বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রথমবার, সাহিত্য ম্যাগাজিন- পিদিম বাতিঘর প্রকাশনীর ত্রৈমাসিক পত্রিকা 'পিদিম'। ‘. পিদিম’ অনেক আলো জ্বালাতে হবে মনের অন্ধকারে... সম্পাদকঃ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন . . প্রথম সংখ্যায় যা রয়েছেঃ . ফিচারঃ . বুদ্ধিবৃত্তির পঞ্চাশ বছর: নতুন ভ্রমে ঢাকা পুরাতন ভ্রম-সলিমুল্লাহ খান তন্ময়তা মনন্ময়তা-ফিরোজ আহমেদ বিষাদ অরণ্য-সরওয়ার পাঠান ফেলুদাকে মঙ্গলগ্রহে পাঠাতে চাইলে যা জানা দরকার-তানজীম রহমান ব্রোডিস গোস্ট : একটি গ্রাফিক নভেলের রিভিউ-কায়সার কবির আলকাত্রাজ: একটি সফল পলায়ন? - সামসুল ইসলাম রুমি সাহিত্যে মৃত্যুর খেলা-রায়ান নূর রাশিচক্র ও সৌরপথ: প্রচলিত ভ্রান্তি-শাহনাজ পান্না ইলিয়াসনামা-জুবায়ের ইবনে কামাল . গল্পঃ . জ্যামের শহরে জনৈক পিতা- হাসান ইনাম খেদ-তানিয়া সুলতানা পালাতে পালাতে-ডি অমিতাভ অসমান্তরাল-মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পী শেষের পথে সামসুল ইসলাম রুমি কিরেজি-তানজীম রহমান মর্গ-কৌশিক জামান বিপ্রতীপ-আব্দুল ওয়াহাব রিপু-স্বর্ণেন্দু সাহা মহাসামন্ত-নাবিল মুহতাসিম রুই মাছের মুড়িঘন্ট—শরীফুল হাসান সোর্সকোড -বিনিয়ামীন পিয়াস স্বপ্নজাল সানাম খান . কবিতা . রুদ্র গোস্বামী / আলতাফ শাহনেওয়াজ পিয়াস মজিদ / তানিয়া সুলতানা। তানজীর সৌরভ / সানজিদা সিদ্দিকা শানারেই দেবী শানু / বাপ্পী খান সোমেশ্বর অলি/ আমিনা তাবাসসুম . . ফিচারঃ . জনসংস্কৃতির স্বরূপ-শারফিন শাহ যে কারণে ভারতে কোনো রাজনৈতিক দল ছিল না, আব্দুর রাজ্জাক-এর পলিটিক্যাল পার্টিজ ইন ইন্ডিয়া'র বুক রিভিউ-জুবায়ের ইবনে কামাল
MOHAMMAD NAZIM UDDIN (Bengali: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন) is a writer and Translator of more than 26 novels..His original works are NEMESIS, CONTRACT, NEXUS, CONFESSION,JAAL, 1952: nichok kono number noy, KARACHI, RABINDRANATH EKHANE KOKHONO KHETE ASENNI and KEU KEU KATHA RAKHE. These six Thriller novels are highly acclaimed by the readers.
পিদিম। বাতিঘর প্রকাশনীর সাহিত্য-ম্যাগাজিনের প্রথম সংখ্যা। ত্রৈমাসিক এই উদ্যোগটি সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে বাতিঘরের নিজস্বতার মধ্য দিয়ে নিয়ে আনা একটি পত্রিকা।
বাতিঘর প্রকাশনীর থ্রিলার, হরর, ফ্যান্টাসি, সাইফাই, সাসপেন্স, গল্পসংকলন এবং উপন্যাস সম্পর্কে পাঠক সমাজের অনেকেই ভালোমত জানেন। বেশ কিছু বই বিভিন্ন অঙ্গনে বেস্টসেলার হয়েছে, মুভি তৈরি হয়েছে কিছু বইয়ের গল্পকে কেন্দ্র করে। আমি বেছে বেছে বাতিঘর প্রকাশনীর দারুন কিছু বই পড়েছি। তাই 'পিদিম' এর প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়।
