What do you think?


Humayun Ahmed (Chronological List) #25
অন্ধকারের গান
ফ্ল্যাপে লিখা কথাঃ
-গল্পটা শুরু হচ্ছে আমার মত বয়েসী একটা মেয়েকে নিয়ে। চমৎকার একটি মেয়ে, রূপবতী, ইন্টেজিলেন্ট, ফুল অব লাইফ। হঠাৎ মেয়েটা জানতে পারল তার ভয়াবহ একটা অসুখ হয়েছে। তার আয়ু আছে ছ’মাসের মত। শুরুটা কেমন রে?
-খুব সাধারণ, লক্ষ লক্ষ এ রকম গল্প আছে।
-খুব ট্রাজিক শুরু। আমার গল্পটা অন্য গল্পের মত না.....
-গল্পটা শুরু হচ্ছে আমার মত বয়েসী একটা মেয়েকে নিয়ে। চমৎকার একটি মেয়ে, রূপবতী, ইন্টেজিলেন্ট, ফুল অব লাইফ। হঠাৎ মেয়েটা জানতে পারল তার ভয়াবহ একটা অসুখ হয়েছে। তার আয়ু আছে ছ’মাসের মত। শুরুটা কেমন রে?
-খুব সাধারণ, লক্ষ লক্ষ এ রকম গল্প আছে।
-খুব ট্রাজিক শুরু। আমার গল্পটা অন্য গল্পের মত না.....
72 pages, Hardcover
First published January 1, 1990
About the author
Humayun Ahmed
454 books3,092 followersHumayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 50 reviews
July 26, 2022
কিছু কিছু বাবা থাকে যারা তাদের সন্তানদের প্রচণ্ড ভালোবাসে, খুব সঙ্গোপনে কিন্তু মুখে বলতে পারে না, ব্যবহারে প্রকাশ করতে পারে না। সেই বাবাদের সন্তানের প্রতি ভালোবাসাগুলো কখনো প্রকাশ পায় না।
মৃত্যুকে ভুলে থাকি বলেই আমরা নিজেদের কতো ইচ্ছাকে এড়িয়ে যাই! যদি আমরা এমন জানতাম যে, ৬ মাস পর আমি ম'রে যাবো, তাহলে কি আজকের দিনটা এভাবেই কাটাতাম!? নাকি আরো সুন্দর করার চেষ্টা করতাম? নাকি মৃত্যু ভয়ে আরেকটু ম'রে যেতাম? মৃত্যুকে ভয় না পাওয়ার সাহস যার আছে, বেচে থাকার মাঝে তার তৃপ্তি হয়তো সবচেয়ে বেশি। আজ রাতেই ম'রে যেতে পারি, এই ভাবনা নিয়ে ঘুমিয়ে, পরের দিন ঘুম থেকে উঠলে জীবনের মূল্য হয়তো আমরা আরো তীব্রভাবে বুঝতে শিখতাম।
কবির সুমনের একটি গানের দুটি লাইন মনে পড়ছে খুব।
সুখে আছো যারা সুখে থাকো
এ-সুখ সইবে না
দুখে আছো যারা বেঁচে থাকো
এ-দুখ রইবে না
বন্ধু এ-দুখ রইবে না।
বইয়ের কিছু ভালো লাগা লাইন:
জানলার ওপাশে ছিল নিস্তব্ধ আকাশ।
চারদিকে আদিগন্ত ধূসর প্রান্তর।
সময় দাঁড়িয়ে ছিল এক পায়ে, ফেলেছিল ক্লান্ত দীর্ঘশ্বাস।
মানুষ কখনো কিছু লক্ষ্য করে না। তার চোখের সামনে কত কিছু ঘটে সে তাকিয়ে থাকে কিন্তু দেখে না। মানুষের দেখতে না পারার ক্ষমতা অসাধারণ।
কুড়ি পার হওয়া মেয়েরা খুব হিসেবী, তারা চট করে কারো প্রেমে পড়ে না।
মৃত্যুকে ভুলে থাকি বলেই আমরা নিজেদের কতো ইচ্ছাকে এড়িয়ে যাই! যদি আমরা এমন জানতাম যে, ৬ মাস পর আমি ম'রে যাবো, তাহলে কি আজকের দিনটা এভাবেই কাটাতাম!? নাকি আরো সুন্দর করার চেষ্টা করতাম? নাকি মৃত্যু ভয়ে আরেকটু ম'রে যেতাম? মৃত্যুকে ভয় না পাওয়ার সাহস যার আছে, বেচে থাকার মাঝে তার তৃপ্তি হয়তো সবচেয়ে বেশি। আজ রাতেই ম'রে যেতে পারি, এই ভাবনা নিয়ে ঘুমিয়ে, পরের দিন ঘুম থেকে উঠলে জীবনের মূল্য হয়তো আমরা আরো তীব্রভাবে বুঝতে শিখতাম।
কবির সুমনের একটি গানের দুটি লাইন মনে পড়ছে খুব।
সুখে আছো যারা সুখে থাকো
এ-সুখ সইবে না
দুখে আছো যারা বেঁচে থাকো
এ-দুখ রইবে না
বন্ধু এ-দুখ রইবে না।
বইয়ের কিছু ভালো লাগা লাইন:
জানলার ওপাশে ছিল নিস্তব্ধ আকাশ।
চারদিকে আদিগন্ত ধূসর প্রান্তর।
সময় দাঁড়িয়ে ছিল এক পায়ে, ফেলেছিল ক্লান্ত দীর্ঘশ্বাস।
মানুষ কখনো কিছু লক্ষ্য করে না। তার চোখের সামনে কত কিছু ঘটে সে তাকিয়ে থাকে কিন্তু দেখে না। মানুষের দেখতে না পারার ক্ষমতা অসাধারণ।
কুড়ি পার হওয়া মেয়েরা খুব হিসেবী, তারা চট করে কারো প্রেমে পড়ে না।
May 24, 2023
বুলুদের পুরনো আমলের হিন্দু বাড়িটি ওর বাবা মিজান সাহেব কিনে নেন প্রায় ত্রিশ বছর আগে। স্ত্রী আর দুই বছরের পুত্র বুলুকে নিয়ে এ বাড়িতে উঠলেও এ বাড়ির সদস্য সংখ্যা এখন অনেক। বুলুরা চার ভাইবোন- বুলু, বীণা, লীনা আর বাবলু। ওদের সাথে মিজান সাহেবের অশীতিপর বৃদ্ধা মা'ও থাকেন। যিনি সময়ে অসময়ে বলে ওঠেন, "মর হারামজাদা মর"। হয়তো কোথাও কাক ডাকছে সেটা শুনে বীণার দাদী বলে উঠবেন, "মর হারামজাদা মর"। একবার বাড়িতে বীণার বান্ধবী অলিক এল, বীণা পরিচয় করিয়ে দিতেই দাদী বলে উঠলেন "মর হারামজাদী"।
বুলুদের বাবা পড়াশোনা নিয়ে বেশ স্ট্রিক্ট। একাকী ঘরের মধ্যে নিয়ে বেদম প্রহারও করেন। তৃতীয়বারের মতো পরীক্ষায় বসেও বুলু এবারও বিএ ফেল। ওদিকে বীণা করেছে মহা চমৎকার! ছেলেমেয়েদের মধ্যে সে বিএ পরীক্ষায় তৃতীয় হয়েছে। তার এসবের দরকার ছিল না। ওদিকে ফেল করে বুলুটা বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে বাবার ভয়ে।
অলিকের মা মারা গেছে একটা রেয়ার স্কিন ডিজিজে, রোগটা হওয়ার পর কয়েক মাস তীব্র কষ্ট হয়েছে তার। দেখা যায় সেই রোগে অলিকও আক্রান্ত। সবার ধারণা অলিকও তার মায়ের মতো কয়েক মাসের মধ্যে মারা যাবে। ওদিকে বুলু বাড়ি থেকে পালিয়ে বেড়ানোর সময় পায়ে শিমুল কাঁটা ফুটে যায়। সে বাড়ি আসার পর গ্যাংগ্রিন হয়ে যায়।
২৪ মে, ২০২৩
বুলুদের বাবা পড়াশোনা নিয়ে বেশ স্ট্রিক্ট। একাকী ঘরের মধ্যে নিয়ে বেদম প্রহারও করেন। তৃতীয়বারের মতো পরীক্ষায় বসেও বুলু এবারও বিএ ফেল। ওদিকে বীণা করেছে মহা চমৎকার! ছেলেমেয়েদের মধ্যে সে বিএ পরীক্ষায় তৃতীয় হয়েছে। তার এসবের দরকার ছিল না। ওদিকে ফেল করে বুলুটা বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে বাবার ভয়ে।
অলিকের মা মারা গেছে একটা রেয়ার স্কিন ডিজিজে, রোগটা হওয়ার পর কয়েক মাস তীব্র কষ্ট হয়েছে তার। দেখা যায় সেই রোগে অলিকও আক্রান্ত। সবার ধারণা অলিকও তার মায়ের মতো কয়েক মাসের মধ্যে মারা যাবে। ওদিকে বুলু বাড়ি থেকে পালিয়ে বেড়ানোর সময় পায়ে শিমুল কাঁটা ফুটে যায়। সে বাড়ি আসার পর গ্যাংগ্রিন হয়ে যায়।
"জানলার ওপাশে ছিল নিস্তব্ধ আকাশ।
চারদিকে আদিগন্ত ধূসর প্রান্তর।
সময় দাঁড়িয়ে ছিল এক পায়ে, ফেলেছিল ক্লান্ত দীর্ঘশ্বাস।"
২৪ মে, ২০২৩
June 15, 2024
আমাদের দেশে মধ্যবিত্ত সমাজে পিতা ও পুত্রের মাঝে এক অদৃশ্য দুরূহ দেয়াল তৈরী হয়ে আছে। এই দেয়াল কতটা অনতিক্রম্য তা নিজ অভিজ্ঞতায় বুঝতে পারি। ' অন্ধকারের গান' উপন্যাসে পিতা-পুত্রের এই দ্বৈরথ অন্যতম বিষয় হলেও উপন্যাসে এসেছে আরো নানান অনুষঙ্গ। পড়তে ভালো লেগেছে।
April 21, 2024
অন্ধকার রাতে অন্ধকারের গান, বইটি পড়ে শেষ করলাম।মনটা খুব বিষাদে ভরে গেল উপন্যাসটি পড়ে।আমাদের জীবনের হিসাব আসলে কখনোই মিলেনা,তবুও হিসাব মিলাতে গিয়ে আমরা আমাদের জীবনের আনন্দ গুলো হারিয়ে ফেলি।
মিজান সাহেবের মত লোকেরা সারা জীবন হিসাব মিলাতে ব্যস্ত অন্যদিকে গণি সাহেবের মত লোকেরা হিসাবে ইচ্ছাকৃত গরমিল বানাতে ব্যস্ত।
একদিকে মিজানের মত লোকেরা চিরকাল শোষিত অন্যদিকে গণির মত লোকেরা চিরকাল শোষণ ব্যবস্থা চালু রাখতে বদ্ধপরিকর। কী সুন্দর সমাজব্যবস্থা আমাদের!! আফসোস হয় ভেবে।
আরেকটা জিনিস আমার মনে দাগ কেটেছে,সেটা হলো বাবা-সন্তানের ভালবাসা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।
মিজান সাহেব একজন কঠিন বাবা তার সাথে তার সন্তানদের মানসিক দুরত্ব অনেক। অন্যদিকে অলিক আর তার বাবার সুসম্পর্ক লক্ষ্য করা যায়।
মিজান সাহেবের স্বভাবের কাঠিন্য ভাব তার সন্তানের জীবনে প্রভাব ফেলে। এলোমেলো হয়ে যায় বুলু,বাণীর জীবন। বুলু তার বাবা(মিজান) সাহেবের ভয়ে ঘর থেকে পলায়ন করে অবশেষে তার মৃত্যু হয়।পরিবারের সবার সাথে বিশেষ করে বাবা-মায়ের সাথে সন্তানদের বন্ডিং ভালো থাকলে অনেক জটিল সমস্যা সহজে সমাধান করা যায়,অন্যথায় ছোট সমস্যা থেকে গ্যাংরিন হয়ে যায়,যেমন বুলুর সাথে হয়েছে।
এইবার বই নিয়ে নিজস্ব মতামত..
