বিখ্যাত চিত্রকর, বারেক কালিয়ানের বাড়ি ফাঁকা হবার সম্ভাবনা। চুরির ছক কষে ফেলল একটি দল। দীর্ঘ মাস্টার প্ল্যান সাজিয়ে হাজির হলো নির্দিষ্ট দিনে। কিন্তু প্রতিটি পদেই যেন বদলে যেতে থাকল অঙ্কটা! সফলতার সম্ভাবনা কি আদৌ আছে? তাছাড়া, এমন কী ঘটল যে, আত্মহত্যার জন্য প্রস্তুত হলো ওদেরই একজন?!
I am an author. Most of my novels were published in Bangla. My fiction spans multiple genres- fantasy, crime, adventure, comedy, western, science fiction, and the supernatural- because I have never seen a good reason to stay in one lane. I believe the best stories are the ones that surprise the writer as much as the reader.
My first novel, আষাঢ়ে গল্প, came out in 2014. Since then I have published few more novels, a short story collection, co-edited a supernatural anthology, and contributed a sci-fi novella to a multi-author collection. I have also worked with multiple authors in different short story collections. The শত্রু series- a Bangla western -is something I am particularly attached to, and there is more of it to come.
Alongside fiction, I write features. My column অ্যানিমে-কথন runs in Kishor-Alo, where I have been writing about Japanese animation for several years. I have also contributed to রহস্য পত্রিকা, one of Bangladesh's oldest monthly magazines. My professional background includes software development, digital advertisement operations, technical writing. Technical writing is much different from fiction writing; it is its own discipline- precise, purposeful, and underrated.
Outside writing: I watch a lot of anime, I read fiction in Bangla and English, I play video games when time allows, and I follow more ongoing manga than is probably wise!
একটা বাড়ি আটমাস পর্যবেক্ষণে রেখে, দীর্ঘদিন খেটেখুটে ম্যাপ-মশলা জোগাড় করে, ভদ্র বেশে ঢুকে পড়ল একদল চোর। না, ঠিক চোর নয়। তারা আসলে সংগ্রহ-শিল্পী। চোর শব্দের মধ্যে ছিঁচকে চুরির একটা গন্ধ থাকে–যা এই শিক্ষিত সংগ্রহ-শিল্পীদের সাথে যায় না।
যা হোক, ঢুকল... কিন্তু ঢুকে তাদের এতদিনের প্ল্যান বাস্তবায়নের সময় দেখা দিল গণ্ডগোল। এতক্ষণে শিক্ষিত সংগ্ৰাহকরা টের পেলেন, তারা আরেকদল চোরের দলের খপ্পরে পড়েছেন। উভয় উভয়কে ধাওয়া করতে করতে কাকতালীয়ভাবে সকলে হাজির হয়ে গেল এক ঘরে। কিন্তু ব্যাপারটা কতটুকু কাকতাল? অদৃশ্য কালো ছায়ার মতো কেউ তাদের এক ঘরে বন্দি করে রাখেনি তো? সেই ছায়ার উদ্দেশ্যই বা কী?
