Jump to ratings and reviews
Rate this book

বেলা অবেলা কালবেলা

Rate this book

Unknown Binding

22 people are currently reading
434 people want to read

About the author

Jibanananda Das

85 books423 followers
Jibanananda Das (bn: জীবনানন্দ দাশ) is probably the most popular Bengali poet. He is considered one of the precursors who introduced modernist poetry to Bengali Literature, at a period when it was influenced by Rabindranath Tagore's Romantic poetry. During the later half of the twentieth century, Jibanananda Das emerged as the most popular poet of modern Bengali literature. Popularity apart, Jibanananda Das had distinguished himself as an extraordinary poet presenting a paradigm hitherto unknown. It is a fact that his unfamiliar poetic diction, choice of words and thematic preferences took time to reach the heart of the readers. Towards the later half of the twentieth century the poetry of Jibanananda has become the defining essence of modernism in twentieth century Bengali poetry.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
66 (58%)
4 stars
34 (30%)
3 stars
8 (7%)
2 stars
2 (1%)
1 star
2 (1%)
Displaying 1 - 11 of 11 reviews
Profile Image for Rifat.
501 reviews327 followers
January 24, 2021
বেলা যায়, তমসা নিয়ে অবেলা আসে ধীরে; আবার হঠাৎ দেখা যায়, হিংস্রতা নিয়ে কালবেলা চলে আসে। এরমধ্যে কত কি ঘটে যায়! কেউ খবর রাখে না। নির্জনতা অবলম্বন করা মানুষটি লিখেন-
"অনেক নদীর জল উবে গেছে —
ঘরবাড়ি সাকো ভেঙে গেল;
সে সব সময় ভেদ করে ফেলে আজ
কারা তবু কাছে চলে এল।"

এখনও বেলা চলে যায়, নিয়মমতো অবেলাও হয়, কালবেলা আসে আরও বিক্ষিপ্ততা নিয়ে। শুধু নির্জনতাই পাওয়া যায় না, তাই কোনো জীবনানন্দও নেই!

~২৪ জানুয়ারি, ২০২১
Profile Image for Sohan.
274 reviews75 followers
November 28, 2020
জীবনানন্দ দাস আমার কাছে এক ভীষণ রহস্যময় চরিত্র। মনে হয় তাঁকে নিয়ে একটা মিসট্রি থ্রিলার কিছু বানিয়ে ফেলি। তিনি কি সিরিয়াল কিলার? প্রতি রাতে খুন না করলে কবিতা লিখতে পারতেন না? তাঁর কবিতা এতো ডার্ক লাগে কেন আমার কাছে? নাকি আমার অজ্ঞতা? শেষের ব্যাপারটাই সই। আমার অজ্ঞতা। অই আদ্রে তারকোভস্কির সিনেমা দেখার সময়ও তাই মনে হয়।
তাঁকে কেও আখ্যা দেন 'শুদ্ধতম কবি' বলে, কেওবা, 'রূপসী বাংলার কবি বলে', আর আমি বুদ্ধদেব বসুর ন্যাজ ধরে বলি জীবনানন্দ হলেন 'নির্জনতম কবি'।
তাঁর কবিতার এক বিশাল অংশ আপাত দুর্ভেদ্য মনে হওয়ার কারন হল, তাঁর উপমা প্রয়োগ। বারো লাইন কবিতায় তাঁর তেরো রকম উপমার ব্যবহার যেন তাঁর সতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।

ঢের ছবি দেখা হল-ঢের দিন কেটে গেল- ঢের অভিজ্ঞতা
জীবনে জড়িত হয়ে গেল, তবু, নক্ষত্রের রাতের মতন
সফলতা মানুষের দূরবীনে রয়ে গেছে, - জ্যোতিগ্রন্থে;
জীবনের জন্যে আজও নেই।






Profile Image for Arif  Raihan Opu.
218 reviews7 followers
October 19, 2025
আমায় এক প্রস্থ প্রশান্তি
এনে দিয়েছিল