আগ্রহের সাথে সাথে সৃষ্টি হয় এক্সপেক্টেশনের। তবে খুব হাই এক্সপেক্টশন রাখিনি কারণ এটি প্রথম পর্ব। দ্বিতীয় কারণ প্রতিষ্ঠিত বা পরিচিত নন এদের কাছ থেকেও লেখা আহ্বান করেছে বাতিঘর। অপরিচিত লেখক খারাপ লিখবেন তা মোটেও না। তবে পিদিমের একটি অন্যতম উদ্দেশ্য হয়তো ছিল রিডারদের রাইটার বানানোর পথ সুগম করা। আসলে সকল রাইটার তো প্রথমে রিডার-ই।
অনেক কিছুই জায়গা পেয়েছে পিদিমে। এমনকি বুক রিভিউও। সেই সাথে রহস্য-রোমাঞ্চ, পরাবাস্তবতা, জাদুবাস্তবতার ছোঁয়া, বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প, প্রবন্ধ, ফিচার, কবিতা, গল্প, সাক্ষাৎকার স্থান সংকুলান করে নিয়েছে এই ত্রৈমাসিকে। সবগুলো লিখা ভালো লেগেছে তা বলবো না। সেটা কখনো হয়ও না। তবে অনারারি মেনশন আছে কিছু। যেসব না দিলে অন্যায় হবে।
১) তন্ময়তা মন্ময়তা - ফিরোজ আহমেদ
সহজ উদাহরণের মাধ্যমে প্রাঞ্জল ভাষায় কবিতার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের আলাপটি ভালো লেগেছে।
২) ফেলুদাকে মঙ্গলগ্রহে পাঠাতে চাইলে যা জানা দরকার - তানজীম রহমান
এই ত্রৈমাসিকের সবচেয়ে প্রিয় লেখা এটি আমার। তানজীম রহমান ক্যাওটিকভাবে অনেক বিষয় বলে গেছেন। বাংলাদেশের অন্যতম ব্রিলিয়ান্ট একজন রাইটার তিনি যা আবারও প্রমাণ করলেন।
৩) গল্পের মধ্যে আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে নাবিল মুহতাসিমের 'মহাসামন্ত' গল্পকথক হিসেবে পাঠককে একরকম বসিয়ে রাখতে বাধ্য করেন এই দুর্দান্ত স্টোরিটেলার।
৪) কবিতা সবচেয়ে ভালো লেগেছে 'মহীনের একটি ঘোড়া আমি' - তানজীর সৌরভ
৫) গল্পে 'সফদর ডাকতার' সেরা ছিল, আমার মতে। কিশোর পাশা ইমন ক্লাশ থ্রি এবং ফাইভে অধ্যয়নরত দুই ভাইকে যেভাবে গোয়েন্দা বানিয়েছেন এবং স্টোরিটা যেভাবে টেল করেছেন তা খুব ভালো লেগেছে।
৬) শহীদুল জহিরের উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধ - হাসান ইনাম। এই সংক্ষিপ্ত রিভিউটি অল্প কথায় অনেক কিছুই বলতে পেরেছে।
৭) সাক্ষাৎকার : হাশেম সূফী - ঢাবাকা থেকে ঢাকা
বাতিঘর প্রকাশনীর সম্পাদক ইন্টারভিউ নিয়েছেন প্রাজ্ঞ এই ইতিহাসবিদের। এই বইয়ের সবচেয়ে এনজয়েবল এবং আই ওপেনিং পার্ট ছিল এই সাক্ষাৎকারটি, আমার জন্যে। হাশেম সূফী ঢাকার ইতিহাস নিয়ে বলতে বলতে অনেক বিজ্ঞ ব্যক্তির গুরু আব্দুর রাজ্জাকের সাথে দারুন এক জ্ঞান আদান-প্রদানের অভিজ্ঞতার ঘটনা বলেছেন। এছাড়া আমাদের জানা ইতিহাসের অনেক তথ্য যে ভ্রান্তিপূর্ণ তা-ও এই আলোচনায় উঠে এসেছে। হাশেম সূফী করেছেন অনেক মিথ বাস্টিং। চমৎকার এক সাক্ষাৎকার ছিল এটি।
৮) ফিল্মী বৈঠক - জুবায়ের ইবনে কামাল
অতি সংক্ষেপে বিভিন্ন মুভি নিয়ে সুন্দর এক আলোচনা করেছেন জুবায়ের।
৯) স্বর্প রাজত্বের অধীনে - বাপ্পী খান
সাপ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসম্বলিত এবং একটি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে পেরেছি এই লেখায়। এই লেখা পড়ে বুঝতে পেরেছি বাপ্পী খান লেখক হিসেবে পাঠককে ভয় দেখানোটা রপ্ত করার পিছনে একটি ছোট্ট অংশ হয়তো এইসব অভিজ্ঞতা এবং এক্টিভিটি থেকে তাঁর কল্পনায় ফিকশন হয়ে এসেছে।