▪️▪️▪️
গল্পটা পড়তে মোটে দেড় ঘণ্টা লেগেছে। তাই বলাই বাহুল্য, সময় কাটাবার জন্য বইটা অসাধারণ। গতি, টুইস্ট, এক্সাইটমেন্ট এত অল্প টাইম-লাইনে, স্বল্প লেখায় তুলে আনা কুশলীই বটে। তবে এত চমৎকার প্লট নিয়ে লেখক আর কাজ করলেন না কেন, তাই ভেবে আফসোস লাগছে।
চুরি করতে গিয়ে আত্মহত্যা করার চিন্তা ভাবনা শুরু করে দিল এক চোর! কি মুশকিল! আরে আত্মহত্যা যদি করতেই হয় তাহলে একটা বিল্ডিঙের উপর থেকে ঝাপিয়ে পড়লেই হয় । এত নাটকের কি আছে? নাকি অন্য কোন কাহিনী পেছনে? বইয়ের শুরুটা এভাবেই :) এরপর দৃশ্যপটে আসে একদল চোর । যারা প্রস্তুতি নিচ্ছে বিখ্যাৎ চিত্রশিল্পী বারেক কালিয়ানের বাসায় ঝোপ বুঝে কোপ বসানোর । সব প্ল্যানমত চুরি করতে চলেও যায় তারা । কিন্তু প্ল্যান মাফিক এগোয় না কিছুই । গল্পে উন্মোচিত হতে থাকে একের পর এক টুইস্ট । এরকম ছোট খাট টুইস্টে ভরপুর গল্পের শেষটাতে বেরিয়ে আসে এক মাস্টার প্ল্যান । খারাপ লাগে নি । তবে সমাপ্তিটা আরেকটু গুছিয়ে করলে ভালো হতো, ওটাই যেহেতু বইয়ের প্লটের মূল অংশ । আশা করি প্রান্তদা আগামী বইগুলোতে এই দিকটা খেয়াল রাখবেন । :)
বিখ্যাত চিত্রকর বারেক কালিয়ানের বাড়িতে চুরির প্ল্যান করা হয়েছে । বলা যায় মাস্টার প্ল্যান । এজন্য চলছিল দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি আর অনুসন্ধান । অবশেষে নির্ধারিত দিনটি চলে আসে । কিন্তু শুরু থেকেই বিপত্তি আসে । এতদিনের প্ল্যান পদে পদে পাল্টাতে হয় । তারপরও কি এই মাস্টার প্ল্যান সফল হয় ? আর এমনই বা কি হয় যে তাদেরই একজনকে আত্নহত্যার পথ বাছাই করতে হয় ?
কোনো বই বা মুভিতে এরকম কোনো প্লট থাকলে মন অজান্তেই চোরের পক্ষে চলে যায় । মনে হয় আচ্ছা ওরা কি পারবে চুরি করতে ? আচ্ছা ওরা ধরা পরে যাবে না তো ? শেষ পর্যন্ত কি সব ঠিকভাবে হবে ? এ বইতেও ঠিক তেমনটাই হয়েছে । বার বার প্ল্যানের গড়মিল হচ্ছিল আর আমার মনে হচ্ছিল ইসস এরকম কেন হল ! আপাতত দৃষ্টিতে খুব সাধারণ চুরির কাহিনী কিন্তু ধীরে ধীরে মোড় নিতে থাকে জটিলতার দিকে । বের হতে থাকে মানুষের ভিতরের নৃশংসতা , লোভ , কদর্যতা । বইটিতে টান টান উত্তেজনা নেই কিন্তু ভ্রু কুচকানোর মত অনেক কিছুই আছে । শেষের দিকে ভ্রুটা একটু বেশিই কুচকাতে হবে কারণ টুইস্টটাই যে এমন । আর শেষ অব্দি কি হবে তা জানতে হলেও পাঠকের শেষ পর্যন্ত যেতেই হবে ।
প্ল্যান তো সবারই কমবেশি বিভিন্ন বিষয়েই থাকে। কিন্তু মাস্টার প্ল্যানের সংজ্ঞা আপনি কীভাবে দিবেন?
❝বারেক কালিয়ান❞- যেনতেন কোনো আর্টিস্ট নন। দেশের সনামধন্য একজন আর্টিস্ট, বিশ্বমহলেও যার বিস্তর পরিচিতি। এমন একজন ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণও অবশ্যই কম হবে না। কোনোভাবে যদি তার চিত্রকর্মগুলো হাতিয়ে নেওয়া যায় তাহলে? পাঁচ চোর মিলে দাঁড় করায় এক মাস্টার প্ল্যান। শুরু হয় পরিকল্পনার বাস্তবায়ন। কিন্তু কে জানতো এই চুরিই কাল হয়ে দাঁড়াবে তাদের জীবনে!
