Jump to ratings and reviews
Rate this book

Humayun Ahmed (Chronological List) #159

বৃষ্টি ও মেঘমালা

Rate this book
গাড়ি স্টার্ট নিচ্ছে না।
চাবি ঘুরালে ভররর জাতীয় ক্ষীণ শব্দ হচ্ছে। শব্দে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হচ্ছে। । হাসান লীনার দিকে তাকিয়ে বিরক্ত মুখে বলল, কী করা যায় বলাে তাে?
লীনা ঢোক গিলল। হাসানকে সে অসম্ভব ভয় পায়। অফিস-বসকে ভয়। পাওয়া দোষের কিছু না। ভয় লাগামছাড়া হওয়াটা দোষের। হাসান জিজ্ঞেস করেছে— কী করা যায় বল তাে। নির্দোষ প্রশ্ন। স্মার্ট মেয়ে হিসেবে লীনার বলা উচিত ছিল- স্যার চলুন আমরা একটা ক্যাব নিয়ে চলে যাই। তা না বলে সে ঢোক গিলছে। ঠোক গেলার মতাে প্রশ্ন তাে
। পিএ-র প্রধান দায়িতু বসের মেজাজের দিকে লক্ষ্য রাখা। তাঁর সমস্যার সমাধান দেবার চেষ্টা করা। তা না করে সে খাতাপত্র নিয়ে জড়ভরতের মতাে বসে আছে।
হাসান বলল, লীনা কটা বাজে দেখ তাে।
লীনা আবারাে সেঁক গিলল। তার হাতে ঘড়ি নেই। সবদিন ঘড়ি থাকে, শুধু আজই নেই। ঘড়ি পরতে ভুলে গেছে। সে যখন বাসা থেকে বের হয়ে রিকশায় উঠেছে তখন তার মা দোতলার বারান্দায় এসে বলেছেন, ‘লীনা তুই ঘড়ি ফেলে গেছিস। লীনা বলেছে, “থাক লাগবে না। এটা না করে সে যদি রিকশা থেকে নেমে ঘড়িটা নিয়ে আসত। তাহলে সময় বলতে পারত। হাসান বলল, তােমার ঘড়ি নেই ?
স্যার। | ‘ঘড়ি কিনে নাও না কেন ? ঘড়ি ছাড়া কি চলে। এই সময়ে সেকেন্ডে সেকেন্ডে ঘড়ি দেখতে হয়। ঘড়ি তাে এখন শস্তা। তিনশ-চারশ টাকায় সুন্দর সুন্দর ঘড়ি পাওয়া যায়।

118 pages, Hardcover

First published February 1, 2001

7 people are currently reading
310 people want to read

About the author

Humayun Ahmed

456 books2,918 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
217 (25%)
4 stars
323 (37%)
3 stars
257 (29%)
2 stars
49 (5%)
1 star
13 (1%)
Displaying 1 - 30 of 56 reviews
Profile Image for শাহ্‌ পরাণ.
260 reviews74 followers
November 29, 2022
হুমায়ূন আহমেদের লেখা যত বই পড়েছি তার মাঝে বৃহন্নলার পর এই বইয়ের ফিনিশিং আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে। মনে হচ্ছিলো, লেখক এই ফিনিশিং দেওয়ার জন্যই বইটা লিখেছেন। শুধুমাত্র গল্পের সমাপ্তিটাই সুন্দর না, শেষ দুটো পৃষ্ঠা লেখক এতো সুন্দর লেখেছেন যে মুগ্ধ হয়ে পড়েছি। দুই-তিনবার পড়েছি। কখনো মন খারাপ থাকলে অথবা মন ভালো থাকলে এই বইয়ের শেষ দুটো পৃষ্ঠা হয়তো আরো পড়বো।

পুরো বইয়ের জন্য ৩/৫, শেষ দুই পৃষ্ঠার জন্য ১ তারা বোনাস।

গল্পে কতকগুলো বিষয় ফুটে উঠেছে। মোহ আর ভালোবাসা দুটো আলাদা বিষয়। মোহ মানুষের ভালোবাসার উপর চাদর ফেলে দেয়, তখন সেই চাদরের আড়ালে পড়ে ভালোবাসা হারিয়ে যায় কিন্তু মোহের চাদর সরে গেলে আবার ভালোবাসা ফিরে আসে। পূর্ণতা ফিরে আসে।

