India still has a significant and relatively powerful communist movement. In spite of the massive setbacks communist parties have suffered in and since the 2014 national elections, and their general decline during the past decade, the Indian Left is a significant component of the political spectrum. It is represented in virtually every state in the form of trade unions, peasant associations, women’s organisations and student unions, and in state legislatures, municipal bodies and village councils.
The Phoenix Moment seeks to understand how a communist movement, almost unique within the world’s capitalist democracies, flourished for so long in India, and what accounts for its initially gradual and then rapid decline. It also asks how far and in what manner the Left has accomplished its goals; whether it could have achieved more and what its future prospects are. Crucially, political analyst Praful Bidwai investigates whether the Left’s core agenda of progressive or socialist transformation can yet be reinvented and restored to relevance – either with its own agency or through other forces, formations and initiatives. Given the paucity of analytical literature on the mainstream Left at the national level, Bidwai’s timely and deeply insightful book fills a crucial void.
Wary coming to this only having read Praful Kidwai's rather tortured and often light-weight columns in Frontline but have been deeply impressed. This is an in-depth, reasoned, succint and lucid analysis of Marxist politics, movements and parties in India. It is probably the best up to date single volume on the topic and therefore essential reading for those interested in Indian politics, history and leftism broadly. In particular, it contains the best condensed account of the rise and decline of the Left and the CPI(M) in West Bengal that I have come across; the analysis of the weaknesses in the strategy and policies of the Left Front govt, the compromises and degeneration that led to them losing a regional bastion that they governed for over 30 years is piercing, accurate and incredibly powerful. It also outlines the shortcomings of the LF in Kerala as well as a disapassionate and balanced judgement of the 'Kerala model' of development and its limitations. It also contains a thoughtful exegisis on the relationship between Marxism to caste, gender and communalism in India. An invaluable volume for those interested in the fortunes of progressive politics in India.
বই:--The Phoenix Moment: Challenges Confronting the Indian Left লেখক:-- Praful Bidwai প্রকাশক: HarperCollins; 1st edition প্রকাশকাল: 1 December, 2015 ভাষা: English ফরম্যাট: Paperback পৃষ্ঠা সংখ্যা: 600 pages মূল্য: ৪০৫/-
সুন্দর বই। তথ্যনিষ্ঠ , সুলিখিত। দশ অধ্যায়ে বিভক্ত বইটি :
1. The Rise and Decline of the Left 2. Search for a Strategic Framework 3. Forward March in National Politics 4. Into Power in Red Bengal 5. Crisis and Exit in West Bengal 6. Historic Triumph in Kerala 7. Cracks in the Kerala Edifice 8. Social Policy Challenges 9. Lost Opportunities 10. Towards a New Left
বইয়ের সূচিমুখে লেখক প্রশ্ন তুলেছেন যে বামপন্থা, বিশেষত মার্ক্সবাদ সম্পর্কে যখন বিশ্ব জুড়ে নতুন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে (বাজারের মাপকাঠিতেই যার হিসেব পাওয়া যায় মার্ক্সের লেখাপত্রের রাশি রাশি পুনর্মুদ্রণে) তখন ভারতবর্ষের সুদীর্ঘ বামপন্থী ঐতিহ্যে ঠিক কী কারণে ক্ষয়ের লক্ষণ?
পৃথিবীর অন্যতম সর্বাধিক পঠিত রাজনৈতিক ঘোষণা কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো বলেছিল, ‘মানুষের বস্তুগত অস্তিত্বের পরিবর্তন তার সামাজিক সম্পর্ক ও জীবনের সঙ্গে সঙ্গে তার ভাবধারা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং ধারণাগুলোর, এক কথায় তার চৈতন্যের পরিবর্তন ঘটে।’
ঠিক কোন পরিবর্তনগুলো ভারতীয় চেতনায় বামপন্থা বিষয়ে নিস্পৃহতা গড়ে তুলল, এর উত্তর খোঁজার বিভিন্ন প্রচেষ্টা করেছেন লেখক।
তিনি আক্ষেপ করে বলছেন , "A pertinent question is why left-wing politics has not flourished in India as a vital source of legitimacy for parties to the extent that might be expected in a society with a million injustices and growing inequalities, recently worsened by Hindutva and neo-liberal capitalism.