প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে কালিয়ানের গাড়ি বাসা থেকে বের হলেই চোরের দল লাইনম্যানদের ছদ্মবেশে ঢুকে পড়ে। কিন্তু ভাগ্যের লীলাখেলায় একের পর এক বাঁধা আসতেই থাকে। কিন্তু হঠাৎই আবিষ্কার করে গোলকধাঁধার মতো ঘুরেই যাচ্ছে ম্যানশনের ভেতরে তারা। পরিস্থিতি প্রতিকূলে চলে যায় যখন দলের একজন আত্মহননের পথ বেছে নেয়! কী হচ্ছে এমন যার জন্য ম্যানশনের সকলের জীবন মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়?
মিস্ট্রি, ক্রাইম, থ্রিলার, এডভেঞ্চার, কমেডির কম্বাইন্ড প্যাকেজ ❝মাস্টার প্ল্যান❞। বর্ণনা এমনভাবে হয়েছে যে এডভেঞ্চার ও কমেডিই প্রাধান্য পেয়েছে বেশি। শুরু পাঁচ চোরের চুরির অভিযান নিয়ে কিন্তু ম্যানশনে যে আগেই রচিত হয়ে গেছে ষড়যন্ত্র তা ঘুণাক্ষরেও কেউ বুঝে নাই। প্লট আনকোরা ইউনিক নাহলেও লেখক যথেষ্ট শ্রম যে দিয়েছেন তা লেখনশৈলী ও বর্ণনার ধরন দেখে বুঝা যায়।
পুরো বাড়ি জুড়ে ঘুরে নতুন রুমের মাধ্যমে নতুন রহস্যের উন্মোচন দারুণ উপভোগ্য ছিল। কমেডির মাধ্যমে উপস্থাপনার জন্য মজা পেয়েছি। কিন্তু এরজন্য কিছু জায়গায় প্রয়োজনীয় থ্রিলের পরিমাণও কমে গেছে। প্রতিটি চরিত্রই গুরুত্ব পেয়েছে। মোটামুটি সবারই ব্যাকস্টোরি দেখানো হয়েছে। কিন্তু রিহার ফাঁদে হিরন যে এত সহজেই পা দিবে এটা তার চরিত্রের সাথে যায় না। গোয়েন্দা চরিত্র তেমন কোনো কাজেই আসেনি। চব্বিশ ঘন্টার টাইম শিডিউলে পুরো ঘন্টা বর্ণনা করা হয়েছে। ঘটনা প্রবাহ স্লো। লাস্টের টুইস্টা প্রেডিক্টেবল। তার প্রধান কারণ উত্তম পুরুষে কাহিনীর রচনা। ওভারঅল মোটামুটি ভালোই লেগেছে।
অল্পকিছু বানান বিভ্রান্তি আছে। ক্রাউন সাইজের বইটার প্রোডাকশন ও প্রচ্ছদ সুন্দর।
লেখকের বর্ণনাভঙ্গি চমৎকার, কিন্তু এর বেশি আর কিছুই পেলাম না।
প্লটে কমেডি আর থ্রিলার ৫০/৫০ রাখতে গিয়েই সব গোল বেধেছে। অনুপাতটা ২ঃ১ হলেই ভালো মানাতো৷ প্লটেও আরেকটু নজর দেয়া উচিত ছিল। বইটি পড়ে আরাম পাওয়া যায়, শেষ করতেও কষ্ট হয় না। কিন্তু, শেষ করে ''না পড়লেও চলতো", এরকম একটা চিন্তা মাথায় ঠিকই এসে যায়।
আশা করি লেখক সামনে আরও লিখবেন, সহজ সাবলীল বর্ণনা প্রদানের একটা সহজাত ক্ষমতা যে উনার আছে, তার যথাযথ ব্যবহার না করা অন্যায়।
