Jump to ratings and reviews
Rate this book

The Rights of Women in Islam: An Authentic Approach

Rate this book
It has been argued that Islam liberated Muslim women by granting them full rights as citizens. Yet in reality we see that women have long been subjected to both cultural and political oppression. Instances such as forced marriages are sadly common in the Muslim World, as are restrictions on education and on their role in the labour force.

159 pages, Hardcover

First published January 1, 1998

3 people are currently reading
49 people want to read

About the author

HAIFAA A. JAWAD is Senior Lecturer in Middle East and Islamic Studies at Westhill College, Birmingham. She previously taught politics and international relations at Al-Mustansiriya University, Baghdad, and New England College, Arundel. Born in Baghdad, Dr Jawad gained her PhD from Exeter University in 1989. She has specialised on Euro-Arab relations, the socio-political study of Islam, Islam and the west and women's issues in Islam. Among her most recent publications is The Middle East in the New World Order (1997). Currently she is on secondment at the Religious Department of Lancaster University.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
6 (27%)
4 stars
7 (31%)
3 stars
3 (13%)
2 stars
3 (13%)
1 star
3 (13%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
Profile Image for Preetam Chatterjee.
7,536 reviews382 followers
June 25, 2022
বই: The Rights of Women in Islam: An Authentic Approach
লেখক: Haifaa A. Jawad
প্রকাশক: Palgrave Macmillan; 1998th edition
প্রকাশকাল 14 May 1998
ভাষা: ‎ ইংরেজি
ফরম্যাট: হার্ডকভার
পৃষ্ঠা: ১৫০
ওজন: eight: ‎ ৩৫৯ গ্রাম
ডাইমেনশন: 14 x 1.27 x 21.6 cm
Price: ৪৬০২/-

কী প্রচন্ড গন্ডগোল রে বাবা।

সনাতন ধর্মে নারীকে দেবী হিসেবে কল্পনা করা হয়। অন্যদিকে, প্রাচীন সংস্কৃত শাস্ত্রে রয়েছে :‘পুত্রার্থে ক্রিয়তেঃ ভার্যা’। পুত্র সন্তানের জন্ম দিতে না পারলে সনাতন সমাজে সে হয়ে পড়ে অপাংক্তেয়। পুরোহিত দর্পনে মায়ের স্বর্গলাভের জন্য কোনও মন্ত্র নেই। ‘মাতৃ’ শব্দটি সম্পূর্ণ রূপে অনুপস্থিত পুরোহিত দর্পনে।

এ সব ফালতু কথা বললেই চলবে? সেকালে পুত্র বলতে মেয়েও বোঝাত। দেবী পুজার সময় পুত্রাং দেহি… এই যে বহুবচন বলছে, তার অর্থ ছেলে এবং মেয়ে উভয়ই বোঝাচ্ছে।

সেকালে মেয়ে বোঝাতে অনেক জায়গাতেই পুংলিঙ্গ ব্যবহার হত। এগুলো লোকে বুঝবে না; প্রাচীন শাস্ত্রকারেরা শব্দ ব্যবহারটা খুব ভালই জানত। তারা মনে করতেন, স্ত্রী এবং পুরুষ এরা আলাদা আলাদাভাবে পূর্ণ নয়, অর্ধাংশ। এরা যখন একত্রিত হবে, তখনই হবে পূর্ণ মানুষ।

তাছাড়া সন্তান হাজার হাজার জায়গায় ব্যবহার হয়েছে, অনেকেই সেটা জানে না। এখানে পুত্রার্থের জায়গায় সন্তান শব্দটা বসবে কী করে? এটা তো একটা নির্দিষ্ট শ্লোক। কিন্তু সন্তান শব্দটা ব্যবহার করা হয় নি তো এমন নয়। এই শ্লোক যখন লেখা হয়েছে, তখন সন্তান শব্দটা হাজার হাজার বার ব্যবহার করা হয়েছে।

মহাভারতেই এটা আছে; এই শ্লোকটা তো মহাভারতের আগে রচনা হয় নি। শান্তনু বলছেন— রাজনী, ধর্মাবিকষস্য সন্তানায় কুলচ্চনা আমাদের কুলের সন্তানের জন্যে আপনি ধর্মের দিকে পাঠান, আমাদের পুত্র কন্যা কিছু নেই। এই বংশে সন্তান বৃদ্ধি হতে হবে। এখানেই তো সন্তান শব্দটা ব্যবহার হয়েছে।

অফ ট্র্যাক হয়ে যাচ্ছি কিছুটা। বইটির নাম 'The Rights of Women in Islam' -- তারপর আবার 'An Authentic Approach' জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

তাহলে পতিত সনাতনীদের আচার বিচার পড়িয়ে পাঠককে বিভ্রান্ত করলাম কেন?

