#ঝিনুক- দীপুকাকু সিরিজ
এটাই আমার পড়া প্রথম ঝিনুক দীপুকাকু সিরিজের বই। একটা ভুল চোখে পড়লো, আছে "অষ্টগ্রহর" নাম সংকীর্তন,যেটা হবে "অষ্টপ্রহর" । ঝিনুকরা যখন সুশোভনবাবুর বাড়িতে এলাহী লাঞ্চ সারছিল, কি কি পদ ছিল জানতে লোভ হচ্ছিল, লেখক পদের নামগুলো দিতে পারতেন। সাধারণ একটা সমস্যা সেটার জন্য গোয়েন্দা কেউ ডাকে না।যাই হোক গল্পটা পড়তে মন্দ লাগেনি।যাকে অপরাধী ভাবছিলাম সে না একদমই ভিন্ন একজন অপরাধী প্রমাণ হয়।আর এটাই যেহেতু প্রথম তাই দীপু কাকুর ব্যাপারে বিশেষ কিছু জানিনা তাহলেও বুদ্ধিদীপ্ত বলেই মনে হয়েছে ওনাকে। আর তার অ্যাসিস্ট্যান্ট ঝিনুক শহুরে,মর্ডান, ক্যারাটে পারদর্শী।
কাহিনী সংক্ষেপ: স্থান মোগলমারি। ক্লাইন্টের নাম সুশোভন বসু।আসলে সমস্যা তাঁর বাবা প্রবোধকুমার বসুকে নিয়ে। তিনি ছিলেন ইতিহাসের অধ্যাপক, বর্তমানে তিনি ডিমেনশিয়া রোগে আক্রান্ত, এতে রোগীর স্মৃতি লোপ পায়। তাদের এই গ্রাম দাঁড়িয়ে আছে একটা প্রত্নক্ষেত্রের ওপর।এখানে মাটি খুঁড়লেই পাওয়া যায় প্রত্নবস্তু। তো এই প্রবোধবাবু তার অসুস্থতার মধ্যে প্রলাপ বকেন " চারঘড়া মোহর!কেউ জানতে না পারে! সাবধান!" ব্যাস এই কথাই চাউর হয়ে যায় গোটা গ্রামে। এরপর দেখা যায় তাদের বাড়ির বাগানে অনেকটা জায়গা কোপানো।কে বা কারা এ কাজ করলো জানার জন্যই গোয়েন্দা দীপঙ্কর বাগচীকে ডেকে পাঠানো হয়।
প্রবোধবাবুর নিছক প্রলাপ কি তবে সত্যি ?
কে বা কারা একাজের পেছনে আছে ? তারা কি গ্রামের কেউ নাকি বাইরের ?নাকি বাড়ির কেউ জড়িত ?