বারেক কালিয়ান, বাংলাদেশের অতি বিখ্যাত চিত্রকর, যার চিত্রকর্ম বিক্রি হয় মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারে। বিদেশযাত্রার কারণে শহরের বাইরে অবস্থিত চিত্রকরের ফাঁকা বাড়িতে (পুরোপুরি ফাঁকা নয় অবশ্য) হানা দিয়ে চিত্রকর্ম চুরির পরিকল্পনা করে একটা দল। দলের সদস্যরা একেকজন একেকদিকে চৌকষ, কেউ বুদ্ধিতে, কেউ তালা খোলার এক্সপার্ট, কেউ মারামারিতে ওস্তাদ। পরিকল্পনা অনুযায়ী বারেক কালিয়ানের বাড়িতে ঢুকে পড়ে তারা, এবং অনুমিতভাবেই অপ্রত্যাশিত সব ঘটনার মুখোমুখি হয়। তবে লক্ষ্য থেকে ফেরত আসে না তারা, বরং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে তাল মিলিয়ে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনে তারা। মূলত এখান থেকেই গল্পের শুরু। গল্পে গতি আছে, টানা পড়ে ফেলা যায়। ফাইনাল ট্যুইস্টের আগে আরও অনেকগুলো ছোট ছোট অনেকগুলো ট্যুইস্ট ছিল, বেশ ভাল ছিল সেগুলো। 'ট্যুইস্ট আসছে' অনুমান করা গেলেও ট্যুইস্টের ধরনটা বোঝা যায়নি। মজার ব্যাপার হলো, ছোট ছোট ট্যুইস্টগুলো সেভাবে প্রেডিক্ট করতে না পারলেও ফাইনাল ট্যুইস্টটা বইয়ের শুরুর দিকেই প্রেডিক্ট করে ফেলেছিলাম, কাজেই যতটা ধাক্কা খাওয়ার কথা ততটা খাইনি। ছোট পরিসরে হলেও ক্যারেক্টারগুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরি করার চেষ্টা করেছেন, এতে চরিত্রগুলো বুঝতে সুবিধা হয়েছে। তবে আরও ডিটেইলে কাজ করার সুযোগ ছিল। মাঝে মাঝে টেনশন রিলিফ হিসেবে বিভিন্ন চরিত্রের মুখ দিয়ে বের হওয়া মজার সংলাপ আছে, উদ্দেশ্য সফল হলেও, অনেক ক্ষেত্রেই ঠিক ওই নির্দিস্ট চরিত্রসুলভ হয়নি সংলাপগুলো । স্টোরিলাইনের ক্ষেত্রেও একই কথা, কাহিনির মূল বিষয়ই প্ল্যানিং, বিভিন্ন দল এবং ব্যক্তির একাধিক ছোট-বড় প্ল্যান, পর ফাইনালি একটা মাস্টারপ্ল্যান। প্ল্যানিংএর এক্সিকিউশনের বর্ননা বেশ ডিটেইলেই এসেছে। পাশাপাশি প্ল্যানিংএর খুঁটিনাটি আরও ডিটেইলে পাওয়া গেলে ভাল লাগতো। বইটা ১৪৪ পেজেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে, এমন বাধ্যবাধকতা নিশ্চয়ই ছিল না। এছাড়া, উপেক্ষা করা যায়, এরকম ছোটখাট আরও কিছু অসঙ্গতি চোখে পড়েছে। সব মিলিয়ে মন্দ ছিল না মাস্টারপ্ল্যান। তবে, ভালর কোন শেষ নেই যেহেতু, আরও ভাল আশা করা যেতেই পারে:)
রহস্য গল্প মানে আমার কাছে বেশ সিরিয়াস ভঙ্গির গল্প, সেটাতে হিউমার থাকলে কেমন হতে পারে সেটা কখনো ভাবা হয়নি। মাস্টার প্ল্যান এ প্রান্ত ঘোষ দস্তিদার একটা থৃলার উপন্যাসের প্লট ফেঁদেছেন-কিন্তু যার বর্ণনায় গল্পটা বর্ণিত হচ্ছে সে খুব উচ্ছ্বল, দুরন্ত- মাঝে মধ্যেই তার সঙ্গী সাথীদের ক ঘা লাগিয়ে দিতে ইচ্ছুক আর বেশ ছেলেমানুষ। এমন একজনের পয়েন্ট অব ভিউ থাকায় গল্পে কেমন হিউমারের গন্ধ লেগে আছে, এমনকি আমি ভাবছিলাম শেষতক বোধহয় কোন কমেডিক এন্ডিং থাকবে, যদিও তা হয়নি, বড় কিছু টুইস্ট রয়েছে শেষে। ভিন্ন ঘরানার থৃলার উপন্যাস পাঠের অভিজ্ঞতা হল।