জীবনানন্দ দাশ।
Profile Image for আদিত্য .
22 reviews
October 22, 2025
জীবনানন্দের বেশ কিছু কাব্যগ্রন্থ পড়া আছে। আজ তাঁর প্রয়াণ দিবস। গুডরিডসে ঢু মেরে দেখলাম জীবনানন্দের কোনো ব‌ইয়ের‌ই আমি রেটিং দেইনি এখন অব্দি। অবাক লাগলো। কেননা কোনো প্রকার খুঁত ধরা যায় না, (অন্তত আমার মতো ক্ষুদ্র পাঠকদের ক্ষেত্রে) এমন‌ই ধরন জীবনানন্দের কবিতার। তাঁর কাব্যগ্রন্থ মূল্যায়নের জন্য গুডরিডস বরাদ্দ‌ই করেছে মাত্র ৫ তারা। তাই উপায় না পেয়ে একসাথে কয়েকটা কাব্যগ্রন্থকে ৫ তারার সবগুলোই দিলাম।
Profile Image for Sajid.
457 reviews110 followers
March 14, 2022
“অন্ধকারের এ-হাত আমি ভালোবাসি;
চেনা নারীর মতো অনেক দিনের অদর্শনার পরে
আবার হাতের কাছে এসে জ্ঞানের আলো দিনকে দিয়ে
কি অভিনিবেশে প্রেমের আলো প্রেমকে দিতে এসেছে সময় মতো;
হাত দু’খানা ক্ষমাসফল;
গণনাহীন ব্যক্তিগত গ্লানি ইতিহাসের গোলকধাঁধায় বন্দী মরুভূমি-
সবের প্রে মৃত্যুতে নয়—নীরবতায় আত্মবিচারের
আঘাত দেবার ছলে কি রাত এমন স্নিগ্ধ তুমি।”


আহা! কতো সুন্দর!
Profile Image for Shafayat Amin.
10 reviews2 followers
January 11, 2021
পরাধীন ভারতবর্ষের বেদনা, দ্বিতীয় মহাসমরের ব্যর্থতা, উত্তর-স্বাধীনতার যন্ত্রণা এ কাব্যগ্রন্থের পশ্চাৎ পটভূমিকা। 'স্বর্গগামী সিঁড়ি' আর 'রক্তনদীর মতো' মানুষ মাত্রই 'বিরাট অবক্ষয়ের সাগরে নিঃসঙ্গ দ্বীপ'। ইতিহাসের যত অন্ধকার যুগ সব মিলে এক অন্ধকারতম যুগের শুরু হয়েছে। তবে ইতিহাসের এই ব্যাপক অবসাদের অধ্যায়েও 'নব নবীনের প্রাক সাধনা' চলেছে ক্রেমলিনে লন্ডনে। ইতিহাসের রাশি রাশি দুঃখের খনি ভেদ করে শত শত জলঝর্ণার শব্দ কবি শুনেছেন।
Profile Image for Pathok Bolchi.
97 reviews6 followers
February 7, 2023
আধুনিক বাংলা কবিতায় সবচেয়ে বেশি আদৃত ও অনুসৃত কবি জীবনানন্দ দাশ। তিনি শুধু কবিদের কাছেই নন, উত্তরকালের পাঠকের কাছেও অধিক জনপ্রিয়। একবার তিনি বলেছিলেন," বেশ অল্প পাঠক কবিতা পড়েন।" আমি সেই অল্প পাঠকদের একজন হয়ে নিজেকে নিয়ে আনন্দিত হতেই পারি। কিন্তু আমার দুঃখ হয় এই একুশ শতকে এসে কবির এই বক্তব্যের সত্যতা উপলব্ধি করতে আমাদের মোটেও বেগ পেতে হয় না। ফলে এই সত্য চিরন্তন বলে গণ্য করা যায়।