১০) মাকডাবাগা - মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
কখনো আপনার এমন কোন শখ বা নেশা কি তৈরি হয় যার সামনে পুরো দুনিয়া তুচ্ছ হয়ে যায়? ঢাকাইয়া ভাষায় মাকডাবাগায় মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন নিজের চিরাচরিত জনরা থেকে বেরিয়ে এসে সুন্দর এক গল্প বলেছেন।
পিদিমে লেখার মধ্যে এই দশটি আমার সবচেয়ে প্রিয়। অবশ্য সমালোচনাও আছে। আশা করি সংশ্লিষ্ট এবং পাঠকরা অন্যভাবে নিবেন না। সলিমুল্লাহ খানের কাছ থেকে আরো মানসম্পন্ন লেখা পাওয়া যেত বলে মনে করি। আহমদ ছফার 'বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস' থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন তিনি। বইটা গুরুত্বপূর্ণ তবে টিকার পর টিকার পরিবর্তে খান সাহেবের নিজস্ব বক্তব্য শুনতে পারলে ভালো লাগতো। তাছাড়া 'আওয়ামী লীগ আদর্শ বিচ্যুত হয়েছে' বা ' জাতীয়তাবাদী দলে জাতীয় চেতনা নেই' এই ধরণের কথাবার্তা তো অনেকবার পূর্বে বলা হয়েছে। বুদ্ধিজীবীদের আমদানী নির্ভরতা নিয়ে সমালোচনা করছেন সলিমুল্লাহ খান। যেখানে তিনি সবসময় 'ফুকো-দেরিদা-জাঁকা-লাকা-গ্রামসি' টিকা দিতেই থাকেন।
গল্পের ক্রিটিক হল, আমি আশা করেছিলাম টুইস্ট নির্ভর গল্প থেকে বেরিয়ে আসা কিছু পাবো। পুরো বইয়ে মোট ভালো লেগেছে তিনটি গল্প, যেসবের আলোচনা উপরে করেছি। অন্যগুলো আরো ভালো করতে পারতো। একই লেখকরা কিন্তু বিভিন্ন গল্পসংকলনে অনেক ব্যাটার স্টোরি লিখেছেন। কবিতা একটিই ভালো লেগেছে যার আলোচনা উল্লেখিত।
'পিদিম' কোন বিজ্ঞাপনের দিকে না গিয়ে নিজস্ব বই এবং দুটি আনলাইন বুকসেলারের বিজ্ঞাপনের উপর আপাতত চলতে চায়। প্রথম সংখ্যা, ত্রৈমাসিক হিসেবে যাত্রা সবে শুরু। তাছাড়া পাঠকদের লেখক হিসেবে সুযোগ দেয়ার এবং বিভিন্ন জনরার গল্প বলাটা বলতে গেলে অধিকাংশ সাহিত্য-ম্যাগাজিনে হয় না। সেদিক দিয়ে পরবর্তি পর্বগুলো নিয়ে আমি অধিকতর আশাবাদি।
বাতিঘরের আলোয় আলোকিত হয়ে জ্বলে উঠতে থাকুক অসংখ্য পিদিম।
বুক রিভিউ
পিদিম ( ত্রৈমাসিক )
বর্ষ ০১, সংখ্যা ০১
প্রকাশকাল : অক্টোবর : ২০২২
প্রকাশক : বাতিঘর প্রকাশনী
সম্পাদক : মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
সহযোগী সম্পাদক : বাপ্পী খান, জুবায়ের ইবনে কামাল, হাসান ইনাম, সামসুল ইসলাম রুমি।
বাংলাদেশে বর্তমানে থ্রিলার জনরার সাহিত্যের সমৃদ্ধিতে বাতিঘর প্রকাশনীর অবদান নিঃস্বন্দেহে অবিস্মরণীয়। আর সেই বাতিঘরেরই অসাধারণ সুন্দর এক উদ্যোগ ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিন ‘পিদিম’। তবে শুধু থ্রিলার নয়; একই মলাটের ভেতর ভিন্ন ভিন্ন সব জনরার লেখার মিশেল থাকছে বলে ‘পিদিম’ ম্যাগাজিনটা আমার একটু বেশীই ভালো লেগেছে পড়ে। আর সবচেয়ে বেশী ভালো লেগেছে ম্যাগাজিনে জনপ্রিয় সব লেখকদের পাশাপাশি নবীন লেখকদেরও মান সম্পন্ন লেখার প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আশা করি বাংলা সাহিত্যের অন্যান্য জনপ্রিয় ম্যাগাজিনগুলোর মত পিদিমও আপন মহিমায় টিকে থাকবে যুগ যুগ ধরে।
