Jump to ratings and reviews
Rate this book

জীবনে ফেরার গল্প

Rate this book

159 pages, Paperback

Published March 18, 2021

Loading...
Loading...

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
7 (22%)
4 stars
9 (29%)
3 stars
10 (32%)
2 stars
3 (9%)
1 star
2 (6%)
Displaying 1 - 9 of 9 reviews
Profile Image for Adham Alif.
337 reviews80 followers
March 18, 2025
সুন্দরবনের দস্যু উৎখাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে সাংবাদিক মোহসীন সাহেব আলোচনায় এসেছিলেন। সেগুলো টিভি রিপোর্ট হিসেবে যতোটা ভালো দেখতে বইয়ের পাতায় পড়তে হয়েছে ততোটাই বাজে। আমি উনার কাজগুলো বই আকারে প্রকাশের বিরোধী নই। কিন্তু রিপোর্টকে প্রায় সরাসরি বইয়ের পাতায় তুলে দেয়ার ফলে পড়ে আরাম পাওয়া যায়নি। ঘটনার ধারাবাহিকতা থাকেনি, রিপোর্টের মতো হুঠহাঠ শুরু এবং লাফিয়ে লাফিয়ে গল্প এগিয়েছে। বইয়ের জন্য আলাদা করে সময় নিয়ে লিখলে হয়তো পাঠযোগ্য কিছু পাওয়া যেত। বইয়ের শুরুতে ম্যাগাজিনের মতো বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের একগাদা বাণীর মতো স্তুতিবাক্যেরও কোনো প্রয়োজন ছিলোনা।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৪
Profile Image for musarboijatra  .
302 reviews406 followers
April 12, 2022
সুন্দরবনের দস্যুদের কথা শুনে আগে ভাবতাম, ব্যাপারটা তো সিম্পল! জল থাকলে জলদস্যু থাকবে, বন থাকলে বনদস্যু থাকবে। এইতো। কিন্তু, আমাদের সুন্দরবনের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একেবারেই আলাদা! সুন্দরবনে ডাকাতদের দৌরাত্ম্যের ইতিহাস একদম সাম্প্রতিক না, শতবছরেরও না, পাক্কা কয়েকশো বছরের পুরান! যবে থেকে বাংলার আশেপাশে একেকটা নগরী গুরুত্ব বহন করে আসছিল - ঢাকা, নদীয়া, সোনারগাঁ, গৌড়, পুন্ড্র... প্রতিটা নগরীর দাগী আসামীদেরই পালিয়ে যাবার মোক্ষম জায়গা ছিল সুন্দরবন, কারণ বাংলার এক প্রান্তের এই বনে একবার পালাতে পারলে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা একপ্রকার অসম্ভব ছিল।

মাঝখানে মগ, আরাকান, ভেনিসিয়ান, পর্তুগীজ দস্যুদের অত্যাচারেও বিপর্যস্ত হয়েছে সুন্দরবন। শায়েস্তা খাঁ এবং তাঁর পুত্র উমেদ খাঁ'র হাতে বিতাড়িত হয়ে পুরোপুরি পর্যুদস্ত হয় ইংরেজ আমলে এসে।

সুলতানী আমল থেকে মোগল আমল, অপরাধীদের অভয়ারণ্য হয়ে থাকা সুন্দরবনের আরেক প্রস্থ ইভোল্যুশন ঘটে ব্রিটিশ আমলে, যখন বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের জমিদারী লাভ করেন হেনরী মোরেল পরিবার। [ মোরেল পরিবারের অত্যাচার এবং কৃষক বিদ্রোহ রীতিমত প্রবাদতুল্য। রিজিয়া রহমানের উপন্যাস 'অলিখিত উপাখ্যান' এই প্লটে রচিত, যার অন্যতম চরিত্র, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায় স্বয়ং। ]