হাসান সাহেবের প্রতি বেশিরভাগ পাঠকই হয়তো বিরক্ত হবেন, গালাগাল করবেন। কিন্তু আমার মনে হয়েছে লেখক হাসান সাহেবের মাঝে একজন সৃষ্টিশীল মানুষকে রূপায়িত করতে চেয়েছেন। একজন সৃষ্টিশীল মানুষ তার সৃষ্টিকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। তার নিজ সন্তানের থেকেও বেশি। একজন সৃষ্টিশীল মানুষ মাত্রই সে তার সৃষ্টিকে প্রাধান্য দিয়ে দুনিয়ার যাবতীয় কিছুকে অগ্রাহ্য করবে। সৃষ্টিশীল মানুষ চায় তার সকল সৃষ্টি দিয়ে তার চারপাশের মানুষকে চমকে দিতে। এটা এদের কাছে একটা নেশার মতো। লেখক নিজেও একজন সৃষ্টিশীল মানুষ, হাসান সাহবের চরিত্রের মাঝে কি লেখক নিজেকে রূপায়িত করার চেষ্টা করেছেন? হয়তো করেছেন হয়তো না।
Profile Image for সারস্বত .
237 reviews136 followers
June 3, 2017
মাত্র শেষ করলাম হুমায়ূন স্যারের বৃষ্টি ও মেঘমালা বইটি।

স্যারের আরেকটি বই পড়েছিলাম নাম মেঘ বলছে যাব যাব।

আজ পর্যন্ত আমার পড়া যতগুলি চরিত্রের প্রতি বিরক্তি কাজ করে তার মধ্যে মেঘ বলছে যাব যাব উপন্যাসটির তিললী ছিল সবার উপরে। বৃষ্টি ও মেঘমালা পড়ার তিতলীর মত ভয়ানক বিরক্তি এসেছে লীনা উপর। লেখক লীনাকে নরম স্বভাবের মেয়ে বললেও, সম্পূর্ণ ব্যক্তিত্বহীন হিসাবে উপস্থাপন করেছেন। ছোটবেলা থেকে যে ছেলেকে ভালবাসে, যে ছেলে নিজে ঠিকমত না খেলেও লীনার বাড়িতে নিয়মিত ভাল বাজার দিয়ে যায়, তাকে অবহেলা করে কর্মকর্তার সবকাজ মুগ্ধ হয়ে দেখে বেড়ানো কোন উত্তম মানসিকতার মেয়েদের থাকতে পারেনা।

আরেকটি চরিত্র হলো হাসান। মেঘ বলছে যাব যাব উপন্যাসেও মূল চরিত্রের নাম ছিল হাসান। হাসান চরিত্রটি কি আমার খানিকটা মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত মনে হয়েছে। কারণ ছেলে মৃত্যুর পথে শেষবার বাবাকে দেখতে চায় সেই বাবা যদি কাজকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে ছেলেকে দেখতে অনুপস্থিত থাকে তাকে কি বলা যায়? হয় সে প্রচন্ড পাশবিক মানসিকতার মানুষ না হয় সে মানসিকভাবে অসুস্থ।

তবে উপন্যাসটি অসাধারণ। অসাধারণ বলেই যেকোন পাঠকের উপর নেতিবাচকভাবে হলেও প্রভাব বিস্তার করবে
Profile Image for Turna Dass.
146 reviews
October 22, 2025
বইটা দেখে অজান্তেই আমার চোখের কোণে অশ্রু গড়ানো শুরু করল।
প্রায় ২-৩ বছর আগে যখন আমি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমান লাইব্রেরিতে সদস্য হবার ৬-৭ মাসে পা দিই,তখন একবার সেখানে বই ফেরত দিতে গিয়ে লাইব্রেরিয়ানের সহকারী আঙ্কেল আমার হাতেই এই বই ধরিয়ে দিয়ে বললেন,"মামণি,একবার বইটা নিয়ে যাও,পড়ো।অনেক ভালো লাগবে।বইটা আমার প্রিয়।"আমি একটু অবাক হয়েই আঙ্কেলের কথামতো বইটা নিয়ে গিয়ে বাড়িতে পড়ে ফেলি।বেশ ভালো লেগেছিল।আর ফেরত দেবার সময় আঙ্কেলকে ধন্যবাদ জানাতে ভুলিনি।