'বেলা অবেলা কালবেলা' কবি জীবনানন্দ দাশের একটি অনন্য কাব্যগ্রন্থ। মৃত্যু-পরবর্তী সময়ে আবিস্কৃত লেখাগুলো থেকে এ বইয়ের পাণ্ডুলিপি উদ্ধার করা হয়। আর কবির মৃত্যুর সাত বছর পর তা 'বেলা অবেলা কালবেলা' নামে ১৯৬১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
কবির জীবদ্দশায় প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ- 'ঝরা পালক', 'ধূসর পাণ্ডুলিপি', 'বনলতা সেন', 'সাতটি তারার তিমির' থেকে এ কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোতে জীবনানন্দ দাশের কাব্যবৈশিষ্ট্যের অনেকটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। কারণ খুব বেশি গভীর দৃষ্টিভঙ্গি না থাকলে এই কাব্যগ্রন্থের কবিতা বোধগম্য হবার নয়। তীব্র কবিতার প্রতি প্রীতি না থাকে প্রথম থেকে শেষ অব্দি সব কবিতা পড়তে পারা সম্ভব না অন্তত আমার কাছে মনে হয়েছে। কিন্তু এই কাব্যগ্রন্থের কবিতার শব্দচয়নে কবির দারুণ বৈচিত্র্যময় ভিন্নতা ও দর্শন পরিলক্ষিত করেছি যা নিজের সাথে প্রকৃতির মেলবন্ধনের ঐক্যতান তৈরি করবেই করবে।
বাংলা ভাষার শুদ্ধতম ও নির্জনতম কবি জীবনানন্দ দাশ জীবদ্দশায় তার অনেক লেখাই প্রকাশ করেননি, এমনকি কাউকে প্রকাশও করতে দেননি।
জীবনানন্দ দাশ বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃৎদের মধ্যে অগ্রগণ্য। মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ধাপে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন। তার জীবন কেটেছে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে। বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধকাল অনপনেয়ভাবে বাংলা কবিতায় তার প্রভাব মুদ্রিত হয়েছেরবীন্দ্র-পরবর্তীকালে বাংলা ভাষার প্রধান কবি হিসেবে তিনি সর্বসাধারণ্যে স্বীকৃত।

নিজ কবিতার অবমূল্যায়ন নিয়ে জীবনানন্দ খুব ভাবিত ছিলেন। তিনি নিজেই স্বীয় রচনার অর্থায়ন করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিলেন, যদিও শেষাবধি তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তবে কবি নিজেই নিজ রচনার কড়া সমালোচক ছিলেন। তাই সাড়ে আটশ কবিতার বেশি কবিতা লিখলেও তিনি জীবদ্দশায় মাত্র ২৬২টি কবিতা পত্রপত্রিকায় ও কাব্যসংকলনে প্রকাশ করতে দিয়েছিলেন। জীবিতাবস্থায় অপ্রকাশিত সেই কবিতাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য এই 'বেলা অবেলা কালবেলা' কাব্যগ্রন্থে স্থান পাওয়া কবিতাগুলো।
সূর্য নক্ষত্র নারী, সময়সেতুপথে, তোমাকে, মাঘসংক্রান্তির রাতে, শকুন, আমাকে একটি কথা দাও, অনেক নদীর জল, সামান্য মানুষ, অবরোধ, পৃথিবীর রৌদ্রে, জয়জয়ন্তী সূর্য, প্রয়াণপটভূমি, হেমন্ত রাতে, উত্তর সাময়িকী, বিস্ময়, গভীর এরিয়েলে, ইতিহাসযান, মৃত্যু স্বপ্ন সংকল্প, পৃথিবী সূর্যকে ঘিরে, সময়ের তীরে, যতদিন পৃথিবীতে, মহাত্মা গান্ধী, মহাগোধূলি, মানুষ যা চেয়েছিল, হে হৃদয়- জীবনানন্দের পূর্বাপর কবিতাগুলো থেকে অপেক্ষাকৃত সমকালনির্ভর এমন ৪৬টি কবিতা নিয়েই অমর কাব্যগ্রন্থ 'বেলা অবেলা কালবেলা'।

