Jump to ratings and reviews
Rate this book

বউ টুবানীর ফুল

Rate this book

Unknown Binding

8 people are currently reading
86 people want to read

About the author

Jasim Uddin

57 books87 followers
Jasimuddin (Bangla: জসীম উদদীন; full name: Jasimuddin Mollah) was a Bengali poet, songwriter, prose writer, folklore collector and radio personality. He is commonly known in Bangladesh as Polli Kobi (The Rural Poet), for his faithful rendition of Bengali folklore in his works.

He obtained his BA degree in Bengali from the University of Calcutta in 1929 and his MA in 1931. From 1931 to 1937, Jasimuddin worked with Dinesh Chandra Sen as a collector of folk literature. Jasimuddin is one of the compilers of Purbo-Bongo Gitika (Ballads of East Bengal). He collected more than 10,000 folk songs, some of which has been included in his song compilations Jari Gaan and Murshida Gaan. He also wrote voluminously on the interpretation and philosophy of Bengali folklore.

Jasimuddin started writing poems at an early age. As a college student, he wrote the celebrated poem Kabar (The Grave), a very simple tone to obtain family-religion and tragedy. The poem was placed in the entrance Bengali textbook while he was still a student of Calcutta University.

Jasimuddin is noted for his depiction of rural life and nature from the viewpoint of rural people. This had earned him fame as Polli Kobi (the rural poet). The structure and content of his poetry bears a strong flavor of Bengal folklore. His Nokshi Kanthar Maath (Field of the Embroidered Quilt) is considered a masterpiece and has been translated into many different languages.

Jasimuddin also composed numerous songs in the tradition of rural Bengal. His collaboration[4] with Abbas Uddin, the most popular folk singer of Bengal, produced some of the gems of Bengali folk music, especially of Bhatiali genre. Jasimuddin also wrote some modern songs for the radio. He was influenced by his neighbor, poet Golam Mostofa, to write Islamic songs too. Later, during the liberation war of Bangladesh, he wrote some patriotic songs.

Jasimuddin died on 13 March 1976 and was buried near his ancestral home at Gobindapur, Faridpur. A fortnightly festival known as Jasim Mela is observed at Gobindapur each year in January commemorating the birthday of Jasimuddin. A residential hall of the University of Dhaka bears his name.

He was honored with President's Award for Pride of Performance, Pakistan (1958), DLitt. by Rabindra Bharati University, India (1969) Ekushey Padak, Bangladesh (1976), Independence Day Award (1978).

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (9%)
4 stars
4 (18%)
3 stars
5 (22%)
2 stars
7 (31%)
1 star
4 (18%)
Displaying 1 - 5 of 5 reviews
Profile Image for প্রিয়াক্ষী ঘোষ.
368 reviews39 followers
October 8, 2021
কবি জসীম উদদীন এর বড় ছেলে খুরশীদ আনোয়ার জসীম উদদীন থাকতেন জার্মানীতে তখন কবি জীবিত ছিলেন। কবির মৃত্যুর পর তিনি মাঝে মাঝে দেশে আসতেন এবং কবির নিঃশেষিত গ্রন্থসমূহ পুনঃপ্রকাশ ও অপ্রকাশিত পান্ডুলিপি প্রকাশ করতেন। কবির মৃত্যুর ১৪ বছর পর আনকোরা এক পান্ডুলিপি হাতে আসে, যা " বউ টুবানীর ফুল"।

সয়লা কাজী বাড়ীর মেয়ে। কাজী সাহেব খুব সাদাসিধা মানুষ, বাড়ীর কর্তত্ব সব গৃহিণী মমিনা বিবির উপর।
সয়লার মেজভাই আজগরের
পরম বন্ধু আরিফ। আরিফ আর্ট কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। সেখানে বড় বড় শিল্পীদের কাছে সে ছবি আঁকা শেখে, নিজেও ভালো ছবি আঁকে।
গ্রামে আসলে আজগরের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মত বিরোধ ও তর্ক হয়, তবে বন্ধুত্ব অটল থাকে।
দুই বন্ধুর তর্কে উঠে আসে আমাদের অজ্ঞ সমালোচকদের কথা, সাহিত্যের সেই সময়ের অবস্থা, বিশ্বসাহিত্য নিয়ে আমাদের ভাবনা ও তার গ্রহনযোগ্যতা, আমাদের গোষ্ঠীবদ্ধ কিছু লেখকদের মেরুদণ্ডহীনতাও ও চাটুকারিতা তাদের তর্কে বিষয় হয়ে থাকে।