এখন সেই ভ্রাম্যমান লাইব্রেরি সাময়িকভাবে বন্ধ,ইশ্,কতদিন আঙ্কলদের হাসিমুখ দেখিনা...অনেক ভালোবাসত আমাকে!

আবার কখনো বইটা পড়লে প্রতি পাতায় পাতায় সেই সোনালি-রূপালি স্মৃতি মনে ধাক্কা দিবে....

তূর্ণা তোমাদের এখনো অনেক মিস করে!ইশ্‌,আমি কান্না থামাতে পারছি না কেন?

Nostalgia!
Profile Image for Fatema-tuz    Shammi.
126 reviews21 followers
November 14, 2020
এটা ছিল আমার পড়া হুমায়ূন আহমেদ এর প্রথম বই। হঠাৎ করে আজ হাতে নিলাম বইটা।আমি পড়ার চিন্তা করিনি ঠিক ই,তবুও পড়া হয়ে গেলো! শেষদিকে এসে বিষন্ন টাইপ হয়ে গেছে বইটা।অন্তুর জন্য কষ্ট হয়,কষ্ট হয় হাসানের জন্য ও!

হুমায়ূন আহমেদ খোয়ালি মানুষ ছিলেন। খেয়ালি চরিত্র ও তাই উনি গভীর মমতা দিয়ে তৈরি করতেন। হাসান চরিত্র টা এমনই।অদ্ভুত লাগে আবার একটা মায়া ও কাজ করে৷ কিন্তু উনার তৈরি করা অতি মায়াবতী লীনা টাইপ চরিত্র গুলারে আমার খুব বিরক্ত লাগে কেন জানি –_–

Profile Image for Anika Tabassum .
88 reviews16 followers
December 29, 2021
শুরুটা কি সুন্দর!
অথচ শেষটা বিষণ্ণতায় মোড়ানো....
Profile Image for Farzana Raisa.
41 reviews4 followers
January 18, 2024
"কিশোরী মেয়েদের একটা সুবিধা আছে; তারা প্রেমে হাবুডুবু খায়, আবার একসময় ভেসে ওঠে। হাঁসের মতো শরীর থেকে পানি ঝেড়ে ফেলে প্যাকপ্যাক করতে করতে বাড়ি চলে যায়।"
Profile Image for Tamanna Binte Rahman.
184 reviews140 followers
November 19, 2022
প্রচন্ড অনিচ্ছা নিয়ে বইটা পড়তে শুরু করেছিলাম। পড়তে মোটেও ভাল লাগবেনা জানতাম আগেভাগেই। লেখকের বই পড়া ছেড়ে দিয়েছিলাম বেশ অনেক বছর। বইয়ের অর্ধেকাংশ শেষ হবার পরে খুশিই ছিলাম ভেবে যে আমার ভবিষ্যৎবাণী মিথ্যে হয়ে যাচ্ছেনা। ঘটনার শুরু এরপর থেকে। গল্পের এক পর্যায়ে জয়সালমিরের মরুভূমিতে জোছনা দেখার বিষয়ে অভূতপূর্ব বর্ণনা আসলো। কিছুদিন আগেই জয়সালমিরে পূর্ণিমায় মরুভূমি দেখতে পাবার সৌভাগ্য হয়েছিল, তাই ব্যাপারটা সাথেসাথে হৃদয়াঙ্গম করে ফেলাটা সহজ হল। সেই সাথে লেখকের লেখনীর ভয়ঙ্কর সাইকোলজিকাল গেইমের মাঝে পড়ে গেলাম। এবার এই গল্প থেকে উঠব সেটা কার সাধ্যি!