Historically, left politics in India has shrunk in range and variety. It was once a rainbow comprising breathtakingly different currents, including parliamentary and non-parliamentary communist parties; socialists of different hues ranging from the Congress Socialist Party (CSP) to the Gandhians, to followers of the viscerally anti-Congress Ram Manohar Lohia..........
The rainbow has contracted in size and lost some of its hues.
এই বইয়ের দশটি অধ্যায় জুড়ে রয়েছে সেই rainbow বা রামধনুর কথা।
লেখক বুঝিয়েছেন যে বামপন্থা নিয়ে বোধহয় সমস্যা ততটা নয়, যতটা সমস্যা বামপন্থীদের রূপ রস আর রঙ্গ নিয়ে।
মেকি বাম, আসল বাম, সংসদীয় বাম, বিপ্লবী বাম, উগ্র চরমপন্থী বাম, স্নিগ্ধ মধ্যপন্থী বাম অবাক জলপানের মতো নানান প্রকারভেদের এবং তাদের বাচনিক ও শারীরিক দ্বন্দ্বের সাক্ষী এই বাংলা। দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ, আদর্শের সংঘাত ইত্যাদি নানান মোড়কে ঢাকা হলেও এই বিভাজনের মূল ভিত্তিগুলির অন্যতম ছিল ব্যক্তিত্বের সংঘাত।
দেশ আধা সামন্ততান্ত্রিক না আধা ঔপনিবেশিক, এই লড়াইয়ে যাঁরা বহু ঘাম ঝরালেন, তাঁরা কালক্রমে হয়ে উঠতে চাইলেন ‘প্রতিষ্ঠান’। আমার চেতনার রঙে রঞ্জিত চোখ দিয়ে বাকি সবাই বিশ্বলোকের দর্শন পাবে এই ভাবনা তো এক ধরনের সামন্ত-প্রভুত্ব।
অনেকেই হলেন তার প্রতিভূ।
বাংলার কোথায় ধরুন না কেন। ঝোলা কাঁধে গাঁয়ে ঘোরা তেভাগার সৈনিক, যুগান্তর, অনুশীলন সমিতি বা আন্দামান-খাটা, রোমাঞ্চসিক্ত বাঙালি মধ্যবিত্তই ছিল ‘বঙ্গে বামপন্থা’ নামের ইতিহাসের সৃষ্টিকারী।
কিন্তু এক বছর বিপ্লব করা, পাঁচ বছর মানুষের পাশে থাকা, দশ বছর রাজপথে ঘাম ঝরানো আর জীবনভর মানুষের প্রতি, চিন্তার প্রতি, আদর্শের প্রতি দায়বদ্ধ থাকা যে এক নয়, তা এ দেশের বামপন্থী নেতা-কর্মীদের মতো কেউ প্রমাণ করেননি।
সংসদীয় বামের ইতিহাস ও তাদের পতনের কথা নিয়ে চারটি অধ্যায় মিলিয়ে প্রচুর শব্দ ব্যবহার করেছেন লেখক। ঘটনার ঘনঘটা আপনাদের সকলেরই জানা। তা পুনঃবর্ণিত করে বিরক্তির উদ্রেক করতে চাইনা। তার চেয়ে বরঞ্চ ফল্টলাইনগুলি নিয়ে একটু আলোচনা হোক।
দেখুন দাদারা, কম্যুনিজম্ যে-সমষ্টির কাছে ব্যক্তিকে বলি দিতে উদ্যোগী তার নাম জাতি নয়, তার নাম শ্রেণী।
প্রতি ব্যক্তির ভাবনা-চিন্তা, আবেগ-অনুভূতি, ক্রিয়া-কলাপ নাকি তার শ্রেণী-সত্তার দ্বারা নিরূপিত। কম্যুনিজম্-এর পূর্ণ প্রতিষ্ঠা যতদিন না ঘটে, ততদিন পর্যন্ত প্রতি সমাজে দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী শ্রেণী বিদ্যমান। এর একটি হলো সামষ্টিক উন্নয়নের পরিপন্থী এবং অন্যটি হলো সামষ্টিক স্বার্থের প্রতিভূ। সমাজের অবস্থাভেদে শ্রেণীদের উপাদান বদলায়, কিন্তু তাদের উপরোক্ত চারিত্রের পরিবর্তন ঘটে না।
