আরেকটি চমৎকার উপন্যাস! শুরুটাই ভারি চমৎকার, লেখক সাহেব ব্রেকাপের কষ্ট বুকে নিয়ে ডিসিশন নেন তিনি সুইসাইড করবেন। এরপর থেকে শুরু করে একের পর এক ঘটনাবলী। এটা স্বীকার করতেই হয় যে লেখকের হিউমার চমৎকার! এইজন্য বইটা আরো বেশি ভালো লেগেছে। বিষন্ন বিকেলের মাঝে এক চিলতে রোদ ঝিলমিল করে ওঠার মতন বই বটে! ব্যক্তিগত রেটিং: ৫/৫ ❤️
বইটার আনপ্রেডেক্টিবল গল্পের মতো আমার এই বই পড়াটাও ছিল আনপ্রেডেক্টিবল। বইমেলায় সারাদিন ঘুরে যখন ফিরতে যাওয়ার সময় বন্ধুর কিনা বইটা হাতে নিয়ে এক-দুই পেজ পড়ার পরেই মনে হয়, এইটা না কিনে বিরাট মিস করে ফেলেছি! অতঃপর বন্ধুর গিফট, এবং এক বসায় শেষ করা! অসাধারণ গল্পের লেখনী, মনে হচ্ছিল নিজে আখতারের চায়ের দোকানে বসে লেখকের টংমেট হয়ে গেছি! সবার জীবনেই হয়তো এমন কোন ক্যাকাসু থাকে, যাদের থেকে প্রকৃতি নিজ নিয়মে দূরে সরিয়ে দেয়! অনেক উপভোগ্য ছিল বইটা, হয়তো অনেকদিন পর এই জনরার বই পড়ার জন্য একটু বেশি-ই এক্সাইটেড ছিলাম! এই বইটা শেষের পর আসলে শেষের কবিতার লাইনগুলো মাথায় বাজছিলো, "তোমারে যা দিয়েছিনু সে তোমারি দান; গ্রহণ করেছ যত ঋণী তত করেছ আমায়। হে বন্ধু, বিদায়।"
প্রথমবর্ষের ডিপার্টমেন্টের একজন প্রফেসরের লিখা ২ টা বই কিনে যে ভুল করেছিলাম, শেষবর্ষে এসে ডিপার্টমেন্টের সিনিয়রের লিখা বই কিনে একই ভুল করলাম।
দুইবার বেলতলায় গিয়ে আমার এই বোধ এবার হলো, সখের বশে লিখা লেখকদের বই অন্তত আমার জন্য না।
"নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে যারা ইউনিভার্সিটি জীবন কাটিয়েছেন, এই উপন্যাস তাদের জন্য", যদিও লেখক লিখেই দিয়েছেন, কিন্তু বিক্রি তো শুধু তাদের কাছেই হয়নি।
অনেক বেশি ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে পুরোটা পড়ে যেটা মনে হলো, যেই লিখাটা ডাইরিতে লিখে ডাইরিতে সিন্দুকে লুকিয়ে রাখার মত, সেটা শুধুমাত্র প্রাক্তন ভালোবাসার মানুষের দৃষ্টি আরেকবার আকর্ষণ করার একটা চেষ্টা থেকে চাপিয়ে ফেলা হল!