আমারো উঠা আর হলোনা। লীনা, হাসান, ফিরোজের চক্রে বক্রে পড়ে যা-তা অবস্থা দাঁড়ালো। লেখকের ব্যাক্তিগত জীবন এত বেশি চর্বিতচর্বন হয়েছে যে তাকেই হাসান মনে হচ্ছিল বারবার। অবশ্য অন্য অনেককেই মেলানো যায়। আবার ফিরোজ নামের যে চরিত্র তাদেরকেও বাস্তব জীবনে পাওয়া যায়। যাই হোক মূল কথায় আসি। গল্পে অনেক দার্শনিক মতবাদ দেবার চেষ্টা করেছেন লেখক। বরাবর এসব মতবাদ তিনি অন্য লেখাতেও লিখেছেন এবং পাঠকের উপরে তার দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে সফলও হয়েছেন। এখানেও তাই করেছেন, একইসাথে কিছু সত্যি কথাও লিখেছেন। যেমন-

প্রতিভাশূণ্য সাধারণ মানুষের সাথে জীবন-যাপন করতে কোনো একসাইটমেন্ট নাই। কারণ তাদের জীব��� সরল, সেখানে ড্রামা নেই। কোনো মেয়ের জন্য এই জীবন আদর্শ জীবন না।

যাদের ভেতর অন্ধকার তারা আলো নিয়ে খেলতে পারেনা। ভুলও হতে পারে সেটা। হতে পারে তারাই আলো নিয়ে খেলে যাদের হৃদয়ে গভীর অন্ধকার।

ও, আচ্ছা, ভাল কথা। লেখকের অন্যান্য লেখার মত গল্পটা হেঁয়ালী করে never ending হিসেবে ছেড়ে দেয়া হয়নি। ঠিকঠাকভাবে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে।

এরকম রুঢ় বাস্তবতা তুলে ধরবার জন্য অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে ৫ দিতে হল।
Profile Image for Zahidul Islam Sobuz.
94 reviews3 followers
November 12, 2024
আমি কি এটা হুমায়ূনের আহমেদের সবচেয়ে বিষণ্ণ সুন্দর উপন্যাস বলতে পারি?
Profile Image for Jenia Juthi .
258 reviews66 followers
September 25, 2020
মন খারাপ করে দেওয়ার মতো একটা বই! :-(
নিজের স্বপ্ন দিয়ে অন্যকারো স্বপ্ন পূরণ করার ব্যাপারটা কী তা বুঝলাম।
Profile Image for Rajeswari Roy.
50 reviews
March 6, 2019
আহ।একতরফা মুগ্ধতার কষ্ট........ 💔
Profile Image for Marzia Tabassum.
34 reviews2 followers
November 21, 2025
শুধু এই লীনা চরিত্রটার জন্য একটা তারকা কম দিলাম। অসহ্যকর রকমের গাধা টাইপ রমণী। ব্যক্তিত্বের ছিটেফোঁটাও নেই এই চরিত্রের, কী যে বিরক্ত হয়েছি!
তবে অন্তুর আঁকা ছবিটা আর শেষ অংশ টুকু সুন্দর ছিলো, বিষন্ন সুন্দর। এজন্যই বোধ হয় বিরক্তি না, বরং মন খারাপ নিয়েই বইটা শেষ করলুম। ☹️
Profile Image for Ësrât .
515 reviews85 followers
September 28, 2022
প্রিয় গল্পের পছন্দের মানুষটিকে অনায়াসে পরপারে পাচার করে দেওয়ার সিদ্ধহস্ত ক্ষমতা নিয়ে হুমায়ুন আহমেদ লেখালেখি করতেন।


রেটিং:✨🌟⭐🌠
২৮/০৯/২২
Profile Image for Bhabna Islam.
33 reviews1 follower
October 6, 2024
শেষ দুই পৃষ্ঠা এতো সুন্দর! বইয়ে সমাপ্তি দিয়েছেন লেখক।
অন্তুকে আমার অনেক দিন মনে থাকবে, অনেকদিন!
Profile Image for Tawheeda Rufah Nilima.
294 reviews58 followers
July 17, 2021
বইটা দ্বিতীয়বারের মতো পড়লাম। প্রথম বার পড়ার পরে ভেবেছিলাম আর কোনোদিন এই বইটা পড়বো না। কিন্তু আজ পড়লাম।