খুব সুন্দর উপন্যাস, মনকে ছুয়ে যায়।
ধনী ও সাধারণ মানুষের জীবনবোধ সুন্দর করে তুলে ধরা হয়েছে।
বাণী আর বুলুর জন্য কষ্ট হয় বিশেষ করে বাণীর জন্য।😐
মিজান সাহেবের মত লোকেরা সারা জীবন হিসাব মিলাতে ব্যস্ত অন্যদিকে গণি সাহেবের মত লোকেরা হিসাবে ইচ্ছাকৃত গরমিল বানাতে ব্যস্ত।
একদিকে মিজানের মত লোকেরা চিরকাল শোষিত অন্যদিকে গণির মত লোকেরা চিরকাল শোষণ ব্যবস্থা চালু রাখতে বদ্ধপরিকর। কী সুন্দর সমাজব্যবস্থা আমাদের!! আফসোস হয় ভেবে।
আরেকটা জিনিস আমার মনে দাগ কেটেছে,সেটা হলো বাবা-সন্তানের ভালবাসা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।
মিজান সাহেব একজন কঠিন বাবা তার সাথে তার সন্তানদের মানসিক দুরত্ব অনেক। অন্যদিকে অলিক আর তার বাবার সুসম্পর্ক লক্ষ্য করা যায়।
মিজান সাহেবের স্বভাবের কাঠিন্য ভাব তার সন্তানের জীবনে প্রভাব ফেলে। এলোমেলো হয়ে যায় বুলু,বাণীর জীবন। বুলু তার বাবা(মিজান) সাহেবের ভয়ে ঘর থেকে পলায়ন করে অবশেষে তার মৃত্যু হয়।পরিবারের সবার সাথে বিশেষ করে বাবা-মায়ের সাথে সন্তানদের বন্ডিং ভালো থাকলে অনেক জটিল সমস্যা সহজে সমাধান করা যায়,অন্যথায় ছোট সমস্যা থেকে গ্যাংরিন হয়ে যায়,যেমন বুলুর সাথে হয়েছে।
এইবার বই নিয়ে নিজস্ব মতামত..
খুব সুন্দর উপন্যাস, মনকে ছুয়ে যায়।
ধনী ও সাধারণ মানুষের জীবনবোধ সুন্দর করে তুলে ধরা হয়েছে।
বাণী আর বুলুর জন্য কষ্ট হয় বিশেষ করে বাণীর জন্য।😐
May 16, 2025
কিছু গল্প চিৎকার করে না—তারা ফিসফিস করে, তবুও একটি প্রতিধ্বনি রেখে যায়। অন্ধকারের গান সেই রকম একটি গল্প।
এই বইটি পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে যেন মধ্যবিত্ত জীবনের নীরব, অদৃশ্য স্তরগুলো একে একে খোলা হচ্ছে। প্রথম দর্শনে সবকিছু সাধারণ মনে হয়—খাওয়া-দাওয়া, পড়াশোনা, পারিবারিক কাজকর্ম—কিন্তু এর নীচে লুকিয়ে আছে অপ্রকাশিত আবেগের ঝড়, দমবন্ধ করা ভয়, এবং এক অদ্ভুত পরিচিতির ছোঁয়া।
গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র মিজান সাহেব, একজন কঠোর পিতা এবং মেঘনা এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডের ক্যাশিয়ার, যিনি তার চার সন্তান—বুলু, বীণা, লীনা, এবং বাবলু—এবং স্ত্রী ফরিদার উপর কঠিন শাসন চাপিয়ে রেখেছেন। তার এই কঠোরতা শুধু শারীরিক শাস্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে, যেখানে পরিবারের সদস্যরা তাকে ভয় পায়, এমনকি তার স্ত্রী ফরিদাও স্বামীর মারধরের সময় বাচ্চাদের বাঁচাতে সাহস করে উঠতে পারেন না। আমার কাছে মিজান সাহেবের চরিত্রটি একই সাথে জটিল এবং করুণ মনে হয়েছে। তিনি হয়তো তার সন্তানদের ভালোবাসেন, কিন্তু সেই ভালোবাসা তার কঠোর ব্যবহারের আড়ালে চাপা পড়ে যায়, কখনো প্রকাশের সুযোগ পায় না। এই অপ্রকাশিত ভালোবাসার বেদনা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।
মিজান সাহেবের বৃদ্ধা মা, যিনি মানসিকভাবে অসুস্থ, তার চরিত্র গল্পে এক অদ্ভুত মাত্রা যোগ করেছে। তার
বলে গালাগাল, যেমন বীণার বান্ধবী অলিকের ক্ষেত্রে, আমাকে হাসিয়েছে, কিন্তু একই সাথে এই চরিত্রের মধ্যে এক ধরনের করুণ বাস্তবতা ফুটে উঠেছে। তার এই গালাগাল যেন পরিবারের অস্থিরতা আর অন্ধকারের প্রতিচ্ছবি।
গল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভয়ের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব। মিজান সাহেবের কঠোরতা তার সন্তানদের মনে ভয়ের বীজ বপন করেছে। বড় ছেলে বুলু, তৃতীয়বারের মতো বি.এ. পরীক্ষায় ফেল করার পর বাবার ভয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। অন্যদিকে, মিজান সাহেব নিজেও তার কর্মক্ষেত্রে ব্যবসায়ী ওসমান গনির চাপে ভয়ে জর্জরিত। ওসমান গনির কৌশলের ফলে ক্যাশে গড়মিল হয়, যা মিজান সাহেবের জীবনে আরও অন্ধকার নিয়ে আসে। এই ভয় শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি সমাজের বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে থাকে, যা গল্পে সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। আমার মনে হয়, ভয় আমাদের জীবনকে কীভাবে গ্রাস করে, কীভাবে সুন্দর সম্পর্কগুলোকে অন্ধকারে ডুবিয়ে দেয়, তা এই বইয়ের মূল বার্তা।
গল্পের একটি ট্র্যাজিক মোড় এসেছে বুলু এবং অলিকের ঘটনার মাধ্যমে। বুলুর পায়ে শিমুল কাঁটার আঘাত, একটি তুচ্ছ ঘটনা, কীভাবে গড়িয়ে গেল এমন অতল অন্ধকারে! গ্যাংগ্রিনের বিষাক্ত ছায়া তার পায়ে, তারপর অপারেশনের পর অপারেশন, আর শেষে পায়ের বিদায়—একটি জীবনের অঙ্গ কেটে ফেলা, তবু মৃত্যুকে ঠেকানো গেল না। একটি কাঁটা, এত সামান্য, কীভাবে এমন ভয়াল রূপ নিল? আমার মন প্রশ্ন করে, এই কি জীবনের নিয়তি? এই কি বিধাতার লীলা, যে একটি ক্ষুদ্র আঘাতে লুকিয়ে থাকে মহাকালের হাসি?
আর অলিক, বীণার সেই বান্ধবী, যার ত্বকে তার মায়ের মতো বিরল রোগের ছাপ, যাকে আমরা সবাই মৃত্যুর দুয়ারে দাঁড়ানো মনে করেছিলাম—সে বেঁচে আছে। তার শরীরে রোগের দাগ, তবু তার চোখে জীবনের অদম্য জ্বলন। কী আশ্চর্য এই বৈপরীত্য! যার মরণ নিশ্চিত মনে হয়েছিল, সে জীবনের গান গায়, আর যে হাসিমুখে পথ চলছিল, তার পায়ের তলায় কাঁটা বিঁধে মৃত্যু এলো চুপিসারে।
আমি ভাবি, এই জীবন কি এক খেলা? যেখানে কোনো নিয়ম নেই, কোনো নিশ্চয়তা নেই। একটি কাঁটা, একটি রোগ, একটি মুহূর্ত—সবকিছু পাল্টে দিতে পারে। আমরা ছুটি, পরিকল্পনা করি, স্বপ্ন দেখি, কিন্তু জীবনের এই অনিশ্চিয়তাতে কে জানে কোন সুতো কখন ছিঁড়ে যাবে? বুলুর মৃত্যু আমাকে শেখায়, জীবন কত ক্ষণস্থায়ী, আর অলিকের বেঁচে থাকা বলে, আশা কত অপ্রতিরোধ্য।
ওহে বিধাতা, তুমি কি হাসো আমাদের এই অজ্ঞতায়? আমরা যারা মনে করি, সব জানি, সব বুঝি, তবু একটি কাঁটার কাছে হার মানি, একটি রোগের সাথে লড়ি। আমার হৃদয় কাঁদে বুলুর জন্য, কিন্তু অলিকের জন্য গায় একটি গান—জীবনের এই দ্বৈত সুরে আমি হারিয়ে যাই। হয়তো এই অস্থিরতাই জীবন, এই অনিশ্চয়তাই তার সৌন্দর্য। আমি শুধু প্রার্থনা করি, যেন এই পথে চলতে চলতে আমি শিখি—প্রতি মুহূর্তকে ভালোবাসতে, প্রতি নিঃশ্বাসকে গুণতে। কারণ, কে জানে, কোন মোড়ে লুকিয়ে আছে আরেকটি শিমুল কাঁটা, আর কোন মোড়ে ফুটে উঠবে জীবনের অপ্রত্যাশিত ফুল? কারণ দিনশেষে আমরা সকলে দাঁড়িয়ে আছি জীবনের এই বিচিত্র মোড়ে, যেখানে মৃত্যু আর বেঁচে থাকার রেখা এমন নির্মমভাবে মিশে যায়।
হুমায়ূন আহমেদের লেখনীতে যে বিষয়টি আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছ, তা হলো তিনি সাধারণ ঘটনার মধ্যে জীবনের গভীর দর্শন ফুটিয়ে তুলতে পারেন। যেমন, তিনি লিখেছেন,
এই উক্তিটি আমার মনে গভীর দাগ কেটেছে। মিজান সাহেবের পরিবারের সদস্যরা একে অপরের কষ্ট, ভালোবাসা, বা ভয় দেখতে পায় না। বীণা তার পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল করলেও, তার সাফল্য পরিবারের অন্ধকারের মধ্যে হারিয়ে যায়। এই দেখতে না পাওয়ার ক্ষমতা আমাদের জীবনেও কতটা প্রযোজ্য, তাই না?
