Jump to ratings and reviews
Rate this book

ওয়েন লিওনার্দ যখন ঢাকায়

Rate this book

104 pages, Hardcover

Published February 1, 2018

11 people want to read

About the author

Muntassir Mamoon

272 books42 followers
Muntassir Mamoon (Bangla: মুনতাসীর মামুন) is a Bangladeshi author, historian, scholar, translator and professor of University of Dhaka. He earned his M.A. and PhD degree from University of Dhaka.
Literary works

Mamoon mainly worked on the historical city of Dhaka. He wrote several books about this city, took part in movements to protect Dhaka. Among his historical works on 1971 is his Sei Sob Pakistani, in which many interviews with leading Pakistanis was published. Most of them were the leading Pakistani characters during the liberation war of Bangladesh.

জন্ম এবং পরিবার
মুনতাসীর মামুনের জন্ম ১৯৫১ সালের ২৪ মে ঢাকার ইসলামপুরে নানার বাড়িতে। তাঁর গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার গুলবাহার গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মিসবাহউদ্দিন এবং মায়ের নাম জাহানারা খান। পিতামাতার তিন পুত্রের মধ্যে তিনি জ্যেষ্ঠ। তিনি ১৯৭৫ সালে বিয়ে করেন। তার স্ত্রী ফাতেমা মামুন একজন ব্যাংকার। মুনতাসির মামুনের দুই ছেলে মিসবাহউদ্দিন মুনতাসীর ও নাবীল মুনতাসীর এবং কন্যা রয়া মুনতাসীর।

কর্মজীবন
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই দৈনিক বাংলা/বিচিত্রায় সাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন মুনতাসীর মামুন। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে অধ্যাপক পদে কর্মরত আছেন। এর পাশাপাশি ঢাকা শহরের অতীত ইতিহাস নিয়ে তিনি গবেষণা করেছেন। এছাড়া তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের 'মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ গবেষণা ইন্সটিটিউটে' সন্মানিক প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে ১৯৯৯-২০০২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। কৈশর থেকে লেখালেখির সাথে জড়িত হয়ে ১৯৬৩ সালে পাকিস্তানে বাংলা ভাষায় সেরা শিশু লেখক হিসেবে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার লাভ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেয়ার পর অনুবাদ, চিত্র সমালোচনা ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রচনা করেন অনেক বই। তাঁর লেখালেখি ও গবেষনার বিষয় উনিশ, বিশ ও একুশ শতকের পূর্ববঙ্গ বা বাংলাদেশ ও ঢাকা শহর।

সাংগঠনিক কর্মকান্ড
স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ডাকসুর প্রথম নির্বাচনে মুনতাসীর মামুন ছিলেন সম্পাদক। একই সময়ে তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি। ডাকসুর মুখপত্র "ছাত্রবার্তা" প্রথম প্রকাশিত হয় তাঁর সম্পাদনায়। তিনি বাংলাদেশ লেখক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও যথাক্রমে প্রথম যুগ্ম আহ্ববায়ক ও যুগ্ম সম্পাদক। তিনি জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ড ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী এবং জাতীয় আর্কাইভসের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন। ঢাকা নগর জাদুঘরের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ঢাকার ইতিহাস চর্চার জ্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন সেন্টার ফর ঢাকা ষ্টাডিজ (ঢাকা চর্চা কেন্দ্র)। এ কেন্দ্র থেকে ঢাকা ওপর ধারাবাহিক ভাবে ১২টি গবেষণামূলক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি বাংলা একাডেমীর একজন ফেলো এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিনেটের নির্বাচিত সদস্য হয়েছেন কয়েকবার। '৭১-এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির তিনি একজন প্রতিষ্ঠাতা ও সক্রিয় সদস্য। তিনি এবং তাঁর স্ত্রী ফাতেমা মামুন প্রতিষ্ঠা করেছেন মুনতাসীর মামুন-ফাতেমা মামুন ট্রাস্ট। এ ট্রাস্ট গরিব শিক্ষার্থী ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের নিয়মিত সাহায্য করছে।

সাহিত্য কর্ম
মুনতাসীর মামুনের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ২২০+। গল্প, কিশোর সাহিত্য, প্রবন্ধ, গবেষনা, চিত্র সমালোচনা, অনুবাদ সাহিত্যের প্রায় সব ক্ষেত্রেই মুনতাসীর মামুনের বিচরণ থাকলেও ইতিহাসই তার প্রধান কর্মক্ষেত্র। ।


পুরস্কার
বাংলা একাডেমী পুরস্কার, লেখক শিবির পুরস্কার, সিটি আনন্দ আলো পুরস্কার, একুশে পদক, নূরুল কাদের ফাউন্ডেশন পুরস্কার, হাকিম হাবিবুর রহমান ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক পুরস্কার, ইতিহাস পরিষদ পুরস্কা, অগ্রণী ব্যাংক পুরস্কার, অলক্ত স্বর্ণপদক পুরস্কার, ডঃ হিলালী স্বর্ণপদক, প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৩), মার্কেন্টাইল ব্যাংক স্বর্ণপদক, এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অর্লিয়েন্স শহর তাঁকে 'অনারেবল ইন্টারন্যাশনাল অনারারী সিটিজেনশিপ' প্রদান করে।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
3 (50%)
3 stars
3 (50%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
Profile Image for Ayan Tarafder.
147 reviews16 followers
May 8, 2021
লন্ডনের ব্যাপ্টিস্ট মিশনারী আর্কাইভসে অনেকটা কাকতালীয় ভাবে পেয়ে যাওয়া বেশ কিছু চিঠিই এই বইয়ের সারবস্তু। চিঠিগুলো মূলত ব্যাপ্টিস্ট মিশনের যাজক ওয়েন লিওনার্দের পাঠানো মাসিক রিপোর্ট। উনি এদেশে এসেছিলেন ১৮১৫ তে, ছিলেন ৩০ বছরেও বেশী সময়! সে এক অস্পষ্ট, আবছা... খানিকটা অবিশ্বাস্য কাল আমাদের কাছে। উনার বর্ণনায় অধুনা তেজগাঁও তখনো দূর্গম গ্রাম। ঢাকা থেকে ( এখনকার পুরনো ঢাকা) যেতে সাবধান থাকতে হয় কারণ বাঘের আনাগোনা আছে।

নিতান্তই ধর্ম প্রকাশের নিমিত্তে এই অঞ্চলে এসে এই ভিনদেশী যাজকেরা শিক্ষা বিস্তারের জন্য যে শ্রম দিয়েছিলেন তা রীতিমতো অবিশ্বাস্য। এ ব্যাপারে উনাদের এমন একটা বিশ্বাস ছিল যে শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করবে এবং মন আলোকিত হলে সে মানুষ আলোর পথে অর্থাৎ যীশুর পথে এমনিতেই আসবে... সুন্দর না চিন্তাটা ( কারণ উনাদের বিচারে শিক্ষা মানে ভাষা নিয়ে,সাধারণ বিজ্ঞান নিয়ে শিক্ষা। অন্য ধর্মকে তুচ্ছ নিজ ধর্মে প্রলুব্ধ করবার শিক্ষা না) ! যদিও এই ধারনা খুব একটা ফলপ্রসু হয় নি (ধর্মান্তরিত হবার সংখ্যা ছিল নিতান্ত নগণ্য ৩০ বছরে ৩০ জনও নয়) অবশ্য তাতে উনারা স্কুলিং বন্ধ করে দেন নি। এবং নানান প্রতিকূলতার মাঝে চালানো স্কুলে মেয়ে ছাত্রীদের উপস্থিতি এবং সে সংখ্যা রীতিমতো বিস্ময়কর ! মনে রাখা দরকার সময়টা ২০০ বছরেরো বেশী আগের !

বই পড়া শেষ করতে করতে মনটা মোচড় দিয়ে উঠে এই ভেবে যে, এই প্রায় অচেনা, না জানা ওয়েন লিওনার্দই আমাদের দেশে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রচলন করেছিলেন, স্কুলে এনেছিলেন ছেলে মেয়ে সবাইকে... অথচ এই সময়ে এসে আমারা ভুলে গিয়েছি সব ( শ্রদ্ধা প্রকাশের কথা বাদই দিলাম)।

যাহোক, ১০২ পৃষ্ঠার এই ছোট বইটা, এক বয়োবৃদ্ধ, কর্মনিষ্ঠ যাজকের চোখে দেখা অন্যরকম এক ঢাকার অলংকারহীন পাঠ অভিজ্ঞতা ।
Profile Image for Tamanna Binte Rahman.
185 reviews143 followers
April 28, 2021
লন্ডনের ব্যাপ্টিস্ট মিশনারী আর্কাইভসে কাকতালীয়ভাবে পেয়ে যাওয়া ওয়েন লিওনার্দের কিছু চিঠিই হচ্ছে এই বইয়ের মূল বিষয়বস্তু। ওয়েন লিওনার্দ ছিলেন ব্যাপ্টিস্ট মিশনের একজন ধর্ম প্রচারক। তারা কীভাবে ধর্মপ্রচার ও শিক্ষা প্রচার করেছেন সেসব কর্মকান্ডের বয়ান। ১৮১৬ সালে ব্যাপ্টিস্টরা প্রথম ঢাকায় আসেন এবং তারপর ১৯০০ পর্যন্ত তারা ২ টি কাজ করেছেন-ধর্মান্তকরণ এবং শিক্ষার বিস্তার। তাদের শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেয়ার কারণ ছিল যে শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করবে। আলোকিত মানুষ আলোর পথে বা যিশুর পথে আসবে।তারা ২৬টি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বিস্ময়করভাবে সেসব স্কুলে ছেলেদের সাথে সাথে মেয়েদের সংখ্যাও ভাল ছিল। যদিও ব্যাপ্টিস্টদের শিক্ষা বিস্তার করে আলোকিত করার কার্যক্রমে মানুষ আলোকিত হলেও ধর্মান্তরিত হয়েছে সেই তুলনায় খুব কম।