১০০+ পেইজের গল্পটা মূলত একটা বিশালাকৃতির প্রেমপত্র বলা যায়, যেটা টেনে টেনে লম্বা করা, আর ২৫ পেইজের মধ্যেই শেষ করা যেত বলে মনে করি।
পুরো গল্পটা tsc এর চায়ের দোকানের আড্ডায় বা মোস্তফা মামার ক্যান্টিনে বসে শুনলে ঠিক ছিল। কিন্তু বইমেলা থেকে এত দাম দিয়ে কিনে এই বই পড়ার পড়ে শুধু নিজের উপর রাগটাই লাগছে।
বইয়ের তথ্য উপস্থাপনায় কিছু অসামঞ্জস্য আছে, কিন্তু সেটা নিয়ে লিখার প্রয়োজনীয়তা দেখছি না আর।
৪ স্টার দেওয়ার মত বই এইটা না কারন এইটা কোন উপন্যাস না এইটা লেখকের জীবনের একটা ঘটনা তুলে ধরেছে। আর বাস্তব যে প্রেমটা লিখেছে সেই প্রেমটা আর ক্যাকাসু কে অনেক ভালো লেগেছে।
একটানে পড়ে ফেলার বই, সেটা পড়লাম অনেকদিন ধরে। ব্যস্ততা। সিনিয়র - জুনিয়র প্রেম কাহিনী টাইপ, খুব একটা যুতসই না, আবার ফেলনাও না। পড়ার মত আছে। ডিটেইল কিছু লিখতে গেলে স্পয়লার হয়ে যাবে কারণ কাহিনী অত বিস্তর কিছু নয়, তাই এই-ই ইতি।
এক বসায় পরে ওঠার মতো বই। ক্রিস্প কিছু গল্প বলে গেছেন লেখক পুরোটা সময় জুড়ে। শেষটাও দিয়েছেন মনের মতো। পড়ার সময় মনে হয়েছে যে ঘটনাগুলো আমি নিজেই এক্সপেরিয়েন্স করছি। আপনার যদি সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা পছন্দ হয়ে থাকে, তাহলে এই বইটি আপনার জন্যই।
বইয়ের নামের মতোই বইয়ের লেখনীও অদ্ভুত সুন্দর। ভার্সিটি লাইফকে কেন্দ্র করে লেখা খুব সরল একটা প্রেম কাহিনী। আসলে প্রেম কাহিনী বলাটা ভুল হবে। রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পের সঙ্গার অনুরূপ করে যদি বলি, “প্রেম হইতে গিয়েও হইলো না প্রেম”। এবং এজন্যই বোধহয় বইটা আরো বেশি ভালো লেগেছে। কারণ টিপিকাল টিনএজ প্রেম গল্প দেখতে দেখতে আমি বিরক্ত। কিন্তু প্রায় দেড়'শ পৃষ্ঠার বইটা যেনো নিমিষেই শেষ হয়ে গেলো। ভালো যে লেগেছে তা আর বলার অবকাশ রাখে না। বোধ করি একটু বেশিই ভালো লাগেছে। লেখকের লেখার সেন্স অফ হিউমারকে জানাই হ্যাট অফ রেসপেক্ট। কারণ তিনি বিভিন্ন বিষয়কে যেভাবে উপস্থাপন করেছেন তা আসলেই প্রশংসার দাবীদার। দু-একটা উদাহরণ দিই:
ব্রেকআপ প্রসঙ্গে ফেরদৌস ভাইয়ের বিখ্যাত ফিলোসোফি,
❝ শোন, তোকে একটা কথা বলি। যেকোন প্রেমের সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবার পর অন্তত চল্লিশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। যদি এর মধ্যে প্রেম ফিরে আসে, তাহলে তো ভালোই। আর যদি ফিরে না আসে, তুই অন্য মেয়ের জন্য চেষ্টা করতে পারিস। তবে সেটা চল্লিশ দিনের আগে না। কারণ প্রেম মরে ভূত হয়ে যেতে চল্লিশ দিন সময় লাগে। এর আগ পর্যন্ত সেই প্রেমের অতৃপ্ত আত্মা প্রেমিক-প্রেমিকার আশপাশে ঘুর ঘুর করে। ঘুর ঘুর করে অনবরত চেষ্টা করে সেই প্রেমের পুনর্মিলন ঘটিয়ে দিতে। দেখবি যেসব প্রেম ভেঙে আবার জোড়া লাগে সে সবগুলোই চল্লিশ দিনের ভেতরেই।
এছাড়াও মুরগীর রানীক্ষেত রোগ কীভাবে মানুষের হয়, চিকেন কীভাবে ১০ টাকা দরে পাওয়া যেতে পারে সেই সম্পর্কে ফেরদৌস ভাইয়ের আরেক বিখ্যাত ফিলোসোফি ইত্যাদি বিষয়গুলো বেশ তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করেছি। এছাড়াও দু-একটা বেশ পরিচিত কবিতার প্যারোডি ভার্সনও বেশ আনন্দ দিয়েছে। যেমন : ❝ দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, হল হইতে দুই পা ফেলিয়া, গরম গরম সিঙ্গারার ভিতর, বড় বড় কলিজার টুকরা।
এতো আনন্দের পরেও বইয়ের শেষ অধ্যায়ের চিঠিটা পরে মনটা একটু খারাপই হয়ে আছে। আমি মনেপ্রাণে চাই আখতারের দোকানে লেখকের সাথে ক্যাকাসুর আবার দেখা হোক...