আমি যখন এই বইটির পাতা উল্টেছি, তখন এর সরল ভাষা আর সহজ বর্ণনা আমার মনকে ছুঁয়ে গেছে। প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি ঘটনা, যেন জীবনেরই এক টুকরো—বুলুর মৃত্যুর ট্র্যাজেডি, অলিকের বেঁচে থাকার অপ্রত্যাশিত জয়, সবকিছু মিলে এক গভীর জীবনবোধের ছায়া পড়েছে আমার মনে। তবু, কেন জানি না, এই বইটি আমার হৃদয়ে সেই গভীর দাগ কাটতে পারেনি, যেমনটা হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য কিংবদন্তি রচনাগুলো করে। আমি কি এটিকে তার অন্য বইয়ের সঙ্গে তুলনা করে ফেলেছি? হয়তো, হয়তো না । কিন্তু এর চেয়েও বেশি, আমার মনে একটা অস্থিরতা, একটা খোঁজ—যেন বইটিতে কিছু একটা অনুপস্থিত। কী সেটা? আমি নিজেও জানি না।
এই ভাবনার জালে আমি বারবার ফিরে আসি। বইটির সরলতা আমাকে টানে, কিন্তু সেই টান আমাকে পুরোপুরি আঁকড়ে ধরে না। যেন একটা অদৃশ্য শূন্যতা আমার পড়ার অভিজ্ঞতাকে ঘিরে ছিল। হয়তো আমি খুঁজছি সেই তীব্র আবেগের ঝড়, যেটা হুমায়ূনের অন্য গল্পগুলো আমার মধ্যে জাগিয়েছে—সেই অদ্ভুত মায়া, যেখানে সাধারণ মানুষের গল্প অসাধারণ হয়ে ওঠে। এই বইটিতে সেই মায়াটা কি কিছুটা ফিকে? নাকি আমার প্রত্যাশাই আমাকে বিভ্রান্ত করছে?
আমার মন বলে, হয়তো এই বইটির গভীরতা আমার কাছে পুরোপুরি ধরা দেয়নি। হুমায়ূনের গল্পে যে অদ্ভুত জাদু থাকে—যেখানে সাধারণ ঘটনা হঠাৎ অসাধারণ এক দর্শনে রূপ নেয়—সেটা এখানে কি কিছুটা অনুপস্থিত? আমি ঠিক বুঝতে পারি না। এই চিন্তার লুপ থেকে আমি বেরোতে পারছি না। আমি জানি, বইটি গভীর, তবু আমার মন বলছে, কিছু একটা নেই।
এই বইটি পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে যেন মধ্যবিত্ত জীবনের নীরব, অদৃশ্য স্তরগুলো একে একে খোলা হচ্ছে। প্রথম দর্শনে সবকিছু সাধারণ মনে হয়—খাওয়া-দাওয়া, পড়াশোনা, পারিবারিক কাজকর্ম—কিন্তু এর নীচে লুকিয়ে আছে অপ্রকাশিত আবেগের ঝড়, দমবন্ধ করা ভয়, এবং এক অদ্ভুত পরিচিতির ছোঁয়া।
গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র মিজান সাহেব, একজন কঠোর পিতা এবং মেঘনা এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডের ক্যাশিয়ার, যিনি তার চার সন্তান—বুলু, বীণা, লীনা, এবং বাবলু—এবং স্ত্রী ফরিদার উপর কঠিন শাসন চাপিয়ে রেখেছেন। তার এই কঠোরতা শুধু শারীরিক শাস্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে, যেখানে পরিবারের সদস্যরা তাকে ভয় পায়, এমনকি তার স্ত্রী ফরিদাও স্বামীর মারধরের সময় বাচ্চাদের বাঁচাতে সাহস করে উঠতে পারেন না। আমার কাছে মিজান সাহেবের চরিত্রটি একই সাথে জটিল এবং করুণ মনে হয়েছে। তিনি হয়তো তার সন্তানদের ভালোবাসেন, কিন্তু সেই ভালোবাসা তার কঠোর ব্যবহারের আড়ালে চাপা পড়ে যায়, কখনো প্রকাশের সুযোগ পায় না। এই অপ্রকাশিত ভালোবাসার বেদনা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।
মিজান সাহেবের বৃদ্ধা মা, যিনি মানসিকভাবে অসুস্থ, তার চরিত্র গল্পে এক অদ্ভুত মাত্রা যোগ করেছে। তার
“মর হারামজাদা মর”বা
“মর হারামজাদী”
বলে গালাগাল, যেমন বীণার বান্ধবী অলিকের ক্ষেত্রে, আমাকে হাসিয়েছে, কিন্তু একই সাথে এই চরিত্রের মধ্যে এক ধরনের করুণ বাস্তবতা ফুটে উঠেছে। তার এই গালাগাল যেন পরিবারের অস্থিরতা আর অন্ধকারের প্রতিচ্ছবি।
গল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভয়ের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব। মিজান সাহেবের কঠোরতা তার সন্তানদের মনে ভয়ের বীজ বপন করেছে। বড় ছেলে বুলু, তৃতীয়বারের মতো বি.এ. পরীক্ষায় ফেল করার পর বাবার ভয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। অন্যদিকে, মিজান সাহেব নিজেও তার কর্মক্ষেত্রে ব্যবসায়ী ওসমান গনির চাপে ভয়ে জর্জরিত। ওসমান গনির কৌশলের ফলে ক্যাশে গড়মিল হয়, যা মিজান সাহেবের জীবনে আরও অন্ধকার নিয়ে আসে। এই ভয় শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি সমাজের বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে থাকে, যা গল্পে সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। আমার মনে হয়, ভয় আমাদের জীবনকে কীভাবে গ্রাস করে, কীভাবে সুন্দর সম্পর্কগুলোকে অন্ধকারে ডুবিয়ে দেয়, তা এই বইয়ের মূল বার্তা।
গল্পের একটি ট্র্যাজিক মোড় এসেছে বুলু এবং অলিকের ঘটনার মাধ্যমে। বুলুর পায়ে শিমুল কাঁটার আঘাত, একটি তুচ্ছ ঘটনা, কীভাবে গড়িয়ে গেল এমন অতল অন্ধকারে! গ্যাংগ্রিনের বিষাক্ত ছায়া তার পায়ে, তারপর অপারেশনের পর অপারেশন, আর শেষে পায়ের বিদায়—একটি জীবনের অঙ্গ কেটে ফেলা, তবু মৃত্যুকে ঠেকানো গেল না। একটি কাঁটা, এত সামান্য, কীভাবে এমন ভয়াল রূপ নিল? আমার মন প্রশ্ন করে, এই কি জীবনের নিয়তি? এই কি বিধাতার লীলা, যে একটি ক্ষুদ্র আঘাতে লুকিয়ে থাকে মহাকালের হাসি?
আর অলিক, বীণার সেই বান্ধবী, যার ত্বকে তার মায়ের মতো বিরল রোগের ছাপ, যাকে আমরা সবাই মৃত্যুর দুয়ারে দাঁড়ানো মনে করেছিলাম—সে বেঁচে আছে। তার শরীরে রোগের দাগ, তবু তার চোখে জীবনের অদম্য জ্বলন। কী আশ্চর্য এই বৈপরীত্য! যার মরণ নিশ্চিত মনে হয়েছিল, সে জীবনের গান গায়, আর যে হাসিমুখে পথ চলছিল, তার পায়ের তলায় কাঁটা বিঁধে মৃত্যু এলো চুপিসারে।
আমি ভাবি, এই জীবন কি এক খেলা? যেখানে কোনো নিয়ম নেই, কোনো নিশ্চয়তা নেই। একটি কাঁটা, একটি রোগ, একটি মুহূর্ত—সবকিছু পাল্টে দিতে পারে। আমরা ছুটি, পরিকল্পনা করি, স্বপ্ন দেখি, কিন্তু জীবনের এই অনিশ্চিয়তাতে কে জানে কোন সুতো কখন ছিঁড়ে যাবে? বুলুর মৃত্যু আমাকে শেখায়, জীবন কত ক্ষণস্থায়ী, আর অলিকের বেঁচে থাকা বলে, আশা কত অপ্রতিরোধ্য।
ওহে বিধাতা, তুমি কি হাসো আমাদের এই অজ্ঞতায়? আমরা যারা মনে করি, সব জানি, সব বুঝি, তবু একটি কাঁটার কাছে হার মানি, একটি রোগের সাথে লড়ি। আমার হৃদয় কাঁদে বুলুর জন্য, কিন্তু অলিকের জন্য গায় একটি গান—জীবনের এই দ্বৈত সুরে আমি হারিয়ে যাই। হয়তো এই অস্থিরতাই জীবন, এই অনিশ্চয়তাই তার সৌন্দর্য। আমি শুধু প্রার্থনা করি, যেন এই পথে চলতে চলতে আমি শিখি—প্রতি মুহূর্তকে ভালোবাসতে, প্রতি নিঃশ্বাসকে গুণতে। কারণ, কে জানে, কোন মোড়ে লুকিয়ে আছে আরেকটি শিমুল কাঁটা, আর কোন মোড়ে ফুটে উঠবে জীবনের অপ্রত্যাশিত ফুল? কারণ দিনশেষে আমরা সকলে দাঁড়িয়ে আছি জীবনের এই বিচিত্র মোড়ে, যেখানে মৃত্যু আর বেঁচে থাকার রেখা এমন নির্মমভাবে মিশে যায়।
হুমায়ূন আহমেদের লেখনীতে যে বিষয়টি আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছ, তা হলো তিনি সাধারণ ঘটনার মধ্যে জীবনের গভীর দর্শন ফুটিয়ে তুলতে পারেন। যেমন, তিনি লিখেছেন,
“মানুষ কখনো কিছু লক্ষ করে না। তার চোখের সামনে কতো কিছু ঘটে, সে তাকিয়ে থাকে কিন্তু দেখে না। মানুষের দেখতে না পাওয়ার ক্ষমতা অসাধারণ।”
এই উক্তিটি আমার মনে গভীর দাগ কেটেছে। মিজান সাহেবের পরিবারের সদস্যরা একে অপরের কষ্ট, ভালোবাসা, বা ভয় দেখতে পায় না। বীণা তার পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল করলেও, তার সাফল্য পরিবারের অন্ধকারের মধ্যে হারিয়ে যায়। এই দেখতে না পাওয়ার ক্ষমতা আমাদের জীবনেও কতটা প্রযোজ্য, তাই না?