পিদিমে প্রকাশিত হাশেম সূফীর সাক্ষাৎকারটি অবশ্য পাঠ্য। ইতিহাসের বিভিন্ন বাঁকের সাথে অনুসন্ধানী পাঠক জন্য রয়েছে বিস্তর চিন্তার খোরাক। দুই একটা গল্প ছাড়া প্রতিটি গল্প ছিল অসাধারণ, বিশেষ করে বলতে হয় অসমান্তরাল এবং মাকডাবাগা গল্পদুটি��� কথা। এক কথায় অসাধারণ। বিভিন্ন বিষয়েপ্রবন্ধের মান এবং বৈচিত্র্য ছিল লক্ষনীয়। প্রকাশিত কবিতার দুই একটি ছাড়া বাকিটা খুব একটা ভালো লাগেনি। এক্ষেত্রে কিছুটা হতাশ। তবে সামগ্রিকভাবে বলা যায় "পিদিম" সাহিত্য অনুরাগীদের জন্য নতুন আলোর দিশারি হয়ে পথ দেখিয়ে চলবে। এর পরবর্তী সংখ্যার জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
রিভিউটি প্রত্যেকটা বিষয়ের জন্য আলাদা আলাদা করে দিচ্ছি। যেহেতু বিশাল পত্রিকা তা-ই এর সেক্টর আলাদা আলাদা করে দিলে ভালোই ঠেকবে। কারণ আমি নিজে যখন কোনো ম্যাগাজিনে লিখা দিই আমি আশা করি ন্যুনতম একজন হলেও ফিডব্যাক দিক। সেই একজন আমি হলাম এই পত্রিকার জন্য। ★ প্রবন্ধ অধ্যায়: ১. বুদ্ধিবৃত্তির পঞ্চাশ বছর: নতুন ভ্রমে ঢাকা পুরাতন ভ্রম। লেখক: সলিমুল্লাহ খান বাংলায় একটা আঞ্চলিক কথা আছে। কথাটি হলো 'একদম ধুয়ে দেওয়া'। প্রবন্ধটি মাশাল্লাহ চমৎকার ছিল। সচারাচর ধর্মীয় শব্দ ব্যবহার করি না তবু এটায় করলাম। প্রবন্ধটি মূলত প্রয়াত লেখক আহমদ ছফার 'বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস' বইটার পরোক্ষভাবে একটি ভাবমূর্তি তুলে ধরা হয়েছে। ফরাসী বিপ্লব বা কমিউনিস্টদের ক্ষেত্রে বুর্জোয়া শ্রেণি বলতে একটা শ্রেণি ছিল। যারা না তো উচ্চবিত্ত আর না তো মধ্যবিত্ত। এর মাঝামাঝি একটা অবস্থানে এদের রাখা হতো। লেখক সলিমুল্লাহ খান স্যারও এরকম মধ্যশ্রেণির একটা বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে প্রবন্ধ রচনা করেছেন। এবং তাদের শাব্দিক প্রয়োগ পঞ্চাশ বছরে ঠিক কতটুকু পরিবর্তন হয়েছে না কি হয়নি তারই বর্ননা টেনেছেন। অপছন্দের বিষয় যা ছিল তা হলো ব্যঞ্জনবর্ণের এত সুন্দর একটা উপসংহার টানা প্রবন্ধে যদি শুধু বানান শুদ্ধ, ধ্রুব বানান ধ্চব হয়ে যায় তবে এর সারমর্ম কিছুটা ঐ মধ্যশ্রেণিভুক্ত বুদ্ধিজীবীদের মতোই অবস্থা হয়ে দাঁড়ায়। প্রকাশনীর এ বিষয়টা নজর দেওয়া উচিত। আরেকটা বিষয়, কাকে বা কাদেরকে লেখক ধুয়ে দিয়েছেন তা বই পড়লেই টের পাওয়া যাবে। ২. তন্ময়তা মন্ময়তা - ফিরোজ আহমেদ। প্রবন্ধটিকে প্রবন্ধ না বলে দুটো কবিতার মর্মার্থ এবং তার সাথে জীবনের যে সাদৃশ্য বা সম্পৃক্ততা রয়েছে তা তুলে ধরেছেন লেখক। মূলত সাব্জেক্টিভ আর অব্জেক্টিভ দুটো বিষয় কী করে ব্যবহৃত হয়ে থাকে কবিতায় সেই ব্যাখ্যাটা বেশ করে দেখিয়েছেন লেখক। আর সাথে উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের 'I wandered lonely as a cloud' এবং রবার্ট ফ্রস্টের 'Stopping by woods on a snowy evening' কবিতার যথার্থ ব্যাখ্যা বা দার্শনিক ভাবার্থ বেশ সুনিপুণ ভবাএ করেছেন। যারা কবিতা দুটি বেশ ভালো করে বুঝতে চান তারা অবশ্যই পড়তে পারেন। ৩. বিষাদ অরণ্য - সরওয়ার পাঠান এটাকে প্রবন্ধ বলা যায় না তবুও এই ক্যাটাগরিতে রাখলাম। মূলত ২০০৩ সালের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি গল্প তুলে ধরেছেন লেখক। কিন্তু পাশাপাশি যে বিবরণ এবং সাজেকের বর্ণনা দিয়েছেন তার জন্য প্রবন্ধের কাতারে রাখলেও রাখা যায়। একটা বিষয় খটকা লাগে তা হলো বাংলাদেশে চিতাবাঘ আছে কি না। হয়তো ত্রিসীমার কারণে ভারতীয় কোনো চিতা এদিকে ঢুকতে পারে তবে বাংলাদেশে মনে হয় না আছে। ৪. ফেলুদাকে মঙ্গলগ্রহে পাঠাতে চাইলে যা জানা দরকার - তানজীম রহমান কথায় আছে ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। এই প্রবাদটা তানজীম সাহেবের সাথে একেবারেই যায়। লোকটা আর যাই হোক হরর এলিমেন্ট ছাড়তে পারে না। প্রবন্ধ লিখতে গিয়ে যে প্রাবন্ধিক হররের স্বাদ তুলে ধরেছে তাতে আমার ভয় হচ্ছে কবে না লেখক নিজের সাথে নিজেকেই গুলিয়ে ফেলেন। দেখা যাবে হঠাৎ চোখের সামনে সে নিজেকে দেখবে একটা চমৎকার বই লিখতে কিন্তু তা প্রকাশ হতে দেখবে না। পরে সে নিজে বাতিঘরের প্রকাশককে বলে ভূতের নামেই বইটা ছাপিয়ে দিয়ে বাজিমাত করবে। প্লট দারুণ তানজীম ভাই। ৫. সাহিত্যে মৃত্যুর খেলা - রায়ন নূর যারা নিগূঢ় পর্যায়ের লেখক হতে চান অথবা লেখায় কোন বিষয়টি আপনাকে আয়ত্ত করতে হবে তা জানতে চান অথবা হুমায়ূন আহমেদের মতো প্রায় উপন্যাসে প্রোটাগনিস্টকে মেরে ফেলে পাঠকের মনে এক দোদুল্যমান দুঃখ যুক্ত করতে চান লেখাটি তাদের জন্য। মৃত্যুর মতো একটা বিষয় লেখায় কী করে টানতে হয় আর এতে কী প্রভাব ফেলে তার নিরেট বর্ণনা এখনাএ দেওয়া আছে। প্রবন্ধটি যথার্থ। একটি চরিত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে অবশ্যই লেখকের কসরত করতে হয়। এর জন্য মাঝে মাঝে লেখক চরিত্রের মৃত্যু ঘটান। আবার লেখক নিজেও যে প্রত্যেক চরিত্রের মধ্যে বসবাস করেন তা একমাত্র লেখকই বিচার করতে পারেন। পাঠকরা তা ধরতেও পারেন না। তাদের কাছে জীবিতই মনে হয়। মনে হয় আলাদা কোনো সত্তা। ৬. রাশিচক্র ও সৌরপথ: প্রচলিত ভ্রান্তি - শাহ্নাজ পান্না পত্রিকায় যতগুলো প্রবন্ধ ছিল তার মধ্যে আমি এটাকে সর্বোচ্চ স্থানে রাখবো। জ্যোতিষশাস্ত্রে আগ্রহ থাকার দরুন না কি আকাশে উড্ডীয়মান তারার কারণে এটাকে প্রথমে রাখবো তা বলা যাচ্ছে না। তবে প্রচলিত একটা ভ্রান্ত যে রয়েছে তা টের পেয়েছি। এ যাবৎ কাল আমিও বিশ্বাস করতাম জ্যোতিষশাস্ত্র থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞান অনেক বিকশিত পর্যায়ে আছে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে জ্যোতির্বিজ্ঞান সবসময় গ্রহণযোগ্য। কিন্তু তা প্রমাণ করতে গিয়েই বাঁধতো সমস্যা। কারণ জ্যোতির্বিজ্ঞানের মধ্যে জ্যোতিষশাস্ত্রের একটা ছাপ স্পষ্ট। থাকবেই বা না কেন? এটা তো ওটারই পরিপূরক। সে যাকগে, লেখিকার বিশ্লেষণ দারুণ। বেশ উপভোগ করেছি বলতে গেলে। জেনেছিও