Jump to ratings and reviews
Adapted from "The Mystery of the Rogues' Reunion" (The Three Investigators, #40).

Paperback

Loading...
Loading...

About the author

Rakib Hassan

563 books401 followers
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন।
থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা।
রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।

Ratings & Reviews

What do you think?

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
43 (21%)
4 stars
85 (42%)
3 stars
56 (28%)
2 stars
13 (6%)
1 star
1 (<1%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for NISAN.
29 reviews9 followers
March 28, 2024
তিন বছর বয়সে বাবা মায়ের ইচ্ছায় পাগল সংঘ নামে সিরিজে মোটুরাম হিসেবে অভিনয় করার তিক্ত অভিজ্ঞতা আবার সামনে এলো কিশোরের যখন আবার পুরানো সিরিজ প্রচারের মধ্যে পাগল সংঘের নাম উঠলো। স্কুলের সবাই কিশোরকে খ্যাপানো শুরু করলো। বাড়িতেও মানুষ আসতে শুরু করলো "মোটুরাম এখন কোথায়?" নামে ফিচার স্টোরি করতে।
এক লোক দেখা করতে এলো কিশোরের সাথে, নাম হ্যারিস বেকার। মুভি স্টুডিওর বিজ্ঞাপন ম্যানেজার। কিশোর কে স্টুডিও তে যাওয়ার প্রস্তাব দিলো যেখানে তার সহঅভিনেতা রাও (কিশোরকে বুলি করত যা কিশোরের কাছে পাগলসংঘ কে নিয়ে বিভীষিকাময় স্মৃতি) থাকবে। কিশোর কিছুতেই যেতে রাজি হলো না। কিন্তু হ্যারিস বললো সে জানে কিশোর ওদের পছন্দ করেনা। তাই একটা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে যেটা কিশোর জিতলে প্রমান হবে কিশোর কত বুদ্ধিমান। আর এই অনুষ্ঠান টিভিতে প্রচার করা হবে। কিশোরের এটাই সুযোগ প্রতিশোধ নেয়ার।
কিশোর মুসা রবিনকে স্টুডিওতে নেয়ার জন্য গাড়ি পাঠানো হলো। ড্রাইভার অ্যালউড হোফার।
কিশোরের সাথে দেখা হলো তার সহঅভিনেতা দের। ভারিপদ, মড়ার খুলি, বটিসুন্দরী (নেলি), শিকারী কুকুর, শজারু কাঁটা আসবেনা। পাগল সংঘের পরিচালক রাফায়েল সাইনাস।
হ্যারিস বেকার ওদের একটা ইন্টারভিউ নিলো যেটা মেইন শো এর আগে টিভিতে সম্প্রচার করা হবে। সবাইকে তাদের বর্তমান অবস্থা, পাগল সংঘের শুটিং এর সময়ের স্মৃতি এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা জিজ্ঞেস করা হলো। কিশোর ইচ্ছা করে চরম বোকার অভিনয় করলো, সে তোতলামি করে কথা বললো এবং যে প্রশ্ন ই জিজ্ঞেস করা হোক সে এমন ভান করলো যেন কিছু বুঝতে পারছে না। আলোচনা শেষে ওদেরকে রূপার স্যুভনির দেয়ার সময় বেকার দেখলো বক্সে সেগুলো নেই।

কিশোর বুঝতে পারলো রূপার কাপগুলো এখনো স্টুডিওতেই আছে। চোর সেগুলো সবার সামনে দিয়ে বের করতে পারনি। তাই রাতে গোয়েন্দারা কাপগুলো খুজতে গিয়ে পেয়েও গেল সাউন্ড স্টেজের ঘরে কিন্তু সাথেই সাইনাসের কাছে ধরা পরে গেলো। নিজেদেরকে প্রমান করতে কিশোররা তাকে ভিক্টর সাইমনের সাথে কথা বলিয়ে দিলো। সাইনাস তাদের বিশ্বাস করে বাড়িতে যেতে দিলো।
পরদিন কিশোরকে ডেকে পাঠালো এবং চুরির রহস্য সমাধান করতে দিলো যেহেতু সাইমন অনেক প্রশংসা করেছেন ওদের। সাইনাসেএ ধারনা ভারিপদ চুরি করেছে। কারন তিনি সেই রাতেই এক তরুনকে যে চার্লি চ্যাপলিনের মত করে দৌড়ায় বা হাটে, তাকে দৌড়ে পালাতে দেখেছেন।
ভারিপদ স্টুডিও তে আসলো, শুটিং ফ্লোরে না গিয়ে অন্য কোনো ফ্লোরে গেলো লিফট দিয়ে। সে যখন নামলো তার হাতে ছিল একটা খাম। কিশোর পিছু নিলো। কিন্তু লাভ হবেনা ভেবে সে ঠিক করলো আগেই সাউন্ড স্টেজে গিয়ে লুকিয়ে থাকবে। যদি ভারিপদ কাপ গুলো বের করতে যায় তাহলে ধরতে পারবে। কিন্তু সে নিজেই সেখানে গিয়ে আটকে গেলো, কেউ দরজা লক করে চলে গেলো। ঠিক কুইজের আগে কিশোর মুক্তি পেল রবিন, মুসা আর ড্রাইভার হোফারের সাহায্যে।
প্রথম কুইজে কিশোর মড়ার খুলির থেকে ৫ নাম্বার বেশি পেয়ে এগিয়ে রইলো। শো শেষে মড়ার খুলি কিশোরকে হুমকি দিলো যে সে বোকা সাজার ভান করে থাকে সেটা সে জানে আর তার গোয়েন্দাগিরির কথাও জানে।
কিশোর বুঝতে পারলো হোফার হলো শজারু কাঁটা। কিশোররা যখন কুইজের উত্তর দিচ্ছিল, মুসা রবিনের পাশে বসে হোফার ওদের আগেই একটা বোর্ডে উত্তর লিখছিল সে পারে কিনা সেটা দেখতে। সেখানে সে একটা প্রশ্নের উত্তর ভুল করে যেটা কিশোর ও জানত না। কারন একমাত্র৷ কিশোর আর শজারু কাটা ওই প্রশ্ন যে সিন থেকে করা সেখানে ছিল না। এ থেকেই কিশোর বুঝলো হোফার ই শজারু কাঁটা। তাকে বন্ধু বানিয়ে সবাই মিলে রহস্য সমাধান করবে বলে ঠিক করলো।
মড়ার খুলির বাড়িতে গেলো গোয়েন্দারা৷ গিয়ে দেখলো নেলি সেখানে। তাদের পিছু নিয়েও হারিয়ে ফেললো কিশোররা।
পরের দিন কিশোরের কাছে ফোন এলো সে যদি দ্বিতীয় কুইজ জেতে তাহলে নেলি মরবে। কিশোর মড়ার খুলির এক পাশের ছবি তুললো যেখানে তার কান দেখা যাচ্ছে ঝড়ো বাতাসে তার লম্বা চুল সরে যাওয়ায়।
কুইজে কিশোর ইচ্ছা করে সব ভুল উত্তর দিলো। মড়ার খুলি জিতলো ২০০০০ ডলার। চেক দেয়ার সময় কিশোর প্রমান করে দিলো সে আসল মড়ার খুলি না। বেকার কোনো কিছু প্রকাশ পাক তা চায়না। তাই কিশোর সব মেনে নিয়ে চলে গেলো।

