Jump to ratings and reviews
Rate this book

চার অক্ষর

Rate this book
মিস ইয়েলাে। ষাট ও সত্তর দশকের কুখ্যাত ক্যাবারে নর্তকী। পার্ক স্ট্রিটে যাঁর একটি রেস্তোরাঁ আছে।
লীলা। বাডিং ফিল্মমেকার। গায়ের রং কালাে বলে বিয়ে হচ্ছে না।
লালন। রক ব্যান্ডের বেস গিটারিস্ট। বাবা-মায়ের চাপে গানবাজনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে।
অর্চিষ্মান। রক ব্যান্ডের লিরিসিস্ট এবং লিড সিঙ্গার। বাড়ি মফস্‌সলে‌‌। প্রেম করে বর্ণিকার সঙ্গে।
বর্ণিকা। উত্তর কলকাতার বনেদি বাড়ির একমাত্র কন্যা। ও জানে যে অর্চিষ্মানের সঙ্গে ওর বিয়ে হবে। হবেই। দু তরফের বাবা-মা ঠিক করে রেখেছে যে!
ভিকি। কলকাতার নামকরা জমি হাঙড় আর এস রিয়ালটরের মালিকের ছেলে। প্রাক্তন কবি, প্রাক্তন আঁতেল। বর্তমানে অ্যালকোহলিক, ড্রাগ-অ্যাডিক্ট, উয়ােম্যানাইজার। বিয়ের রাতে নেশার ঘােরে নতুন বউকে খুন করেছিল। বাবার কানেকশানের জোরে জেল হয়নি।

এই আপাত সম্পর্কহীন চরিত্রগুলির মধ্যে যােগসূত্র কী? একটি যদি হয় বাংলা রক ব্যান্ড 'চার অক্ষর', অন্যটি তাহলে পার্ক স্ট্রিট নামের জাদুবাস্তব মাখা এক সরণি। পাপ আর পুণ্য, ইতিহাস আর বর্তমান, সুরা আর নারী, নাচ আর গান, আহার আর মৈথুনে মাখামাখি সেই রাস্তায়, চলুন, আর একবার ঘুরে আসি।

119 pages, Hardcover

Published January 1, 2020

19 people want to read

About the author

Indranil Sanyal

35 books56 followers
ইন্দ্রনীল সান্যালের জন্ম হাওড়ার বালিতে, ১৯৬৬ সালে। নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ থেকে এম বি বি এস। প্যাথলজিতে এম ডি, পিজি হাসপাতাল থেকে।সরকারি চাকরির সূত্রে কাজ করেছেন সুন্দরবনের প্রত্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মহাকরণের ডিসপেনসারিতে, লালবাজার সেন্ট্রাল লকআপ থেকে গঙ্গাসাগর মেলার হেল্‌থ ক্যাম্পে।বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।প্রথম প্রকাশিত গল্প ২০০৪ সালে ‘উনিশকুড়ি’ পত্রিকায়।শখ: বই পড়া, ফেসবুকে ফার্মভিল এবং হ্যাপি অ্যাকোয়ারিয়াম খেলা, সুদোকু সমাধান।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
3 (37%)
4 stars
4 (50%)
3 stars
1 (12%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 5 of 5 reviews
Profile Image for Tiyas.
473 reviews135 followers
January 14, 2024
বড়দিনের রাত্তিরে পার্ক স্ট্রিটে আর গোত্তা খাওয়া হলো না। তাই পার্ক স্ট্রিট নিয়ে বই পড়ছি। লেপ তোষক ফেলে দিয়ে, ফ্যান চালিয়ে নিলাম। এবারে ঠান্ডাও লাগছে। সাথে বারান্দায় কালীপুজোর বেচে যাওয়া টুনি বাল্ব। বাহারি ভাষায় ফেয়ারি লাইটস! এই তো, হয়ে গেলো অ্যারেঞ্জমেন্ট।

বড্ড ভালো লেখেন ইন্দ্রনীল সান্যাল। গান, ককটেল, প্রেম ও স্বপ্ন দেখার বাজে গপ্পো ফেঁদেছেন তাই। বাংরেজি ভাষার অ্যাংলো দাপটে বলেছেন সেই স্বপ্ন সরণির গল্প। সেই দু-কিলোমিটার ব্যাপী সুন্দর রাস্তাখানি। যেথায় ইতিহাসের সাথে চেলো কাবাব নেত্য করে প্রতিনিয়ত। মাতলামির সাথে আতলামির সংযোগে বিকিয়ে যায় পুরনো গিটার। হায় পার্ক স্ট্রিট! হায় কল্লোলিনী! পঙ্কিল পাশে বেধে ফেলে জিজ্ঞেস করো, একটা বন্ধু হতে পারো কী তুমি আমার?