আধুনিককালে এই দুই শ্রেণীর নাম পুঁজিপতি এবং মজুর। সমাজের যে-সব ব্যক্তি বা সম্প্রদায় আজও সুস্পষ্টভাবে এই দুই শ্রেণীর কোনোটির অন্তর্ভুক্ত হয়নি, তারা হয় এই শ্রেণীসংঘাতের চাপে লুপ্ত হবে, নয়ত টিকে থাকার প্রয়োজনেই তাদের এই দুই শ্রেণীর একটি-না একটির আশ্রয় নিতে হবে।
সে ক্ষেত্রে যে-শ্রেণী সামষ্টিক স্বার্থের প্রতিভূ তার দেহে বিলীন হওয়াই বুদ্ধিমানী, কারণ কম্যুনিস্ট জ্যোতিষীদের বিচারে উক্ত শ্রেণীর জয় অবশ্যম্ভাবী।
হিন্দুরা যেমন জন্মান্তর এবং কর্মফলের কল্পনা করে বর্ণব্যবস্থাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, কম্যুনিস্ট দর্শনে তেমনি ঐতিহাসিক নিয়তিতে বিশ্বাস সমষ্টির কাছে ব্যক্তির আত্মসমর্পণ সহজতর করেছে। কম্যুনিস্ট্ মতে এই নিয়তিকে সচেতনভাবে মেনে নেওয়াই হলো স্বাধীনতা।
কম্যুনিস্ট্ ব্যবহার-শাস্ত্র অনুসারে মানুষের মধ্যে শনি দুই ছিদ্রপথে প্রবেশ করে। প্রথমটি হলো ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য-চেতনা, আর দ্বিতীয়টি হোল প্রশ্নশীল বুদ্ধি। এই দুই ছিদ্রপথকে অন্ধবিশ্বাসের সিমেন্ট দিয়ে বন্ধ করা হলো কম্যুনিস্ট প্রচারপদ্ধতির মূল ব্রত। ফ্যাসিস্টদের কাছে যেমন সর্বগ্রাসী রাষ্ট্র, জাতীয় সত্তার প্রতিভূ, কম্যুনিস্টদের কল্পনায় তেমনই শ্রমিকশ্রেণীর বিপ্লবী সত্তা, কম্যুনিস্ট পার্টির মধ্যে আত্মসচেতনতার স্তরে উত্তীর্ণ হয়েছে।
শ্রেণীর সামষ্টিক সত্তায় আত্মনিমজ্জনের নামে পার্টির নির্দেশকে নির্বিচারে মেনে চলা হোল কম্যুনিস্টের ধর্ম। কম্যুনিস্ট মাত্রেরই বিশ্বাস, ব্যক্তি ভুল করতে পারে, কিন্তু পার্টির ভুল অকল্পনীয়। কারণ যে শ্রেণীর স্বপক্ষে ইতিহাস, পার্টি ত' তারই প্রতিভূ।
গত শতকের সর্বশ্রেষ্ঠ কম্যুনিস্ট নাট্যকার বার্টোল্ট ব্রেশ্ট-এর ভাষায়, "ব্যক্তির মোটে দুটো চোখ, পার্টি সহস্রাক্ষ, ব্যক্তি শুধু একটা শহর দেখতে পায়, পার্টির নজর সাত রাজ্যে ছড়ানো। ব্যক্তির হাতে সীমাবদ্ধ সময়, পার্টি অফুরন্ত সময়ের মালিক। ব্যক্তির মৃত্যু আছে, পার্টিকে কেউ মারতে পারে না। কেননা পার্টি হচ্ছে জনসাধারণের সম্মুখ-প্রহরী, সংগ্রামে তাদের নেতা।"
রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করার উদ্দেশ্যে কম্যুনিস্ট পার্টি প্রচার এবং সংগঠনের মারফত প্রতি সদস্যের বিবেক এবং বিচারশক্তিকে বিলুপ্ত করার চেষ্টা পায়। ব্রেশ্টের ভাষায় পার্টির সদস্যরা জপ করতে শেখে, “তোমাদের এখন থেকে আর নিজস্ব ব্যক্তিসত্তা বলে কিছু রইল না। তুমি এখন থেকে আর বার্লিনের কার্ল শ্মিট নও, তুমি নও কাজানের আনা কিয়েস্ক, তুমি নও মস্কোর পিটার সাভিচ্ । এখন থেকে তোমাদের আর কোনো নাম বা মাতৃপরিচয় নেই; তোমরা শুধু সাদা পাতা যার উপরে বিপ্লব তার হুকুম লেখে...।