আপনি কি মেয়ে? আপনি কি সুন্দরী? আপনি কি অত্যাধিক সুন্দরী? আপনি কি এতটাই সুন্দরী যে আপনার পিছে পুরো ভার্সিটির ছেলেরা এক কথায় পাগল? উপরের সবগুলোর উত্তর যদি হ্যা হয়, জ্বী তাহলে আপনি একজন ক্যাকাসু।
গল্পটা এক ক্যাম্পাস কাপানো সুন্দরীর অ���্থাৎ ক্যাকাসুকে নিয়ে। যোবায়েদ নামক ছেলে সদ্য প্রেমে ছ্যাকা খেয়েছে। তার পরবর্তী পরিকল্পনা আত্মহত্যা করবে। কিন্তু জীবন কী আর নিজের করা পরিকল্পনা মতো চলে। জীবনের বাকে পড়লে সব পরিকল্পনা বেহেশতে যায়। তার পরিকল্পনাগুলোকে জীবনের টানাপোড়েনে স্থগিত ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। জীবন তার নিয়মমাফিক নিয়মে চলতে থাকলে যোবায়েদ আবারো প্রেমে পড়ে কিন্তু এবার সমস্যা আরো বড়। সে প্রেমে পড়েছে এক ক্যাকাসুর। এপর্যন্ত হলেও হতো ক্যাকাসু যে যোবায়েদের দুই বছরের বড়। তার কি আবার মন ভাঙতে যাচ্ছে? নাকি এবার সে আসলেই তার মনের মানুষ পেয়েছে? তাদের প্রেম কি আগাবে? জানতে পড়ে ফেলুন একজন ক্যাকাসু।
আমার অভিব্যাক্তি: গল্পটা সুন্দর। মাঝে মাঝে খেই হারিয়ে ফেলছিলো। কিন্তু লেখনির কারণে মানিয়ে চলা যাচ্ছিলো। কাহিনীর সমাপ্তি আমার কাছে ভালো লাগেনি। কিন্তু গল্প হোক জীবন কোন টাই প্রেডিক্টেবল না। এখানে লেখক তাই বুঝাতে চেয়েছে।
যাদের এই বইটি নিয়ে কোন আগ্রহ নেই কিংবা কোন ধরণের ধারণাই নেই, তাদের জন্য, শুরুতেই বলে রাখা ভালো - 'ক্যাকাসু'- এর পূর্ণরুপ হলো 'ক্যাম্পাস কাঁপানো সুন্দরী'।
খুব সুহজ ও সুন্দর ভাষায় লেখা হয়েছে। পড়তে একটুও বোর লাগেনাই। বরং বেশ মজাই লাগছিলো। কীভাবে বিরহের যন্ত্রণা থেকে দূরে থাকতে লেখক একজন 'ক্যাকাসু'-কে খুঁযে পান এবং পরবর্তীতে কীভাবে তার সাথে লেখকের এক ধরণের সখ্যতা গড়ে ওঠে। খুব মজার ছলে লেখক তার ভার্সিটি জীবনের গল্প তুলে ধরেছেন। এখনতো মনে হচ্ছে ক্যাম্পাসে গেলে লেখক আর ক্যাকাসুর টিএসসির আড্ডা কিংবা রোকেয়া হল পার করার সময় তাদের কথোপকথন কল্পনায় দেখবো।
মজা ও হাসির ছলে খুব সাবলীল ভাষায় লেখক তার জীবনের গল্পটা বলেছেন। আর শেষের চিঠিটা কেন জানিনা খুব মন খারাপ করা ছিলো। তবে ক্যাকাসুকে একবার দেখিবার সাধ মনে জন্ম হইয়াছে। যদি লেখক কোনদিন সেটা প্রকাশ করে আমাদের মনের ইচ্ছা পূরণ করেন আরকি!