কারণ ভারতের বামপন্থীরা। নবীর কসম দাদারা।

আরে কী শিখিয়েছেন আমাদের তাঁরা ? এগুলোই -- পয়েন্ট ওয়াইস বললুম :

সমাজ নারীর পোশাক গণ্ডিতে বেঁধে দেবে। তিনি রাত পর্যন্ত একা রাস্তায় ঘুরেফিরে কিংবা পার্কে হেঁটে-চলে একাকিত্ব উপভোগ করতে পারবেন না।

ভয় ও শাসন তাঁকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াবে। মানুন আর না-ই মানুন, সমাজনির্দিষ্ট ‘ভাল মেয়ে’র আদিকল্প তাঁকে ছায়ার মতো অনুসরণ করবে। চৈতন্যকে কুরে কুরে খাবে।

নারী অর্ধেক আকাশ— কবির কল্পনাপ্রসূত চমৎকার বচন। বাস্তব একদম অন্য। খুব উঁচু পদে চাকরিরতাও গোপনে মনে লালন করেন অপরাধবোধ। যেন, কেরিয়ারমুখী হওয়ার স্বাধীনতা তাঁর নেই।

রোজগারের পাশাপাশি, সন্তানকে পুরো যত্ন দিয়ে মানুষ করতে পারছেন না— এই বোধ সমাজ তাঁর মধ্যে ঢোকায়। ফলে, বহির্জগৎ থেকে ঘরে ফিরে, আরামভোগের স্বাধীনতাটুকু থেকেও তিনি বঞ্চিত। ঘরের কাজে লাগতে হয়।

ওকে। তাহলে মুক্তি দেবে কে ? স্বাধীনতা দেব কে? দেবে ইসলাম। আপনাদের সংগ্রামের দোসর।

আমি জাস্ট কয়েকটি ক্ষুদ্র পয়েন্ট মেনশন করছি :

১) পত্নীকে প্রহার করার কোরানের বিধানটি মডারেট মুসলিমরা অস্বীকার বা আড়াল করলেও কোরান বিশেষজ্ঞ মুসলিম ধর্মীয়গুরুরা আস্বীকার বা আড়াল করেননি । তাঁরা এই বিধানটিকে যথাযথভাবেই বাখ্যা করেছেন । পাকিস্তানের ধর্মীয় নেতা মাওলানা মুহাম্মদ আলি তাঁর ‘The Religion of Islam: A comprehensive discussion of the sources, Principles and Practices of Islam’ গ্রন্থের ৬৫২ ও ৬৫৩ পৃষ্ঠায় লিখেছেন –

•It appears that confining [women] to the house is the first step, and it is when they repeat their evil deeds in the house, or do not submit to the authority of the husband and desert him, that permission is given him to inflict corporal punishment, which is the last sort, and even this step does not make them mend their ways, matrimonial relation may be ended. (Vide: Women and the Koran, Anwar Hekmat, p – 216)

(নারীকে ঘরে আটকে রাখা হচ্ছে প্রথম পদক্ষেপ । তথাপি সে যদি ঘরের মধ্যে তার খারাপ কাজকর্ম অব্যাহত রাখে এবং পতির কাছে আত্মসমর্পণ না করে তবে তাকে দৈহিক শাস্তি দাও [প্রহার করো], এটা শেষ পদক্ষেপ । তৎসত্ত্বেও সে যদি তার চলার পথের উন্নতি না ঘটায় তবে তার সঙ্গে বৈবিবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করা যেতে পারে)
মাওলানা মুহাম্মদ আলি তাঁর উক্ত গ্রন্থের ৬৫১ পৃষ্ঠায় লিখেছেন যে, মুহাম্মদের নির্দেশ হলো, পত্নী যদি তোমার (পতির) অপছন্দের কোনো লোককে বাড়িতে ঢোকার অনুমতি দেয় তাহলে তাকে প্রহার করবে । তিনি এ প্রসঙ্গে লিখেছেন –

•It is reported that Muhammad said, “And be careful of your duty to the Allah in the matter of the women, for you have taken them as the trust of Allah … and they owe to you this obligation that they will not allow anyoneto come into your house when you do not like. If they do, then give them slight corporal punishment which may not leave any affect on their bodies. (Vide: Women and the Koran, Anwar Hekmat, p – 221)

