হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্তের লেখক হিসেবে সীমাবদ্ধতা আছে, সেটা আমি কখনো অদেখা করব না। কিন্তু বাংলা সাহিত্যে এই জমানার অ্যাডভেঞ্চার ঘরানার একমেবদ্বিতীয়ম নাম উনিই।
'কৃষ্ণলামার গুম্ফা' মেদহীন ঝরঝরে এক কিশোর পাঠ্য উপন্যাস। বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস, গা ছমছমে রহস্য, সিকিম পাহাড়ের রোমাঞ্চকর পটভূমি, সব মিলিয়ে শীতের সন্ধ্যায় এক নাগাড়ে সাবাড় করে ফেলার মতন সহজপাচ্য সুখাদ্য।
I liked this compact adventure novel taking place in the mysterious & mystic backdrop of Tibetan Buddhism & Sikkim. At times the rough edges showed (considering the fact that this novel had been written long back), but it was an enjoyable & fast read.
সিকিম হিমালয়ের পটভূমিতে রচিত খুব সুন্দর একটি কিশোর উপন্যাস।কিশোরদের জন্য লেখা হলেও বড়দেরও পড়তে খারাপ লাগবে না। সহজ সরল লেখা, খুব দ্রুত পড়া হয়ে যায়।এখানে বৌদ্ধদের ধর্মদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। হিমাদ্রী কিশোরের অ্যাডভেঞ্চার সিরিজ পড়ার পর তো উনি আমার ফেভারিট হয়ে গিয়েছেন। ওনার বই দেখলে আমি থাকতে পারি না,মন ছট পট করে পড়ার জন্য।
বৌদ্ধ শিল্পকলা নিয়ে গবেষণারত নীলাঞ্জন গ্যাংটক যান তার গবেষণার জন্য আর এবার তার সঙ্গী হয় ছোট্ট শুভম ( বয়স প্রায় ১০)।গ্যাংটকে যাওয়ার পর থেকেই শুভম বলছিল তাকে একটা বৌদ্ধদের জপযন্ত্র কিনে দেবার জন্য। সেখানে গিয়ে তারা রুমটেক মনাস্ট্রি, ফুদুং মনাষ্ট্রি ঘুরে দেখে, আর ঘটনা চক্রে তাদের হাতে আসে রূপার তৈরি একটি জপযন্ত্র। যেটা আসলে বিশেষ একটি জপযন্ত্র, যা সোঙচেন বংশের উত্তরাধিকারীর প্রাপ্য। অন্যদিকে এনচে মনাস্ট্রি দেখার সময় এক লামার দর্শন পায়। তার নাম কৃষ্ণলামা। যিনি তাদের আমন্ত্রণ জানায় তাঁর গুম্ফায় ছাম উৎসবে যাওয়ার জন্য।যদিও শোনা যায় এই কৃষ্ণলামা সুবিধের লোক নয়। নীলাঞ্জনরা কৃষ্ণলামার কথামত তাঁর গুম্ফায় যায়। কিন্তু শেষপর্যন্ত কি তারা ফিরে আসতে পারে? কেনই বা কৃষ্ণলামা অচেনা একজনকে তার গুম্ফায় আমন্ত্রণ জানায় ? কি তাঁর আসল উদ্দেশ্য ??