য়ুরোপে তখন পুরোদমে যুদ্ধ চলছে, আর সে যুদ্ধের খোরাক মেটাতে বাড়াবাড়ি বন-ধ্বংস শুরু হলো সুন্দরবনে। বনজ সম্পদ আহরণ, আর চাষযোগ্য জমি তৈরী, এই কাজের জন্য দরকার হলো কর্মঠ শ্রমিকদের, যার প্রয়োজন পূরণ হচ্ছিল না নরম স্বভাবের স্থানীয়দের দ্বারা। তাই মোরেল পরিবার আবেদন করলেন, বরিশাল জেলে বন্দী ফাঁসির আসামীদের এসব কায়িক শ্রমে ব্যবহারের জন্য নেওয়ার। এবং সে আবেদন মঞ্জুর করলেন কর্তৃপক্ষ। শ্বাপদসংকুল বনে শ্রম দিতে যাওয়া, মৃত্যুদন্ডের চেয়ে খুব একটা কম না।

লক্ষ্য করলে দেখবেন সুন্দরবনের উপকূলবর্তী মানুষের ভাষা খুলনা-বাগেরহাটের স্থানীয় ভাষার চেয়ে অনেকাংশে আলাদা। তার কারণ? জেল থেকে আনা এই দাগী আসামীদের দ্বারাই অধিকৃত বনে অধিকাংশ লোকালয় স্থাপিত হওয়ায়, স্থানীয় ভাষা-সংস্কৃতিই পাল্টে দিয়েছে তারা। প্রভাবটা আন্দাজ করতে পারছেন?

১৯৪৭, দেশভাগের পর ডাকাতরা প্রথমবার নিজেদের লোকালয়ের বসতি ছেড়ে বনে বসবাস শুরু করে। তাদের কাজের পদ্ধতি হয়ে ওঠে অভিনব- পূর্ব পাকিস্তানে ডাকাতি করে পশ্চিমবঙ্গে পালাও, আবার পশ্চিমবঙ্গে ডাকাতি করে এপাড়ে পালিয়ে আসা।

দিনে দিনে সুন্দরবনের ডাকাতগোষ্ঠী বিবর্তিত হয় বর্তমানের অবস্থায়। বর্তমান বলতে ২০০০ থেকে ২০১৮ এর মাঝের কথা বলছি। গন্ডায় গন্ডায় ডাকতদল, অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র আধুনিক বোট ছাড়াও, স্থানীয় মহাজন আর প্রভাবশালীদের সাথে মিলেমিশে দারুণ এক বাস্তুসংস্থান তৈরী করেছে তারা ইতিমধ্যে। জেলে-মাঝিদের অপহরণ করে মুক্তিপণ চাইতো ডাকাতরা, সে পণ দিতে চড়া সুদে ঋণ নিতে হতো মহাজনের কাছ থেকে। সে ঋণ পরিশোধ না করতে পারলে আবারো মহাজনদের ইন্ধনেই ডাকাতের হাতে পুনরায় বন্দী হতে হতো। কেউ কেউ এই চক্রে ফেঁসে-ও ডাকাত হয়ে গেছে। ডাকাতদের প্রকোপে পর্যুদস্ত ছিল বনবিভাগ। বনবিভাগের অফিস ব্যবহৃত হতো ডাকাতদের সাময়িক আরামের জায়গা হিসেবে, হঠে যেতে হতো বন বিভাগের লোকদের।

ওইদিকে ডাকাতরাও নিজেদের জায়গায় নিঃশংসয় ছিল না। ক্রসফায়ারের ভয় ছিল সর্বদাই, গ্রামে পরিবারের লোকেরা অপমানিত হতো তাদের নামে। কিন্তু র‍্যাবের ক্রসফায়ার কি থামাতে পারছিল ডাকাতি? না, বরং ক্রসফায়ারে নেতা মরলে দল ভেঙে একাধিক দল তৈরী হতো, যাদের ট্র্যাক করা হয়ে পড়তো আরো কঠিন, নতুন নতুন দলগুলো অস্তিত্ত্ব টেকাতে আরো নৃশংসতার আশ্রয় নিতো।

২০১৮ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সুন্দরবনকে 'দস্যুমুক্ত' ঘোষণা করেন। আর, র‍্যাব এবং কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি একজন সাংবাদিকের নিরলস প্রচেষ্টার উপাখ্যান এই জীবনে ফেরার গল্প । সাংবাদিক মোহসীন-উল-হাকীম, যিনি প্রথমে ডাকাতদের দিকটা এম্পেথেটিকালি ভাবতে চেষ্ঠা করেছিলেন, যার কারণে ক্রসফায়ারের দমন-প্রথার চেয়ে কার্যকর পন্থায় ডাকাতদের পরাহত করা সম্ভব হয়েছিল। আর তা হলো : আত্নসমর্পণের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দেওয়া।