(এরূপ বিবরণ রয়েছে যে মুহাম্মদ বলেছেন, “নারীদের বিষয়ে আল্লাহর প্রতি তোমাদের (পতিগণের) কর্তব্য সম্পর্কে যত্নবান থাকবে কেননা আল্লাহর উপর বিশ্বাস রেখেই তোমরা তাদের গ্রহণ করেছো । ... এবং তোমাদের কাছে তাদের নৈতিক কর্তব্য হলো এই যে, তোমাদের অপছন্দের কোনো লোককে তোমাদের ঘরে প্রবেশ করার অনুমতি দেবে না । যদি তারা তা করে, তবে তাদের হালকাভাবে দৈহিক শাস্তি দেবে এমন করে যাতে তাদের গায়ে শাস্তির চিহ্ন ফুটে না উঠে ।”

শুধু ৪/৩৪ নম্বর আয়াতেই নয়, কোরানের ৩৮/৪৪ নং আয়াতেও পত্নীকে প্রহারের আদেশ দেওয়া হয়েছে । এই আয়াতে আল্লাহ তার প্রিয় নবী আয়ুবকে নির্দেশ দিয়েছে যে, সে তার পত্নীকে প্রহার করার যে সংকল্প করেছিলো, পত্নীকে প্রহার করে সে যেনো তার সেই সংকল্প রক্ষা করে । আয়াতটির ভাষ্য হলো – “আমি তাকে আদেশ করলাম – এক মুষ্ঠি তৃণ নাও ও তার দ্বারা আঘাত করো এবং শপথ ভঙ্গ করো না ।” (অনুবাদ – ড.ওসমান গণী, Books way, কলকাতা)

ড. গণির একটি বৈশিষ্ট হলো কোরানের আয়াতের রূঢ় ও কঠিন শব্দগুলোকে নরম করে উপাস্থাপনা করা। উক্ত আয়াতে আসলে একগুচ্ছ তৃণ নয়, আসলে বলা হয়েছে একটা ডাল বা একগুচ্ছ ডালের কথা । যেমন ড.জহরুল হক বঙ্গানুবাদে ‘একটি ডাল বা শাখা’র উল্লেখ রয়েছে । তিনি বঙ্গানুবাদ করেছেন – “তোমার হাতে একটি ডাল নাও এবং তা দিয়ে আঘাত করো, আর তুমি সংকল্প ত্যাগ করিও না” । (source: http://www.QuranToday.com/) গিরিশচন্দ্র সেন ‘এক গুচ্ছ ডাল’ – এর কথা উল্লেখ করেছেন তাঁর বঙ্গানুবাদ হলো – “স্বহস্তে শাখাপুঞ্জ গ্রহণ কর, পরে তদ্বারা আঘাত কর, শপথ ভঙ্গ করিও না ।” ইংরাজী তর্জমাতেও ডালের কথা উল্লেখ করা হয়েছে । সেই তর্জমাটি হলো - "And take in your hand a green branch and beat her with it, and do not break your oath..." (Source - http://www.thereligionofpeace.com/qur... ) উক্ত আয়াতে কাকে প্রহার করার জন্যে কাকে আদেশ দেওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট নয় । এ বিষয়টি স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে কোরানের তফসিরে । ড. গণি অবশ্য সেটা এড়িয়ে গিয়েছেন উদ্দেশ্যমূলকভাবে । বাংলাদেশের মাওলানা মোহাম্মদ শাজাহান ও মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান কিন্তু আয়াতটির তফসিরটি আড়াল করেন নি । তাঁরা লিখেছেন – “হযরত আইউবের (আঃ) স্ত্রী প্রয়োজনে বাহিরে গেলেন, তার ফিরিতে দেরী হয় । তাই তিনি বেত্রাঘাতের কসম করেন । এই কসম হইতে পরিত্রাণের পন্থা বাতলাইয়া দেওয়া হয় উক্ত আয়াতে । ইহা তাহার শরিয়তে বৈধ ছিল । বর্তমানে বৈধ নয় ।” (সূত্রঃ শাহনুর বঙ্গানুবাদ কুরআন শরীফ, রহমানিয়া লাইব্রেরী, ঢাকা) । মাওলানাদ্বয় তফসিরের শেষ অংশে যে কথাটি – বর্তমানে বৈধ নয় – ব্যক্ত করেছেন সেটা সঠিক নয়, তাঁদের নিজস্ব মনগড়া মতামত মাত্র । অন্যান্য তফসিরএবং হাদিসে এই মতটির উল্লেখ দেখতে পাওয়া যায় না । গিরিশচন্দ্র যে তফসির লিখেছেন তাতেও নেই ।