এই বইয়ের শেষেরদিকে এসে লেখক গণঅভ্যুত্থান , বৃহত্তর বাম ঐক্য , আন্তর্জাতিক ও জাতীয় বাম ঐক্য, ব্যক্তিগত সততা ইত্যাদি অনেক কিছু নিয়ে বলেছেন। তিনি বলছেন, "The solidarity-based internationalism that is necessary today is different from the kind of ‘internationalism’ that India’s mainstream Left parties practised for decades within their nationally limited ‘socialism in one country’ frameworks.
This was based on fraternal relations with kindred parties in communist regimes, including despotic ones as in North Korea, Romania and other eastern European states within the Soviet sphere of influence, and of course China.
This involved sending observers or greetings to each other’s party congresses, periodic visits and sometimes special meetings, but little genuine engagement at the ideological level, joint activity at the political level, or even practical acts of solidarity..."
যে সব বৈশিষ্ট্য ভারতবর্ষে বাম নীতির পরাকাষ্ঠা, দলীয় কেন্দ্রীকরণ তাদের আর এক রূপ। এ সমস্যাগুলো কেবল ঐক্য, তত্ত্ব, ব্যক্তিগত সততা দিয়ে দূর করা যায় না, তাদের গভীর ভাবে অনুধাবন করাটা মার্ক্সের ব্যক্তিগত জীবনচর্যার ও শিক্ষা: ক্যাপিট্যাল সম্পূর্ণ না করে তিনি যে জীবনের শেষ পনেরো বছর পৃথিবীর বিভিন্ন, বিশেষত প্রাচীন জনসম্প্রদায় বিষয়ে অনুসন্ধানে মগ্ন ছিলেন, সেটা তো তাঁর বৈজ্ঞানিক মননেরই পরিচালনায়।
কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো-র নতুন জার্মান সংস্করণের (১৮৯০) মুখবন্ধে এঙ্গেলস মার্ক্সের ‘শ্রমিক শ্রেণির মননগত বিকাশের উপর’ একান্ত নির্ভরতার যে-কথা বলেছিলেন, এবং ‘ঐক্যবদ্ধ কর্মকাণ্ড ও আলোচনা’র উপর তাঁর যে জোর-এর উল্লেখ করেছিলেন, সেই সামূহিক চিন্তানুশীলনের জরুরি কাজটা তো আজও ততটাই সত্য, যতটা ছিল উনিশ শতকের শেষে।
কিন্তু ভারতীয় বামপন্থা এটাকে বাহুল্য বা অ-প্রাথমিক কর্তব্য বলে দূরে সরিয়ে রেখেছে।
লেখক সুচারুভাবে তুলে ধরেছেন আধুনিক ভারতেতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে বামপন্থীদের বিচক্ষণতার অভাব। ভোট, সরকার, ক্ষমতা এবং জনসম্পদ ও অর্থসম্পদ এই চারের বাধ্যবাধকতা কী ভাবে একই সামাজিক ভিত্তিতে অবস্থিত ক্ষমতাসীন বাম এবং বিরোধী ও ক্ষমতাসীন বিরোধী এবং বামকে আলাদা রাখতে পারে, তার এক আশ্চর্য উদাহরণ বামপন্থী নেতৃবৃন্দের দূরদৃষ্টির অভাব, নমনীয়তার অভাব এবং সংলাপে অনীহা।