"যে নামেই ডাকো না কেন, পার্ক স্ট্রিট যার যৌবনের উপবন, অসহায় ভাবে তার বার্ধ্যকের বারাণসী।"

রাস্তার সাজেই সজ্জিত পুঁচকে বইটিতে পাল্পি উপাদান মজুদ। ইনি সেই চিরচেনা ইন্দ্রনীল সান্যাল নন যেন। নেই মেডিসিন, নেই ডাক্তারি, নেই থ্রিলারের ঘেরাটোপ। আছে খেলনাওয়ালার রঙিন সেলস্ পিচ, বিস্মৃত ক্যাবারের 'নিয়ন'-মাফিক হাতছানি, ফ্লুরিজের লেমন টার্টের সুগন্ধি শাসন ও এক বান্ডিল তরুণ-বৃদ্ধ ফাজলামির একশেষ। ফাজলামির নাম প্রেম। বা স্বপ্ন। বা উন্মাদনা। কখনো মজাদার, কখনো হৃদয়বিদারক, কখনো বা আউটরাইট ডিস্টার্বিং (ট্রিগার ওয়ার্নিং প্রযোজ্য)

পাঁচে পাঁচ-ফাচ দেওয়া যায় না এসবে। সাড়ে তিন দেবো। মন বলে, রবীন্দ্রনাথ মাফ করবেন আমায়। মাফ করবেন অঞ্জন দত্ত ও স্যার উইলিয়াম জোনসের বদরাগী প্রেতমানুষ। কোন এক ঘিঞ্জি কামরায় বা অলিপাবের অন্তরালে, ক্ষমা-ঘেন্না করবেন, স্মিত প্রশান্ত যীশু খ্রীষ্টও। তাই সেমেটারির মনে-প্রাণে, পাইরেসির বইয়ের পাতায় বা ফোন কভারের সস্তা ছাপে, কফির মগে চুমুক দেব'খন। আজীবন 'সোবার্' সাগরে সাঁতরে, রাতের পরি খুঁজতে বেরোলে যা হয়। সব্বার তো আর হাইট ভিক্টোরিয়া সমান হয় না। সব্বার তো আর...

ধুর **লা! হেঁটে মরি শুধু।

"দু’কিলোমিটার। স্রেফ দু'কিলোমিটার একটা রাস্তা। কিন্তু আমার কাছে শি ইজ্ আ মিস্টিসা। সন্ধ্যে হলেই যে নিজের পশরা মেলে ধরে। সবাইকে হাতছানি দিয়ে ডাকে। তার রূপ রস স্বাদ স্পর্শ বর্ণ গন্ধ, তার সলিলকি ডায়লগ কোরাস, তার সোলো সিম্ফনি অকেস্ট্রা, তার সর্বস্ব দিয়ে ডাকে। যারা জানে, তারা জানে। যারা জানে না, মে গড ব্লেস দেম।"

(৩.৫/৫ || ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩)
19 reviews1 follower
January 31, 2021
মফস্বলের স্কুলজীবন পেরিয়ে হুট করেই পা রেখেছিলাম পার্কস্ট্রিটে - সেন্ট জেভিয়ার্স-এ অ্যাডমিশন নেওয়ার সুবাদে, সপ্তাহ-দেড়েকের মধ্যে ছেড়েও আসি সেখান থেকে। এই দু' কিলোমিটার ব্যাপী রাস্তার যে মোহময়ী আলোকোজ্জ্বল রূপ উপন্যাসটির অন্যতম বুনট - তাকে আমি উপলব্ধি করিনি, হয়ত করবোও না, কিংবা করলেও উপভোগ করব না। কিন্তু সেই পার্কস্ট্রিটের আঁচে উত্তপ্ত উপন্যাস উপভোগে কোনো বিরাগ নেই।

