Jump to ratings and reviews
Rate this book

রক্তচক্র

Rate this book

Unknown Binding

Published January 1, 2013

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
3 (50%)
2 stars
3 (50%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
33 reviews1 follower
February 11, 2022
উক্তিঃ মানুষ নিজেকে ঈশ্বর ভাবলে ঈশ্বর তাকে আরো বোকা বানানোর জন্যে কিছু শক্তি আরোপিত করেন। ঈশ্বরের শক্তির তুলনা অতি তুচ্ছ তা।


এলহাম, সরকারী কলেজে গণিতের শিক্ষক। বিদেশ থেকে পিএইচডি ডিগ্রী নিয়েছে। অথচ বিশুদ্ধ বিজ্ঞানের এই মানুষটাই কিনা অপবিজ্ঞান কিন্তু নিখুঁত সূত্র, ও গণিতে ভরপুর ব্ল্যাক ম্যাজিকের চর্চা করে। কি এমন জিনিস এলহামের চাই যা তাকে বিজ্ঞান দিতে অক্ষম?

একজন হাসিডিক জিউ –নাম স্টাইনজন- কাব্বালিস্ট গোত্রের একজন সদস্য। তার উদ্দেশ্য ব্ল্যাক ম্যাজিকের সাহায্যে দেবতাদের মত অসীম ক্ষমতাধর হয়ে উঠা। আর সেই উদ্দশ্য পূরণের জন্যেই এলহামকে সে খুঁজে বের করেছে।

শেয়ার ব্যবসায়ী পীর হাসিবুর রহমান চান এলহামের গাণিতিক জ্ঞান ব্যবহার করে শেয়ার মার্কেট থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিতে। আর এই কাজ করার জন্যে এলহামকে ভাড়াটে গুন্ডাবাহিনীর ভয় দেখিয়ে সে রাজিও করিয়েছে।

ব্ল্যাক ম্যাজিকের উপাসনা করার জন্যে অমাবস্যা রাতে তিনজন উপস্থিত হয়েছে পুরান ঢাকার এক পুরানো মন্দিরের বেসমেন্টে। কিন্তু গণিতজ্ঞ এলহামের মনে স্টাইনজন ও শেয়ার ব্যবসায়ীকে নিয়ে রয়েছে সম্পূর্ণ অন্য এক ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা।

এদিকে হঠাৎ করে দেশে খুন হতে শুরু করেছে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার শীর্ষ রাজাকারেরা। কেও বা কারা অমাবস্যার আঁধারে বিশেষ এক বাঁকানো ছুরি দিয়ে তাদেরকে হত্যা করছে। রাজাকার হত্যাকাণ্ডে জড়িত রহস্যময় ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার দ্বায়িত্ব পড়েছে জামশেদ ও রায়হানের কাঁধে।

তারা কি পারবে রহস্যময় খুনি বা খুনিদের ধরতে?? আর এলহাম কি পেরেছে তার উদ্দেশ্য সাধণ করতে?? আর কিই বা ছিল সেই উদ্দেশ্য?


লেখক প্রিন্স আশরাফের সাথে আমার পরিচয় ক্লাস নাইন কি টেনে থাকতে। তখন মাঝে মাঝেই সেবা প্রকাশনীর ‘রহস্যপত্রিকা’ পড়া হতো। রহস্যপত্রিকার নিয়মিত লেখকদের মধ্য প্রিন্স আশরাফ ছিল আমার অনেক পছন্দের। সেই সময় তার লেখা অতিপ্রাকৃত অথবা হরর গল্পগুলো অনেক আগ্রহ নিয়ে পড়তাম।
অনেকদিন পরে যখন আবার তার লেখা পড়া শুরু করি, আবার সেই আগ্রহ কাজ করছিল। এবং কিছুটা আক্ষেপ নিয়েই বলতে হচ্ছে, হতাশ হয়েছি। কেন হতাশ হয়েছি সেটা ধরতে পারছি না। দোষটা কি আমার, পাঠক হিসেবে, নাকি লেখকের নাকি সময়ের।

গল্পের প্লটা ভালো ছিল, তাড়াহুড়ো না করে বরং আরো কিছুটা সময় দিলে জবরদস্ত একটা অতিপ্রাকৃত/থ্রিলার হতে পারত। গল্পটা যেভাবে শেষ করা হয়েছে ইচ্ছে করলে দ্বিতীয় পার্ট লেখা যায়। লেখক সেটা করেছেন কিনা জানা নেই।


Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.