ছোট্ট এই বইটাতে ইতিহাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে যেগুলো খুবি ইন্টারেস্টিং। যদিও খুব বিশদ নয় তবুও তৎকালীন ঢাকার ভৌগলিক আর সামাজিক কিছু চিত্র পাওয়া যায়। যেমন ১৮০৫ সালে ঢাকার জনসংখ্যা ছিল ২ লাখ যা পরের ২০ বছরে দেড়্গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৩ লাখ হয়েছিল। আবার কাজ করাতে কালেক্টরকে বেশি কমিশন দেয়া। আমাদের এত জনবহুল কাওরানবাজার ছিল কুমোরদের গ্রাম এবং সেটা নাকি মূল ঢাকা শহর যাকে আমরা 'পুরান ঢাকা' বলি তার থেকে ৫/৬ কিলোমিটার দূরের গ্রাম। সেখানে যেতে হয় সাবধানে কারণ 'বাঘের উৎপাত'। সময়টা ১৮৪১ সাল। আর তার দেড়শ বছর পরে এসে আমাদের এখন বাঘের সংখ্যা আশংকাজনক হারে কমে যাওয়ায় বাঘ বাঁচানো আন্দোলন করতে হচ্ছে।

লেখকের 'ঢাকাঃ স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী'র খোঁজ করতে গিয়ে এই বইয়ের দেখা পেলাম। সাইজে ছোট তাই পড়তেও খুব একটা সময় লাগেনা। সংগ্রহে রাখার জন্য ভাল।
Profile Image for Humaira Tihi.
81 reviews28 followers
February 25, 2024
ওয়েন লিওনার্দ মূলত একজন পাদ্রী। বাংলাদেশে তার আগমন মূলত ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে এবং সেইসাথে শিক্ষাপ্রচার। বইটি মূলত তথ্যভিত্তিক, আরো স্পষ্ট করে বললে, সংখ্যাভিত্তিক। গবেষণার জন্য ভালো সহায়ক হতে পারে অবশ্যই। লিওনার্দের লেখা কিছু চিঠি, সেখান থেকে পাওয়া ছোটখাট তথ্য আর সাথে লেখকের আগেপরে লেখা বা পড়া বই থেকে উদ্ধৃতি।

তবে বইটির মূল আকর্ষণ সম্ভবত একেবারে শেষে সংযুক্ত সেই আঠারো শতকের প্রথম বাংলা (আধা বাংলা আরকি) বই থেকে উদ্ধৃত ধাঁধাঁগুলো। যে বইটাও মূলত ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যেই তৈরী করা।
Profile Image for Farzana .
11 reviews
June 20, 2018
তখন আর কতই বা হবে বয়স! ২১ হয়তো! ৯১/৯২ এ পাশ করে আমরা ক্লাস শুরু করি ৯৪ সালে। তখন লেভেল ২ টার্ম ১ অথবা ২। মাহবুবুর রহমান স্যার হাতে একখানা বই আর কিছু নাম বলে ছেড়ে দিয়েছিলেন ঢাকার রাস্তায়। খোঁজ তোমার শিকড়। সেই যে ঢাকার প্রেমে পড়েছি; আজ ও পড়ে আছি। বই খানা ও আছে ধর্মগ্রন্থের মত। "ঢাকা স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী" মুনতাসির মামুন। আজ তাই ১০০ পাতার এই বই পড়তে ক্লান্ত হল না চোখ। আমার ধর্মগ্রন্থের ১৮৩ পাতা থেকে ১৮৫ পাতা বিস্তৃত ব্যাপ্টিস্ট মিশনের কথাই এখানে পুনরায় বলা হয়েছে। ধর্ম প্রচারে এসেছিলেন অনেকেই। কিন্তু ব্যাপ্টিস্ট মিশন শুধু ধর্ম প্রচার করেননি। তারা শুরু করেছিলেন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা । ছোট কাটরায় তাদের অফিসে ছিল মুদ্রণ যন্ত্র । এখান থেকেই বের হয়েছিল ঢাকার প্রথম বাংলা বই "প্রহেলিকা"। ওয়েন লিওনার্দ ছিলেন ব্যাপ্টিস্ট মিশনের একজন ধর্ম প্রচারক। ওয়েন ঢাকায় এসেছিলেন ১৮১৬ সালে। তারি লেখা কিছু চিঠি থেকে পাওয়া যায় সে সময়ের ঢাকাকে। "ঢাকা থেকে তেজগাও যেতে হলে বন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়- যেগুলো এক সময় ছিল বাগান। এবং সেই জঙ্গলে সতর্ক থাকা বাঞ্ছনীয়, কারণ বাঘের উতপাত আছে।"
ব্যস্ত শহরের ব্যস্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে এই কথা গুলো কেমন ফের নাড়া দেয় চেতনে।
Displaying 1 - 4 of 4 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.