পার্কস্ট্রিট শুধু দুই কিলোমিটার নয়, প্রায় আড়াইশো বছর দীর্ঘ। এলাইজা ইম্পের বাগানবাড়ি থেকে শুরু হয়ে পার্কস্ট্রিট, কারনানি ম্যানসনের মিস্টিসাদের পেরিয়ে, ব্লু ফক্সের কুইন অফ ক্রুনার্স, স্ক্যান্ডালের ইভ-জেমি-ডেভিড-ইয়েলো হয়ে এসে পড়েছে এযুগের পিঙ্ক প্যান্থারে। ওয়াটার হোল, ডিস্কোথেক, স্ট্রোব লাইট, নাচ - গান - লাস্য ও যৌবন উদযাপনের তীর্থ এই চার অক্ষরের পার্কস্ট্রিট-কে কেন্দ্র করে আবর্তিত এই উপন্যাসের চরিত্ররা। আর্থসামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে চরিত্রগুলি হয়তো একে অপরের থেকে খুব দূরে দাঁড়িয়ে নয় ঠিকই, কিন্তু তারই মধ্যে যে বৈচিত্র্য লুকিয়ে আছে তা লেখক সঠিক সময়ে এবং সুনিপুণভাবে তুলে এনেছেন লেখার মধ্যে।

শুরুতেই লেখক এমন দুই চরিত্রকে মুখোমুখি এনে ফেলেছেন যাদের মধ্যে একজন ষাটোৰ্দ্ধ, বাতের ব্যথায় আক্রান্ত প্রৌঢ়া হলেও যৌবনে যিনি ছিলেন ক্যাবারে ড্যান্সার, যৌন আবেদনে এবং লাস্যে পুরুষদের পাগল করে দেওয়া এক 'ড্যান্সিং মিথ' মিস ইয়েলো। আর অন্যজন, লীলা, কুরূপা না হয়েও 'কালো' হওয়ার কারণে স্টিরিওটাইপ সমাজের মাপকাঠিতে জাজ্ড্ হতে হতে ব্যাগের ভিতর একমুঠো হীনমন্যতাকে আঁকড়ে ধরতে চায় সর্বক্ষণ। এ কাহিনী যেমন পার্কস্ট্রিটের, তেমনি বাডিং ফিল্মমেকার লীলার মনে চারাগাছ হয়ে গজিয়ে ওঠা ভালোবাসার চার অক্ষরের মাত্রা পাওয়ারও বটে, যে চার অক্ষর শুধু কালো না, ফুলের রং দিয়েও আঁকা যায়।

উপন্যাসের নিউক্লিয়াস রচনা করেছে 'চার অক্ষর' নামের একটি রক ব্যান্ডের ওঠা-নামা, ভাঙা-গড়ার কাহিনী। কলেজে গান বাজনা করেছে, অথচ, নিজেদের ব্যান্ড তৈরির কথা একবারও ভাবেনি - এরকম সংগীতগ্রূপ বোধ হয় এক্সিস্ট করে না। ফাইনাল ইয়ারের কেরিয়ার গোছানোর তাগিদে সেসব ফেসবুক প্রোফাইলের 'about' এ গিয়েই জড়ো হয়। লিড সিঙ্গার-গিটারিস্ট আর্চি, বেস গিটারিস্ট লালা, ড্রামার মামু-র 'চার অক্ষর' অবশ্য ইতিমধ্যে একটি পুজো-এলবাম রিলিজের প্রাথমিক সাফল্যের মুখ দেখেছে, এবার অপেক্ষা একটা বড়সড় 'ব্রেক'-এর; গল্প এগোয় সেই ডি-ডের অভিমুখে। আর্চির এই জার্নির সঙ্গী তার ছোটবেলার বান্ধবী আর ভবিষ্যতের স্ত্রী বর্নিকা। তাদের ভালোবাসার চারটি অক্ষর ছড়িয়ে রয়েছে তাদের হৃদয়পুর থেকে উপন্যাসের আনাচে কানাচে।
আবার এ কাহিনী রামধনুর চার অক্ষরের মতোও। এর বিস্তৃত স্পেকট্রামে পেয়েছি সেই টিনেজারকে যে নিজের দেখা স্বপ্নের টানে অভিভাবকের চোখরাঙানিকে জয় করার ক্ষমতা দেখিয়েছে, পেয়েছি সেই মিডল-এজেড স্কুলটিচারকে যার আবার স্বপ্নটুকুই শেষ হয়ে গেছে, আবার সেই যুবককেও যে স্বপ্নপূরণের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে স্তব্ধ হয়ে গেছে।
কাহিনীর পরিণতিতে অন্যতম মুখ্য ভূমিকা যার, যার ইনোসেন্স, যার কৈশোর থেকে শুরু করে সত্ত্বার একটু একটু করে অংশ 'চুপ' করিয়ে দিয়েছিল শৈশবের যৌন অত্যাচারের স্মৃতি, সেই মাদকাসক্ত নেশাখোর ভিকিকে বোধ করি, রামধনুতে না, গ্রেস্কেলে আঁকতে হয়।