আপনি নিশ্চই জানবেন, প্রাজ্ঞ পাঠক যে রাজ্যপাট চালানোর ক্ষেত্রে, যুদ্ধ না শান্তি কোন নীতি কখন নেওয়া প্রয়োজন, বিভেদ সত্ত্বেও সংলাপ চালানো যায় কি না, এ নিয়ে মহাভারতে নানা আগ্রহোদ্দীপক ব্যাখ্যা আছে। ধৃতরাষ্ট্রদূত সঞ্জয়ের প্রতি শ্রীকৃষ্ণের অন্যতম উক্তি ছিল: অনেক দূর দেখেছি, আরও দেখতে রাজি ছিলাম। কিন্তু অধর্মের পথ থেকে তোমরা সরলে না, তাই যুদ্ধ অনিবার্য।
অন্য দিকে, যুদ্ধ শেষে যখন হাজার হাজার শব চার পাশে পড়ে আছে, যুধিষ্ঠির শোকে মুহ্যমান, তখন শরশয্যায় শায়িত ভীষ্ম পাণ্ডবদের যুদ্ধের পরিণাম বিষয় কোনও শিক্ষা দিলেন না। বরং মারা যাবার আগে জয়ী পাণ্ডবদের বললেন, রাজ্যপাটে মন দাও, সুশাসনের জটিলতা আয়ত্ত করো। রাজনীতি, ধর্মাচরণ এখন এইটাই। মহাভারতে যুদ্ধ এবং শান্তি আবেগ বা ধর্মের প্রতীক নয়, বিচক্ষণতার প্রতীক। আজকের ভাষায়, ওই বিচার হল কাজের ব্যাপার। প্র্যাকটিকাল জিনিস। ওতে আবেগ না মেশানোই ভাল।
আদত গলদ তত্ত্বের অভ্যন্তরে।
যদি আমরা সমাজতত্ত্বের দিক থেকে দেখি, তাহলে সমস্যাটা দাঁড়ায় এইরকম, যে যে-কোনো সমাজেই একটা সংখ্যালঘিষ্ট গোষ্ঠী আছে, যাদের নানারকম অবসর আছে, প্রিভিলেজ আছে, তাদের এই মনের কর্ষণ তারা করতে পারে, তারাই হচ্ছে হাই কালচারের প্রোডিউসার, কনজিউমার, কন্ট্রোলার।
আর একটা হল অধিকাংশ লোক যাদেরও নিজেদের জীবনযাত্রা আছে।
তার থেকে তাদের যে মনের প্রকাশ তাই দিয়ে নিজস্ব সংস্কৃতি তৈরি করে। কিন্তু আমাদের যুগে যেটা ঘটেছে সেটা হল, এ যুগে যারা সংস্কৃতির ধারক এবং যাদের হাতে বিত্ত সামর্থ্য, তারা নীচের দিকের সংস্কৃতি ভারচুয়ালি লোপ করে দিয়ে নিজেদের যেটাকে মনে হয় জনসাধারণের সংস্কৃতি হওয়া উচিত, সেটাই চাপিয়ে দিচ্ছে।
এ উচ্চসংস্কৃতি নয়, লোকসংস্কৃতি নয় এ হল পিণ্ডের সংস্কৃতি বা ম্যাসকালচার। এটা হচ্ছে একটা ডেসক্রিপসন – সমকালীন সমাজের।
উপরোক্ত দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে বিচার করুন ভারতীয় বামের পতন। এ-দেশে বামপন্থার প্রবাহ ক্ষীণতর হয়েছে এমনটা যদি তর্কের খাতিরে না-ও মানি, সবাই এটা মানবেন যে, সাবেকি বামপন্থী কর্মীরা আজ অদৃশ্য।
পরার্থপরতার তৃপ্তিতে ভরা যে যুবকের দল বামপন্থী বলে সেলাম কুড়োতেন, তাঁরা যেন কোথায় বিশ্রামে চলে গেলেন। ক্রমশ সে জায়গা ভরাট করল ‘আমি কী পাব’ গানগাওয়া স্বপ্ন-সওদাগরদের দল। কথা ছিল সংসদীয় গণতন্ত্রে ক্ষণিকের অবস্থানের। তাই হয়ে গেল পাকা ঘরবাড়ি, আর তাতে ক্রমাগত সাফল্য দিল আরও টিকে থাকার প্রেরণা। এই টিকে থাকার পথে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষা উঠে এল।