তিনি লিখেছেন – “আয়ুবের পত্নীর নাম রহিমা ছিল, আয়ুব যখন গুরুতর রোগে আক্রান্ত, তখন সে কার্যানুরোধে স্থানান্তরে গিয়াছিল, তথায় অনেক বিলম্ব করে, তাহাতে আয়ুব তাহাকে এক শত যষ্টির আঘাত করিবেন বলিয়া প্রতিজ্ঞা করেন । ঈশ্বরের প্রসাদে আরোগ্য লাভ করিলে পর তিনি সেই প্রতিজ্ঞা স্মরণ করিয়া প্রহারের ইচ্ছে করেন, তাহাতেই এই উক্তি হয় ।” (সূত্রঃ কুরআন শারীফ, গিরিশচন্দ্র সেন হরফ প্রকাশনী, কলকাতা )
পত্নীকে প্রহার করার নির্দেশ সম্পর্কে আমাদের নিঃসংশয় করে অসংখ্য হাদিসও । সেরূপ কয়েকটি হাদিস হলো –

•Bukhari (72:715) - A woman came to Muhammad and begged her to stop her husband from beating her. Her skin was bruised so badly that she it is described as being "greener" than the green veil she was wearing. Muhammad did not admonish her husband, but instead ordered her to return to him and submit to his sexual desires.(একজন মহিলা মুহাম্মদের নিকট এসে তাঁর কাছে প্রার্থনা করেন তিনি যেন তাঁর পতিকে তাঁকে প্রহার বন্ধ করার নির্দেশ প্রদান করেন । প্রহারের ফলে মহিলার গায়ের ত্বকে এতোটাই কালশিরে দাগ পড়েছিলো যে, তিনি যে সবুজ রঙের বোরখা পরেছিলেন তার থেকেও তার ত্বকের রঙ বেশী সবুজ দেখাচ্ছিলো । মুহাম্মদ তাঁর পতিকে তিরস্কার করেন নি । তার পরিবর্তে তিনি ঐ মহিলাকে ঘরে ফিরে যেতে বলেন এবং পতির যৌন চাহিদা পূরণে তৎপর হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন ।)

•Bukhari (72:715) - "Aisha said, 'I have not seen any woman suffering as much as the believing women'" This is Muhammad's own wife complaining of the abuse that the women of her religions suffer relative to other women.(“আয়েশা বলেন, ‘আমি বিশ্বাসী নারীদের যতো কষ্ট ভোগ করতে দেখেছি, অন্য নারীদের ক্ষেত্রে অতোটা দেখি নি ।’ ” মুহাম্মদের নিজের পত্নীর এই হলো অভিযোগ যে তাঁর ধর্মের নারীরা অন্য ধর্মের নারীদের থেকে বেশী অন্যায় ব্যবহার ভোগ করতে হয় । )

•Muslim (4:2127) - Muhammad struck his favorite wife, Aisha, in the chest one evening when she left the house without his permission. Aisha narrates, "He struck me on the chest which caused me pain."(একদিন সন্ধ্যাবেলা মুহাম্মদের অনুমতি ব্যতীতই আয়েশা ঘর ছেড়ে বাইরে গিয়ছিলেন বলে মুহাম্মদ তাঁর বুকে ঘুষি মেরেছিলেন । আয়েশা বর্ণনা করেন, “তিনি আমার বুকে ঘুষি মেরেছিলেন যার ফলে আমি বুকে ব্যাথা পেয়েছিলাম ।”

•Muslim (9:3506) - Muhammad's father-in-laws (Abu Bakr and Umar) amused him by slappinghis wives (Aisha and Hafsa) for annoying him. According to the Hadith, the prophet of Islam laughed upon hearing this.(মুহাম্মদতাঁর পত্নিদের [আয়েশা ও হাফসাকে] জ্বালাতন করার জন্যে চড় মেরেছিলেন । সে কথা তাঁর দুই শ্বশুর [আবু বকর এবং ওমর] তাঁকে আনন্দচ্ছলে বলেছিলেন । হাদিস অনুসারে সে কথা শুনে মুহাম্মদ হেসেছিলেন ।)

•Abu Dawud (2141) - "Iyas bin ‘Abd Allah bin Abi Dhubab reported the Apostle of Allah (may peace be upon him) as saying: Do not beat Allah’s handmaidens, but when ‘Umar came to the Apostle of Allah (may peace be upon him) and said: Women have become emboldened towards their husbands, he (the Prophet) gave permission to beat them." At first, Muhammad forbade men from beating their wives, but he rescinded this once it was reported that women were becoming emboldened toward their husbands. Beatings are sometimes necessary to keep women in their place.