অনেক কিছু। স্টেলিরিয়াম নামের একটা অ্যাপ আছে যেটাতে আমি তারা পর্যবেক্ষণ করি। সেখানে জোডিয়াক ম্যাপে এরকম নর্থ সিলেস্টিয়াল পোল বা সাউথ সিলেস্টিয়াল পোল দেখে অবাক হতাম। এখন এর কারণও জানলাম। দারুণ জিনিস। ৭. ইলিয়াসনামা - জুবায়ের ইবনে কামাল এটা যে লেখকের লেখা না কি আখতারুজ্জামান সাহেবের লেখা তা-ই বুঝতে পারছিলাম না। লেখক চাইলে তার নিজের কিছু ব্যাখ্যাও এখানে যুক্ত করে দিতে পারতেন। অথবা আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কোন প্রেক্ষাপটে সেগুলো লিখেছিলেন বা কোথায় রচনা করেছিলেন তা-ও সুনিপুণ ভাবে দেখিয়ে দিতে পারতেন। অথবা গল্পচ্ছলেই সাজাতে পারতেন। যে জিনিস সামনে আমি পড়বো সে জিনিস যদি লেখক আগেই বর্ণনা করে দেন তবে লেখকের স্বকীয়তা কোথায় রইলো? সে যাকগে, ইলিয়াসনামায় ইলিয়াস সাহেবের বক্তব্য চমৎকার ছিল। লেখককে এর জন্যই সাধুবাদ জানাই। ৮. জনসংস্কৃতির স্বরূপ - শারফিন শাহ চমৎকার একটি প্রবন্ধ ছিল বলা যায়। সংস্কৃতির উদ্ভব সাথে কোন সংস্কৃতিতে মানুষ জড়িয়ে আছে আর কোনটায় না তার একটা দারুণ আলোচনা করেছেন লেখক। সংস্কৃতির যে কোন দিক দিয়ে আসে আর তার সংজ্ঞা ঠিক কী তার বিস্তর আলোচনা রয়েছে লিখাটায়! ★ গল্প অধ্যায়: ১. জ্যামের শহরে জনৈক পিতা - হাসান ইমাম সাদামাটা একটা গল্প। একজন পিতার ইতিহাস যদিও তা যৎসামান্য। একজন পিতার আক্ষেপ এবং পুত্রের ক্ষোভ ফুটে উঠেছে গল্পে। এন্ডিং চলনসই। টুইস্ট ছিল একটু। যদিও থ্রিলার না তবুও টুইস্ট ছিল বলা যায়। তবে উপভোগ্য। ২. খেদ - তানিয়া সুলতানা গল্পটা শেষ করার পর একটা প্রশ্নই মাথায় এলো তা হলো, লোকটা গে ছিল? আঞ্চলিক ভাষা তথা কথ্য ভাষায় রচিত গল্পটি পড়তে চমৎকার লেগেছে বলা চলে। চার মিনিটের মতো সময় নেবে গল্পটি কিন্তু এতে একটা ভাব রয়েছে যা আরও এক মিনিট ভাবাবে। তারপর পাঁচ মিনিটের মাথায় আর কিছু মাথায় থাকবে না। ৩. পালাতে পালাতে - ডি অমিতাভ গল্পটা চমৎকার। কোনো একজনকে কেন্দ্র করে লিখা হয়েছে কি না তা ধরতে পারিনি। তবে ১৯৭১ সালের পরের কোনো প্লট। কারণ বাংলাদেশের বর্ডার উল্লেখ করা ছিল। এবং মূল প্লট ভারতের। কিন্তু কী কারণে কোন্দল বা আন্দোলন চলছিল তার কোনো ব্যাখ্যা পাইনি। পালাচ্ছিল তা ধরতে পেরেছি, কেন পালাচ্ছিল তা-ও ধরতে পেরেছি কিন্তু শত্রুপক্ষ কী কারণে যে ধাওয়া করছিল তা ধরতে পারিনি। লেখক বা কেউ জেনে থাকলে একটু জানাবেন এর কোনো ঐতিহাসিক মেলবন্ধন আছে কি না। আগাম ধন্যবাদ। ৪. অসমান্তরাল - মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পী সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার বরাবরই পছন্দের একটা জনরা আমার। সুন্দর একটা গল্প ছিল। বাড়িয়েও কিছু বল�� নাই আবার শর্ট কাটও করা হয়নি। তবে একটু গলদ ছিল সম্বোধনে। একবার মৃন্ময় সাহেব এবং সর্বনামে আপনি আবার শুধু মৃন্ময় এবং সর্বনামে তুমি। আরেকবার রিভাইস দিলে হয়তো ভুলটা থাকতো না। ৫. শেষের পথে - সামসুল ইসলাম রুমি গল্পটা দারুণ। তার থেকেও বেশি দারুণ এর ভেতরের নিগূঢ় নির্দেশনা। প্রতীকী চিত্রে একটা গল্প তথা জীবনমুখী গল্প ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। কেউ কেউ সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার বা টাইম লুপের ট্রাপ ভাবতে পারেন। কিন্তু গল্পটা আমাদের জীবনের একেকটা সিদ্ধান্ত যে কত বড়ো ভূমিকা রাখে তা চোখে ধরিয়ে দিয়েছে। ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই ভাবা দরকার নয়তো পথের শেষ বাহুল্য। পুনশ্চঃ লেখককে বলছি, ভাই যদি চাকরি করাই তার জীবনের একমাত্র লক্ষ হয়ে থাকত তবে গল্পটা কেমন হতো? ৬. কিরোজি - তানজীম রহমান সংক্ষিপ্ত গল্প। মানে দুই চার লাইনের। প্রত্যেকটা গল্পের মর্মার্থ (এক কথায়): ১. হত্যাকাণ্ড ২. সেক্স ৩. ভৌতিক ৪. সামাজিক বা আপ্যায়ন ৫. প্রতারণা ৬. কলহ ৭. খুন ৮. খুন এবং পুলিশের আগমন ৯. দুজনকে খুন ১০. খুশি ১১. মেয়ে দেখতে আসা ১২. বাবার শাসন ১৩. প্রেম ১৪. ব্যর্থতা ১৫. মেনে নেওয়া ১৬. ঘরবন্দি ১৭. স্ত্রী হত্যা। (লেখক তানজীম ভাই, পোস্ট দেখে থাকলে কয়টা হয়েছে জানাবেন।) ৭. মর্গ - কৌশিক জামান এটা নিয়ে চমৎকার একটা নভেলাই তৈরি করা যেত। সর্বোচ্চ পনেরো'শ শব্দের গল্পটি যে কাউকে নাড়িয়ে দেবে বলে মনে করি। না, থ্রিলার না। বাস্তবধর্মী গল্প। ইশ আসলেই যদি মৃত্যুর পরে এরকম কিছু করা যেত। দেখা যেত কে কাঁদছে আর কে ঢাকছে। ৮. বিপ্রতীপ - আব্দুল ওয়াহাব গল্পটা অনেকটা প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমেদের লেখনশৈলীর মতো লেগেছে। একটা নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে যে দুটো আকাশ পাতাল চিন্তা আসতে পারে তার একটা সুন্দর তুলনা লেখক এ গল্পে করেছেন। ৯. রিপু - স্বর্ণেন্দু সাহা লোভ লালসা মানুষের সপ্তরিপুর একটি। যাকে সেভেন ডেডলি সিনসও বলা হয়। মানুষ সৃষ্টির শুরু থেকে এসব নিয়ে জন্মায় না। মূলত একজনের থেকে আরেকজনকে এগিয়ে যেতে দেখে ইত্যাদি রিপুর আবির্ভাব ঘটে। খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক এই চিত্রটি। দারুণ বর্ণনা নিঃসন্দেহে। ১০. মহাসামন্ত - নাবিল মুহতাসিম চমৎকার, মাইন্ড ব্লোয়িং, অসাধারণ। যেরকম চমৎকার প্লট ঠিক সেরকম অসাধারণ তার বর্ণনাশৈলী। আহা কী মাধুর্য নিয়ে কনফেস করে গেলেন ক্যাপ্টেন অজয় ওরপফে তৈমুর লঙ। কাহিনীটা এতটাই চমকপ্রদ যে দুয়েক সেকেন্ডের জন্য আপনার মনে হবে পাহাড়ি কোনো গেরিলা বাহিনীর সাথে আর্মিদের চিরকালের শত্রুতার লড়াই চলছে বুঝি। অথচ পুরো গল্পটার আগাপাশতলা কনফেশন। একটি নিখুঁত কনফেশন। তার চেয়েও বড়ো কথা মানুষ তার কর্ম করে কৃতিত্ব পাওয়ার জন্য। কিন্তু যখন সেই কর্মের কৃতিত্ব পায় তারই দেওয়া কোনো ছদ্মনাম তখন সে মেনে নিতে পারে না। যেমনটা অনেক লেখকই পারেননি। মেরে ফেলেছেন তাদের সৃষ্ট চরিত্র! কী মেলবন্ধন! ১১. রুই মাছের মুড়িঘণ্ট - শরীফুল হাসান হরর এলিমেন্টে দারুণ একটা গল্প বলা যায়। হিংসা বশত না কি হরর এলিমেন্টের কারণে এন্ডিংটা