আদ্যোপান্ত শহুরে পটভূমিতে লেখা এ উপন্যাস শহুরে মেজাজেই লেখক সাবলীল কলমে ফুটিয়ে তুলেছেন। বেশ কিছু অংশ অবশ্য তথ্য এবং ইংরেজি শব্দের আধিক্যে (গল্পের প্রয়োজনবশত হওয়া সত্ত্বেও) ভারাক্রান্ত হয়েছে। তবু, যাঁরা 'জাদুবাস্তব' মাখা এই সরণির সাথে পরিচিতও নন, তাঁরাও শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লেখার মধ্যে হুক্ড্ থাকতে পারবেন বলে আশা করি। লেখকের অন্যান্য উপন্যাসগুলিও পড়ে দেখার ইচ্ছে রইলো।
Profile Image for Preetam Chatterjee.
7,413 reviews419 followers
July 12, 2025
আজ খুব ভোরে, শহরের ঘুম ভাঙার অনেক আগেই, আমি শেষ করলাম ইন্দ্রনীল সান্যালের ‘চার অক্ষর’। Kindle-এ পড়ছিলাম, ঘরের আলো নিভিয়ে, পর্দা টেনে রাখা জানালার ফাঁক দিয়ে আসা হালকা শহুরে বৃষ্টিভেজা কুয়াশা আর একটা বিস্মৃত দিনের ক্লান্তি গায়ে মেখে।

এই উপন্যাসটা একটা বাংলা রক ব্যান্ডের গল্প, কিন্তু আসলে আরও অনেক কিছু — একটা শহরের চাঁদ-ধোয়া রাস্তা, একটা যৌবন যার কিছুটা টিকে আছে ক্যাবারে আলোয়, কিছুটা ঝরে গেছে ড্রাগসের ঘ্রাণে, আর বাকিটা বেঁচে আছে ভালোবাসার স্মৃতি হয়ে।

‘চার অক্ষর’ নামটা যতটা ব্যান্ডকে বোঝায়, তার চেয়েও বেশি বোঝায় সেই সম্পর্কগুলোকে, যেগুলো অসম্পূর্ণ হলেও গভীর, অসম হলেও টানাপোড়েনভরা সত্যি। মেলভিন চরিত্রটা আমার মাথার গভীরে গেঁথে গেছে — এক ভাঙা, জেদি, অথচ অসম্ভব মোহময় এক ছেলে — যার ভিতর আগুনও আছে আবার ছাইও। আর লীলা? তাকে ভালো না বেসে উপায় নেই। তার ‘কালো’ গায়ের রঙ, তার ফিল্মমেকার হবার লড়াই, আর মেলভিনের প্রতি ক্রমশ গড়ে ওঠা টান — সবটাই এমনভাবে লেখা যে চরিত্রগুলো অচিরেই রক্তমাংসের হয়ে ওঠে। অর্চি আর বর্ণিকার প্রেম একরকম নস্টালজিয়ার মতো—যা শুরু থেকেই নির্ধারিত, অথচ শেষটা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে না। মিস ইয়েলো যেন পার্ক স্ট্রিটের অন্তরাত্মা —জন্মসূত্রে চাঁপা দাস, রূপান্তরে ক্যাবারে রানী।

আমি পড়তে পড়তে একাধিকবার থেমেছি, একেকটা বাক্যের নিচে আঙুল চালিয়ে ভেবেছি—ইন্দ্রনীলবাবু ঠিক কোথা থেকে এইসব অনুভব invent করেন? লেখকের পার্ক স্ট্রিট যেন পাপ-পুণ্যের এক যুগান্তকারী ফিউশন — যেখানে স্যাক্সোফোনের সুর আর ভিকির বিষণ্ণ বিকৃতি পাশাপাশি বিচরণ করে।

উপন্যাসের শেষে এসে যে লাইনটা রয়ে গেল মাথায়—“হৃদয়পুর। হৃদয়পুর... আর কতদূর?”—সেটা যেন ঠিক প্রেমের গন্তব্য নয়, বরং নিজেকে খোঁজার এক আধা অন্ধকার রেলস্টেশন, যেখানে আলো জ্বলে আর নিভেও যায়।

এই উপন্যাসটা থ্রিলার নয়, তবু শেষ পৃষ্ঠায় এসে একটা হিমশীতল থ্রিল বুকের মধ্যে জমে উঠেছিল। খুব কম বই-ই আজকাল এমনভাবে ছুঁয়ে যায়। একদম শেষের দিকে মনে হয় চরিত্রগুলো আপনজন, যেন আমিই লীলা, আমিই মেলভিন, আমিই সেই লাজুক বর্ণিকা যার গলায় বেজে উঠছে রবীন্দ্রসঙ্গীত।