আজগর চায় সয়লার সাথে আরিফের বিয়ে দিতে কিন্তু সে ছবি আঁকে, যার কোন ভবিষ্যত সুনিশ্চিত নয় এমন ছেলের সাথে মেয়ের বিয়ে দিতে রাজি হয় না মমিনা বিবি। এই রাজি না হওয়ার ফলের সয়লা বুঝতে পারে সে আরিফকে পছন করে। একটা সময় পরিবারের সিদ্ধান্ত ই অটল থাকে, আরিফের শিল্পী জীবনের মাঝ থেকে হারিয়ে যায় তার অনুপ্রেরণা।

কবি জসীম উদদীন এর " বউ টুবানীর ফুল" একটি উপন্যাস। এতে গ্রামীন তরুণ তরুণীর প্রণয়, প্রতিকূলতা, বাস্তবতা, রক্ষণশীল সমাজ, অগোছালো সমাজ ব্যবস্থা ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার উপর বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গেছেন।
তাছার তিনি বিশিষ্ট সব চিত্রশিল্পীদের কাছাকাছি এসেছিলেন তার প্রভাবটা দেখিয়েছেন এই উপন্যাসে। নিজে উপস্থিত থেকেছেন উপন্যাসের পটভূমিতে তাছাড়া কাহিনি, চরিত্র এবং লেখকের চিরচেনা সেই টুকরো টুকরো কাব্যের উপস্থিত উপন্যাস টাকে এক আলাদা বৈশিষ্ট্য এনে দিয়েছে।
Profile Image for Muhammad Kamruzzaman.
33 reviews9 followers
June 26, 2017
বউ টুবানীর ফুল জসিমউদদিন এর জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয়নি। তার ছেলে বাবার অপ্রকাশিত পান্ডুলিপি এর সংগ্রহ থেকে বউ টুবানীর ফুল প্রকাশের উদ্যোগ নেন এবং ১৯৯০ সালে পলাশ প্রকাশনী থেকে বইটি প্রকাশিত হয়। "বোবা কাহিনী" পড়ে খুব ই আনন্দ পেয়েছিলাম, কবিতার নিয়মিত পাঠক না হলেও "সোজন বাদিয়ার ঘাট", "নকশী কাঁথার মাঠ" পড়ে বিমোহিত হয়েছিলাম। অনেক আশা নিয়ে বইটি শুরু করে খুব হতাশ হলাম। নিমাই ভট্টাচার্যের মেমসাহেবের মত বিরক্তিকর বই, যাদের মেম সাহেব ভাল লেগেছে, তাদের এই বই ভাল লাগতেও পারে। তবে বইয়ের নামটি আমার খুব ই ভাল লেগেছে, পাট ক্ষেতের বউ টুবানী ফুলের কথা অবশ্য পল্লীকবি হর হামেশাই উল্লেখ করতেন। বইয়ের শুরুটা খুব ই আশাব্যঞ্জক ছিল। পুরো লেখাটা পড়ে মনে হয়েছে, এই লেখা ছাপানোর বিন্দুমাত্র ইচ্ছা লেখকের ছিল না, এবং তাই ই হয়তো তার জীবদ্দশায় বইটি প্রকাশিত হয়নি।
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
296 reviews26 followers
March 8, 2024
শুরুতে এই গল্পটা বেশ ভালো ভাবেই এগোচ্ছিল। গল্পটা সয়লার। হুম এই গল্পের নায়িকা সয়লা এবং মেয়েটির বয়স কিন্তু খুব বেশি নয়। স্কুলে পড়ছে সবেমাত্র নবম শ্রেণীতে। সয়লাকে নিয়ে গল্প এগিয়ে যাবে আমাদের "বউ টুবানির ফুল " বইয়ে। গল্পটা শুরু করি তাহলে।

" সখা, তোমার হাওয়া লাগলে হিয়ায়
তবু কি প্রাণ গলবে না!"