শুরুতে র‍্যাব অথবা স্থানীয় প্রশাসন সহায়তায় এগিয়ে আসতে চাননি। বাঁধা দিতে চেয়েছিলেন, সাংবাদিকের নিরাপত্তার কথা ভেবেই। একদিকে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে, অন্যদিকে জানের ঝুঁকি নিয়ে ডাকাতদের ডেরায় ঢুকেছেন বহুবার, তাদের সাথে সংলাপ চালিয়ে গেছেন, আশ্বাস দিয়েছেন যে আত্মসমর্পণের কথা বলে তাদের ক্রসফায়ারে দেওয়া হবে না। কেবল র‍্যাবের ক্রসফায়ার না, আত্মসমর্পণ করতে লোকালয়ে এলে বিরোধী ডাকাতদলের হাতে খুন হওয়ারও ভয় থাকে, যাদের কিনা ইন্ধন যোগাতে পারে ওইসব প্রভাবশালীরা, যাদের স্বার্থ বিঘ্নিত হবে ডাকাতরা আত্মসমর্পণ করলে। এক প্রকারে, ডাকাতদের নিরাপত্তার ভার নিজের হাতে নিয়েই, র‍্যাব এবং কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ সম্পন্ন করাতে হয়েছে সাংবাদিক মোহসীন-উল-হাকীমকে। একটা-দুটা দলের আত্মসমর্পণের পর বাকি ডাকাতরা আশ্বস্ত হয়েছেন, নিজেরা এগিয়ে এসে যোগাযোগ করেছেন ধরা দেওয়ার জন্য। একে একে তিন বছরের ব্যবধানে ৩২টা ডাকাত দলের আত্মসমর্পণ সম্পন্ন হয়েছে তাঁর প্রচেষ্টায়, জমা পড়েছে ৪৬২টি অস্ত্র এবং বাইশ হাজারের অধিক রাউন্ড গুলি।

'সুন্দরবনের জলদস্যুদের জীবনে ফেরার গল্প' বইটা সত্যিকারের থ্রিলার গল্প, পড়লে হয়তো থ্রিলার ফিকশন পানসে লাগবে! একেকটা ঘটনার বর্ণনা খুবই অভিনব। কোথাও ডাকতদলের গোলাগুলির মাঝে পড়তে হয়েছে তো কখনো বাঘের গা ঘেঁষে বেঁচে ফিরতে হয়েছে- সব মিলিয়ে অত্যাশ্চর্য এক যাত্রা। এবং এই পুরো কাজের গুরত্ব বিচারে, এমনিতেই পড়ার আগ্রহ বেড়ে যায় কয়েকগুণ। পাঠক, এই বই হয়তো আপনার সামনে সুন্দরবনকে এমনভাবে তুলে ধরবে যেমনটা কখনো দেখেননি। অবশ্যপাঠ্য একটা বই, নিঃসন্দেহে।
Profile Image for Swakkhar.
98 reviews26 followers
August 31, 2021
বইটার লেখক দুর্দান্ত সাহসী, ঘটনা অতি অসাধারণ। সেই মগ-হার্মাদ- আমলের দস্যু বাহিনী যাদের কথা বঙ্কিম-বিভূতিভূষণ, এবং মিহির সেনগুপ্তের লেখায়ও আছে, তারা সবাই রয়াবের কাছে আত্মসমর্পন করে ফেললো, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, দস্যুমুক্ত সুন্দরবন।