এক তারা না দুই তারা এই নিয়ে অনেক ভাবতে হলো। তারপর ভাবনা ছেড়ে দিয়ে দিলাম দুই। মূলত একখানি অন্তঃসারশূন্য বই। পড়ে একেবারেই ভালো লাগেনি। গল্পে ভাষার প্রয়োগও গড়পড়তা, তাই তা দিয়েও মান বৃদ্ধি সম্ভব হয়নি। গল্পের প্লট একেবারেই গতানুগতিক। নব্বই এর দশককেও গল্পের হিরো করার মতো যথেষ্ট উপাদানও এতে ছিল না। বইয়ের ফরম্যাটিং-এও ঘাপলা আছে, লাইন ইনডেন্টেশন করা হয়নি প্যারাগ্রাফের শুরুতে। কাগজ মোটা কিন্ত ভালো লাগেনি। সব মিলে কি ভীষণ বিরক্ত হয়েছি বলা কঠিন।
এই বই তবে কে উপভোগ করবে? নতুন রোমান্টিক গল্পের পাঠকেরা, যারা খুব বেশি সমকালীন উপন্যাস পড়েনি, তারা করতে পারে। আর কারা করবে আমার পক্ষে অনুমান করা কঠিন। তবে আমার কিছু সময় অপচয় হলো, এ কথা বলতে পারি।
দুই বসায় পড়া শেষ করলাম বলা যায়। শেষ করার পর প্রথম যা মনে হলো - আমার বয়স বেড়ে গেছে ।
হাওয়াই মিঠাই মেজাজের (কিনলাম, মুখে দিলাম, গলে গেলো, শেষ... মনে বা মুখে কোথাওই স্বাদের তেমন কোন রেশ রইলো না) বইটা যদি আমি আজ থেকে ৮/১০ বছর আগে পড়তাম, যখন লেখকের মতো আমি নিজেই ঘুরে বেড়াচ্ছি টিএসসি, কার্জন, ডাকসু আর ডাসের পথে পথে, দূর্দান্ত লাগতো; এন্তাজ রবি সাহেবের " কাগজের নৌকা " যেমন ভালো লেগেছিলো।
সুলিখিত, ভাবালু, চটকদার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের ট্রেডমার্ক " চ্যাংড়ামো " দিয়ে ভরপুর বই। নিজেকে ভারিক্কী মেজাজের পাঠক প্রমাণে বলতে পারি " বইয়ে কোন ডেপথ নেই "। পড়তে পারেন। মন্দ লাগবে না।
সবকিছু বাদ দিয়ে গল্পের শেষের চিঠিটা মনে বেশ দাগ কেঁটেছে। ২৪ বছর পরেও কারো জন্য অতটুকু আবেগ জমে থাকবে, এমন কেউ এখনো জীবনে এলো না। নাকি এসেছিল অনেকেই। নিজের ভালো থাকার তাগিদে সবাইকে ভুলেছি জোর করে, অপছন্দ করেছি তাদের ছোটখাট অপ্রিয় ব্যাপারগুলো, খানিকটা ঘৃণাও করেছি; শুধুমাত্র নিজে ভালো থাকবো বলে। 'আসলে কতটুকু ভালো আছি?' এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজা বাদ দিয়েছি বহু আগেই।
'ক্যাম্পাস কাঁপানো সুন্দরী'-র আখ্যান পড়তে পড়তে যাদের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিলো বারবার, তাদের কারো সাথেই কথা হয়নি, কথা হবে না। অথচ যার কথা মনে পড়তে হয়না, কারণ সে মনেই থাকে, তার কাছে পাওনা আছে পুরোটা জীবন।
আমি বইটির কভার এবং কিছু রিভিউ এর ভিত্তিতে কিনেছিলাম। কভারটি সত্যিই দারুন। এইটি হলো একটি প্রেমের গল্পের বই, কমেডি রিলিফ সহ। এর টার্গেটেড অডিয়েন্স হল নব্বইয়ের দশকের ছাত্রছাত্রী, প্রেমিক-প্রেমিকা। আমি তাদের একজন ও না, তাও বইটি উপভোগ করেছি। মজার ব্যাপার, বইটি বাস্তব জীবনের উপর ভিত্তি করে লিখা।