বইটা এখনো প্রিয়।
Profile Image for Rahat Rubayet.
109 reviews8 followers
December 31, 2020
বছররের শেষটা করলাম হুমায়ুন আহমেদের বই দিয়েই।
বই এর শেষটা অসাধারণ লেগেছে।
হাসানের যায়গায় নিজেকে কল্পনা করছিলাম পুরোটা সময়ে।
Profile Image for Sumaiya Islam.
9 reviews42 followers
October 8, 2019
It's not a complete review!All about me only!So ignore! :)
মিলির দোতলা বেডে শুয়ে ফোনের ফ্ল্যাশলাইট দিয়ে কোনো এক বৃষ্টির রাতে এই বইটি পড়েছিলুম।
হুমায়ূন পড়ার পড়ে অই কিছুক্ষণ ই ফিলিংস থাকে,ঘুম থেকে উঠার পরে সব হাওয়া!
সো বইয়ের নামধাম কাহিনী সব ভুলে গিয়েছিলুম।
এখন বইটি গিফট পেয়ে নতুন চকচকে পেইজ দেখে এই অলস-ভাল্লাগেনা মূহুর্তে পড়ব ভেবেছিনু,দেখি আরেহ!কাহিনী ত পরিচিত লাগে।তাও একবার রিওয়াইন্ড করলাম।
তবে প্রথমবার হয়ত ভালোলেগেছিল।
কিন্তু এখন আমি বিরক্ত লীনা,হাসানের মতো চরিত্রগুলোর উপর।

[বিঃদ্রঃএই বইটি গিফট দেয়ার পিছনে বইটির হয়ত কোনো স্পেশালিটি আছে তেমন কোনো ব্যাপার না।গিফটদাতা একটিমাত্র লাইব্রেরী খুঁজে পেয়েছে,এবং সে এই বই নিজে না পড়লেও তার পছন্দ হয়েছে বলে নাকি কিনেছে।
মানুষজন আজকাল কতো বিজি!একপ্রকার দায়সাড়াভাবেই গিফট দিয়ে ভালোবাসা দেখায়! :( ]
Profile Image for Nasrin Shila.
266 reviews88 followers
October 27, 2019
হুমায়ুন আহমেদের অনেক বইতেই তার ব্যক্তিগত জীবনের প্রভাব এসেছে। এখানেও তাই। হাসান চরিত্রটি তিনি নিজের আদলে তৈরি করেছেন। হাসান স্বপ্নের পেছনে ছুটতে ছুটতে পরিবার থেকে দূরে সরে গেছে। নুহাশ পল্লীকেও হয়ত তিনি মায়ানগর হিসেবেই তৈরি করতে চেয়েছিলেন। হাসানের প্রথম কাজ, পানিতে ডুবে থাকা পরী না থাকলেও মৎস্যকন্যা নুহাশ পল্লীতে আছে।