বইটার সাহিত্যমূল্য নাই। উনি টেলিভিশন সাংবাদিক, ফলত আমার ধারণা টিভি রিপোর্ট এবং এই সামগ্রিক ঘটনাই তার ক্র্যাফটসম্যানশিপ। যেহেতু পড়ার প্রতিক্রিয়া লিখছি, তাই আমি খুব উচ্ছ্বসিত নই, যতটা উনার ইউটিউব চ্যানেল বা এই ঘটনাগুলিকে নিয়ে। আমার ধারণা উনি আরও লিখবেন। বইয়ের সম্পাদনা ভালো হয় নি, তাড়াহুড়ো করে ছাপানো মনে হয়েছে।
Profile Image for হাসান মাহবুব.
Author 15 books92 followers
October 17, 2021
বইটির বিষয়বস্তু অত্যন্ত ভালো। শুধু যে ভালো তাই না, বাংলা ভাষায় এরকম বই আছে কি না তাও আমার জানা নেই। বইটি ইনফরমেটিভ। আমরা লেখকের সাহস এবং প্রত্যয়ের কথা জানতে পেরেছি। এমন ঘটনা পরম্পরাগুলি লিপিবদ্ধ থাকা উচিত ছিলো অবশ্যই। কিন্তু পড়তে গিয়ে ঠিক যে সেই উত্তেজনাটা পেলাম না। দস্যুদের সাথে ফোনে কথা হয়, দেখা হয়, তারা আত্মসমর্পণ করতে চায়, অথবা দোনোমনা করে এই তো গল্প। বইটি আরো বড় পরিসরে লেখা যেত। সুন্দরবনের মিথ, রহস্যময়তা, দস্যুদের চরিত্র চিত্রন, অতীত ইতিহাস ইত্যাদি আরো ব্যাপকভাবে আসতে পারতো। আমার কাছে কিছুটা তাড়াহুড়ো করে লেখা মনে হয়েছে।
5 reviews2 followers
February 8, 2024
আমি আমার জীবনেও এক বসায় কোনো বই শেষ করে উঠেছি কিনা মনে পড়ে না; কারণ আমি খুব ধীরে ধীরে পড়ি। কিন্তু আজকেই ঘটলো ঘটানাটা। শরীরটা ভালো না, জ্বর-কাশি, প্রেশার নেমে কষ্টে ফেলে দেয়া নির্ঘুম ভোরে বিরক্ত হয়েই শেষে হাতে তুলে নিলাম সাংবাদিক মোহসীন-উল হাকিম-এর "সুন্দরবনের জলদস্যুদের জীবনে ফেরার গল্প" বইটা।

বইটার ওজন বোঝানোর জন্য এতোটুকু বলা যায়: শুরুর ২৭ পৃষ্ঠাই এই পুরো প্রেক্ষাপটকে সাধুবাদ জানিয়ে শুভেচ্ছাপত্র লিখেছেন ভারত থেকে সাংবাদিক জ্যোতিরিন্দ্রনারায়ণ লাহিড়ী; সুদূর টরোন্টো থেকে ভুমিকা লিখেছেন খসরু চৌধুরী; গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল; র‍্যাব মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনসহ আরো অনেকে।

এসব ছাপিয়ে যখন প্রথম অধ্যায় শুরু হলো, তার পর থেকেই... শুরু...। না, মোহসীন-উল হাকিমের সুন্দরবন ট্যুর না, কিংবা ট্রলার-মাস্টার বেলায়েত সর্দারের সুন্দরবন ক্যুযীন না, একেবারে ঠাসবুনট ত্রিপাক্ষিক থ্রিলার: এক পক্ষে সাংবাদিক সমাজের প্রেষণায় মোহসীন-উল হাকিম, আরেক পক্ষে সুন্দরবনের ডাকাত, আর আরেকপক্ষে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী (র‍্যাব, পুলিশ, কোস্টগার্ড, বনবিভাগ)। মোহসীন-উল হাকিম যদি কোনো একটা ভুল চাল চালেন তাহলে হয় ডাকাত মারবে, নয়তো আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী।

পড়তে পড়তে প্রথমেই যে বিষয়টা ঘটবে, সেটা হলো সুন্দরবনের জলদস্যুদের সম্পর্কে আপনার চিন্তা-ভাবনাই বদলে যাবে। দেখা গেলো প্রশাসন সবসময়ই ঘাঢ় ত্যাঁড়া একটা অবস্থানে থাকবেই, কিন্তু দিন শেষে তারা যে বুঝেছেন - এটাই অনেক বড় পাওয়া। ধন্যবাদ র‍্যাব-৮-কে, আর ভর্ৎসনা র‍্যাব-৬-কে - শেষ পর্যন্ত 'ত্যাঁড়া'ই ছিলো তারা।

