দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হারানো এক মূল্যবান দলিল খুঁজতে চলল তিন গোয়েন্দা, সঙ্গী হলো দুর্ধর্ষ বেদুইন ওমর শরীফ। ক্যারিবিয়ানের হাজারো দ্বীপের মধ্যে থেকে খুঁজে বের করতে হবে ওটা। আগেই গিয়ে বসে আছে ওখানে পুরানো শত্রু জেনারেল ব্রন ডুগান। হাত মিলিয়েছে পটাশিয়াম সায়ানাইডের চেয়ে বিষাক্ত ফ্রিক সায়ানাইডের সঙ্গে। মারাত্মক বিষধর ফার-ডি-ল্যান্সের ভয় দেখালো সে। আকাশ ছেয়ে দিল লাল ফ্ল্যামিঙ্গোর ঝাঁক। ষোলোকলা পূর্ণ হলো এবার। দলিল খোঁজা তো দূরের কথা, প্রাণ বাঁচানোই দায়!
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
গল্পে উপস্থিতি ঃ ওমর, জেনারেল উইলার্ড ব্রন ডুগান(খল)
জ্যামাইকার একটি দ্বীপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধাপরাধী এতদিন ফর্মুলা সমেত লুকিয়ে থাকার পর, মৃত্যুর আগে জানিয়ে যায় তার বন্ধু ডুগানকে। ক্যাপ্টেন ইয়ান ফ্লেচার এর ভাষায় ঃ "ভয়ংকর মারণাস্ত্র। যুদ্ধের শেষ দিকে এর ফর্মুলা তৈরি করেছিল জার্মান বিজ্ঞানীরা। কাজে লাগাতে পারেনি। পারলে নিত্রবাহিনীকে কাবু করতে সাত দিনও লাগত না হিটলারের। হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে আর কি বোমা ফেলেছে। ভি এইটিনকে উন্নত করতে পারলে মুহূর্তে পৃথিবীটাকেই উড়িয়ে দেয়া যায়...।" ফর্মুলা দুগানের হাতে পড়া প্রতিহত করতে জ্যামাইকা উপস্থিত হয় তিন গোয়েন্দা এবং ওমর।
Tags : স্কারলেট ফ্লামিঙ্গো, জ্যামাইকার সমুদ্রতীর (রকিব হাসানের সাহিত্য শৈলী পাঠককে যেখানে বিনা টিকিটে ঘুরিয়ে নিয়ে আসবে)