আমার মনে হয় যে, এসব অতি মেধাবী, স্বপ্নে বিভোর, আনমনা মানুষদের আসলে পারিবারিক জীবনে না জড়ানোই ভালো। খামোখাই যার সাথে জড়ায়, তারা সবাই একটা দোটানায় পড়ে যায়।
Profile Image for Old_Soul_Reads.
109 reviews9 followers
January 2, 2024
লীনা একটা প্রচন্ড বিরক্তিকর মেয়ে। গায়েপড়া এবং ব্যক্তিত্বহীন। পুরো বইটাতে যতবার লীনার প্রসঙ্গ এসেছে ততবারই বিরক্ত হয়েছি।
কিন্তু শেষটা...
উপসংহারটা পড়ে পুরো বইয়ের বিরক্তি মুছে গেছে। শেষটা লেখার জন্যই বুঝি হুমায়ূন আহমেদ এই বইটা লিখেছেন!
He never fails to bring tears to my eyes.
অন্তুকে অনেকদিন মনে থাকবে। অনেকদিন।
Profile Image for Sabbir Hossain Abir.
114 reviews40 followers
May 20, 2024
গল্পের জাদুকরের জাদু :) গল্পের শেষের দিকে মন খারাপ করে দেয়া এই লোকের কাজ ছিলো :) মন খারাপ থাকলে ফিরে আসি আবার মন খারাপ নিয়ে ফিরে যাই।
Profile Image for Alvi Rahman Shovon.
472 reviews15 followers
August 14, 2024
সুন্দর উপন্যাস! শেষটায় এসে হাসানের জন্য খারাপ লাগলো।
Profile Image for Samia Rashid.
297 reviews15 followers
June 14, 2025
হুমায়ূন আহমেদের সুন্দর বইগুলো কেন বিষন্ন হয়? নাকি তার বিষন্ন বইগুলোই সুন্দর হয়? জানি নাহ। তার কিছু কিছু বই পড়তে গেলেই এই অনুভূতিটা জাগে।
Profile Image for Abrar Rofique.
5 reviews1 follower
December 26, 2020
ইয়াকুব সাহেবের বিদেশ থেকে আসা নাতনীর জন্য,বিশাল কর্মযজ্ঞ।অনেকটাই ফ্যান্টাসির আদলে তৈরি এই শখের নাম মায়ানগর।মায়ানগরীর সমস্ত কাজের বোঝা সামলে উঠতে গিয়ে হাসানের পরিবার আর সম্পর্কগুলো ছুটতে শুরু করে।তার সহকারী লিনা ও আলাদা হয়ে পড়তে থাকে নিজের মা, বোন বীনা আর ফিরোজের কাছ থেকে।মায়ানগরীর মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে ওদের মনে হয়,এই বালির বোঝা সরে ক্রমেই হয়তো খালের জল বয়ে ঝরনার জন্ম হবে।হাঁটু পানিতে দাঁড়িয়ে থাকবে বিচিত্র সব ডাইনোসোর।চাঁদের আলোয় পানির রঙ বদলে যাবে।জোছনা রাতে শালবনে বসে,জীবনবিভ্রান্তির গল্প  হবে।হাসানের স্বাদ জাগে তার স্ত্রী নাজমা একটা সাদা শীফন শাড়ি পড়ে মায়ানগরীর শালবনে বসে, সংসার নিয়ে ঝগড়া করুক।কিন্তু নাজমা,অন্তু,ন���তু কেউই এলো না,মায়ায় পড়লো না তার মায়া নগরীর।
জুন মাসের নয় তারিখ চলে এলো,ইয়াকুব সাহেব তার নাতনী এলেন কে নিয়ে অন্তু আর হাসানের অপেক্ষা করছে।হাসান জানে,অন্তু ফিরবে না,মাদ্রাজের এক হাসপাতালে অন্তু যখন নিজের শেষ নিশ্বাস নিয়ে মায়ের হাত ধরে বাঁচার চেষ্টায় ব্যস্ত,হাসান তখন ছিল মায়ানগরীর গোলকধাঁধায়।যেখানে একটা ছেলে কান্না করছে,তার কান্না শোনা যায় কিন্তু তাকে দেখা যায় না।ইয়াকুব সাহেব,হাসান কে চিৎকার করে ডাকছেন,কিন্তু তার সেদিকে ভ্রুক্ষেপ  নেই।তার কল্পনায় এখন এক মায়াদ্বীপের ছবি।যে দ্বীপে শুধুই কদম ফুল।আকাশে বৃষ্টি ও মেঘমালা জমে উঠেছে।কদম গাছের আড়াল থেকে অন্তু হাসান কে ডাকছে,এইতো বাবা আমি এইখানে!
Profile Image for Kazi Md. Al-Wakil.
297 reviews6 followers
November 30, 2021
হাসানদের অফিস ছোট। সে বস, তার পিএ লীনা ও একজন পিয়ন। গল্পের শুরু হয় হাসান ও লীনার মাধ্যমে। ইয়াকুব নামের একজন ধনী মানুষ তার নাতনীর জন্য একটি পার্ক বানাতে চান, সেই পার্ক বানানোর দায়িত্ব তিনি হাসানদের দিয়েছেন। লীনা ও হাসান এর সম্পর্ক যেকোনো বস, পিএ দের মতোই। কিন্তু লীনা তার বস হাসান এর প্রেমে গভীর ভাবে আচ্ছন্ন। কখনো যদি তার মা অথবা ছোট বোন বীনাকে চিঠি লেখে তাহলে হাসান সম্পর্কিত কথাই থাকে মূল বিষয়। ছোট বোন বীনা এই ব্যাপারটি জানে এবং লীনাকে মাঝে মাঝেই কথা শোনায়। তাছাড়া লীনার বিয়ে ঠিক হয়ে আছে ফিরোজ এর সাথে। ফিরোজ খুবই সহজ সরল একটি ছেলে। লীনার ভাই এর বন্ধু। ফিরোজ এর আফসোস যে সে খুবই বোরিং। হাসান এর পরিবারে হাসানের বউ নাজমা, তার ২ ছেলে মেয়ে অন্তু, নীতু আছে। অন্তুর সাথে খুব গভীর সম্পর্ক হাসানের। কিন্তু ছেলেটি কঠিন এক রোগে মারা যায়। হাসান ইয়াকুব সাহেবের পার্ক তৈরী করেছে। পার্কের নাম ছিলো মায়ানগর। সেই মায়ানগরে হাসান এর ছেলে কখনো আসতে পারেনি। হাসানের মায়া চিরতরে রয়ে গেছে।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Nurul Huda.
193 reviews4 followers
July 19, 2023
হাসান সাহেবের পিএ লীনা। তারা বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করে। একটা প্রজেক্টের কাজের জন্য দেখা করে ইয়াকুব সাহেবের সাথে।
ইয়াকুব সাহেবের মেয়ে শামা এবং নাতনি এলেন বাস করে ভার্জিনিয়াতে৷ নয় জুন এলেনের ৬ষ্ঠ জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশে আসবে৷ ইয়াকুব সাহেব চান, নাতনিকে চমকে দিতে, যেন সে বাংলাদেশে থেকে যেতে চায়৷
আর এজন্য তিনি জয়দেবপুরের শালবনে ২শ বিঘা জমির উপর তৈরি করতে চান শিশুপার্ক। যে পার্ক দেখে এলেন চমকে উঠবে বিস্মিত হবে।