বইটি যদিও মোহসীন-উল হাকিম-এর, কিন্তু এটা আসলে তাঁর মুখের কথার অনুলিখন: এই অসাধারণ কাজটি করেছেন সাংবাদিক প্রীতম সাহা সুদীপ। বইটার বাঁধাই ভালো, হার্ডকভার, হালকা সবুজাভ পাতা, পড়তে বিরক্তি লাগে না। গায়ে লেখা মূল্য ৳৪০০ - এরকম একটা বইয়ের জন্য চোখ বন্ধ করে পকেট হাতড়ে এই পরিমাণ টাকা বের করে দেয়া উচিত।

প্রথম প্রকাশ চতুর্থ মুদ্রণ হিসেবে মুদ্রণপ্রমাদ কিছু আছে, তবে ঘটনার সিরিয়াসনেসের কাছে ওগুলো হারিয়ে যাবে নিমিষেই। সামনের সংস্করণগুলোতে সেগুলো শুধরে বেরোবে - এটাই কামনা থাকবে। মুখের বর্ণনার অনুলিখন বলে কিছু কিছু অংশ একটু খাপছাড়া লেগেছে। শুরুর গল্পটা "প্রথম অধ্যায়"-এ থাকবে - এমনটা ধরে নিয়ে পড়তে শুরু করলেও বুঝতে পারা যায় শুরুর গল্পটা আসলে "তৃতীয় অধ্যায়"-এ আছে।

তবে সবকিছু ছাপিয়ে খসরু চৌধুরীর কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে আমিও: "মোহসীনের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার দাবি করতেই পারি..."

এখানেই শেষ নয়... ডাঙায় বসে যারা কলকাঠি নাড়েন, সেইসব ষণ্ডাদের ধরতে হবে, শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তারও আগে, আত্মসমর্পণকারী ডাকাতদের মামলাগুলো প্রত্যাহার করা হলে তাদের জীবনটা সত্যিকার অর্থেই বাঁচতো - করোনাকালীন সাধারণ মানুষের জীবনই দুর্বিষহ আছে, আর দুর্বিষহ মানুষের জীবন তো নস্যাৎ... ঈশ্বর তাদের সহায় হোন... Mohsin ul Hakim-এর মতো নিষ্ঠাবান আরো সাংবাদিকের জন্ম হোক... দেশের মানুষ বাঁচুক... বাঁচতে শিখুক...
Profile Image for Raiyad Raad.
39 reviews5 followers
May 22, 2021
২০১৮ সালে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করা হয়। এর আগে ৩০টির বেশি জলদস্যু বাহিনী এবং প্রায় ৫০০ জন জলদস্যু ছিলো। এরা সবাই আত্নসমর্পণ করে। এই আত্নসমর্পণের সমঝোতাকারী হিসেবে ছিলেন মোহসীন উল হাকিম। সেই রোমহর্ষক অভিজ্ঞতাগুলোই বইতে তুলে ধরেছেন। মোহসীন ভাইয়ের ইউটিউব চ্যানেল থেকেই প্রথমে সুন্দরবনের গহীনের জীবন সম্পর্কে জানি। এই বইমেলায় বইটি বের হওয়ার পর অপেক্ষায় ছিলাম। এক বসায় শেষ করে ফেললাম। তার অভিজ্ঞতাগুলো এত ছোট একটি বইয়ে সম্পূর্ন প্রকাশ করা সম্ভব বা৷ সুন্দরবনের মানুষের জীবন নিয়ে এরকম বই তিনি আরো প্রকাশ করবেন বলে আশা রাখি।
Profile Image for Saikat Sarkar.
28 reviews
March 1, 2025
এই গল্পে অনেক ঘরে ফেরার গল্প আছে,আছে অন্ধকার থেকে আলোতে ফেরার গল্প-সত্য জীবনের গল্প,ভয়ংকর জলদস্যু কিংবা ও পথে যাওয়ার কিছু কারণ উপলব্ধি করা যাবে।অবশ্য,সুন্দরবন এখনো জলদস্যু মুক্ত হয়নি।সুন্দরবনের জলদস্যুদের জীবনে ফেরার গল্প,মোহসীন-উল-হাকিম।
Displaying 1 - 9 of 9 reviews