আমি যখন এই বইটির পাতা উল্টেছি, তখন এর সরল ভাষা আর সহজ বর্ণনা আমার মনকে ছুঁয়ে গেছে। প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি ঘটনা, যেন জীবনেরই এক টুকরো—বুলুর মৃত্যুর ট্র্যাজেডি, অলিকের বেঁচে থাকার অপ্রত্যাশিত জয়, সবকিছু মিলে এক গভীর জীবনবোধের ছায়া পড়েছে আমার মনে। তবু, কেন জানি না, এই বইটি আমার হৃদয়ে সেই গভীর দাগ কাটতে পারেনি, যেমনটা হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য কিংবদন্তি রচনাগুলো করে। আমি কি এটিকে তার অন্য বইয়ের সঙ্গে তুলনা করে ফেলেছি? হয়তো, হয়তো না । কিন্তু এর চেয়েও বেশি, আমার মনে একটা অস্থিরতা, একটা খোঁজ—যেন বইটিতে কিছু একটা অনুপস্থিত। কী সেটা? আমি নিজেও জানি না।
এই ভাবনার জালে আমি বারবার ফিরে আসি। বইটির সরলতা আমাকে টানে, কিন্তু সেই টান আমাকে পুরোপুরি আঁকড়ে ধরে না। যেন একটা অদৃশ্য শূন্যতা আমার পড়ার অভিজ্ঞতাকে ঘিরে ছিল। হয়তো আমি খুঁজছি সেই তীব্র আবেগের ঝড়, যেটা হুমায়ূনের অন্য গল্পগুলো আমার মধ্যে জাগিয়েছে—সেই অদ্ভুত মায়া, যেখানে সাধারণ মানুষের গল্প অসাধারণ হয়ে ওঠে। এই বইটিতে সেই মায়াটা কি কিছুটা ফিকে? নাকি আমার প্রত্যাশাই আমাকে বিভ্রান্ত করছে?
আমার মন বলে, হয়তো এই বইটির গভীরতা আমার কাছে পুরোপুরি ধরা দেয়নি। হুমায়ূনের গল্পে যে অদ্ভুত জাদু থাকে—যেখানে সাধারণ ঘটনা হঠাৎ অসাধারণ এক দর্শনে রূপ নেয়—সেটা এখানে কি কিছুটা অনুপস্থিত? আমি ঠিক বুঝতে পারি না। এই চিন্তার লুপ থেকে আমি বেরোতে পারছি না। আমি জানি, বইটি গভীর, তবু আমার মন বলছে, কিছু একটা নেই।
October 22, 2024
ক্লাসিক হুমায়ূন আহমেদের লেখনী।
ইস এই স্টাইলের লেখনীটা দীর্ঘদিন যাবৎ মিস করেছি আমি। লাস্ট কিছু দিন যাবৎ যা পড়ছিলাম তাই বিরক্তিকর লাগছিল। বারবার হতাশ হচ্ছিলাম। অবশেষে একটা ভাল উপন্যাস পড়লাম।
আমাদের সমাজে একটা বৃহৎ সমস্যা হচ্ছে আমরা আমাদের বাবাকে অনেক ভয় করি। বাবার সাথে এতটা কমফোর্টেবল আমরা না যতটা না আমরা আমাদের মায়ের সাথে হই। কিন্তু আসলে...আমরা ঠিক কতটা বাবাকে ভালোবাসি এটা শত চাইলেও বোঝাতে না পারার যে আফসোসটা সেম সমস্যাটা বাবারা ও ফেস করে। তারা সবসময় গম্ভীর থাকেন এতে বাচ্চারা তাকে খুব মান্য করে এবং ভয় পায় কিন্তু তিনি যে তাদের মনে মনে কতখানি ভালোবাসেন তা তিনি সরাসরি বলতেও পারেন না।
আমি কিন্তু উপন্যাসের স্পয়লার দিয়ে দিলাম। উপন্যাসটার কাহিনি এটাই। যদিও... উপসংহারে এসে পাঠকের চোখে নিচে পানি জমতে পারে।
এখন বাজে বেলা ১০টা, সারা রাত ঘুমাই নাই। এততটা ঢুকে গেছিলাম কাহিনীর মাঝে যে শেষ না করে উঠতে মনই চাচ্ছিল না। Anyway, it was good. I've enjoyed enough.
ইস এই স্টাইলের লেখনীটা দীর্ঘদিন যাবৎ মিস করেছি আমি। লাস্ট কিছু দিন যাবৎ যা পড়ছিলাম তাই বিরক্তিকর লাগছিল। বারবার হতাশ হচ্ছিলাম। অবশেষে একটা ভাল উপন্যাস পড়লাম।
আমাদের সমাজে একটা বৃহৎ সমস্যা হচ্ছে আমরা আমাদের বাবাকে অনেক ভয় করি। বাবার সাথে এতটা কমফোর্টেবল আমরা না যতটা না আমরা আমাদের মায়ের সাথে হই। কিন্তু আসলে...আমরা ঠিক কতটা বাবাকে ভালোবাসি এটা শত চাইলেও বোঝাতে না পারার যে আফসোসটা সেম সমস্যাটা বাবারা ও ফেস করে। তারা সবসময় গম্ভীর থাকেন এতে বাচ্চারা তাকে খুব মান্য করে এবং ভয় পায় কিন্তু তিনি যে তাদের মনে মনে কতখানি ভালোবাসেন তা তিনি সরাসরি বলতেও পারেন না।
আমি কিন্তু উপন্যাসের স্পয়লার দিয়ে দিলাম। উপন্যাসটার কাহিনি এটাই। যদিও... উপসংহারে এসে পাঠকের চোখে নিচে পানি জমতে পারে।
এখন বাজে বেলা ১০টা, সারা রাত ঘুমাই নাই। এততটা ঢুকে গেছিলাম কাহিনীর মাঝে যে শেষ না করে উঠতে মনই চাচ্ছিল না। Anyway, it was good. I've enjoyed enough.
June 29, 2022
"মানুষ কখনো কিছু লক্ষ করে না। তার চোখের সামনে কতো কিছু ঘটে, সে তাকিয়ে থাকে কিন্তু দেখে না। মানুষের দেখতে না পাওয়ার ক্ষমতা অসাধারণ।
অলিকের এখন একটা চিঠি লিখতে ইচ্ছা হচ্ছে। তবে চিঠিটা লেখা হবে অন্ধকারে। মুশকিল হচ্ছে অন্ধকারে চিঠি লেখার কোন উপায় নেই। থাকলে ভালো হতো।
চিঠি কাকে লেখা যায়? কবি কিটসকে লিখলে কেমন হয়? মৃত মানুষদের কাছে চিঠিপত্র লেখার আলাদা আনন্দ আছে। চিঠির উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না।"
অলিকের এখন একটা চিঠি লিখতে ইচ্ছা হচ্ছে। তবে চিঠিটা লেখা হবে অন্ধকারে। মুশকিল হচ্ছে অন্ধকারে চিঠি লেখার কোন উপায় নেই। থাকলে ভালো হতো।
চিঠি কাকে লেখা যায়? কবি কিটসকে লিখলে কেমন হয়? মৃত মানুষদের কাছে চিঠিপত্র লেখার আলাদা আনন্দ আছে। চিঠির উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না।"
August 30, 2023
রিডার্স ব্লকে পড়ে যাচ্ছিলাম মনে হয়। এরকম পরিস্থিতিতে হুমায়ূন আহমেদের দারস্থ হওয়া আমার জন্য বেশ কাজের হয়। লেখকের বই মগজের গিট্টু খুলতে সহায়ক।
অন্ধকারের গান। সংগ্রহে ছিলো অনেকদিন ধরেই। আজ পড়ে শেষ করলাম।
উপন্যাসের সময়রেখা নব্বই দশকের শেষ প্রান্তের। হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য বেশিরভাগ উপন্যাসের মতোই প্লটে কমন কিছু উপাদান আছে।
বীণা। বিএ পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্য পেলেও ভাই বুলু যথারীতি ফেলের হ্যাট্রিক করে নিখোঁজ। তাদের বাবা মিজান সাহেব একজন বেশ কড়া এবং টক্সিক অভিভাবক।
মিজান চাকরী করেন গণি সাহেবের অফিসে। যেখানে হিসাব নিয়ে কিছু গোলমাল হয়েছে।
উপন্যাসে অদ্ভূত আচরণ করা অল্পবয়সি মেয়ে অলিক আছে। বীণার বান্ধবী সে। সাহিত্যের ছাত্রী অলিকের কারণে ইংরেজী কিছু সুন্দর কবিতার লাইন পড়ার ভাগ্য হয়েছে।
হুমায়ূন আহমেদের বেশিরভাগ উপন্যাস অনেকের মতো আমারো একই রকম লাগে। ঠিক এ কারণে অনেকদিন পর পর পড়ি। তবে 'অন্ধকারের গান' এ লেখক সূক্ষ্ম কিছু কথার মাঝের কথা দিয়েছেন। আমরা আজকাল যেটাকে সাবটেক্সট বলি।
যেকোন মধ্যবিত্ত পরিবারের কমন কিছু সমস্যা লেখকের সুখপাঠ্য লেখনির হাত ধরে এগিয়ে গেছে। একটি অফিস চালাতে বড়সাহেবরা কী ধরণের কুটনীতির প্রয়োগ করতে পারেন কিংবা অল্পবয়সি মৃত্যু পথযাত্রী কোন মেয়ের মাথায় কীরকম চিন্তার স্রোত বয়ে যেতে পারে তা এ নভেলে দেখা যায়।
হুমায়ূন আহমেদের এসব উপন্যাস পড়ার সময় বিভিন্ন পাগলামি ভরা অথবা অদ্ভূত কাজকারবার যতটা অবাস্তব মনে হয় বাস্তব জীবনে মনে হয় এসব তত অবাস্তব নয়।
মা, বাবারা একটা বয়সের পর সন্তানদের কতটাই বা চিনেন, জানেন? অল্পবয়সি মেয়েদের মনোজগতে এধরণের দোলচাল কি হয় না?
