কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা 2023 এ দেজ এর স্টলে বই এর ব্লার্ব পড়ে আগ্রহী হয়েছিলাম। লেখিকা জনপ্রিয় চিত্রাভিনেত্রী। তাঁর বই আগে কখনো পড়িনি তাই উৎসাহ ছিল বেশি । গল্পের শুরুটাও বেশ ফ্লুয়েন্ট। তরতর করে গল্প এগোচ্ছিলোও। গল্পের অতিনাটকীয়তা খারাপ লাগছিল না। কিন্তু লেখার গাঁথুনি আরো ভালো হতে পারত। ওখানে গিয়েই সব ভালোলাগা খারাপলাগায় পরিণত হল। দোয়েল ও জয়িতা পরস্পরকে ভালোবাসে। গল্প যখন টানটান এগোচ্ছিলো তখনি দোয়েল জানতে পারে জয়িতার দ্বিতীয় সম্পর্কের কথা। দোয়েল কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। তারপর কি হয় সেটাই গল্পের মূল উপজীব্য। গল্পতে একটা খোলা ফ্রেশ হাওয়া আছে তা বলাই বাহুল্য। বিভিন্ন ধরনের মানুষের কথা এসেছে। দোয়েলের বন্ধু হাফ বাঙালি হাফ চাইনিস লি, সুগত বা জুয়িতার মা শেফালির চরিত্র চিত্রাকর্ষক। এসেছে কলকাতার প্রাইড মুভমেন্টের কথাও। কিন্তু লেখনীর বুনোট বারবার সমস্যায় ফেলেছে। একটা তাড়াহুড়ো চোখে পড়েছে। এগুলি না থাকলে চার তারা দেওয়াই যেত।
সত্যিই খুব আশাহত হলাম। উপন্যাসটা পড়া শুরুই করেছিলাম এটাকে ৫ তারা দেব বলে। সারাংশ পড়ে খুবই উত্তেজিত ছিলাম। উপান্যাসটা শুরুও হয়েছিল খুব সুন্দর আর এগোচ্ছিলও খুব ভালো, কিন্তু হঠাত খেই হাড়িয়ে গেল, সব কিছু কেমন একটা এলোমেলো হয়ে গেল। দোয়েলের প্রেম কাহিনী বেশ সুন্দর এগচ্ছিল হঠাত পশ্চিম বঙ্গের বহু ছেলে মেয়ে যারা প্রেমের গুঁতোয় সব ছেড়ে আজও দেবদাস হচ্ছে আর তাদের কিছু আরও কিম্ভূত বন্ধুরা তার এই কাজে অনুপ্রাণিত করে সেই টাইপের হয়ে গেল। পার্থক্য একটাই ছেলে-মেয়ের জায়গাই এখানে মেয়ে-মেয়ে।