(“ইয়াস বিন আবদ আল্লাহ বিন আবি ধুবাব আল্লাহর রসুলকে [দঃ] বলেনঃ আল্লাহর দাসিদের প্রহার করবে না, কিন্তু ওমর আল্লাহর রসুলের [দঃ] নিকট এসে বলেনঃ মহিলারা তাদের পতিদের প্রতি অনানুগত হয়ে উঠেছে, তিনি [মুহাম্মদ] তখন তাদের প্রহার করার অনুমতি প্রদান করেন । প্রথমে মুহাম্মদ পুরুষদের তাদের পত্নীদের প্রহার করতে নিষেধ করেন, কিন্তু যখন শুনলেন যে নারীরা তাদের পতিদের প্রতি অনানুগত্য প্রদর্শন করছে তৎক্ষনাৎ তিনি সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দেন । নারীদের তাদের নিজের জায়গায় রাখার জন্যে মাঝেমাঝে তাদের প্রহার করার আবশ্যকতা রয়েছে ।)

•Abu Dawud (2142) - "The Prophet (peace be upon him) said: A man will not be asked as to why he beat his wife."(নবী [দঃ] বলেনঃ পতিকে প্রশ্ন করা যাবে না, কেনো সে পত্নীকে প্রহার করেছে ।)

•Abu Dawud (2126) - "A man from the Ansar called Basrah said: 'I married a virgin woman in her veil. When I entered upon her, I found her pregnant. (I mentioned this to the Prophet).' The Prophet (peace_be_upon_him) said: 'She will get the dower, for you made her vagina lawful for you. The child will be your slave. When she has begotten (a child), flog her'" A Muslim man thinks his is getting a virgin, then finds out she is pregnant. Muhammad tells him to treat the woman as a sex slave and then flog her after she has delivered the child.

(আনসারদের বাসরা নামক একজন ব্যক্তি বলেনঃ ‘বোরখা পরিহিত একজন মহিলাকে আমি বিয়ে করেছিলাম । বোরখা খুলে যখন তাকে কাছে টানলাম, তখন দেখলাম যে সে গর্ভবতী ,[এটা আমি রসুলকে বলেছিলাম] । রসুল [দঃ] বলেনঃ ‘যেহেতু তার যোনি তোমার জন্যে বৈধ, তাই সে যৌতুক [পতির দেয়] পাবে। শিশুটি হবে তোমার দাস । যখন সে সন্তান প্রসব করবে তখন তুমি তাকে চাবুক নির্মমভাবে প্রহার করবে ।’” একজন মুসলিম ভাবল যে সে এক কুমারীকে বিয়ে করেছে, তারপর দেখলো সে গর্ভবতী । মুহাম্মদ বললেন তাকে সেই মহিলার সঙ্গে যৌনদাসীর মতো আচরণ করবে এবং তারপর যখন সে সন্তান প্রসব করবে তখন তাকে নির্মমভাবে চাবুক মারবে ।)

•Ibn Ishaq/Hisham 969 - Requires that a married woman be "put in a separate room and beaten lightly" if she "act in a sexual manner toward others." According to the Hadith, this can be for an offense as petty as merely being alone with a man to whom she is not related.(“কোনো নারী যদি অন্য পুরুষের সহিত যৌনতার মনোভাব নিয়ে আচরণ করে তবে তাকে একটা পৃথক ঘরে রাখবে এবং হাল্কাভাবে প্রহার করবে ।” হাদিস অনুসারে একজন নারী যদি শুধু মাত্র একজন অনাত্মীয় পুরুষের সঙ্গে একাকী সামান্য সময় কাটায় তবে সেটা হবে অপরাধ ।)

•Kash-shaf (the revealer) of al-Zamkhshari (Vol. 1, p. 525) - [Muhammad said] "Hang up your scourge where your wife can see it"([মুহাম্মদ বলেছেন] “চাবুক এমন স্থানে ঝুলিয়ে রাখবে যাতে তোমার পত্নী সেটি দেখতে পায় ।”)

ভারতের এক্কেবারে গায়ে গায়ে লেগে থাকা আফগানিস্তানে তালিবানি শাসনে মহিলাদের অবস্থা কী হবে?

প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই তালিবানের মুখপাত্রকে এই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল। তিনি জানিয়েছিলেন, সময় পাল্টেছে।

২০ বছর আগে যেমন নিয়ম ছিল, তেমন না-ও থাকতে পারে। তবে যা-ই হোক না কেন, হবে শরিয়তি আইন মেনে।

২০২১ থেকে কি তাহলে পরিবর্বিত তালিবানি শাসন দেখতে চলেছে আফগানিস্তান?