উপন্যাসের শেষে লেখক বরাবরের মতোই মনটা খারাপ করে দিয়েছেন। অবশ্য আমার মন খুব একটা বিষণ্ন হয় নি। হুমায়ূন আহমেদ বলে কথা। প্রস্তুত ছিলাম।
বই রিভিউ
নাম : অন্ধকারের গান
লেখক : হুমায়ূন আহমেদ
প্রথম অনন্যা প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০০৮
প্রকাশক : অনন্যা
প্রচ্ছদ : ধ্রুব এষ
রিভিউয়ার : ওয়াসিম হাসান মাহমুদ
অন্ধকারের গান। সংগ্রহে ছিলো অনেকদিন ধরেই। আজ পড়ে শেষ করলাম।
উপন্যাসের সময়রেখা নব্বই দশকের শেষ প্রান্তের। হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য বেশিরভাগ উপন্যাসের মতোই প্লটে কমন কিছু উপাদান আছে।
বীণা। বিএ পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্য পেলেও ভাই বুলু যথারীতি ফেলের হ্যাট্রিক করে নিখোঁজ। তাদের বাবা মিজান সাহেব একজন বেশ কড়া এবং টক্সিক অভিভাবক।
মিজান চাকরী করেন গণি সাহেবের অফিসে। যেখানে হিসাব নিয়ে কিছু গোলমাল হয়েছে।
উপন্যাসে অদ্ভূত আচরণ করা অল্পবয়সি মেয়ে অলিক আছে। বীণার বান্ধবী সে। সাহিত্যের ছাত্রী অলিকের কারণে ইংরেজী কিছু সুন্দর কবিতার লাইন পড়ার ভাগ্য হয়েছে।
হুমায়ূন আহমেদের বেশিরভাগ উপন্যাস অনেকের মতো আমারো একই রকম লাগে। ঠিক এ কারণে অনেকদিন পর পর পড়ি। তবে 'অন্ধকারের গান' এ লেখক সূক্ষ্ম কিছু কথার মাঝের কথা দিয়েছেন। আমরা আজকাল যেটাকে সাবটেক্সট বলি।
যেকোন মধ্যবিত্ত পরিবারের কমন কিছু সমস্যা লেখকের সুখপাঠ্য লেখনির হাত ধরে এগিয়ে গেছে। একটি অফিস চালাতে বড়সাহেবরা কী ধরণের কুটনীতির প্রয়োগ করতে পারেন কিংবা অল্পবয়সি মৃত্যু পথযাত্রী কোন মেয়ের মাথায় কীরকম চিন্তার স্রোত বয়ে যেতে পারে তা এ নভেলে দেখা যায়।
হুমায়ূন আহমেদের এসব উপন্যাস পড়ার সময় বিভিন্ন পাগলামি ভরা অথবা অদ্ভূত কাজকারবার যতটা অবাস্তব মনে হয় বাস্তব জীবনে মনে হয় এসব তত অবাস্তব নয়।
মা, বাবারা একটা বয়সের পর সন্তানদের কতটাই বা চিনেন, জানেন? অল্পবয়সি মেয়েদের মনোজগতে এধরণের দোলচাল কি হয় না?
উপন্যাসের শেষে লেখক বরাবরের মতোই মনটা খারাপ করে দিয়েছেন। অবশ্য আমার মন খুব একটা বিষণ্ন হয় নি। হুমায়ূন আহমেদ বলে কথা। প্রস্তুত ছিলাম।
বই রিভিউ
নাম : অন্ধকারের গান
লেখক : হুমায়ূন আহমেদ
প্রথম অনন্যা প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০০৮
প্রকাশক : অনন্যা
প্রচ্ছদ : ধ্রুব এষ
রিভিউয়ার : ওয়াসিম হাসান মাহমুদ
July 18, 2021
বইঃ অন্ধকারের আলো
লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
ধরণঃ সমকালীন উপন্যাস
পৃষ্ঠাঃ ৯৬
প্রকাশিতঃ ১৯৯০
রেটিংঃ ৫⭐/৫⭐
🎶কাহিনী সংক্ষেপঃ
মিজান সাহেব তার মা , স্ত্রী ফরিদা এবং ৪ সন্তান বুলু, বীণা,লীনা ও বাবলুকে নিয়ে এক পুরনো হিন্দু বাড়িতে থাকেন |
বি.এ. পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়েছে | বীণা পাস করেছে কিন্তু তার ভাই বুলু পাস করতে পারেনি | সে ৩য় বার বি.এ. পরীক্ষা দিয়েছে আর এবারো ফেল করেছে এবং ভয়ে বাড়ি থেকে পালিয়েছে | বীণার এখন পরীক্ষায় পাস করেও খারাপ লাগছে |
মিজান সাহেব একটি কোম্পানীর ক্যাশিয়ার | কঠিন প্রকৃতির মানুষ | ছেলেমেয়েদের উপর রাগ করলেই তাদেরকে কঠিনভাবে শাসন করে | ইদানীং তার অফিসে ও ঝামেলা চলছে | একটি হিসাব কোনভাবেই যেন মিলছে না |
বীণার একজন বান্ধুবী আছে , যার নাম অলিক | মেয়েটির স্বভাব কিছুটা পাগলের মতো | মাকে হারিয়ে সে অনেক একা হয়ে গেছে | তার মা যে অসুখে আক্রান্ত হয়েছিল ,
সে অসুখ তার শরীরেও বাসা বেঁধেছে |
বুলু অনেকদিনপর বাড়িতে ফিরে আসে | তার পায়ে শিমুল গাছের কাঁটা ফুটে এবং অনেক ক্ষতি হয়ে যায় তাই শেষে বুলু আর বাঁচতে পারে না |
🎶পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ
খুবই ছোটো একটি উপন্যাস | যার পরিসর সংসার , পরিবার , ভাইবোন, অফিসের বসের আচরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
ধরণঃ সমকালীন উপন্যাস
পৃষ্ঠাঃ ৯৬
প্রকাশিতঃ ১৯৯০
রেটিংঃ ৫⭐/৫⭐
🎶কাহিনী সংক্ষেপঃ
মিজান সাহেব তার মা , স্ত্রী ফরিদা এবং ৪ সন্তান বুলু, বীণা,লীনা ও বাবলুকে নিয়ে এক পুরনো হিন্দু বাড়িতে থাকেন |
বি.এ. পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়েছে | বীণা পাস করেছে কিন্তু তার ভাই বুলু পাস করতে পারেনি | সে ৩য় বার বি.এ. পরীক্ষা দিয়েছে আর এবারো ফেল করেছে এবং ভয়ে বাড়ি থেকে পালিয়েছে | বীণার এখন পরীক্ষায় পাস করেও খারাপ লাগছে |
মিজান সাহেব একটি কোম্পানীর ক্যাশিয়ার | কঠিন প্রকৃতির মানুষ | ছেলেমেয়েদের উপর রাগ করলেই তাদেরকে কঠিনভাবে শাসন করে | ইদানীং তার অফিসে ও ঝামেলা চলছে | একটি হিসাব কোনভাবেই যেন মিলছে না |
বীণার একজন বান্ধুবী আছে , যার নাম অলিক | মেয়েটির স্বভাব কিছুটা পাগলের মতো | মাকে হারিয়ে সে অনেক একা হয়ে গেছে | তার মা যে অসুখে আক্রান্ত হয়েছিল ,
সে অসুখ তার শরীরেও বাসা বেঁধেছে |
বুলু অনেকদিনপর বাড়িতে ফিরে আসে | তার পায়ে শিমুল গাছের কাঁটা ফুটে এবং অনেক ক্ষতি হয়ে যায় তাই শেষে বুলু আর বাঁচতে পারে না |
🎶পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ
খুবই ছোটো একটি উপন্যাস | যার পরিসর সংসার , পরিবার , ভাইবোন, অফিসের বসের আচরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
March 7, 2018
মিজান সাহেব একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে চাকরী করেন। তার বড় ছেলে বুলু তৃতীয় বারের মত বি.এ. পরীক্ষায় ফেল করে বাসা ছেড়ে পালিয়েছে। ওদিকে মেঝো মেয়ে বীণা পরীক্ষায় অসম্ভব ভালো ফলাফল করেছে। মিজান সাহেব তার সেঝো মেয়ে লীনা আর ছোট ছেলে বাবলুকে নিয়ে প্রায়ই পড়া দেখাতে বসেন। ভুলভ্রান্তি হলে দরজা আটকে বেদম প্রহার করেন। মিজান সাহেবের স্ত্রী ফরিদা তার স্বামীকে ভয় পান। এই ভয়ের কারণেই তিনি বাচ্চাদের মারধোর করার সময় বাধা দিতে পারেন না। মিজান সাহেবের বৃদ্ধা মা মানসিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ্য নন। তিনি সারাদিন প্রায় সবাইকেই গালাগাল করে। এই পরিবারটার টানাপোড়েনের মাঝেই এগিয়ে যায় বইয়ের কাহিনী। টিপিক্যাল হুমায়ূন আহমেদ স্টোরি। যার ফাঁকে ফাঁকে ছিলো কিছু হাস্যরস, ছিলো জীবনের কিছু জটিলতা, আর শেষে গিয়ে মন খারাপ করে দেয়ার মত কিছু ঘটনাবলী। তারপরও কেন জানি, অন্যান্য বইয়ের মত এই বইটা মনে অতটা দাগ কাটেনি। পড়ার সময় মন খানিকটা বিক্ষিপ্ত ছিলো বলেই হয়তো। তারপরও তো তিন তারার নিচে রেটিং দিতে পারলাম না। :)
May 30, 2017
হুমায়ূন আহমেদ গল্প উপন্যাসের মূল আকর্ষণ থাকে তার চরিত্রগুলোর ওপর। তার প্রায় প্রতিটি বইতেই এমন একটি চরিত্র থাকে যার মাঝে পাঠক নিজেকে খুঁজে পায় অথবা বাস্তব জীবনে নিজের মাঝে সেই রকম একটি চরিত্র তৈরি করতে চায়। এই বইটিও তার ব্যতিক্রম না। বইটির আকারের তুলনায় চরিত্র ছিল অনেক। প্রতিটি চরিত্রই ছিল বেশ ইন্টারেস্টিং। তবে ছোট পরিসরে এত চরিত্র থাকায় গল্পটি একটু তালগোল পাকানো মনে হয়েছে আমার।
July 10, 2015
অতি অতি অতি প্রিয় বই। অনেক দিন পর আবার পরে মন খারাপ হয়ে গেল খুব।
September 17, 2025
ভালো লেগেছিলো।
December 31, 2025
অনেকদিন পর উনার ভাল একটা বই পড়লাম। এক ই ফর্মুলার বই হলেও, পড়ে ভাল লেগেছে। কানেক্ট করতে পেরেছি গল্পের সাথে।
রেটিং: ৯/১০
রেটিং: ৯/১০
September 28, 2024
