রানা! সাবধান !! অতি যত্নের সঙ্গে প্ল্যানটা তৈরী করেছেন মেজর জেনারেল রাহাত খান, এটা তোমার জীবনের শ্রেষ্ঠ এ্যাসাইনমেন্ট। তুমি চলেছো ওঙ্কার দ্বীপে। কিন্তু তুমি কল্পনাও করতে পারবে না কি ভয়ঙ্কর ফাঁদ পেতে অপেক্ষা করছে ওরা তোমার জন্মে। তোমার ভালর জন্যেই বলছি
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
আমার পড়া মাসুদ রানা সিরিজের বইগুলোর মধ্যে এটাই সবচেয়ে বেশি সিনেম্যাটিক মনে হয়েছে।তাছাড়া কবীর চৌধুরীর রানাকে হাতের মুঠোয় পেয়েও ধোলাই না করে খাতির যত্ন করার বিষয়টাও অস্বাভাবিক লেগেছে।প্রিয় চরিত্র হওয়ার কারণে তিন তারকা দিতেই পারতাম কিন্তু মন সায় দিচ্ছিলো না।তাই দুই তারা দিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো।
ভারতীয় শিবির থেকে নিজেদের কয়েকজন লোককে উদ্ধার করার সময় অপূর্ব সুন্দরী নার্স ললিতা বটব্যালের মুখে সালফিউরিক এসিড ছুঁড়ে মেরেছিলো রানা, যার ফল ভুগতে হয় তাকে সোয়া দুই বছর পর। এই বইটাও অ্যাভারেজ লেগেছে।