প্রথাগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ঐতিহাসিকেরা যেভাবে একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন, রজত পাল যে তা করেন না, তা আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি। বরং গল্পচ্ছলে নানা প্রসঙ্গ উত্থাপন করে তাদের ঐতিহাসিক পরিপ্রেক্ষিত নিয়ে বিভিন্ন ধারণার তুলনামূলক বিশ্লেষণই তাঁর পছন্দ। এই বইটিও তার ব্যতিক্রম নয়। বইটিতে আছে~ (ক) ভূমিকা পর্ব; (খ) গঙ্গারিডি পর্ব; (গ) পৌরাণিক পর্ব; (ঘ) প্রাগৈতিহাসিক পর্ব; (ঙ) কামরূপ-কামতাপুর পর্ব; (চ) মহাস্থানগড় পর্ব; (ছ) অন্যান্য ঐতিহাসিক পর্ব। ইতিহাসের উপাদান হিসেবে সচরাচর যেগুলি গৃহীত হয়, তার পরিবর্তে প্রায় পুরো আলোচনাটাই হয়েছে বিভিন্ন অপ্রামাণ্য সূত্র, পুরাণ এবং 'হোয়াট ইফ'-এর ভিত্তিতে। ফলে বইয়ের ৩২টি অধ্যায় খুব দ্রুত পড়া হয়ে যায়। কিন্তু এই বইটিকে রেফারেন্স বা তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহার করা অসম্ভব। এরপর এটিকে পড়বেন কি না, তা একান্তই আপনার সিদ্ধান্ত।