মেয়েরা কি আগের থেকে একটু হলেও বেশি স্বাধীনতা পাবেন?

আফগানিস্তানের ইতিহাস কিন্তু তা বলছে না। বলছে, তালিবানি শাসনে নারী স্বাধীনতা তো দূরস্থান, নারী অধিকার রক্ষাও কঠিন হয়েছে বারবার।

১৯৯০ সালের মাঝামাঝি আফগানিস্তানে প্রথম দফায় ক্ষমতা অধিকার করবার পরেই তালিবান শাসককুল বুঝিয়ে দিয়েছিল, তাদের লক্ষ্য এক বিশুদ্ধ ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

১৯৫০ থেকে আফগানিস্তানে যে আধুনিকতাবাদী সংস্কারের সূচনা ঘটেছিল, গোটা দেশকে তার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়াই তাদের লক্ষ্য ছিল। এই উদ্দেশ্যে একগুচ্ছ বিধির প্রবর্তন করা হয়েছিল, যার মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য নীতিপুলিশ ব্যবস্থার উদ্ভাবন। মানুষ নিয়মিত মসজিদে হাজিরা দিচ্ছেন কি না, সেদিকেও নজর রাখা হত। মসজিদে না গেলে কারাবাস পর্যন্ত গড়াতে পারত।

এই বাহিনী পথচলতি মানুষকে যে কোনও সময়ে দাঁড় করিয়ে তার শাস্ত্রজ্ঞানের পরীক্ষা নিতে পারত। সফল না হলে হত কড়া শাস্তি। ইসলামের নামে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল বিনোদনী কার্যকলাপের উপর। জাঁকজমক কমেছিল নওরোজ উৎসবের, ইসলামে নৃত্যগীতের অনুমোদন নেই— এই দাবিতে ক্যাসেট তৈরি বা বিক্রির জন্যেও বরাদ্দ হয়েছিল বেত্রাঘাত (এমনকি কারাদণ্ড), কোপ পড়েছিল সিনেমা বা টেলিভিশনের অনুষ্ঠানের উপরেও।

কোনও মানুষ বা পশুপাখির প্রতিকৃতি ধর্মীয় অনুশাসনসিদ্ধ নয়, এই যুক্তিতে স্কুলের পাঠ্যবই বা ট্রাকের গা থেকে ওই ধরনের ছবি মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ব্যক্তির চেহারা বা বেশভূষাও ছিল নিয়ন্ত্রণের আওতাভুক্ত।

পুরুষদের চুল ছাঁটতে হত ছোট করে, দাড়ি রাখতে হত লম্বা, তার মাপও আদেশনুসারেই ঠিক করা হত। বাড়ির বাইরে বেরোতে হলে মেয়েদের জন্য চাদর বা বোরখায় শরীর ঢাকা ছিল বাধ্যতামূলক।

আজকে আফঘান দেশে কী হচ্ছে আপনারা জানেন।

আজও প্রত্যেকদিন সামাজিক মাধ্যমে ইসলামপন্থীদের দোসর বাম লোকজন এই বিষয়ে কী বলেন দাদারা ?

তাঁরা বলেন:

কমরেড, আজ অবধিও সিমোন দ্য বোভোয়া-র দ্য সেকেন্ড সেক্স বুড়বুড়ি কাটে মাথায়। মেয়েরা যে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক! যদি আজ ভাবতে বসি, আমরা মানে মেয়েরা কি সত্যি স্বাধীন— রামমোহন, বিদ্যাসাগরের নাম ঝিলিক মারে। তাঁরা স্ত্রীস্বাধীনত���র পথপ্রদর্শক। মন এঁড়ে তর্ক জোড়ে। স্ত্রীস্বাধীনতা থাকলে, ‘পুংস্বাধীনতা’ শব্দটি নেই কেন? বা রে! সে কেমনে হবে? একমাত্র বামপন্থাই আপনাকে মুক্তি দিতে পারে কমরেড। সিপিএমকে ভোটটা দিন।

আর হ্যাজানোর ইচ্ছা নেই। বইটিকে একটা ষ্টার দিয়ে উপসংহার লিখে দিচ্ছি। পয়েন্ট ধরে ধরে :