আমার নিজেকে বারবার ই জীবনানন্দের মত অবহেলিত মনে হয়, পৃথিবীর কেউ যেন আমাকে বন্ধু হিসেবে,প্রেমিক ���িসেবে,শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে কিংবা পৃথিবীর মানুষ হিসেবেও চায় না। তারপরও আমি সেই প্রিয়তার সেই কথা শুনতে চাই যেমন কবি জীবনানন্দ দাশ বলেছেন-

"এ-কথা যদি জলের মতো উৎসারণে তুমি
আমাকে—তাকে—যাকে তুমি ভালোবাস তাকে
বলে যেতে—শুনে নিতাম, মহাপ্রাণের বৃক্ষ থেকে পাখি
শোনে যেমন আকাশ বাতাস রাতের তারকাকে।"
Profile Image for Preetam Chatterjee.
7,236 reviews392 followers
February 27, 2025
#Binge Reviewing all my past Reads:

এক ঝাঁক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই বইকে কেন্দ্র করে। ব্যক্তিগত স্মৃতি। জীবনানন্দ দাশ বাংলা কবিতার নিঃসঙ্গ পথিক। তাঁর কাব্যে বাংলার প্রকৃতি, অস্তিত্ববাদ, নিঃসঙ্গতা, বিষাদ, সময় ও জীবনবোধ এক অনন্য মাত্রা পেয়েছে। তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘বেলা অবেলা কালবেলা’ (১৯৫৭) তাঁর গভীর দার্শনিক চেতনা ও সময়ের নিষ্ঠুরতাকে তুলে ধরেছে। এটি শুধুমাত্র কবিতার সংকলন নয়; বরং সময় ও অস্তিত্বের প্রতি এক বিষাদময় আত্মসংলাপ।

বেলা অবেলা কালবেলা’ নামের মধ্যেই রয়েছে সময়ের তিনটি অবস্থা—বেলা (অর্থাৎ সকালের আলো), অবেলা (অর্থাৎ দুপুরের ক্লান্তি) এবং কালবেলা (অর্থাৎ সন্ধ্যার অন্ধকার, যেখানে জীবন অস্তগামী)। এই তিনটি স্তর মানুষের জীবনের ধাপে ধাপে পরিবর্তনকেই নির্দেশ করে।

এই কাব্যগ্রন্থে উঠে এসেছে 'সময় ও ক্ষয়'!! সময়ের ধ্বংসাত্মক প্রভাব এবং জীবনের অনিবার্য ক্ষয় তুলে ধরা হয়েছে। উঠে এসেছে 'নিঃসঙ্গতা ও বিষাদ'!! জীবনানন্দের কবিতায় যে একাকীত্ব ও আত্মজিজ্ঞাসা বারবার ফিরে আসে, তা এই গ্রন্থেও গভীরভাবে প্রতিফলিত। 'প্রকৃতি ও সময়ের সংযোগ' প্রতিফলিত হয়েছে এই কাব্যগ্রন্থে। তাঁর কবিতায় প্রকৃতি শুধুমাত্র পটভূমি নয়; বরং সময় ও অস্তিত্বের প্রতীক হয়ে ওঠে। জীবনানন্দের
'মৃত্যুচেতনা ও জীবনবোধ' উঠে এসেছে এই বইয়ে। মৃত্যুর প্রতি তাঁর এক রহস্যময় দৃষ্টিভঙ্গি আছে, যা পাঠককে গভীরভাবে নাড়া দেয়।

এই গ্রন্থের বেশ কিছু কবিতা জীবনানন্দ দাশের সাহিত্য-ভাবনার উৎকর্ষ প্রকাশ করে। যেমন—

##"বেলা অবেলা কালবেলা" – নামকবিতাটিতেই সময়ের নিষ্ঠুরতাকে তুলে ধরা হয়েছে।

##"অন্ধকার" – যেখানে জীবনের অনিশ্চয়তা ও ভবিষ্যতের অজানা গন্তব্যকে প্রতিফলিত করা হয়েছে।