একদিনের ঘটনাকে যে এতো চমৎকার উপায়ে একটা উপন্যাসে রুপ দেওয়া যায় তা হয়তো 'মাস্টার প্ল্যান' না পড়লে বুঝা সম্ভব হতো না। লেখকের বর্ণনাভঙ্গি চমৎকার। কাহিনীর বিল্ডআপ প্রথম থেকেই বেশ ভালো লেগেছে। গল্পের প্রতিটা ক্যারেক্টরকেই সমান গুরুত্ব দিয়েছেন এবং প্রতিটা ক্যারেক্টারকে চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। থ্রিল,টুইস্টের পাশাপাশি লেখকের বিভিন্ন ক্ষেত্রে হিউমারের ব্যবহার ভালো লেগেছে। গল্পের এন্ডিংটাও বেশ চমকপ্রদ ছিল। লেখক প্রান্ত ঘোষ দস্তিদার ভাইয়ের সহজ সাবলীল বর্ণনা প্রদানের একটা সহজাত ক্ষমতা আছে যার উপস্থিতি তার লেখা যেকোনো গল্প বা অন্য যেকোনো লেখাতে পেয়েছি এবং এই বইটা পড়ে আবারও সেটার উপস্থিতি টের পেলাম।
বইটার প্রোডাকশন বেশ ভালোই লেগেছে। বইটার প্রচ্ছদ করেছেন গুনী প্রচ্ছদশিল্পী সজল ভাই। প্রচ্ছদটা একদম গল্পের সাথে মানানসই হয়েছে। বানান ভুল চোখে পড়েনি কিন্তু অল্প কিছু টাইপিং মিস্টেক চোখে পড়েছে। অবশ্য সেগুলো তেমন কোন সমস্যা তৈরি করে না পড়ার ক্ষেত্রে।
মাস্টার প্ল্যান প্রথম ২০১৬ সালে প্রকাশিত হলেও এরপর আউট অফ প্রিন্ট ছিল। ২০২২ সালে এসে বইটা সতীর্থ থেকে রিপ্রিন্ট হয়। জানি না কেন এমন একটা চমৎকার বই এতোদিন ধরে আউট অফ প্রিন্ট ছিল। লেখকের পোস্টে দেখেছিলাম তার এই বইটার সিকুয়েল লেখার ইচ্ছা ছিল। সিকুয়েলটা আসলে মন্দ হবে না আমার মতে। লেখকের নতুন কোনো লেখা হাতে পাওয়ার অপেক্ষায় থাকলাম।
The book is about some thieves wanting to steal from a famous artist named বারেক কালিয়ান. Unfortunately for them, nothing was happening according to the plan. Things escalated soon which led to one of the thieves trying to take his own life. But how come a robbery led to one's own suicide?
I wanted to give it a four-star but there were just too many cinematic coincidences, luck, and suddenness or abruptness in the book for my liking. The plot was interesting but the author couldn't make it a well-combined thriller and mystery. It had the elements though. Anyway, there were some aspects that I enjoyed especially the last twist. I admit I was hoping it would happen but I never imagined that it actually would happen. Okay okay, I'm not gonna spoil any further.