এক, গণপার্টি গড়ে তোলার ডাক এল আশির শুরুতে। দুই, সততা-দায়বদ্ধতায় খামতির প্রশ্ন তুলতেই উত্তর আসতে লাগল গণতন্ত্রে এ সব একটু-আধটু থাকবেই। বিশ্বায়ন খায় না মাথা দেয়, না বুঝলেও এটা বলা শুরু হল যে, বিশ্বায়িত পৃথিবীতে শুধু গরিবের কুঁড়েঘর বানালে চলবে না, কৃষিজমিতে শিল্প করাই উন্নয়ন।
এই বইয়ের লেখক যতটা উজ্জ্বল স্বপ্নেই মশগুল থাকুন না কেন , এ অনস্বীকার্য যে বাম নেতাদের পক্ষে ভুল শোধরানো সহজ নয়। কারণ, তাঁরা গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতার মন্ত্র আওড়ে নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ কায়েম রাখতে চান।
ব্যর্থতার দায় নিয়ে দলের গদি ছাড়তে চান না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ধমক ধামাচাপা দিতে এখন তাঁরা দলের রাজ্য কমিটিতে বয়সের সীমা বেঁধে দিয়ে, বৃদ্ধদের সরিয়ে তরুণ নেতৃত্ব তুলে আনার চিত্রনাট্য সাজাচ্ছেন।
considering the serious tone with which bidwai used to write, this book also exemplifies his zeal for a greater discourse varios topics relevent to india in particular. as a sympethiser of the left in india, biwdai has anslysed it with a robust and lucid style.the book also delved into the space that left used to have in aspects other than political. coming at a time when the left is at their historic low number in parliament , the book is a reminder to both the torchbearer of indian left and common folk alike that it is time for s rethink in its approach
The strength of the Parliamentary left in India is in a downward slide. Be its share of seats in the Parliament, membership to its mass organisations or even subscriptions to its journals, the left (led by the CPI(M)) is vastly reduced numerically. The CPI(M) has acknowledged this retreat and deliberated the actions that need to be taken to stem this slide by holding an Organisational Plenum for the first time since 1978. Unfortunately, even the plenum has not brought any fresh insights or solutions. For the CPI(M), congruence in the quality of its theory and practice seems to have happened at the most inopportune moment. While the problems confronting the Indian left do not have any easy solutions, doing more of the same, as the CPI(M) seems to think may not be the answer.It is at this juncture in the history of Indian Left that Praful Bidwai’s “The Phoenix Moment - Challenges confronting the Indian Left” has been released. https://ajithpadmanabhan.wordpress.co...