##"আমি ক্লান্ত প্রাণ এক" – বিষাদময় অস্তিত্বের বোঝা নিয়ে চলার এক অনুপম প্রকাশ।

এই কবিতাগুলোর ভাষা রহস্যময়, গভীর, এবং প্রতীকবাদে ভরপুর, যা পাঠককে বারবার নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করে।

জীবনানন্দ দাশের কবিতার ভাষা সরল হলেও তার অন্তর্নিহিত ভাব অত্যন্ত জটিল। তাঁর কবিতায় চিত্রকল্প ও প্রতীক ব্যবহারের দারুণ দক্ষতা রয়েছে। উপমা ও রূপকের গভীরতা এতটাই বেশি যে, একবার পড়ার পরও তা দীর্ঘ সময় ধরে পাঠকের মনে রয়ে যায়। বিষাদ ও নিঃসঙ্গতার গূঢ় অভিব্যক্তি তাঁর কবিতাকে অন্যদের থেকে স্বতন্ত্র করেছে।

‘বেলা অবেলা কালবেলা’ পাঠকের মনে এক ধরনের অদ্ভুত শূন্যতা তৈরি করে। এটি এমন একটি কাব্যগ্রন্থ, যা বারবার পড়তে হয়, এবং প্রতিবার নতুন উপলব্ধি নিয়ে ফিরে আসে। জীবনানন্দ দাশ সময়ের গভীরতাকে যে দৃষ্টিতে দেখেছেন, তা আমাদের জীবনকেও নতুনভাবে উপলব্ধি করতে শেখায়।

যারা প্রচলিত রোমান্টিক কবিতা পড়তে অভ্যস্ত, তাদের জন্য এটি কঠিন মনে হতে পারে। তবে যাঁরা কবিতার গভীরে প্রবেশ করতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

‘বেলা অবেলা কালবেলা’ শুধুমাত্র একটি কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি সময়ের সঙ্গে এক নীরব আলাপচারিতা। এটি বাংলার আধুনিক কবিতার এক অমূল্য সম্পদ, যা আমাদের অস্তিত্ব, সময় ও নিঃসঙ্গতার গভীরতর উপলব্ধি এনে দেয়।

পড়ুন ও পড়ান এই বই।
Profile Image for Shahnewaz Shahin.
101 reviews6 followers
June 22, 2025
জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পরে (১৯৬১) প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ "বেলা অবেলা কালবেলা"।

এই কাব্যগ্রন্থের সবগুলো কবিতাই আগে প্রকাশিত হয়েছিল। কবিতাগুলোর রচনাকাল ১৯৩৪ থেকে ১৯৫০ এর মধ্যে।যার বেশিরভাগই‌প্রকাশিত হয় জীবিতকালে,কয়েকটি তাঁর মৃত্যুর পরেও। এছাড়াও ব‌ই আকারে প্রকাশের জন্য কবি নিজেই কবিতাগুলো বাছাই করেছিলেন। তবে ব‌ইয়ে কবিতার রচনার কাল অনুযায়ী সাজানো সম্ভব হয়নি। যে কয়েকটি ব‌ইয়ের নাম কবি নিজেই দিয়েছিলেন তারমধ্যে অন্যতম ' বেলা অবেলা কালবেলা '।


কবি তাঁর জীবনকে তিনভাগে ভাগ করেছেন। একটি হলো সুদূর অতীত: তাঁর ছেলেবেলা (শৈশব-কৈশোর-প্রথম যৌবন)। জীবনের সুখের কাল, সেই সুসময়ের নাম 'বেলা'। দ্বিতীয় পর্যায় হলো 'অবেলা': যৌবনেই কবির জীবন মৃত্যু কর্তৃক আক্রান্ত হলো, এবং সেই বিপর্যস্ত জীবনে অসময়ে কবির মানস-শক্তির প্রতিগমন 'অবেলা' নামে চিহ্নিত। শেষে তিনি পৌঁছলেন মানব-সভ্যতার সংকটময় পরিস্থিতিতে, যার নাম 'কালবেলা'। কেবলমাত্র ব্যক্তিজীবন নয়, তাঁর কাব্যধারারও মোটামুটি তিনটি পর্যায়। প্রথম পর্যায়ে প্রকৃতির আধিপত্য (বেলা), দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রেমের (অবেলা), এবং তৃতীয় পর্যায়ে মানব ইতিহাসের (কালবেলা)। আবার "বেলা অবেলা কালবেলা" কে আমরা অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ হিসেবেও গ্রহণ করতে পারি ।