দাদীর কাছে ছোটবেলা থেকেই নানান আদব কায়দা শিখেছে সয়লা। কাজিবাড়ির মতো বংশীয় ঘরের মেয়ে সে। আদব কায়দা তো জানাই দরকার। দাদীকে অবশ্য কেউ পছন্দ করে না। বয়স হলে মানুষ বোধহয় সংসারে বোঝা হয়ে যায়। কিন্তু সয়লা দাদীকে খুব ভালোবাসতো। দাদীর কথাগুলো তাঁর কাছে সব সত্যি এবং সে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে দাদীর প্রতিটি কথা সে পালন করবে।

আরিফ ছবি আঁকে, ক্যানভাসে তুলে ধরে নিজের সকল চিন্তা। শিল্পী মনের সাথে সাথে প্রতিভাও বেশ। সয়লার ভাই আজগরের বন্ধু সে। বন্ধুত্বের সুবাদে প্রায়শই আসে সয়লাদের বাড়িতে। এবং লক্ষ্য করা যায় সয়লার জন্য আরিফের মনে একটা জায়গা তৈরি হয়েছে। যে স্থান শুধু দেয়া যায় কাউকে মন থেকে ভালোবাসলে। তাঁর হিয়ার মাঝে কী তবে সয়লা লুকিয়ে ছিলো এতদিন! আস্তে আস্তে দেখা দিচ্ছে সে মনের ভালোবাসাময় অনুভূতিতে। আজগর বোধহয় তা বুঝতে পেরেছিল।

বুঝতে পেরেই একদিন সয়লা আরিফের বিয়ের চিন্তাভাবনা মাকে জানায়। কিন্তু মা এই বিয়েতে রাজি নন। কারণ আরিফ সামান্য ছবি এঁকে কতই বা রোজগার করে! তাঁর মেয়েকে খাওয়াবে কী সে। মা আপত্তি জানিয়েছে দেখে আজগর অবশ্য দমে যায় না। নানানভাবে মাকে বোঝাতে চেষ্টা করে।

তখন এই গল্পের দ্বিতীয় অধ্যায়ে গ্ৰামের দুষ্টু ছেলে আজিজ যখন তাঁর বাবাকে দিয়ে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায় তখন সয়লার বড় ভাই চাষার বংশ বলে আজিজের বাবাকে খুব অপমান করেন। আজিজ খেপে গিয়ে আরিফ সয়লাকে নিয়ে কুৎসা রটিয়ে দেয়। আরিফের এ বাড়িতে আসা বন্ধ হয়ে যায়।

কিন্তু আরিফের হৃদয় জুড়ে যে রয়েছে তাঁকে কী সহজে ভোলা যায়! আরিফ পাগলপ্রায় হয়ে যায়। সয়লার কথা ভেবে ভেবে সে ক্যানভাসে রঙ ছড়ায়। ওদিকে আজিজ প্রতিশোধ নিতে রমজান নামে এক ছেলের সাথে সয়লার বিয়ে দিয়ে দেয় সয়লার মাকে ঠকিয়ে।

রমজান হচ্ছে আরেক গ্ৰামের বিগড়ে যাওয়া আরেক বখাটে। ক্লাস নাইন অবধি পড়া ছেলেকে মিথ্যা বড়লোক সাজিয়ে সয়লাকে বউ বানিয়ে দেয় আজিজ। তবে সয়লার রূপে রমজান যেমন মুগ্ধ, রমজান নিজেও রাজপুত্রের মতো দেখতে। সয়লা প্রথমটায় প্রবল আপত্তি জানায়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে রমজানকেই বিয়ে করে। সয়লার মা অতি উৎসাহে মেয়ের কতবড় সর্বনাশ করেছেন টেরও পেলেন না।

স্বামীর বাড়ি গিয়ে সয়লার সামনে সব সত্যিটা ধরা পড়ে গেল। এবার সয়লা তবে কী করবে? প্রশ্ন কিন্তু অনেকগুলো। দাদী তাঁকে শিখিয়েছেন স্বামীভক্তির শিক্ষা। স্বামীকে প্রাণপণ ভক্তি, শ্রদ্ধা করতে হবে। স্বামীকে খুশি রাখতে হবে। দাদীর শেখানো কথা কী সয়লা রাখতে পারবে সবকিছু জেনেও, নাকি এবার ফিরে যাবে আরিফের বুকে? আরিফ কী তাঁকে গ্ৰহন করবে? সয়লার জীবন প্রশ্নবোধক চিহ্ন নিয়ে কীভাবে এগোবে দেখা যাক শেষটা।

সয়লার গল্পটা এতক্ষণ ধরে যা বললাম এবার নিজের কিছু অনুভূতি বলা যাক। "বউ টুবানির ফুল"। জসীমউদ্দীন রোমান্টিক জনরায় উপন্যাস লিখেছেন জানার পর কৌতুহল হলো একটু। তখন আসলে গুডরিডসে ছিলাম না বা বইটা সম্পর্কে আমার সামনে কোনো রিভিউ পড়েনি। তাই সত্যি কথা বলতে বইটা দেখেই নিয়ে নিয়েছিলাম শুধুমাত্র বইয়ের নাম আর জসীমউদ্দীনের লেখা বলে।

"এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।"

ছোটবেলায় নানুর মুখে কতবার আবৃত্তি শুনেছি এই কবর কবিতার! নানুর পুরো কবিতাটা মুখস্থ ছিলো একদম। জসীমউদ্দীন এর কবিতার সাথে সেই বোধহয় প্রথম পরিচয়। এরপর পাঠ্যবইয়ে পড়েছি বহু কবিতা। আমি নিজেও কবিতা লিখি এবং কবিতা ভালোবাসি তাই জসীমউদ্দীনের কবিতাও ভালো লাগে বেশ।

জসীমউদ্দীনের উপন্যাস নিয়ে আমার ধারণা ছিলো না কিছুই কেমন লেখেন উনি। "বউ টুবানির ফুল " নিয়ে তাই একটু আশা করেই বসেছিলাম ভালো কিছু পাবো। কিন্তু বিশ্বাস করুন এই বই যদি জসীমউদ্দীন না লিখে অন্য কেউ লিখতো কাহিনী প্লট আরো দারুন কিছু সাজাতে পারতো।

আমার প্রত্যাশার বিপরীতে আমি হতাশ, বিরক্ত। এই বইকে অখাদ্য বলতেই পারি আমি অন্তত জসীমউদ্দীনের লেখার স্বাদ খুঁজে পেলাম না। খুব লুতুপুতু টাইপের প্রেমকাহিনী। গল্পের প্লট দুর্বল আগেই বলেছি তার সাথে হাস্যকর লেগেছে নায়িকা সয়লাকে। অন্তত এ যুগে এমন মেয়ে আছে কী না আমার সন্দেহ। দুর্বল সংলাপ এই বইয়ের আরেকটা বিরক্তিকর দিক বলা চলে।

আমাকে হয়তোবা আপনি বলবেন আমি পাষাণ। আমি আবেগ বুঝি না, হৃদয়ে ভালোবাসা নেই। কিন্তু মশাই আমি রোমান্টিক জনরার বই বোধহয় কম পড়িনি একেবারে। ভালোবাসা এমন লুতুপুতু সংলাপ দিয়ে প্রকাশ পায় বলে আমি মনে করি না। ভালোবাসা প্রকাশের ভঙ্গিটাও হোক ভালোবাসার মতোই রয়াল ভঙ্গিতে। এমন লুতুপুতু সংলাপ আর গল্পে আমার ভীষণ এলার্জি আছে দুঃখিত।

পড়তে পড়তে বারবার ভাবছিলাম সত্যি সত্যি কী এই বই জসীমউদ্দীন লিখেছেন? আর অনেক অপ্রাসঙ্গিক কথা দিয়ে ভরা বইটা যার সাথে মূল কাহিনী অসামাঞ্জস্যপূর্ন। যাই হোক প্রত্যাশা নিয়ে শুরু করেছিলাম হতাশ হলাম। জসীমউদ্দীন বলে রেটিং দুই দিলাম। আর কেউ হলে বোধহয় শূন্য দিতাম।

বইয়ের নাম: "বউ টুবানির ফুল"
লেখক: জসীমউদ্দীন
ব্যক্তিগত রেটিং: ২/৫
Profile Image for Rifat.
502 reviews333 followers
October 30, 2020
এই বইটা পড়ার সুযোগ হয়েছিল এক ছোট বোনের সুবাদে। ৮ম শ্রেণিতে বইটি পুরষ্কার পেয়েছিল সে। বইটি পড়ে এমন ব্যাক্কল বনে গেলাম আমি! এই বই ৮ম শ্রেণির স্টুডেন্টদের পুরষ্কার কিভাবে দেয়, ডিজগাস্টিং😒

বইটা তার ছেলে প্রকাশ করিয়েছিল। এই বই লিখার পরে নিশ্চয়ই কবি সাহেবেরও ভালো লাগে নি আর, তাই প্রকাশও করেন নি হয়তো। এই বই প্রকাশিত না হলে কোনো ক্ষতি ছিল না🙄
Profile Image for Fateha Farzana.
21 reviews9 followers
February 15, 2018
ভালো লাগেনি ...তারপরও যেহেতু জসীমউদ্দিন!
Displaying 1 - 5 of 5 reviews