দীপান্বিতা রায়ের ছোটবেলা কেটেছে শিল্পশহর বার্নপুরে। স্কুলের পাঠ সেখানেই। তারপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা। দীপান্বিতা লেখেন নিজের চারপাশের জগৎ নিয়ে। দৈনন্দিন জীবনের কঠিন বাস্তব, অভ্যস্ত খুঁটিনাটিই তাঁর উপজীব্য। শিশুদের জন্য লেখায় তিনি পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার। এ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী পুরস্কার, গজেন্দ্রকুমার মিত্র সুমথনাথ ঘোষ স্মৃতি পুরস্কার, নীল দিগন্ত পুরস্কার, দশভুজা পুরস্কার এবং সাধনা সেন পুরস্কার।
ডাহা একঘেয়ে লাগল। অল্পবয়সী রহস্যভেদী চরিত্র, ভ্রমণ, রহস্যের আগমন, তাতে "মানবতার খাতিরে" জড়িয়ে পড়া, ধুড়ুমধাড়াক্কা করে দুষ্টু লোকেদের কুপোকাত! এসব পাণ্ডব গোয়েন্দা বা কাকাবাবুদের আমলে কোনোভাবে চলে গেলেও এই মোবাইলের দুনিয়ায় চলে না। ক্যান্সারের ওষুধ সংক্রান্ত মেডিক্যাল মাফিয়া স্টোরিলাইনকেও বস্তাপচা বলা চলে এখন। ক্যান্সার, ইলিগ্যাল মেডিসিন ট্রায়াল, এন্টিবায়োটিক, জিনোম, অর্গ্যান হারভেস্টিং - এসব আর চলে না। করোনাকাল থেকে বহু বহু কাজ এসব নিয়ে হয়ে গেছে।
সবচেয়ে বড় কথা রেনো-বেটো সিরিজ হলেও রেনোই সিংহভাগ সব সামলায়। বেটো শুধু ওই স্কুল-কলেজের DSLR মামণ। লেখিকার এহেন পক্ষপাতিতার কারণে এই সিরিজ ত্যাগ করলাম।
অবশ্য এত বললেও বা কী? এসব চর্বিত-চর্বণের পাঠক ঠিক থেকেই যাবে আর ভবিষ্যতে আরও কাগজ-কালি খরচাও হতে থাকবে। গড ব্লেস!
মেডিকেল মাফিয়া বিষয়টা লেখার জন্য খুব ভালো কিন্তু একদমই কিশোর উপন্যাস। লেখিকার আর একটা বড় সমস্যা প্রায় ৯০ শতাংশ লেখাই সংলাপ। পুরুলিয়ার প্রেক্ষাপটে লেখা আর সেখানে প্রকৃতির বর্ণনা নেই।