এমন হয়েছে তা বলা মুশকিল। পাঠককে বুঝে নিতে হবে। বর্ণনাভঙ্গি বরাবরের মতো চমৎকার। ১২. সোর্স কোড - বিনিয়ামীন পিয়াস ছোটো ঘরানার এ গল্পে ফুটে উঠেছে একটি রোবোটিক তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জয় এবং মানুষের পরাজয়! ১৩. স্বপ্নজাল - সানাম খান নিতান্তই বাজে একটা এন্ডিং যার আগামাথা অমিল দিয়ে ভরা। বিরাট প্লটহোল সাথে গতানুগতিক ধারার ভেতরের একটি প্লট। সবচেয়ে বাজে পড়া গল্প হবে এটি। লেখনশৈলী ভালো কিন্তু গল্পটা ভালো না। ১৪. সফদর ডাকতার - কিশোর পাশা ইমন কিশোর গোয়েন্দা বলা যায় না। বাচ্চা গোয়েন্দা বলা যেতে পারে এটাকে। গল্প ফুটিয়ে তোলার বিষয়টা চমৎকার ছিল। একটা ক্লাস ফাইভ পড়ুয়া ছাত্র এবং তার টু পড়ুয়া ভাই কতটুকু ভাবতে পারে তার বর্ণনা বেশ সুন্দর করেই দিয়েছেন লেখক। ১৫. বয়ে যাও শরবত - মার্যিউর রহমান চৌধুরী কনসেপ্ট সুন্দর ছিল গল্পটার। কিছুটা হলিউড মুভি টেনেটের ভাইব ছিল। যাকগে বর্ণনাভঙ্গি দারুণ ছিল এবং যে জিনিসটা লেখক ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন তা সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন বলে মনে করছি। ১৬. অঘটন ঘটবার দিনে - জুবায়ের ইবনে কামাল হ-য-ব-র-ল। ১৭. জলঢুপী কমলা - জাহিদ হোসেন চমৎকার। বেশ আয়েশ করে একটা গল্প পড়লাম। গল্পের বুনট যথেষ্ট পাকা পোক্ত। বর্ণনা সুন্দর ছিল। বৃদ্ধ মায়ের আবদার করা কমলা আর আদমের খাওয়া গন্ধম ফল যে গল্পের মাধ্যমে এক করা যেতে পারে এটার সুন্দর উদাহরণ ছিল। তেরোটি কবিতার প্রথম কবিতাটা ছিল চমৎকার! ১৮. মাকডাবাগা - মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন পুরান ঢাকার বাসিন্দা হয়ে নিজের সাথে বেশ রিলেট করতে পারছিলাম লিখাটা। একটা সময় আমার বাসার পাশের বাসায় কিছু কবুতর পালত একটা ছেলে। রোজ ছাদে উঠে দেখতাম। ম্যালা শান্তি লাগত আসলে। মনে হইতো নিজেই উড়তাছি। একটা ছেলের বাবা হওয়া এবং অভ্যাস পরিবর্তনের গল্প উঠে এসেছে। দারুণ বর্ণনা। ★ কবিতা: তানিয়া সুলতানা আপুর বাঞ্ছা করি আর রুদ্র গোস্বামীর তবু এসো বাদে বাকিগুলো চলনসই। ★ উপসংহার: এই অংশে পুরো বইটা কেমন লেগেছে এবং যে যে বিষয়গুলোর বর্ণনা দিই নাই তা বলব। বেশ কিছু প্রবন্ধ এবং গল্প দারুণ লেগেছে। ঢাবাকা থেকে ঢাকার যে সাক্ষাৎকারটি ছিল তা ছিল পুরো বইতে একটা দারুণ অধ্যায়। এছাড়াও কিছু রিভিউ এবং কেস স্টাডি ছিল যার বিবরণ দেওয়া বাহুল্য মনে হয়েছে। সে যাকগে বইটি একটি ম্যাগাজিন হিসেবে প্রত্যেকটা লিখা আলাদা করে বর্ণনা করাটা কষ্টসাধ্য হলেও আমি করতে চেয়েছি। প্রত্যেকটা লেখককে ইন্ডিভিজুয়ালি তাদের শ্রমের বিপরীতে অনুভূতি শেয়ার করেছি। কিয়দাংশ গল্প মন মতো না হলেও বইয়ের সিংহভাগই উপভোগ করার মতো। সুতরাং বইটি সংগ্রহে রাখা যায় অনায়াসে। বই: পিদিম (ম্যাগাজিন) সম্পাদক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশনী: বাতিঘর প্রথম প্রকাশ: অক্টোবর ২০২২ প্রচ্ছদ মূল্য: ৩৬০ টাকা মাত্র।