বারেক কালিয়ান, পৃথিবীখ্যাত এক চিত্রকর। তার অনুপস্থিতিতে বারেক কালিয়ানের বাসায় চুরির পরিকল্পনা করেন ৫ চোরের এক দল। কিন্তু বারেক কালিয়ানের বাড়িতে ঢোকার পরে তাদের পরিকল্পনায় আসতে থাকে একের পর এক বাঁধা। এখন এই পাঁচ জন চোর এবং সে সময়ে বাড়িতে থাকা লোকদের শেষ পরিণতি কী হয় তা নিয়ে গল্পের বাকি অংশ লেখা। - 'মাস্টার প্ল্যান' বইটা মোটাদাগে ২৪ ঘন্টার সময়কালের ভেতরে লেখা একটি হাইস্ট থ্রিলার। বইয়ের প্লটটা এ ধরণের থ্রিলার হিসেবে খুবই সাধারণমানের এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাদামাটা লেগেছে। গল্পের বর্ণনাভঙ্গি চলনসই লাগলেও সংলাপ আরো বেটার হতে পারতো হয়তো। মূল বর্ণনাকারী এবং বাকি সাপোর্টিং চরিত্রগুলো কাহিনি অনুসারে ঠিকঠাক লাগলো। আর কাহিনী যেভাবে এগিয়েছে তাতে শেষটা প্রেডিক্টেবলও ছিলো। - ক্রাউন সাইজের হার্ডকভার হিসেবে 'মাস্টার প্ল্যান' বইয়ের প্রোডাকশনটা সুন্দর লেগেছে। প্রচ্ছদটাও কাহিনির সাথে মানানসই। তবে সাধারণমানের প্লট এবং ফিনিশিং এর কারণে বইটা ওভারঅল অ্যাভারেজই লাগলো। যারা মৌলিক পটভূমিতে হাইস্ট থ্রিলার পছন্দ করেন তাদের অবশ্য বইটা আরো ভালো লাগতে পারে।
একদল চোর এক শিল্পীর বাসায় চুরি করতে গিয়ে আরেকদল চোরের মুখোমুখি হয়ে গেলো। অদ্ভুত নকশার বিশাল এক বাড়িতে দুই দলের চোর-পুলিশ খেলার মধ্য দিয়ে উদ্ভব হয় আরেক মাস্টারপ্ল্যানারের। শেষ পর্যন্ত কোন মাস্টারপ্ল্যান জয়ী হয়? 🤔
বেশিরভাগ বাংলা থ্রিলার বইয়ের শুরুতে দেখা যায় অনেক ভালো এক বিল্ডাপের পরে শেষে গিয়ে খুব দুর্বল এক এন্ডিং পেতে হয়। কিন্তু 'মাস্টারপ্ল্যান' এই দিক দিয়ে আলাদা এবং এর শেষটাই একে অন্যসব থ্রিলার থেকে আলাদা করেছে।
ব্যক্তিগত মতামত, থ্রিল, টুইস্ট সবকিছু ঠিকঠাক হলেও গল্পের ডিটেইলিং একটু খাপছাড়া লেগেছে। লেখক আরেকটু সময় নিয়ে এটা করতে পারতেন।
বই নেমঃ- মাস্টারপ্ল্যান লেখকঃ- প্রান্ত ঘোষ দস্তিদার জনরাঃ- থ্রিলার পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ- ১৩৯ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কাহিনীটা বেশি গাঁজাখুরি মনে হয়েছে। বাংলাদেশের নামকরা এক চিত্রশিল্পী বারেক কালিয়ানের অতি সুরক্ষিত বাড়িতে চুরি করতে ঢুকেছে একদল চোর। যেখানে আগে থেকেই চুরি করতে অপেক্ষা করছে আরেকদল চোর। দুই দল মুখোমুখি হলে বেধে যায় সংঘাত। ঘটনা এখানেই শেষ নয়। নিজেদের মধ্যেকার ঘাত প্রতিঘাত শেষে তারা সবাই আটকা পড়ে অতি সুরক্ষিত এক ফাঁদে। যেখান থেকে বেচে ফেরার কোন উপায় নেই। কি করবে তারা এবার? রেটিং ৩/৫