আজ সকালটা তাই আর পাঁচটা দিনের মতো শুরু হলোনা — শুরু হলো এক চার অক্ষরের উপন্যাস পড়ে, যার শেষ শব্দটা এখনও বুকের ভেতর বাজছে।

অলমতি বিস্তরেণ।
Profile Image for   Shrabani Paul.
397 reviews26 followers
February 9, 2022
✨📖উপন্যাসের নাম - চার অক্ষর📖✨
✍️#লেখক - ইন্দ্রনীল সান্যাল
🖨#প্রকাশক - দে'জ পাবলিশিং
📚পৃষ্ঠা সংখ্যা - 119

💫📚একটি যদি হয় বাংলা রক ব্যান্ড ‘ চার অক্ষর ’ , অন্যটি পার্ক স্ট্রিট নামের জাদুবাস্তব মাখা এক সরণি । পাপ আর পুণ্য ইতিহাস আর বর্তমান , সুরা আর নারী , নাচ আর গান , আহার আর মৈথুনে মাখামাখি সেই রাস্তায় , চলুন , আর একবার ঘুরে আসি ।📚💫

📚মিস ইয়েলো । যাট ও সত্তর দশকের কুখ্যাত ক্যাবারে নতকী । পার্ক স্ট্রিটে যাঁর একটি রেস্তোরাঁ আছে । লীলা । বাড়িং ফিল্মমেকার । গায়ের রং কালো বলে বিয়ে হচ্ছে না । লালন । রক ব্যান্ডের বেস গিটারিস্ট বাবা - মায়ের চাপে গানবাজনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে । অর্ডিম্মান । রক ব্যান্ডের লিরিসিস্ট এবং লিড সিঙ্গার । বাড়ি মফসলে । প্রেম করে বর্ণিকার সঙ্গে । বর্ণিকা । উত্তর কলকাতার বনেদি বাড়ির একমাত্র কন্যা । ও জানে যে অর্চিষ্মানের সঙ্গে ওর বিয়ে হবে । হবেই । তরফের বাবা - মা ঠিক ভিকি । কলকাতার নামকরা জমি হাঙড় আর করে রেখেছে যে । এস রিয়ালটরের মালিকের ছেলে । প্রাক্তন কবি , প্রাক্তন আঁতেল । বর্তমানে অ্যালকোহলিক , ড্রাগ অ্যাডিক্ট , উয়োম্যানাইজার । বিয়ের রাতে নেশার ঘোরে নতুন বউকে খুন করেছিল । বাবার কানেকশানের জোরে জেল হয়নি । ভাই আপাত সম্পদহীন চরিত্রগুলির মধ্যে যোগসূত্র কী ? একটি যদি হয় বাংলা রক ব্যান্ড ' চার অক্ষর ' , অন্যটি তাহলে পার্ক স্ট্রিট নামের জাদুবাস্তব মাখা এক সরণি । পাপ আর পুণ্য , ইতিহাস আর বর্তমান , সুরা আর নারী , নাচ আর গান , আতার আর মৈথুনে মাখামাখি সেই রাস্তায় , চলুন , আর একবার পুরে আসি ।📚

#bengalinovel #bengalibook #reading #readingchallenge #books #readingbooks #reading #bookrecommendations #booklover #boipoka #goodread
Profile Image for Mousumi Das.
3 reviews
May 26, 2022
'কর্কটক্রান্তি' দিয়ে লেখক ইন্দ্রনীল সান্যালের লেখার সাথে পরিচয় আমার। এটি ছিল একটি মেডিকেল থ্রিলার। পেশায় তিনি ডাক্তার হলেও লেখক হিসেবে তিনি কিছু কম না। তার লেখার সাথে আরোও একটু পরিচিতি বাড়াতে পড়ে ফেললাম 'চার অক্ষর' ।

এই উপন্যাসের চরিত্রগুলোর দিকে যদি একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যায়, দেখা যাবে প্রত্যেকটি চরিত্র একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কিন্তু লেখক বেশ নিপুণভাবে এই সম্পর্কহীন চরিত্রগুলির মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করেছেন।

এই উপন্যাসের মধ্যে থেকে উঠে এসেছে ষাট ও সত্তরের দশকের পার্ক স্ট্রিটের সব অজানা ইতিহাস।
Displaying 1 - 5 of 5 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.