স্নায়ুযুদ্ধকালে ১৩৬ জন ডিপ কাভার এজেন্ট ছড়িয়ে দেওয়া হয় যুক্তরাষ্ট্রে । যাদের সম্মোহিত করে রাখা হয়। একটা ফোন কলেই তারা মেতে উঠবে ধ্বংসলীলায়। যখন সারাবিশ্ব আশা করছে শান্তি, তখনই ফোনকল আসা শুরু হয় ।
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
রাশিয়া, স্টালিন পন্থিদের বিশাল একটা দল বর্তমান কমিউনিস্ট সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করতে চায়। এই ষড়যন্ত্রে অংশ নেয় কেজিবির বড় একটা অংশ। ষড়যন্ত্র ব্যার্থ হয়। মারা পড়ে কেজিবির অধিকাংশ এজেন্ট আর বাকিরা যায় পালিয়ে। এতে করে কেজিবির অবস্থা ধংসপ্রায়। ডকুমেন্টস চেক করতে গিয়ে দেখা গেল টেলি - বম্ব বুক উধাও। বেলজিয়াম, কেজিবি পরিচালিত একটা ব্যাংকে ডাকাতি হয়। চোর নিয়ে যায় এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অথচ রেখে যায় মিলিয়ন পরিমাণ পাউন্ড আর ফ্রাংক। কেজিবির মতে এটা নিছক কোন চুরি নয়। এর পিছনে অন্য কোন কারণ আছে। দক্ষিণ আমেরিকা, প্লেন ক্রাশে মারা পড়ে একশোর বেশি লোক। দক্ষিণ আমেরিকার এক বারে দেখা যায় এক লোক ড্রিংক করছে। লোকটা হিটলারের ঘনিষ্ট সহযোগী ছিলো। উত্তর আমেরিকা, এক লোক গাড়ি ভর্তি বোমা নিয়ে আছড়ে পড়লো স্থানীয় আর্মি ব্যারাকে। এক মহিলা এ্যাকসিডেন্ট ঘটিয়ে এয়ারবেসের সব জেট ফুয়েল পুড়িয়ে ফেললো। মার্কিন নারকোটিকস গ্রুপ জাহাজ ভর্তি হেরোইন আটক করে। টোর্যান্স ন্যাভাল কমিউনিকেশন সেন্টারে বোমা ভর্তি প্লেন নিয়ে হামলা চালায় এক প্রাইভেট পাইলট। একে একে আমেরিকার বুকে লুকানো রাশান হিউম্যান টাইম বম্ব চালু হয়ে গেছে। যেভাবে হোক সেটা বন্ধ করা চাই। কেজিবির এক বিশ্বাসঘাতক এজেন্ট তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করতে চলেছে। আক্রমন চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায়। কেজিবির অনুরোধে ঢেকি গিললো মাসুদ রানা। চলছে আমেরিকা, যেখানে ওঁৎ পেতে আছে সি আই এ। মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা খেলায় মেতে উঠলো রানা।