ছোটবেলা থেকে বিদেশি সিরিজ এবং মুভি দেখে বড় হওয়ায় এ ধরনের গল্প খুবই পরিচিত আমার কাছে। লেখকের মধ্যেও যে সেসব গল্পের শ্যাডো রয়েছে তা পাওয়া গেছে এই ক্রাইম-থ্রিলার উপন্যাসে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কিছুটা অবাস্তব মনে হলেও প্রান্ত ঘোষ দস্তিদার এর লেখনীর প্রশংসা করা আবশ্যকীয়
বই:মাস্টার প্ল্যান লেখক:প্রান্ত ঘোষ দস্তিদার প্রকাশনী:সতীর্থ প্রকাশনা ব্যক্তিগত রেটিং:৪.৮/৫
ফ্ল্যাপ: বিখ্যাত চিত্রকর, বারেক কালিয়ানের বাড়ি ফাঁকা হবার সম্ভাবনা। চুরির ছক কষে ফেলল একটি দল। দীর্ঘ মাস্টার প্ল্যান সাজিয়ে হাজির হলো নির্দিষ্ট দিনে। কিন্তু প্রতিটি পদেই যেন বদলে যেতে থাকলো অঙ্কটা! সফলতার সম্ভাবনা কি আদৌ আছে? তাছাড়া এমন কী ঘটল যে আত্মহত্যার জন্য প্রস্তুত হলো ওদেরই একজন?
মাস্টার প্ল্যান কি সফল হবে শেষ পর্যন্ত?
পাঠ-প্রতিক্রিয়া: মিস্ট্রি, ক্রাইম,হেইস্ট,থ্রিল,হিউমার এর কম্বাইন্ড প্যাকেজ ❝মাস্টার প্ল্যান❞।লেখকের বর্ণনাভঙ্গি চমৎকার। কাহিনীর বিল্ডিং প্রথম থেকেই বেশ ভালো লেগেছে। গল্পের প্রতিটা চরিত্রকেই সমান গুরুত্ব দিয়েছেন এবং প্রায় সবারই ব্যাকস্টোরি তুলে ধরেছেন।প্রতিটা চরিত্রকে চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
প্লট ইউনিক লাগছে আমার কাছে;এর আগে এমন প্লট রিলেটেড কোনো বই পড়া হয়নি।চব্বিশ ঘন্টার টাইম শিডিউলে পুরো ঘন্টা বর্ণনা করা হয়েছে।গল্পের শুরুর কয়েকটা পৃষ্ঠা প্রচুর বিরক্তি লাগে অত্যাধিক পরিমাণে দার্শনিক উক্তির কারণে। তবে,গল্পের এক পর্যায়ে ক্ষণে ক্ষণে আসা টুইস্ট এর জন্য গল্পের প্রতি আকর্ষণ তৈরী হতে শুরু করে।এই কারণে গল্পও ভালো গতিতে এগিয়েছে।গল্প অন্যদিকে মোড় নেয় যখন আট মাস যাবৎ করা চুরির মাস্টারপ্ল্যানও একসময় হুমকির সম্মুখীন হতে শুরু করে।এন্ডিং টুইস্টগুলো দারুণ ছিলো।
সব মিলিয়ে,দারুন থ্রিলিং একটা জার্নি ছিল।
টাইপিং মিসটেক: অল্পকিছু টাইপিং মিসটেক ছিলো,তবে সেগুলো পড়াতে খুব একটা প্রভাব ফেলেনি।
প্রোডাকশন ও প্রচ্ছদ: বইয়ের বাধাই,বিল্ড কোয়ালিটি;এক কথায় প্রোডাকশন ভালো ছিলো।
প্রচ্ছদ করেছেন সজল চৌধুরী ভাই এবং বরাবরের মতো দারুণ কাজ দেখিয়েছেন
সাড়ে তিন তারা। "১ বছর পর" ~ এই শেষটুকু ভালো লাগেনি। আরো সিরিয়াস করা যেত বিভিন্ন জায়গায়, এই যেমন রিহার শিঙ্গাড়া। তবে নি:সন্দেহে ভিন্নধর্মী থৃলার। লেখকের জন্য শুভকামনা।