১. ইতিহাস লেখার সময় রামকে রাম আর রাবণকে রাবণই রাখতে হয়। কারো ভূমিকা খাটো, অস্পষ্ট বা ভুল রাখা উচিত না। এই বই লেখার সময় এই বিষয়টি মাথায় থাকা দরকার ছিল। ২. সকল অ-হান ভাষার শব্দকে হান-করণ করে বাংলায় ট্রান্সলিটারেট করলে যা দাঁড়ায় সেটা থেকে কোন পাঠকের পক্ষে আরও খোঁজাখুঁজি, অগ্রসর পাঠ কিছুই সম্ভব না। ব্যাপারটা ইচ্ছাকৃত কিনা বুঝলাম না। ৩. ১৯৬৬-১৯৭৬ সালে এই জাতিগুলো ওপর কী কী অত্যাচার করা হয়েছিল তার বিবরণ থাকা দরকার ছিল। ৪. এই জাতিগুলোর ওপর বহু বহু কাল ধরে হান জাতির চালানো নৃতাত্ত্বিক সাম্রাজ্যবাদী আচরণ সম্পর্কে কিছু তো বলা হয়ইনি উলটো সুশীল আচরণ করা হয়েছে। ৫. একটা জাতি নিয়ে লিখতে গেলে কমপক্ষে তাদের উৎপত্তি-ইতিহাস-ভাষা-জীবনাচরণ-শিক্ষা-সংস্কৃতি-সাহিত্য-পোশাক-খাদ্যাভ্যাস-মিথ-লোকাচার-হস্তশিল্প-জীবিকা নিয়ে লিখতে হয়। এখানে তার বেশ কিছু কাভার করা হয়েছে বটে তবে বুড়ি ছোঁয়া আর পুনরাবৃত্তি'র প্রবণতা বেশি ছিল। ৬. ছবিগুলো যথাস্থানে থাকা দরকার ছিল। ৭. বইটির নামই ভুল! এটার নাম 'চীনের ইসলাম ধর্মাবলম্বী দশটি সম্প্রদায়' হতে পারতো। কারণ, একটা জাতির সবাই একই ধর্মে বিশ্বাসী হবার সম্ভাবনা খুবই কম। তাছাড়া কোন জাতির নামের আগে সংখ্যার ভারিত্ব বা ধর্মের রঙ লাগানোটা ঐ জাতির মানুষের প্রতি শাসকগোষ্ঠীর মনোভাবের পরিচয় বহন করে। একটা 'গণপ্রজাতন্ত্র' এমন আচরণ কীকরে করে! ৮. আরও কিছু বলার ছিল, কিন্তু বলে কী লাভ!