কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
প্রথম খন্ড পড়ার পর দ্বিতীয় খন্ড খুঁজে পাই নি। সাত বছর পর দ্বিতীয় খন্ড পড়তে গিয়ে বুঝলাম স্মৃতিশক্তিটা বেশ ভালোই ছিলো। নইলে সাত বছর পর প্রথম খন্ড না পড়েই তরতর করে দ্বিতীয় খন্ড পড়তে পারার কথা না। সনেটের ক্ষেত্রে অষ্টকে হয় ভাবের প্রবর্তনা, ষটকে পরিণতি। এই বইয়ের প্রথম খন্ডটা মোড়া ঘনীভূত রহস্য, রহস্য উন্মোচনের সূচনা দিয়ে শেষ। দ্বিতীয় খন্ডে জারিজুরি ফাঁস ও থ্রিল। প্রথম খন্ডটাই তুলনামূলক বেশী ভালো লেগেছে। কাসলারের গতানুগতিক ট্রেজার হান্ট, লস্ট সিভিলাইজেশন হান্ট প্রোগ্রামের সাথে এখন অনেকটা পরিচিত। তাই বোধহয় দ্বিতীয়টা অতো ভালো লাগে নি। স্কুল পড়ুয়া কিশোর আর ভার্সিটি পড়ুয়া তরুণের সরলতা, মুগ্ধ হবার ক্ষমতার পার্থক্যই পার্থক্য গড়ে দেয়।
বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের মতো একের পর এক নিখোঁজ হচ্ছে জাহাজ। তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের এস.এস.তুরাগও। সৌকতে সাঁতার কাটতে গিয়ে রানার চোখে পড়লো পানির ওপর ভাসতে থাকা হলুদ রঙের একটি ব্যাগ। তীব্র স্রোতের প্রতিকূলে সাঁতার কেটে সেই ব্যাগ রানা নিয়ে এলো ডাঙ্গায়। ব্যাগের গায়ে লেখা ইউ এস নেভি। ব্যাগ খোলার পর পাওয়া গেলো হারিয়ে যাওয়া ডুবোজাহাজ স্করপিয়নের অবস্থান।
প্রথম পর্ব বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়!
প্রশান্ত মহাসাগর! এই সাগরেরই অশান্ত জলে ডুবেছে অনেক জাহাজ!সবসময় কি প্রকৃতি??নাকি কোন অন্য হাত থাকতে পারে এর পিছনে?কি হল সদ্য কেনা এস এস তুরাগ কিংবা যুক্তরাষ্ট্র এর সর্বাধুনিক সাবমেরিন স্করপিয়নের ! এভাবেই এগিয়েছে আরেক বারমুডা এর কাহিনী!
এস এস তুরাগের নিখোঁজ খবর জোগাড় করতেই মরতে হল রফিককে! শুরু হল রানার অভিযান! তবে এই প্রশান্ত মহাসাগরের অশান্ত জলই রানাকে দিল এক উপহার! এমনই উপহার যা ডেকে আনল মরণ ডাক! এরপর নানা ঘটন- অঘটন এর ভিতর দিয়ে এগিয়ে চলেছে কাহিনী! সেরা মাসুদ রানা হয়ত না! তবে পড়ার মতো বলাই যায়!