অতঃপর এ প্রজেক্টের কাজ দেন হাসান সাহেবকে। যার প্রাথমিক বাজেট হিসেবে ১ কোটি টাকার চেক দেন ইয়াকুব সাহেব। হাসান সাহেব অই প্রজেক্টের নাম দেন মায়ানগর। প্রজেক্ট সফল করতে কাজে লেগে যায় হাসান সাহেব এবং লীনা৷

লীনার পরিবারে মা সুলতানা বেগম ছোটবোন বীনা, আর হবু জামাই ফিরোজ৷ অন্যদিকে হাসান সাহেবের স্ত্রী নাজমা ছেলে অন্তু এবং মেয়ে নীতু৷ অন্তু খুব বাবা ভক্ত৷ এই হলো গল্প, গল্পের টুইস্ট না বলায় থাক৷ পড়তে পারেন ।

আমার কাছে এভারেজ মনে হয়েছে ।
__

বৃষ্টি ও মেঘমালা
হুমায়ূন আহমেদ
পৃষ্ঠা : ১১৭
রেটিং : ৭/১০

#bookreview2022
Profile Image for Dr. Atik Abdullah Arafat.
47 reviews
June 20, 2025
সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বাহিরে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে। ছোটোবেলা বৃষ্টিতে ভেজার অভ্যেস থাকলে ইদানীং হয়ে ওঠে না, আজকে কেন যেন খুব করে বৃষ্টিতে ভিজতে মন চাইলো; সে মোতাবেক অনেক প্রস্তুতি নিয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে গেলাম কিন্তু মাথাটা ঠিকভাবে ভেজার আগেই ধুপ করে বৃষ্টি বন্ধ হয়ে যায়। আজকের সকালটা হাসিখুশিভাবে শুরু হলেও মনটা হটাৎ খারাপ হয়ে গেলো।

