ভারত-বাংলাদেশ-বার্মা সীমান্তের কাছাকাছি কোথাও জটিল এক ষড়যন্ত্রের আভাস পেয়েছেন মেজর জেনারেল রাহাত খান। তবে কি 'মুসলিম বাংলা' সংক্রান্ত গুজবের কিছু সত্যতা আছে? বিশাল সমুদ্রের বুকে চিনেবাদামের খোসার মত একটি ছোট্ট ইয়টে করে পাড়ি দিল রানা দীর্ঘ নয়শো মাইল। গন্তব্য - ইয়ান গন। প্রাচ্যের দুর্ধর্ষতম দস্যু উ সেন মারা যায়নি প্লেন-ক্র্যাশে। বাংলাদেশের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার এক ভয়ঙ্কর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে সে। রানা চলেছে ছদ্ম-পরিচয়ে তারই দলে যোগ দিতে। কিভাবে বানচাল করবে রানা এই ষড়যন্ত্র? আট হাজার ট্রেইনড গেরিলার তুলনায় রানার শক্তি ও সামর্থ্য কতটুকু?
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
লিজেন্ডারি উ-সেন এর শুরু এই গল্প থেকেই। একশান থেকে স্টোরির পেস আর সাসপেন্স ব্যালেন্স টা পার্ফেক্ট ছিল। দারুন দারুন চরিত্র গুলো সাথে রানার ফেস অফ ছিল খুবই ইন্টারেস্টিং আর বেশ থ্রিলিং।
মাসুদ রানার আরে শত্রু উ সেনের সাথে পরিচয় হয় এই বইয়ে। সুটেড বুটেড ভিলেনরাই সবচেয়ে বেশি ভয়ংকর মনে হয় আমার কাছে। উ সেন সেই কথা রাখে। রানাকে টেক্কা দেওয়ার মতো এল চরিত্র। মার মার কাট কাট না থাকলেও দারুণ সাসপেন্স ছিলো বইয়ে।