বইটির গল্প লেখকের ইউনিভার্সিটির জীবন থেকে নেওয়া। লেখকের ব্রেকআপ হবার পর বইটির ঘটনা শুরু হয়। ব্রেকআপ এর পর তিনি তার জীবন শেষ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পরে তা না করার সিদ্ধান্ত নেন। কিছু সময় পর তার রুমমেট তাকে একটি চায়ের স্টলে নিয়ে যায় অন্যদের সাথে গল্প করার জন্য। আরও কিছু সময় পর, তিনি একটি সিনিয়র আপুকে দেখতে পান যার নাম রাখেন "ক্যাকাসু" যায় অর্থ হলো ক্যাম্পাস কাঁপানো সুন্দরী । তারা দুইজনেই হলো বইটির প্রধান চরিত্র, এটি তাদের ইউনিভার্সিটি তে কাটানো দিনগুলির কথা তুলে ধরেছে। কিভাবে তারা বন্ধু হলো, কিভাবে তাদের সম্পর্ক আগালো এই নিয়েই বইটি লিখা।
সত্যি বলতে, আমি টার্গেটেড অডিয়েন্স নই, তাই এই গল্পের আমার ব্যাখ্যা অন্যদের থেকে আলাদা হতে পারে। যাইহোক, আমি বলব যে এটি একটি মজাদার গল্প, আপনি এটি এক বসায় পড়তে পারেন। এটি পড়া ও বুঝতে পারা উভয়ই সহজ ছিল। কিছু অংশ cringe মনে হয়েছে আমার। এই বইয়ের কমেডিক দিকটি দুর্দান্ত ছিল।
কেউ কেউ নস্টালজিক বোধ করতে পারে, এবং কেউ কেউ তাদের প্রেমের গল্পগুলি মনে করতে পারে, তবে আমার কাছে অবসর সময়ে পড়ার জন্য একটি মজার বই এবং বিনোদনমূলক।
7.5/10 অন্যদেরকে সাজেস্ট করবো পড়ার জন্যে।
__English__ ক্যাকাসু (ক্যাম্পাস কাঁপানো সুন্দরী)
Book Name: Ekjon Kekasu Writer: Jobaed Ahsan
I purchased this book based on its cover and some reviews. The cover is so beautiful. The book is a love story type of book, with comedic relief. Its main targeted audiences are 90s students, lovers, and all that. I'm none of those, still enjoyed the book. Fun fact, the book is supposedly based on real life.
The book follows the writer during his university days. The book starts right after a breakup. He wanted to end his life after that, but due to some incidents, the decides not to. Later on, his roommate takes him to a tea stall to gossip with others. After some more time, he finds a senior girl whom he named "Kekasu". They are the main characters of this book, it's about their days during university.
Honestly, I'm not the targeted audience, so my interpretation of this story might be different from others. However, I will say that this is a fun story, you can read it in one sitting. It was easy to read and easy to understand. Some parts may seem cringe, but that's how all these things work I guess. The comedic side of this book was great.
Some may feel nostalgic, and some may remember their love stories, but to me just a fun book to read during free time and an entertaining one at that.
Putting that letter at the end of the book was honestly psychotic. No need to mention your old love's weight because you stalked her account. You're a grown men. Mind your own business!!!