সামনের মাসের ১৮ তারিখ ডাক্তারদের জন্য স্পেশাল বিসিএস পরীক্ষার প্রিলি আছে, সেটার প্রস্তুতি চলছে ছোটোখাটোভাবে। তারই অংশ হিসেবে আজ সকালে সাধারণ জ্ঞান চর্চা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটাতে আর মন বসছিল না, সেজন্য ‘বৃষ্টি ও মেঘমালা’ নামের এই উপন্যাসটা পড়া শুরু করেছিলাম। প্রথম দিকে বিরক্তিকর লাগছিল। সকালের ভালো মুড, খারাপ হওয়ার পর হটাৎ বিরক্তিকর মুডে ট্রান্সফার হয়েছিল কিন্তু উপন্যাসের শেষটা পড়ার পর আবার মনটা খারাপ হয়ে গেলো।

এখন মনে হচ্ছে আবার যদি বৃষ্টি শুরু হতো, প্রচন্ড ঝুম বৃষ্টি। সেই বৃষ্টিতে এক ঘন্টা ধরে ভিজলে হয়তো মনটা আবার ভালো হয়ে যাবে। আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও বৃষ্টির দেখা নেই, তাই বাধ্য হয়ে মন খারাপ নিয়েই রিভিউ লিখতে বসলাম। ৩.৫/৫
Profile Image for Sharmin  Shahin Sraboni .
9 reviews3 followers
April 28, 2023
হাসান আকাশের দিকে তাকালো, আকাশে 'বৃষ্টি ও মেঘমালা' _ শেষ এই বাক্যটি মনে দাগ কেটে যাবে।

হাসান বিরাট এক প্রজেক্ট হাতে নেয়, সঙ্গ দেয় লীনা। সেই প্রজেক্ট এক দাদুর তার নাতনীকে কাছে আনবার, তাকে বিশালভাবে চমকে দেবার; কারণ তিনি আর কতদিন-ই বা বাঁচবেন! কিন্তু দায়িত্ব পালনের বেড়াজালে সে সময় দিতে পারে না তার পরিবারকে। তার ছেলে অন্তুর যে বিরাট অসুখ করেছে। হাসান কী করতে পেরেছিল শেষ অবধি?
.
.
.
ছোটখাটো বইটি পিডিএফে পড়েছি। শুরু হতে হতেই যেন শেষ। শেষে কাঁদো কাঁদো ভাব হয়েছিল আমার। মন্দ লাগে নি তেমন। বিশেষ কিছু জায়গা আমার মনে গেঁথে গিয়েছে! অন্যতম হলো - লীনার সাদা শিফন শাড়ি পরে জঙ্গলের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে গাছগাছালির পাতার আড়ালে আকাশের এক কোণে পূর্ণিমা চাঁদের জোছনাস্নান!
Profile Image for Nujhat Tabassum Tonny .
30 reviews41 followers
Read
July 30, 2024
কোনো এক আষাঢ় সন্ধ্যায় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামবে। হাসান বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে কদমবনে ঘুরে বেড়াবে। সে খুঁজে বেড়াবে তার প্রিয় মুখদের। যেহেতু দ্বীপের নাম মায়াদ্বীপ, কাজেই খুঁজলেই সব প্রিয়জনদের সেখানে পাওয়া যাবে। তাদের খুব কাছে যাওয়া যাবে না। কিন্তু তাদের পায়ের শব্দ পাওয়া যাবে। প্রিয় পদরেখা দেখা যাবে। শোনা যাবে তাদের চাপা হাসি। হাসান যখন ডাকবে- বাবা অন্তু তুমি কোথায় গো? তখন কোনো কদমগাছের আড়াল থেকে অন্তু বলবে, আমি এখানে।

হাসান আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। আকাশে বৃষ্টি ও মেঘমালা।

~২২শে আষাঢ়,১৪৩১ বঙ্গাব্দ।।
Displaying 1 - 30 of 56 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.