কিছুটা নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগার- আবার কিছুটা হুমায়ূন স্যারের নব্বই পরবর্তী সময়ে লেখা উপন্যাসগুলোর ছোঁয়া আছে বইটায়। ১৯৮৮ সালের বই এটি। লেখার ধাঁচে একটা স্তর পেরিয়ে নতুন স্তরে প্রবেশের একটা ট্রানজিশন লক্ষ করলাম।
May 22, 2026
রেটিং: ৪.৫/৫
অন্ধকারের গান! বইটি শেষ করার পর আসলেই মনটা অন্ধকারের মতো বিষন্ন হয়ে গিয়েছে।
বিষন্নতার প্রধান কারণ বুলু।
অল্প সল্প বর্ণনার মাঝে অলিক মেয়েটাকে আমার অনেক মনে ধরেছে। কি কারণে মনে ধরেছে এটার একটা কারণ হয়তো অলিকও ইংরেজি সাহিত্যের স্টুডেন্ট আমিও সেই ইংরেজি সাহিত্যেরই।
এরপর মেয়েটির পাগলামিগুলো ভালো লেগে গিয়েছে।
যাই হউক হুমায়ূন প্রেমিরা সচরাচর এরকম বিষন্নতায় ভুগে যখন তারা প্রিয় লেখকের বই পড়তে আসে। এখন এটা অভ্যাসে পরিনত হয়ে গিয়েছে।
অন্ধকারের গান! বইটি শেষ করার পর আসলেই মনটা অন্ধকারের মতো বিষন্ন হয়ে গিয়েছে।
বিষন্নতার প্রধান কারণ বুলু।
অল্প সল্প বর্ণনার মাঝে অলিক মেয়েটাকে আমার অনেক মনে ধরেছে। কি কারণে মনে ধরেছে এটার একটা কারণ হয়তো অলিকও ইংরেজি সাহিত্যের স্টুডেন্ট আমিও সেই ইংরেজি সাহিত্যেরই।
এরপর মেয়েটির পাগলামিগুলো ভালো লেগে গিয়েছে।
যাই হউক হুমায়ূন প্রেমিরা সচরাচর এরকম বিষন্নতায় ভুগে যখন তারা প্রিয় লেখকের বই পড়তে আসে। এখন এটা অভ্যাসে পরিনত হয়ে গিয়েছে।
September 21, 2026
সন্তানেরা মায়ের যতটা কাছাকাছি থাকে, পিতার ততটা কাছাকাছি পৌঁছাতে পারেন না। পিতা মাত্রই রাশভারি, গম্ভীর,দায়িত্বের ভারে নুয়ে পরা মানুষ। মধ্যবিত্ত পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম পিতা আরো বেশি দূরে থাকেন সন্তানদের থেকে। তাদের কি পরিমাণ ভালোবাসেন তা বোঝা যায় কঠোর ধমকে,মারে এবং শাসনে।
অন্ধকারের গান এসবের সমীকরণ। সরল সমীকরণ মনে হলেও শেষের উত্তর'টা কেমন ঘেঁটে যায়।
অন্ধকারের গান এসবের সমীকরণ। সরল সমীকরণ মনে হলেও শেষের উত্তর'টা কেমন ঘেঁটে যায়।
Read
January 31, 2026কেমন করে সবকিছু উলট-পালট হয়ে যায় একদম স্বাভাবিক দিনে আমাদের স্বাভাবিক জীবনের মতো :(
January 15, 2021
বইয়ের নামঃ অন্ধকারের গান
লেখকঃ হুমায়ুন আহমেদ প্রকাশিতঃ ১৯৯০
পৃষ্ঠা নংঃ৯৬টি
বইয়ের ধরণঃ উপন্যাস
প্রথমেই বলে রাখি, বইটার ছোটো ছোটো চরিত্রগুলো খুব ভালো লেগেছে,এর মধ্যে অলিক,বুলু, বীণা অন্যতম।
সহজ, সুন্দর, সাবলীল মনে হয়েছে বইটা পড়তে গিয়ে।এরকম কতশত ছোট্টো না বলা গল্পগুলো মানুষের জীবনে ঘটে চলে প্রতিনিয়ত।
বুলু আর বীণার বাবার প্রতি প্রথম দিকে খুব রাগ হচ্ছিল। এতোটা নির্মম স্বভাবের।
গল্পটা শুরু হয় মিজান সাহেবের বাড়ি কিনা শুরু করে,সেই বাড়িতে বসবাস করতে শুরু করে এবং তার স্ত্রী ফরিদা।বুলু,বীণা,লিণা,বাবলু চার সন্তান ছিলো।বুলু পড়ালেখায় খুব দূর্বল ছিলো,অপরদিকে বীণা অত্যন্ত ভালো ছিলো।
বুলু তিনবার বি.এ ফেল করে একদিন হঠাৎ বাড়ি থেকে চলে যায় বাবার ভয়ে।
বীণা অসহায় হয়ে পড়ে, ভালো রেজাল্ট করেও যেন মন ভালো হচ্ছিলোনা।এভাবে নানা ঘাতপ্রতিঘাতে চলতে থাকে।
বীণার এক বান্ধবী ছিলো,যার নাম অলিক।অনেকদিন পর তার সাথে দেখা হয়।অলিক মেয়েটা খুব বুদ্ধিমতী একটু পাগলি টাইপের ছিলো।মায়ের অসুখে মারা যাওয়ার পর খুব একা হয়ে যায়।মা মরা মেয়ের কথা বাবা খুব অক্ষরে অক্ষরে পালন করতো। অলিকের ও ভয়ানক রোগ বাসা বাধে,হাতে আসে মাএ ছ'মাস।বেশিদিন আর পাগলি মেয়েটা বেঁচে থাকা হবে না।
সবকিছুই কেমন যেন অন্ধকারের ধোঁয়াশার মতোই থেকে গেল,সমাপ্তি পেলোনা কোনো চরিত্রই।অন্ধকারের গানের মতো অন্ধকার রয়ে গেল তাদের অন্তরের অব্যক্ত কথাগুলো।
মতামত:
খুব একটা বড় উপন্যাস নয়।ছোটো গল্প বলা চলে।তবে সংসার,পরিবার,বন্ধু, ভাইবোন,অফিসের বসের আচরণ,একজন রিক্সাচালকের সাথে কথোপকথন সব ছোটো ব্যাপারগুলো আছে।
বুলি,আর বীণার দাদির চরিত্রটাও বেশ মজার ছিলো।মানুষ তার বংশগত স্বভাব কিছুটা হলেও ধারণ করে মিজান সাহেব তারই দৃষ্টান্ত।একসময় তার রাগও হারিয়ে যায়।খুব ভালো লাগলো, কষ্টগুলো ভিতরে লাগার মতো ব্যাপার
লেখকঃ হুমায়ুন আহমেদ প্রকাশিতঃ ১৯৯০
পৃষ্ঠা নংঃ৯৬টি
বইয়ের ধরণঃ উপন্যাস
প্রথমেই বলে রাখি, বইটার ছোটো ছোটো চরিত্রগুলো খুব ভালো লেগেছে,এর মধ্যে অলিক,বুলু, বীণা অন্যতম।
সহজ, সুন্দর, সাবলীল মনে হয়েছে বইটা পড়তে গিয়ে।এরকম কতশত ছোট্টো না বলা গল্পগুলো মানুষের জীবনে ঘটে চলে প্রতিনিয়ত।
বুলু আর বীণার বাবার প্রতি প্রথম দিকে খুব রাগ হচ্ছিল। এতোটা নির্মম স্বভাবের।
গল্পটা শুরু হয় মিজান সাহেবের বাড়ি কিনা শুরু করে,সেই বাড়িতে বসবাস করতে শুরু করে এবং তার স্ত্রী ফরিদা।বুলু,বীণা,লিণা,বাবলু চার সন্তান ছিলো।বুলু পড়ালেখায় খুব দূর্বল ছিলো,অপরদিকে বীণা অত্যন্ত ভালো ছিলো।
বুলু তিনবার বি.এ ফেল করে একদিন হঠাৎ বাড়ি থেকে চলে যায় বাবার ভয়ে।
বীণা অসহায় হয়ে পড়ে, ভালো রেজাল্ট করেও যেন মন ভালো হচ্ছিলোনা।এভাবে নানা ঘাতপ্রতিঘাতে চলতে থাকে।
বীণার এক বান্ধবী ছিলো,যার নাম অলিক।অনেকদিন পর তার সাথে দেখা হয়।অলিক মেয়েটা খুব বুদ্ধিমতী একটু পাগলি টাইপের ছিলো।মায়ের অসুখে মারা যাওয়ার পর খুব একা হয়ে যায়।মা মরা মেয়ের কথা বাবা খুব অক্ষরে অক্ষরে পালন করতো। অলিকের ও ভয়ানক রোগ বাসা বাধে,হাতে আসে মাএ ছ'মাস।বেশিদিন আর পাগলি মেয়েটা বেঁচে থাকা হবে না।
সবকিছুই কেমন যেন অন্ধকারের ধোঁয়াশার মতোই থেকে গেল,সমাপ্তি পেলোনা কোনো চরিত্রই।অন্ধকারের গানের মতো অন্ধকার রয়ে গেল তাদের অন্তরের অব্যক্ত কথাগুলো।
মতামত:
খুব একটা বড় উপন্যাস নয়।ছোটো গল্প বলা চলে।তবে সংসার,পরিবার,বন্ধু, ভাইবোন,অফিসের বসের আচরণ,একজন রিক্সাচালকের সাথে কথোপকথন সব ছোটো ব্যাপারগুলো আছে।
বুলি,আর বীণার দাদির চরিত্রটাও বেশ মজার ছিলো।মানুষ তার বংশগত স্বভাব কিছুটা হলেও ধারণ করে মিজান সাহেব তারই দৃষ্টান্ত।একসময় তার রাগও হারিয়ে যায়।খুব ভালো লাগলো, কষ্টগুলো ভিতরে লাগার মতো ব্যাপার
May 11, 2024
পূর্বকথা : কালকে আমার এসএসসি পরীক্ষা রেজাল্ট। এই মুহূর্তে মাথাটা খুব একটা কাজ করছেনা। আর যাই হোক মাথার এই স্পিড নিয়ে ম্যাটরিক্সের বহুনির্বাচনী সলভ করা অসম্ভব প্রায়। অবশেষে এই ছোট্ট উপন্যাসিকাটি নিয়ে বসলাম। সময় হু হু করে এগিয়ে চললো আর আমাকেও নিয়ে গেলো অন্ধকারের গানের মধ্যে দিয়ে
ভীষণ ছিমছাম একটা প্লট নিয়ে লেখা গল্প। চরিত্র গুলো ব্যাক্তিগত দুঃখ লুকিয়ে রাখতে চায় তবুও শব্দের অন্তরাল থেকে সব কিছুই খুব স্পষ্ট হয়ে উঠে। জীবন এগিয়ে যেতে থাকে, বাস্তবতা কঠিন ব্যতীত সহজ হয়না। পুরো গল্প জুড়ে জীবনের ক্ষুদ্র চাওয়া গুলো পূরণ করার ,ভালো থাকার একটা নীরব যুদ্ধে নিয়োজিত ছিল চরিত্রগুলো।
জীবনের এই গল্পগুলো আমাদের একদম চারপাশ জুড়ে আছে। কখনো আমাদের নিজস্ব জীবনেই এই ঘটনা গুলো ঘটছে!তবুও আমরা ভালো থাকার প্রত্যাশায় অবজ্ঞা করে যাই
জীবন বড়ই কঠিন।
"মানুষের সহ্য ক্ষমতা অসাধারণ তবুও একটা সীমা পর্যন্ত " উক্তিটি ভীষণ রিলেট করতে পারলাম।
ইশ কুয়ো যেমন লুবু বললে বুলু নামের প্রতিধ্বনি ফেরত পাঠায় ঠিক তেমনই যদি জীবন আমাদের প্রিয় মানুষ গুলোকে বারে বারে আমাদের কাছে ফেরত পাঠাতো !কি দারুন হতো তাইনা? কিন্তু আমরা এই পৃথিবীর সবচেয়ে অপ্রয়োজনীয় উপাদান। তাই আমাদের ক্ষুদ্র ইচ্ছে বুকে নিয়ে অন্ধকারের গানে হারিয়ে যেতে হয়!
