হিজাব শুধু একটা জামা না। এটা একটা জীবন-পদ্ধতি। যে নারী এটা পরবে, সে তার আদর্শিক পরিচয় মানুষের সামনে তুলে ধরবে। প্রত্যেক মুসলিম মেয়েকে চেনা যায় তার সমুজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব দিয়ে। লজ্জাশীলতা ও উত্তম চরিত্র দিয়ে। আর এসবের বহিঃপ্রকাশ ঘটে হিজাবের মাধ্যমে। পর্দানশীন মেয়েরা এই বার্তা দিয়ে যায় যে, তারা অন্যান্যদের থেকে আলাদা। চিন্তা-চেতনা, চাল-চলন, রুচি ও মননে তারা অনেক উঁচু মাপের। সম্ভ্রান্ত। তাদের জীবনযাত্রা মানুষের জন্যে অনুসরণীয়, অনুকরণীয়।
হিজাবকে পাঠানো হয়েছে আসমানের ওপর থেকে। সে তোমার সার্বক্ষণিক সঙ্গী। তোমার ঈমানি সত্তার পরিচয় বহনকারী। এটা একটা আদর্শিক পরিচয়। তুমি কোন জীবন-দর্শন অনুসারে চলো, তার পরিচয়বাহক। তুমি যে মুসলিম নারী, তার প্রকাশ ঘটে হিজাবের মাধ্যমে। হিজাব তোমার পরিচয়।
A must read book for every teenage Muslim girl or a Muslim Woman who has doubts how to carry a Hijab. This books simply denotes that,a hijab is not just a veil to cover but a lifestyle to carry... I will definitely pass this book to my younger..
আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো একটি বই , বইটা ছোট হলেও এর মধ্যে যে কথাগুলো বলা আছে আলহামদুলিল্লাহ সবগুলো কথা একজন মেয়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কেননা আমরা অনেকেই হিজাবের ব্যাপারে সম্পূর্ণ জানি না, হিজাব কে শুধু মাথার সামান্য কিছু অংশ মনে করি তাই সকল বোনকে বলব বইটি পরেন
হিজাব বলতে আমি শারীআ-সমর্থিত হিজাব বোঝাচ্ছি। মাথার ওপর আচ্ছাদিত কোনো কাপড়ের টুকরোকে হিজাব বলা হয় না। ওটার অন্য কোনো নাম দিয়ে নিয়ো। হিজাব অমন পোশাককেই বোঝায়, যা দিয়ে গায়রে মাহরামের সামনে নিজেকে আবৃত রাখা যায়। এটা বোরখা, খিমার বা এই জাতীয় কোনো পোশাক হতে পারে।
আমি জানি, এই ধরনের হিজাবকে তুমি অপছন্দ করো। তাই তো বোরখা বা খিমার পরার কথা শুনলে ভুরু কুঁচকে যায়। তুমি কি আল্লাহর নাযিল-করা এই বিধানকে অপ্রয়োজনীয় মনে করো? এথেকে মুক্তি পেতে চাও?
"এটা এ জন্যে যে, আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তারা তা অপছন্দ করে। ফলে আল্লাহ তাদের আমলসমূহ বরবাদ করে দেবেন।"[২]
বোন আমার, আমার ভয় হয়-শয়তান না-জানি তোমাকে পথভ্রষ্ট করে ফেলে। আল্লাহর দেওয়া অত্যাবশ্যকীয় বিধানকে না-জানি মুস্তাহাব বানিয়ে ছেড়ে দেয়। তখন তো প্রকৃত হিজাবের কথা শুনলে তুমি নাক সিটকাবে। বোঝা মনে হবে ইসলামি হিজাবকে। একদিন হয়তো পর্দার বিধানকেই আক্রমণ করে বসবে। আর এর ফলাফল তো জানোই... ধ্বংস, বরবাদি।।
ইসলামি ঘরানার এই বইয়ে গল্প কথক হিসেবে "হিজাবকে" পরিচয় করানো হয়৷ পুরো বইয়ে হিজাব কথক হয়ে তার প্রয়োজনীয়তা এবং তার অনুপস্থিতির ভয়াবহতা সম্পর্কে জানান দেয়। ইসলামি ঘরানার বই যারা পছন্দ করেন তাদের জন্য বইটি মোটামুটি ভালো লাগবে এবং হিজাবের প্রয়োজনীয়তাকে যারা গুরুত্ব দেন না বা হিজাব সম্পর্কে ধারণা কম রাখেন তাদের জন্য বইটি বেশ ইনফরমেটিভ।
