রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
তিন গোয়েন্দার প্রথম অভি্যান যেটা নিয়ে কোন সিনেমা হল না। এবার তারা গিয়েছে বরিস আর রোভারের বোন মিলানির বাড়ি দি স্কাই ইন এ। কিন্তু তারা এসেই দেখতে পায় মিলানির ঘরে কেউ সার্চ করেছে। পরে মিলানি জানায় তার চাবি হারিয়ে যাওয়ায় তারাই ঘরে খোঁজাখুঁজি করেছে, কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয় নি। এদিকে মিলানি তার ভাইদের না জানিয়ে এক সপ্তাহ আগে মি. কনর নামে একজনকে বিয়ে করেছে। দুই ভাই বোনের এই কাজে স্বভাবতই অবাক হয়। এদিকে ইদানিং শোনা যাচ্ছে একটা নরদানবের কথা, যার পায়ের ছাপ দেখা গেছে বনের মধ্যে।
মিস্টার কনরের হঠাৎ করে একটা সুইমিং পুল খোড়ার শখ হয়েছে। বরিস ও রোভার সাহায্য করতে লেগে গেল তাদের। কিন্তু সুইমিং পুলের একদিকে ঢালু করার কথা থাকলেও মিস্টার কনর সবদিকে একই গভীরতায় খুড়ছেন তার সুইমিংপুল।
এই গল্পে সাসপেক্টকে সন্দেহ করতে একটু দেরীই হয়েছে কিশোর পাশার। আরো আগেই তাদের সন্দেহ হতে বাধ্য। তবে, আপাতদৃষ্টিতে দেখা এই ম্যাড়ম্যাড়ে গল্পটার শেষটা কিন্তু বেশ চমকপ্রদ।
ভাল লেগেছে। শুরু থেকেই সন্দেহ করেছি যাকে মিলানি মনে করছে সে আসলে মিলানি না। খুবই সহজ ছিল সন্দেহ করা, কিশোর সন্দেহ করতে অনেক বেশি সময় নিয়েছে! গল্পে কাল্পনিক জীবটাকে না আনলেও কাহিনির কোনো ক্ষতি হত না, অযথা।