মানুষ মাত্রই রিযিক নিয়ে চিন্তিত। রিযিকের চিন্তা মানুষকে এতটাই বিবেকহীন করে দেয় যে, হালাল-হারাম বিবেচনা করার মতাে ফুরসতটুকুও সে পায় না। বৈধ-অবৈধ যেভাবেই হােক না কেন, অধিক থেকে অধিক উপার্জনের চেষ্টাই থাকে মুখ্য। আর এটাই ভােগবাদী দুনিয়ার সবচেয়ে নির্মম বাস্তবতা।
এই বইয়ে আপনি দেখতে পাবেন বস্তুবাদী দুনিয়ার মূল্যহীন ও ধোঁকায় পরিপূর্ণ নিষ্ঠুর চেহারা। দেখবেন রিযিক বৃদ্ধির সাথে আধ্যাত্মিকতার কী গভীর সম্পর্ক! অনুভব করবেন বরকতের বাস্তবতা ও প্রয়ােজনীয়তা। ধন-সম্পদের বিপরীতে খুঁজে পাবেন মানসিক শান্তির মূল্য। রিযিক নিয়ে চিন্তিত প্রতিটি মানুষের চিন্তার উপশম, ক্ষুধার খােরাক ও রােগের আরােগ্য রয়েছে বইটিতে।
রিযিক্ব বলতে আসলে কি বুঝায়, কি কি কারনে মহান আল্লহতালা কারো রিযিক্ব সংকুচিত এবং কারো কারো রিযিক্ব সম্প্রসারণ করে দেন ঠিক এই বিষয়গুলি নিয়েই বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে।
কিছু বই প্রথমবার দেখে মনে হয় এই বই বাকি আট দশ টা বইয়ের মত কেতাবি ভাষায় কিছু উপদেশ দেওয়া থাকবে। রিযিক দেখে সেরকম মনে হলেও পড়ে বেশ ভালো লাগল। খুব সোজা ভাষায় প্রয়োজনীয় জিনিসটুকু গুছিয়ে লেখা হয়েছে। এক বইতে রিযিক এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যা জানা দরকার তার সবই এসে পড়েছে। রিযিক এ বরকত পাওয়ার পথগুলোর ব্যাপারে সব মুসলিমরা জানবে এটাই কাম্য।