কে এসবের পিছনে আছে তা জানতে পারলো কিশোররা। নেলিকে উদ্ধার করলো। তবে কে আসল অপরাধী সেটা অনেকটা আন্দাজ করা গেছে। বেশি থ্রিল ছিল না। সাদামাটা কাহিনী।

নেলির এই কথাটা খুব ভাল্লাগসেএএ🥺
'বেশ একটা মজার কাণ্ড হয়ে গেল, না? আমাদের সেই পুরনো পাগল সংঘ ছবির মতো। শুধু একটা ব্যাপার উল্টো হয়েছে। ওখানে আমি তোমাকে বাঁচাতাম, কিশোর, আর এখানে তুমি আমাকে বাঁচালে।'

রেটিং: ৩.৫

[শেষে নিসান জাং কিম আর মুসার কাহিনী জোস লাগলো😂]
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Anik Arghya.
11 reviews1 follower
July 18, 2025
ছোট বয়সে 'মোটুরাম' চরিত্রে "পাগল সংঘ" নামক সিরিয়ালে অভিনয়ের জন্য আলোচিত হয় কিশোর পাশা। অনেকদিন বাদে সেই সিরিয়ালের সবাইকে নিয়ে রিইউনিয়নের চেষ্টা করে একটি টিভি চ্যানেল।
এরপর তিনগোয়েন্দা জড়িয়ে পড়ে এক নতুন রহস্যে। পাগল সংঘের শজারুকাটা, বটিসুন্দরী, মরার খুলি, ভারিপদ, অনষ্ঠানের উপস্থাপক হ্যারিস বেকার আর পাগল সংঘের পরিচালক রাফায়েল সালতেনির সঙ্গে।
Profile Image for Lubaba Marjan.
133 reviews53 followers
May 11, 2024
দিনকাল ভালো যাচ্ছে না। হাতেও বই উঠে না তেমন। মাঝেমধ্যে পুরনো তিন গোয়েন্দাকে নতুন করে পড়তে বসলে মন অন্যরকম হয়ে যায়। প্রায় তিন বছর পর 'পাগল সংঘ' পড়া হলো। আমাদের সেই মোটুরাম কিশোরের অভিনয় জগৎ আর একটা রহস্য! আর কি চাই? সকাল সকাল বৃষ্টি উপভোগ করতে করতে বইটা শেষ করলাম।
Profile Image for Shukla Das.
29 reviews3 followers
September 7, 2021
শৈশবের স্মৃতি, বড়বেলাতেও পড়তে বেশ লাগে!
Profile Image for Shotabdi.
855 reviews237 followers
June 24, 2025
কেন যেন এই গল্পটা আমার তেমন ভালো লাগে না।
Profile Image for Benozir Ahmed.
203 reviews91 followers
December 9, 2015
" কিশোরও তাকিয়ে আছে ওদের দিকে। অনেকগুলো বছর ধরে ওদের চেহারা তার মনের পর্দায় ছিল উজ্জ্বল। মড়ার খুলি - ডিমের মত সাদা চকচকে মাথা, মুখে বোকা বোকা হাসি, সোজা কথায় গর্দভ। ভারিপদের আপেলের মত টকটকে গোল মুখ, অস্বাভাবিক বড় পায়ের পাটা, হাতের তালুও স্বাভাবিক নয়, রোগা পাতলা শরীর। শিকারী কুকুরের মুখটা অনেকটা কুকুরের মুখের মতই লম্বাটে, প্রায় সারাক্ষণ হাঁপায়, জিভ বেরইয়ে পড়ে মাঝে মাঝে, বিষণ্ণ চোখ দুটো দেখে মনে হয় এই বুঝি কেঁদে ফেলবে। বটীসুন্দরীর সুন্দর চোখা চেহারা, কপালের ওপরের চুল সমান করে কাটা। "

আহা রকিব হাসান এর বর্ননা। একেবারে চোখের সামনে ভাসে যেন।

বুদ্ধিমত্তা - 1.5
অ্যাডভেঞ্চার - 1
গল্পগাথুনি - ২
Displaying 1 - 7 of 7 reviews