১) ইসলামের চোখে নারীরা গৃহপালিত পশুর মতো । গৃহস্বামী তাদের গৃহপালিত জীবগুলির সঙ্গে যেরূপ আচরণ করে সেরূপ আচরণ করার অধিকার পতিরও আছে তার পত্নীর সঙ্গে । গৃহস্বামী যেমন তার পোষা জীবগুলিকে বেঁধে রাখতে পারে, ইচ্ছে হলো তো ছাড়লো কিছুক্ষণের জন্যে, অবাধ্য হলে প্রহার করতে পারে, ঠিক তেমনই পতি তার পত্নীদের সঙ্গে তদ্রূপ আচরণ করতে পারে ।

২) গৃহস্বামী তার পোষ্য জীবগুলির সঙ্গে যেরূপ খুশী আচরণ করতে পারে কারণ গৃহস্বামি ওই পোষ্য জীবগুলি্র মালিক । পতি ও পত্নীর মধ্যেও সম্পর্ক তদ্রুপই – পতি মালিক আর পত্নী তার স্থাবর সম্পত্তি বিশেষ । পতি তার পত্নীকে ঘরে আটকে রাখতে পারে, ইচ্ছা হলে স্বল্প সময়ের জন্যে বাইরে যাবার অনুমতি দিতে পারে (নাও পারে) এবং অবাধ্য হলে প্রহারও করতে পারে ।

৩) পতি যে তার পত্নীকে ঘরে আটকে রাখার অধিকারী সে কথা কোরান স্পষ্ট করেই বলেছে এবং এ কথাও কোনো রাখ-ঢাক করেই বলেছে যে অবাধ্য পত্নীকে প্রহার করবে । পত্নীকে ঘরে আটকে রাখার বিষয়টা এখন থাক, সেটা অন্য অধ্যায়ে আলোচনা করবো, এখন আলচনা করবো পত্নীকে প্রহার করা প্রসঙ্গে । কোরান অবলীলায় বলেছে পতি হলো পত্নীর কর্তা এবং সে পত্নীকে প্রহার করার অধিকারী ।

৪) দেখুন কোরান কী বলছে – “পুরুষগণ নারীদের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত কর্তা । যেহেতু আল্লাহ্‌ তাদের মধ্যে একের উপর অপরকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, সেহেতু যে তারা স্বীয় ধন-সম্পদ থেকে ব্যয় করে থাকে; এইজন্য স্বাধ্বী স্ত্রীরা অনুগত হয়, আল্লাহ্‌র সংরক্ষিত প্রচ্ছন্ন বিষয় সংরক্ষণ করে, এবং যদি নারীগণের অবাধ্যতা আশঙ্কা হয় তবে তাদের সৎ-উপদেশ দান করো, এবং তাদের শয্যা থেকে পৃথক করো, এবং তাদের প্রহার করো, অনন্তর যদি তারা তোমাদের অনুগত হয়, তবে তাদের জন্য অন্য পথ অবলম্বন করো না ; নিশ্চয় আল্লাহ্‌ সমুন্নত মহীয়ান ।”(কোরান সুরা নিশা, ৪/৩৪)

৫) লক্ষ্য করুন, এই আয়াতে পতিকে পত্নীর উপর যে অধিকার ও ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে তাতে পতিকে তো তার পত্নীর কর্তা থেকে একেবারে মালিকের পর্যায়ে তুলে দেয়া হয়েছে, এবং পত্নিকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে ক্রীতদাসীর স্তরে । দাস প্রথার যুগে মালিক তার মালিকানাধীন ক্রীতদাস/ক্রীতদাসীদের উপর যে অধিকার ও ক্ষমতা ভোগ করতো প্রায় সে রকম অধিকার ও ক্ষমতার মালিক করে দেয়া হয়েছে পতিবাহাদুরকে তার পত্নীদের উপর । ক্রীতদাস-মালিকদের থেকে মাত্র দু’টি ক্ষমতা কম দেয়া হয়েছে পতিদেবতাদের । দাস সমাজ ব্যবস্থায় ক্রীতদাসকে তার মালিকের পক্ষে বিক্রী করা ও হত্যা করা আইন সঙ্গত ছিলো, শুধু এই দু’টি ক্ষমতা বাদে বাকি সব ক্ষমতাইকোরানে দেয়া হয়েছে পুরুষদের । কোরানের উক্ত আয়াতটি বলছে, পত্নীকে সব সময়েই পতির অনুগত থাকতে হবে, কোনো পরিস্থিতিতেই সে তার পতির প্রতি আনুগত্যকে উপেক্ষা বা অস্বীকার করতে পারবে না । পত্নীকে পতির প্রতিটি হুকুম তামিল (মান্য) করতে হবে বিনা প্রশ্নে ও বিনা দ্বিধায়, এবং কোনো অবস্থাতেই সে পতির অবাধ্য হতে পারবে না ।

