাল হোসেন যথাসম্ভব নৈব্যক্তিকভাবে লেখার চেষ্টা করেছেন। পাকিস্তানের সামরিক শাসকদের সাথে ৭০এর নির্বাচন পরবর্তি দেনদরবার - যা ২৫শে মার্চ হঠাৎ শেষ হয়ে যায় - সে আলোচনার একটা খসড়া চিত্র পাওয়া যায়া। তৎকালীন রাজনীতিবিদদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেওয়া না থাকায় - আলোচনায় কার গুরুত্ব কতোটুকু ছিল, কার কি ভূমিকা ছিল - সেটা অনেকাংশেই অস্পষ্ট রয়ে গেল। আমার রেটিং ২.৫/৫।
Profile Image for Nishat.
61 reviews6 followers
March 10, 2019
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকা একজন আইনজীবী ও বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে এক অন্য দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েই দেখেছেন ড. কামাল হোসেন। সাধারণ মানুষ বা অন্য নেতারা কি ভাবছেন সেটা একেবারেই অনুল্লেখিত বইটিতে। তবে পাকিস্তানি শাসকদের দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়ে একটা তুলনামূলক ধারণা পাওয়া যাবে যদিও তা খুবই ছোট পরিসরে।
Displaying 1 - 9 of 9 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.