১১.০৫.২০২৪
ভীষণ ছিমছাম একটা প্লট নিয়ে লেখা গল্প। চরিত্র গুলো ব্যাক্তিগত দুঃখ লুকিয়ে রাখতে চায় তবুও শব্দের অন্তরাল থেকে সব কিছুই খুব স্পষ্ট হয়ে উঠে। জীবন এগিয়ে যেতে থাকে, বাস্তবতা কঠিন ব্যতীত সহজ হয়না। পুরো গল্প জুড়ে জীবনের ক্ষুদ্র চাওয়া গুলো পূরণ করার ,ভালো থাকার একটা নীরব যুদ্ধে নিয়োজিত ছিল চরিত্রগুলো।
জীবনের এই গল্পগুলো আমাদের একদম চারপাশ জুড়ে আছে। কখনো আমাদের নিজস্ব জীবনেই এই ঘটনা গুলো ঘটছে!তবুও আমরা ভালো থাকার প্রত্যাশায় অবজ্ঞা করে যাই
জীবন বড়ই কঠিন।
"মানুষের সহ্য ক্ষমতা অসাধারণ তবুও একটা সীমা পর্যন্ত " উক্তিটি ভীষণ রিলেট করতে পারলাম।
ইশ কুয়ো যেমন লুবু বললে বুলু নামের প্রতিধ্বনি ফেরত পাঠায় ঠিক তেমনই যদি জীবন আমাদের প্রিয় মানুষ গুলোকে বারে বারে আমাদের কাছে ফেরত পাঠাতো !কি দারুন হতো তাইনা? কিন্তু আমরা এই পৃথিবীর সবচেয়ে অপ্রয়োজনীয় উপাদান। তাই আমাদের ক্ষুদ্র ইচ্ছে বুকে নিয়ে অন্ধকারের গানে হারিয়ে যেতে হয়!
১১.০৫.২০২৪
July 8, 2018
হয়ত কখনও আসলেও মধ্যবিত্ত পরিবারের সাধারণ একটা গল্প ছিল এটা... হয়ত গল্পটা আর ১০ টা সাধারণ মধ্যবিত্ত বাড়ির গল্পের মত চলতে চলতে হঠাৎ করেই একটু আলাদা, আর ১০টা মধ্যবিত্ত বাড়ির গল্পের মতই। কিন্তু কেন হুমায়ুনের অধিকাংশ গল্পেই একজন "কেমন যেন" টাইপ প্রৌঢ় মহিলা থাকতেই হবে? কেন গুরুত্বপূর্ণ কোন একটা চরিত্রকে শেষ দিকে এসে মানসিক বিকারগ্রস্ত হতেই হবে? কিছু কেন-র উত্তর কখনওই আর পাওয়া হবে না।
October 6, 2016
অপরিণত গল্প।উপন্যাস না বলে বড় গল্পও বলা যায়।মানুষের দুঃখ গুলো আনন্দময়, আনন্দগুলো দুঃখময়। এই আনন্দ দুঃখময় ঘটনা গুলো নিপুণ হস্তে ফুটিয়ে তুলেছেন চরিত্রের মাধ্যমে।
September 29, 2018
পায়ে ফুটা একটা শিমুল কাটা এতটা ভয়ংকর হয় জানতাম না। গ্রামে থাকায় জীবনে অনেক কাটাই পায়ে ফুটেছে। কই এতটা ভয়ংকর তো হয়নি। গল্পের শুরুতে মনে হয়েছিল এটা ভুতের গল্প.....
May 8, 2019
ক্ল্যাসিক হুমায়ুন। ফ্যামিলি ড্রামা। দুর্দান্ত লেখনী। কাহিনীর বাঁধন খুব দুর্বল তবে হুমায়ুনের ট্রেল্ডমার্ক বাক্যবিন্যাস একটানে বইয়ের শুরু থেকে শেষে নিয়ে যাবে।
October 4, 2024
একটু ভয় আমাদের জীবনকে কীভাবে অন্ধকার করে তুলে তারই মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপারগুলো দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে অন্ধকারের গান বইটিতে।
হুমায়ূন আহমেদের বই সবসময় সাধারণ হলেও গল্পগুলো থাকে একটু ভিন্ন ধাঁচের। মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প নিয়ে লেখা এই বইটিতে জীবনদর্শন নিয়ে মনে নানাভাবে ধাক্কা খাওয়ার মতো শক্তি তৈরি করে রেখেছেন লেখক। সহজ স্বাভাবিক এই গল্পটিতে দৈনন্দিন কার্যকলাপ বর্ণনা করে শুরু ও শেষ করা হলেও এরই ফাঁকে ফাঁকে 'ভয়' নামক একটি অন্ধকারের গান গেয়েছেন তিনি৷
গল্পের অন্যতম চরিত্র হলেন মিজান সাহেব। মিজান সাহেবের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। মিজান সাহেব বাঘ বা ভাল্লুক না হলেও স্ত্রীসহ সন্তানরা প্রচন্ডরকমের ভয় পায় উনাকে। ওসমান গনি সাহেবের মেঘনা এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডের ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন মিজান সাহেব। মিজান সাহেবের বড়ো ছেলে বুলু টানা তিনবার বি.এ. ফাইনাল পরীক্ষায় ফেল করে বাবার ভয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। ওদিকে ধুরন্ধর ব্যবসায়ী ওসমান গনি সাহেব কর্মচারীদের উপর চাপ তৈরি করে রাখতে কৌশলে গুটি চালেন, যার ফলাফল হিসেবে ক্যাশে তৈরি হয় বড়ো একটা গড়মিল। এরই প্রেক্ষিতে মিজান সাহেবের পরিবারে নেমে আসে ভয়াবহ অন্ধকার। বুলুর বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে ছোটো একটা ক্ষত নিয়ে ফিরে আসা এবং দিনরাত এক করে অফিসের হিসেব মেলাতে না পারার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মিজান সাহেবের পরিবারে। শেষমেশ কী হয়েছিল তাদের পরিণতি, তারা কী পেরেছিল ভয়াবহ পরিস্থিতি সামাল দিতে? না কি ভয় নামক শব্দের অন্ধকারে হারিয়ে যায় সবকিছু?
একটা শব্দ 'ভয়'। ভয় নামক শব্দের মায়াজালে ঘেরা থাকে আমাদের জীবন। একেকজন মানুষ নিজের জায়গা থেকে ভয়ের বীজ চাষ করে তার থেকে দূর্বল মানুষদের উপর৷ এভাবেই পর্যায়ক্রমে আমাদের গ্রাস করে ভয়। সুন্দর সুন্দর কিছু সম্পর্ক, সুন্দর সুন্দর কিছু জীবন ভয় নামক হিংস্রতায় হারিয়ে যায় অন্ধকারে, জীবনে বাজতে থাকে অন্ধকারের গান। ভয়ের ভয়াবহ গল্প নিয়েই লেখা অন্ধকারের গান বইটি। আমার ভালো লেগেছে, আশা করছি আপনারও ভালো লাগবে এক বসায় শেষ করার মতো এই বইটি।
বই: অন্ধকারের গান
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
প্রকাশনী: অনন্যা
পৃষ্ঠা: ৯৬
জনরা: সমকালীন উপন্যাস
মূল্য: ২২৫৳
বি. দ্র. এই বইটি ভালোভাবে উপলব্ধি করলে হয়তো অন্যান্য কিছু দিকও উল্লেখ করার মতো হতে পারে। ভয়ের দিকটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়ায় ভয় নিয়েই লিখলাম আমি।
হুমায়ূন আহমেদের বই সবসময় সাধারণ হলেও গল্পগুলো থাকে একটু ভিন্ন ধাঁচের। মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প নিয়ে লেখা এই বইটিতে জীবনদর্শন নিয়ে মনে নানাভাবে ধাক্কা খাওয়ার মতো শক্তি তৈরি করে রেখেছেন লেখক। সহজ স্বাভাবিক এই গল্পটিতে দৈনন্দিন কার্যকলাপ বর্ণনা করে শুরু ও শেষ করা হলেও এরই ফাঁকে ফাঁকে 'ভয়' নামক একটি অন্ধকারের গান গেয়েছেন তিনি৷
গল্পের অন্যতম চরিত্র হলেন মিজান সাহেব। মিজান সাহেবের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। মিজান সাহেব বাঘ বা ভাল্লুক না হলেও স্ত্রীসহ সন্তানরা প্রচন্ডরকমের ভয় পায় উনাকে। ওসমান গনি সাহেবের মেঘনা এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডের ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন মিজান সাহেব। মিজান সাহেবের বড়ো ছেলে বুলু টানা তিনবার বি.এ. ফাইনাল পরীক্ষায় ফেল করে বাবার ভয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। ওদিকে ধুরন্ধর ব্যবসায়ী ওসমান গনি সাহেব কর্মচারীদের উপর চাপ তৈরি করে রাখতে কৌশলে গুটি চালেন, যার ফলাফল হিসেবে ক্যাশে তৈরি হয় বড়ো একটা গড়মিল। এরই প্রেক্ষিতে মিজান সাহেবের পরিবারে নেমে আসে ভয়াবহ অন্ধকার। বুলুর বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে ছোটো একটা ক্ষত নিয়ে ফিরে আসা এবং দিনরাত এক করে অফিসের হিসেব মেলাতে না পারার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মিজান সাহেবের পরিবারে। শেষমেশ কী হয়েছিল তাদের পরিণতি, তারা কী পেরেছিল ভয়াবহ পরিস্থিতি সামাল দিতে? না কি ভয় নামক শব্দের অন্ধকারে হারিয়ে যায় সবকিছু?