৬) পতির অবাধ্য হওয়া, আনুগত্য স্বীকারে কুণ্ঠিত হওয়া বা অস্বীকার করা অপরাধ । তাই পত্নী অবাধ্য হলে পতি তাকে উপদেশ দেবে, তাতে কাজ না হলে তিরস্কার করবে, তাতেও কাজ না হলে প্রহার করবে, তারপরেও সে অনুগত না হলে পতি তাকে তালাক দিয়ে ঘর থেকে রাস্তায় বের করে দেবে । এই হলো কোরানের বিধান যা বিধিবদ্ধ রয়েছে ৪/৩৪ নং আয়াতে । কোরানের এই আইনের জন্যে মডারেট মুসলিম বুদ্ধিজীবীরা বিব্রত বোধ করেন । তাঁরা এটাকে আড়াল করে বলেন যে, আল্লাহ পুরুষদের তাদের পত্নীদের প্রহার করতে নিষেধ করেছে । তাঁদের সপক্ষে তাঁরা একটা হাদিস উদ্ধৃত করেন । এই হাদিসটি অর্ধ সত্য । কিন্তু ঐ হাদিসেই মুহাম্মদ যেপত্নীদের প্রহার করার আদেশও দিয়েছেন –সম্পূর্ণ সেইহাদিসটি তাঁরা সচেতনভাবেই চেপে যান। ফলে হাদিসের মূল অর্থটাই পাল্টে যায় । আংশিক হাদিস উদ্ধৃত করা এক ধরণের জালিয়াতি । এ রকম জালিয়াতি করায় মুসলিম ধর্মীয়নেতৃবৃন্দের একাংশ ও বুদ্ধিজীবীগণ সিদ্ধ হস্ত । সম্পূর্ণ হাদিসটি আলোচনা করলে তাঁদের জালিয়াতিটা বোঝা যাবে । সুতরাং সেই হাদিসটি উদ্ধৃত করা যাক । “একট হাদিসে রয়েছে যে রাসূলুল্লাহ(সঃ)বলেছেনঃ ‘আল্লাহর দাসীদের প্রহার কর না।’ এর পর একদা হযরত উমার ফারুক (রাঃ) এসে আরয করেনঃ ‘নারীরা আপনার এ নির্দেশ শুনে তাদের স্বামীদের উপর বীরত্বপনা দেখাতে আরম্ভ করেছে ।’ এ কথা শুনে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাদেরকে মারার অনুমতি দেন ।” (সূত্রঃ – ঐ) পত্নীদের প্রহার করার নির্দেশ ছাড়াও এই হাদিসের একটা কথার প্রতি আমি পাঠকদের বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই । কথাটা হলো – ‘আল্লাহর দাসীদের’ ।

অর্থাৎ আল্লার চোখে নারী হলোআল্লাহর দাসী, মানুষ নয়। সুতরাং দাসীকে (পত্নীকে) প্রহার করার অধিকার পতির থাকবে এটাই তো স্বাভাবিক ।

নারী অর্ধেক আকাশ— কবির কল্পনাপ্রসূত চমৎকার বচন। ইসলামে বাস্তব একদম অন্য। বামপন্থীরা সব জানেন। /

কিন্তু বামপন্থা অমোঘ। সর্বশক্তিমান। সে কারণেই সত্য।

অলমিতি।
Profile Image for Diána M G.
54 reviews54 followers
September 2, 2015
I felt like repeteadly stabbing myself in the eye with a pen while reading this rather sad collection of unfathomable fallacies. Funny, it even states that Westerners are somehow banned from understanding this top notch epitome of hipocrisy - a rather self deceiving explanation of why thruthful rights of women in islam are very, very flattering and grand (for, you know, secondhand beings such as women are) - which, despite a few absolutely smashing and undisputable examples of 'woman seen as somehow respectable' that date from the times of the prohet (long time no see)- are not recognised for or exercised by any woman in islam. Treacherous, ridiculous, self righteous pamphlets like this book are the reason why the world needs radical feminism. Yes, in the 21st century, the need to get to the root of the problem is more aching as ever and first step would be to burn this sick joke of a book.
Profile Image for Danni.
53 reviews
June 29, 2017
Interesting, but needs more evidence to support the arguments. I would've liked more quotes from Hadiths and the Quran. However, Jawad raises a very important point: the seclusion of Islam from feminist movements worldwide ultimately alienates the faithful and is counterproductive for the very women that feminism might help most.
Displaying 1 - 4 of 4 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.