হিজাব আমার পরিচয়- প্রথমেই নামটায় আসি। আমরা বুঝি শুধু মাথায় দেয় রংবেরঙের একটি কাপড়। কিন্তু হিজাব মানে কি শুধু একটু কাপড়? না, হিজাব হচ্ছে একজন মুসলিম নারীর সর্বোত্তম পোশাক_ অর্থাৎ একজন মুসলিম নারীর পর্দা করার সর্বোত্তম পন্থা। যে নারীর উপর পর্দা ফরজ যেহেতু তাই সম্পূর্ণরূপে পর্দা করা পর্দাশিল পোশাক পড়া ও ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক চলায়ই হিজাব এর মানে।
প্রত্যেকটি মুসলিম নারীর উপর পর্দা করা ফরজ। কিন্তু আমি কি করছি, মাথায় একটা রঙিন কাপড় পেঁচিয়ে নিজেকে পর্দাশীল দাবি করছে নাউজুবিল্লাহ 🙂 আমি তো পর্দা করার সঠিক নিয়মটাই জানিনা , আল্লাহ গাফুরুর রহিম আমাকে ক্ষমা করুন।
এই বইটি পড়ার পর ইসলামের অনেক ব্যাপার, এখনকার যুগের আমার মত আমার বোন বান্ধবী আত্মীয় স্বজন, সকলের ধারণা ইসলাম ও পর্দা সম্পর্কে যেমন তা যে ভুল সেটা আমি বুঝতে পেরেছি।
আমার মত কিছু মেয়ে যারা কিনা পর্দা করছি না, পর্দা সম্পর্কে অবগত থাকার পরও এত বড় ফরজ কাজ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখছি এর থেকে বড় গুনাহ আর কি হতে পারে। আমি এটা রিভিউ করছি আর নিজেরই হাত পা কাঁপছে যে কত গুনা জেনে আমি করছি আবারো বলছি আল্লাহ বরং ক্ষমাশীল আমায় আর আমার মত সকল নারীকে ক্ষমা করুন আল্লাহ আমাদের পর্দায় সঠিকভাবে জীবন যাপন করার তৌফিক দান করুন, আমীন।
This entire review has been hidden because of spoilers.
বর্তমানে হিজাব বলতে মানুষ মাথায় প্যাঁচানোর কাপড়কে বোঝে। কিন্তু হিজাব শুধুমাত্র এক টুকরো কাপড় নয়, এটা জান্নাতী নারীদের আবরণ। শরিয়তে ইসলাম নারীদেরকে হিজাবের মাধ্যমে এক অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে। পুণ্যবতীদেরকে এর মাধ্যমে আলাদা করে চেনা যায়। এটাই একজন মু‘মিনার পরিচয়। তথাকথিত আধুনিক স্টাইলে মাথায় প্যাঁচানো ত্যানার নাম হিজাব নয়। এটাকে বড়জোড় স্কার্ফ বলা যেতে পারে। হিজাবের ব্যাপারটাই আলাদা। হিজাব নারীদেরকে সম্মানিত করে, পরপুরুষের কুদৃষ্টি হতে তাদের দেহসৌষ্ঠবকে সুরক্ষিত রাখে। কিন্তু আফসোস!!! এর মর্যাদা সবাই বুঝলো না।
“হিজাব আমার পরিচয়” বইটি মূলত হিজাবেরই আত্মকথন। হিজাব তার মায়ামাখা আহ্বানে ডাকছে যেন উম্মাহর নারীরা সংবিৎ ফিরে পায়, আল্লাহর প্রদত্ত ফরজ বিধানকে অবহেলা না করে। আল্লাহ আমাদের জন্য যেটা নির্ধারণ করেন শুধুমাত্র তাতেই শান্তি, তাতেই সফলতা। আমরা এর ব্যতিক্রম করলে কখনই শান্তি পাবো না। স্রষ্টাপ্রদত্ত ম্যানুয়ালকে অবজ্ঞা করে দুনিয়া ও আখিরাতের প্রকৃত সফলতা ও মুক্তি লাভের সুযোগ কারও আছে কি???
বইটি বেশ সুন্দর। সাজানো, গোছানো ও সাবলীল ভাষায় এর বর্ণনা পাঠককে মুগ্ধ করবে। গল্পের ভাষ্য হিজাবের হওয়াতে তা ব্যতিক্রমী মনোভাব তুলে এনেছে। যে কোন মুসলিম নারীর জন্য এই বইটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্য কেউ যদি পর্দার সম্পর্কে নিগুঢ় ধারণা অর্জন করতে চান তাহলে এই বইটি অবশ্যই পড়া উচিৎ। বইটিতে সকল হাদীস ও কোরআনের আয়াতের রেফারেন্স দেওয়া থাকায় বইটির মান আরও একধাপ শীর্ষে। তবে কিছু দূর্বল হাদীস স্পষ্টাক্ষরে বলা হয়েছে যা হাদীস বিষয়ে স্বল্পজ্ঞানী ব্যাক্তিসকলের জন্য বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
হিজাব বা পর্দা কেন করা উচিত, কিসে হিজাব বা পর্দা থেকে বাধা দিচ্ছে তা নিয়ে সুন্দর আলোচনা করা হয়েছে৷ হিজাব দৈনন্দিন জীবনের অংশ নয় বরং এটিই এক্টি লাইফস্টাইল । নারী-পুরুষ উভয়েরই পড়া উচিত