একটা শব্দ 'ভয়'। ভয় নামক শব্দের মায়াজালে ঘেরা থাকে আমাদের জীবন। একেকজন মানুষ নিজের জায়গা থেকে ভয়ের বীজ চাষ করে তার থেকে দূর্বল মানুষদের উপর৷ এভাবেই পর্যায়ক্রমে আমাদের গ্রাস করে ভয়। সুন্দর সুন্দর কিছু সম্পর্ক, সুন্দর সুন্দর কিছু জীবন ভয় নামক হিংস্রতায় হারিয়ে যায় অন্ধকারে, জীবনে বাজতে থাকে অন্ধকারের গান। ভয়ের ভয়াবহ গল্প নিয়েই লেখা অন্ধকারের গান বইটি। আমার ভালো লেগেছে, আশা করছি আপনারও ভালো লাগবে এক বসায় শেষ করার মতো এই বইটি।
বই: অন্ধকারের গান
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
প্রকাশনী: অনন্যা
পৃষ্ঠা: ৯৬
জনরা: সমকালীন উপন্যাস
মূল্য: ২২৫৳
বি. দ্র. এই বইটি ভালোভাবে উপলব্ধি করলে হয়তো অন্যান্য কিছু দিকও উল্লেখ করার মতো হতে পারে। ভয়ের দিকটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়ায় ভয় নিয়েই লিখলাম আমি।
October 8, 2022
'অন্ধকারের গান' উপন্যাসটির রচয়িতা হুমায়ূন আহমেদ। এর প্রকাশনাকাল ২০০৮ সাল। উপন্যাসটি একটি নিন্ম মধ্যবিত্ত পরিবারকে কেন্দ্র করে। পরিবারের কর্তা মিজান সাহেব একজন শক্ত ও বদমেজাজি ধরনের লোক। কিছু হলেই নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়ে লাইট বন্ধ করে ছেলেমেয়েকে বেধরম পিটান। মিজান সাহেবের স্ত্রী ফরিদা ভয়ে উনাকে কিছু বলতে পারেন না। শুধু সহ্য করে যান। এছাড়া উনার শরীরটাও এখন খুব একটা ভালো থাকে না। মিজান সাহেবের মা ৮৫ বছর বয়সের একজন বৃদ্ধা। মানসিকভাবে একটু ভারসাম্যহীন। কাওকে দেখলেই বলেন 'মর হারামজাদা'। মিজান সাহেব এবং উনার স্ত্রী ফরিদার চার ছেলেমেয়ে। বুলু, বীণা, লীনা আর বাবলু। কয়েকদিন আগে বীণার বিএ পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়েছে। সে অসম্ভব রকমের ভালো রেজাল্ট করেছে। বুলুরও বিএ পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়েছে। কিন্তু সে আগের দুবারের মতো এবারও ফেল করেছে। বাবার মুখোমুখি হতে হবে বলে সে বাসা থেকে পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। বেশ অনেকদিন পর সে বাসায় ফিরে এলো মুখ ভর্তি দাঁড়ি নিয়ে। চিনাই যাচ্ছে না! খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছে। পায়ে নাকি শিমুল গাছের কাঁটা বিঁধেছে।
পায়ের ব্যথা দিন দিন বাড়ছে। একদিন বীণা বুলুর রুমে ঢুকে চমকিয়ে উঠলো। বুলুর পা ফুলে নীল হয়ে গেছে। বুলু ব্যথায় ছটফট করছে। বীণা তাকে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলো কিন্তু অনেক চেষ্টা করার পরেও সে একটি খালি সিটের ব্যবস্থা করতে পারলো না। কোনো উপায় না পেয়ে বীণা তার বান্ধবী অলীককে ফোন করলো। ফোন করে বললো যেন সে বুলুর জন্য একটা সিটের ব্যবস্থা করে। অলীকের বাবা একজন উচ্চ পদস্হ সরকারি কর্মকর্তা। উনি বুলুর সিটের ব্যবস্থা করে দিলেন। বুলুর পায়ে দুবার অপারেশন করা হলো। কিন্তু কোনো লাভ হলো না। ডাক্তাররা চাইছেন শেষ একটা চেষ্টা করে দেখতে। যদি এটা সফল না হয় তাহলে পা কেটে ফেলে দিতে হবে।
বুলুর অপারেশন চলছে। মিজান সাহেব অপারেশন থিয়েটারের বাইরে উদ্বিগ্ন মনে অপেক্ষা করছেন। উনার চোখে মুখে ভয়।
মিজান সাহেব কখনোই ছেলেমেয়েকে তার ভালোবাসার কথাটি বলতে পারেননি। বলতে পারেননি উনি তাদেরকে কতটা স্নেহ করেন। মিজান সাহেব ঠিক করলেন অপারেশন শেষ হলে উনি বুলুকে বলবেন উনি তাকে ভালোবাসেন। কিন্তু......
পায়ের ব্যথা দিন দিন বাড়ছে। একদিন বীণা বুলুর রুমে ঢুকে চমকিয়ে উঠলো। বুলুর পা ফুলে নীল হয়ে গেছে। বুলু ব্যথায় ছটফট করছে। বীণা তাকে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলো কিন্তু অনেক চেষ্টা করার পরেও সে একটি খালি সিটের ব্যবস্থা করতে পারলো না। কোনো উপায় না পেয়ে বীণা তার বান্ধবী অলীককে ফোন করলো। ফোন করে বললো যেন সে বুলুর জন্য একটা সিটের ব্যবস্থা করে। অলীকের বাবা একজন উচ্চ পদস্হ সরকারি কর্মকর্তা। উনি বুলুর সিটের ব্যবস্থা করে দিলেন। বুলুর পায়ে দুবার অপারেশন করা হলো। কিন্তু কোনো লাভ হলো না। ডাক্তাররা চাইছেন শেষ একটা চেষ্টা করে দেখতে। যদি এটা সফল না হয় তাহলে পা কেটে ফেলে দিতে হবে।
বুলুর অপারেশন চলছে। মিজান সাহেব অপারেশন থিয়েটারের বাইরে উদ্বিগ্ন মনে অপেক্ষা করছেন। উনার চোখে মুখে ভয়।
মিজান সাহেব কখনোই ছেলেমেয়েকে তার ভালোবাসার কথাটি বলতে পারেননি। বলতে পারেননি উনি তাদেরকে কতটা স্নেহ করেন। মিজান সাহেব ঠিক করলেন অপারেশন শেষ হলে উনি বুলুকে বলবেন উনি তাকে ভালোবাসেন। কিন্তু......
March 2, 2021
মিজান সাহেব এর ৪ ছেলেমেয়ে (বুলু, বীণা, লীণা, বাবলু) ও স্ত্রী ফরিদাকে ও মা কে নিয়ে ঢাকায় এক হিন্দু বাড়িতে থাকেন। এই বাড়ি কিনতে অনেক দৌড়া দৌড়ি করতে হয়। মিজান সাহেব এর মা এর মাথা ঠিক নেই। তাকে কেউ কিছু বললেই তিনি বলেন "মর হারামজাদা"। মিজান সাহেব এক অফিসের ক্যাশিয়ার। মধ্যবিত্ত পরিবারের হাল টানতে টানতে ক্লান্ত তিনি। রাতে ঘুম হয় না তখন বাড়িতে এপাশ ওপাশ হেঁটে বেড়ান। মিজান সাহেব এর বড় ছেলে বুলু ৩ বার বি এ পরীক্ষায় ফেল করে বাসা থেকে পালিয়ে গেলো, অথচ তারই ছোট বোন বীণা সেবারই বি এ পরীক্ষায় ছেলে মেয়েদের মধ্যে তৃতীয় হয়েছে। কিন্তু বীণা এই রেজাল্ট নিয়ে সন্তুষ্ট না। তার চিন্তা ভাইকে নিয়ে। বেচারা এতো কষ্ট করলো তারপরও পাশ করতে পারলো না। মিজান সাহেব এর অনেক রাগ, ছেলে মেয়েদের শাসন করেন পিটিয়ে। মিজান সাহেব এর অফিসে টাকার হিসাব এর গন্ডগল হয়। আসলে এই গন্ডগল মালিকই করে, এতে করে অফিসের সবাইকে সুচের আগায় বসিয়ে রাখা যায়। কিন্তু মিজান সাহেব এই হিসাব মিলাতে মিলাতেই ধীরে ধীরে পাগল হয়ে যান। ওদিকে বুলু অনেকদিনপর বাড়িতে ফিরে। মুখে দাড়ি আর পায়ে কাঁটা নিয়ে। সেই কাঁটা অনেক দূর পর্যন্ত গড়িয়ে যায়। যার পরিণতি হয় মৃত্যু। মৃত্যুর পর মিজান সাহেব ডাক্তারকে জানায় তার এই ছেলেকে তিনি কখনো জানাতে পারলেন না যে তিনি তাকে কত ভালোবাসতেন। বুলু শাসনটা জেনে গেলো, ভালোবাসাটা জানলো না।
This entire review has been hidden because of spoilers.
October 29, 2020
SPOILER ALERT!!!!
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
I really didn't expect bulu to die. I didn't! I didn't expect quite some incidents which were revealed at last. Nowadays my eyes don't shed tears easily. But, suprisingly , I cried. Am I becoming too emotional?again? But, this heavy heart soothes my mind sometimes. "Mizan Saheb" , I didn't like him first !at all! I hated him. In the end, I respected him! These silent father charecters are so mysterious!so unpredictable sometimes! This book is nothing so special. Still I liked it.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
I really didn't expect bulu to die. I didn't! I didn't expect quite some incidents which were revealed at last. Nowadays my eyes don't shed tears easily. But, suprisingly , I cried. Am I becoming too emotional?again? But, this heavy heart soothes my mind sometimes. "Mizan Saheb" , I didn't like him first !at all! I hated him. In the end, I respected him! These silent father charecters are so mysterious!so unpredictable sometimes! This book is nothing so special. Still I liked it.
This entire review has been hidden because of spoilers.
November 26, 2019
আহা!!! কতদিন পর হুমায়ূন আহমেদ পড়লাম। সেই পুরনো অনুভূতি। একটা মধ্যবিত্ত পরিবার। যেখানে সব গুলো চাওয়া পাওয়ার পূর্ণতার দেখা নেই। গল্পের একজন বাউন্ডুলে বা আউট অব স্কেল, একজন রাজপুত্র বা রাজকন্যার চেহারায় জন্ম নেওয়া মানুষের পাগলামি।
আর আমাদের অতি পরিচিত বাবা মাকে এক এক গল্পে এক এক ভাবে চেনা। এবং সব গল্পের সাথে সহজেই নিজেকে খুঁজে পাওয়া।
এবং বই শেষ করে শেষ পরিণতি দেখতে না পারায় মন খারাপ হওয়া।
সবকিছু এতো পরিচিত, তারপর ও হুমায়ূন প্রতি বইতেই কীভাবে যেন নতুন করে ধরা দেয়।
আর আমাদের অতি পরিচিত বাবা মাকে এক এক গল্পে এক এক ভাবে চেনা। এবং সব গল্পের সাথে সহজেই নিজেকে খুঁজে পাওয়া।
এবং বই শেষ করে শেষ পরিণতি দেখতে না পারায় মন খারাপ হওয়া।
সবকিছু এতো পরিচিত, তারপর ও হুমায়ূন প্রতি বইতেই কীভাবে যেন নতুন করে ধরা দেয়।
Displaying 1 - 30 of 50 reviews





