"বেলা অবেলা কালবেলা"র নামকরণেই বোঝা যায় এক অনির্দিষ্ট অশুভ সময়ে কবি কথা বলছেন। কবিতা গ্রন্থটি তো সময়চেতনা প্রধান-প্রকৃতি ও নারীর সংলগ্নতায় এ সময় ইতিহাসকে ছাপিয়ে যেতে চায়। বিশ শতকের প্রথমার্ধ জুড়ে জীবনানন্দ যে শ্রেণীর অন্তর্গত, সেই মধ্যশ্রেণী ক্রমশ এক নিরুদ্দেশ যাত্রায়। ইতিহাস তাকে বিধ্বস্ত করেছে, ইতিহাসে দাঁড়াবার, তার বাঁচবার চেষ্টা ক্রমশ অন্ধকারকে তীব্র করেছে। জীবনানন্দের কাব্যের সমসাময়িক প্রথম পর্যায়ে এই অন্ধকার বারবার এসেছে, তা থেকে তিনি বাঁচবার চেষ্টা করেছেন প্রকৃতিতে, নারীতে। কখনও ব্যঙ্গের হাসিতে পার হতে চেয়েছেন। কখনও অতীত-বিধুরতায়। বেলা অবেলা কালবেলায় জীবনানন্দ এক সময়ের উজ্জ্বল সেতুপথে নতুন নিমার্ণে গেলেন।
23 reviews1 follower
October 29, 2022
📚পাঠ প্রতিক্রিয়া

•বেলা অবেলা কালবেলা
•জীবনানন্দ দাশ
•দেজ পাবলিশিং
•মূল‍্য ১০০ টাকা

🖋বই আলোচনায়...

'বেলা অবেলা কালবেলা' জীবননান্দ দাশের অন‍্যতম কাব‍্যগ্রন্থ।কবির মৃত্যুর পরবর্তীতে আবিস্কৃত লেখাগুলি থেকে এই বইয়ের পান্ডুলিপি উদ্ধার করা হয়।কবির মৃত‍্যুর পর ১৯৬১ সালে এই বই প্রথম প্রকাশ পায়।'রূপসী বাংলার কবি' নামাঙ্কিত এই ব‍্যক্তিটি সত‍্যি বলতে আমার কাছে বিস্ময়।কী তার লেখনী গুণ,কী তার কবিতা!যতবার পড়ছি অবাক হচ্ছি।আর আমি কবিতা গুলি বারংবার পড়ছি।যাতে কবিতার মধ‍্যস্ত বিষয়ের বোধগম্যতা অর্জন করতে পারি।৭৮ পৃষ্ঠার এই বই আমার কাছে,আমার পড়া বইয়ের মধ‍্যে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।বইয়ের কয়টি লাইন নিম্নরূপ -



"অনেক নদীর জল উবে গেছে-
ঘর বাড়ি সাঁকো ভেঙে গেল;
সে-সব সময় ভেদ ক'রে ফেলে আজ
কারা তবু কাছে চ'লে এলো।
যে সূর্য অয়নে নেই কোনো দিন,
-মনে তাকে দেখা যেত যদি-
যে নারী দেখেনি কেউ -ছ'সাতটি তারায় তিমিরে
হৃদয়ে এসেছে সেই নদী।"

কবিতার ক্ষুধানিবৃত্তি করতে বইটি পড়তে হবে।সকলের সুস্থতা কামনা করি🙏
Profile Image for Badhon Sarkar.
59 reviews2 followers
March 9, 2021
মস্তিষ্কময় আনন্দ,
বাংলাটা জুড়ে জীবন,
পুরোটা মিলে জীবনানন্দ।
Displaying 1 - 11 of 11 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.