খেলাঘর-এ এক আশ্চর্য বাড়ি কাহিনির প্রধান চরিত্র। চার প্রজন্মের জীবন, সাফল্য, ব্যর্থতা ও দর্শনের সমাহার সেই বাড়িকে ঘিরেই। গৌরমোহন, বিধুভূষণ, দ্বিজেন্দ্র ও অভিজিৎ। চার পুরুষের সম্পর্ক এক অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা। অজস্র মানুষ, বিচিত্র চরিত্রের আসা-যাওয়া খেলাঘরের ইতিহাস ও ভূগোলের মধ্যে। এ সবের ভেতরেই অভিজিতের বেড়ে ওঠা। জীবনকে চিনতে শেখা। কাল ও সময় এখানে উলটেপালটে গিয়েছে। সময়কে সামনে রেখেই এই কাহিনি।মহাজাতক উপন্যাসের কাহিনি শুরু হয় শহর কলকাতার পাঁচ যুবককে নিয়ে। ক্লান্ত, বিধ্বস্ত এই পাঁচজন বেরিয়ে পড়েছে নতুন পথের সন্ধানে। চলতে চলতে তারা পৌঁছে যায় রত্নগিরি বৌদ্ধবিহার। এখানে শুরু হয় তাদের অতীত অভিযাত্রা। পাঁচ নবীন শিক্ষার্থী দেখল দর্শন হেরে যাচ্ছে, জয়ী ধর্মাচার। এই সংঘের শিল্পী চাইছেন ভবিষ্যৎ বুদ্ধের মৈত্রেয় মূর্তি গড়তে। কিন্তু তিনি মৈত্রেয়র মুখে হাসি ফোটাতে পারছেন না। পৃথিবীর ভবিষ্যৎ সংকট নিয়ে তখন উঠে আসে কিছু অনিবার্য প্রশ্ন।
অরিন্দম বসুর জন্ম ২৫ জানুয়ারি, ১৯৬৭, কলকাতায়। পিতৃপুরুষ হুগলির হরিপালের বাসিন্দা। মাতুলালয় বাংলাদেশের ময়মনসিংহ। প্রথাগত শিক্ষা স্নাতক পর্যন্ত।লেখালেখির শুরু চব্বিশ-পঁচিশ বছর বয়সে। বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিন এবং সংবাদপত্রের রবিবারের পাতায়। দেশ পত্রিকায় নবীন গল্পকারদের সঙ্গে গল্প ছাপা হয় ১৯৯৫ সালে। লেখালেখির পাশাপাশি সাংবাদিকতা বৃত্তির সঙ্গে বরাবর যুক্ত। এখন একটি অডিও ভিসুয়াল সংবাদমাধ্যমে কর্মরত।প্রথম উপন্যাস খেলাঘর শারদীয় আনন্দলোক(১৯৯৮)-এ প্রকাশিত হয়।
brilliant book. both novels are awesome. the first one evokes nostalgia of bygone period, childhood memories and dreams and harsh realities...
The second one even tops that. its magic realism, where past and present cohibits... we get a glimpse of buddhism in a neat intricate illustrative manner that is unbeatable in its own records...