What do you think?


মৃত্যুকুসুম
MRITYUKUSUM
432 pages, Hardcover
First published December 1, 2011
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 1 of 1 review
December 18, 2020
বহু দিনের ইচ্ছা ছিল , এক নকশাল সংগ্রামীর গল্প তার মুখ থেকে শোনার। সরকার তো তাদের দাগিয়েছে খুনি আসামির সমানে - কিন্তু সত্যিই কি তাই। হাজার হাজার স্কুল-কলেজ পড়ুয়া, কিশোর- যুবক রাতারাতি খুনি হয়ে গেল, কোনো আদর্শের তাড়না ছাড়া,? নাকি 'বিগ ব্রাদার' রাশিয়া আর চীনের উস্কানি সব কিছু? .
🥃
.
বিপুল দারিদ্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে করতে স্কুলে পড়ার সময়েই সত্তরের উত্তাল আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন লেখক। বালকবেলা থেকেই তাকে তাড়া করে ফেরা মৃত্যুবোধ আর অনন্ত বিষাদ তাকে ঠেলে নিয়ে গেছে মাক্সবাদের দিকে। তার ছায়াপাত ঘটেছে এই উপন্যাসে সর্বত্র। .
🥃
.
১৯৭৭ -এ জরুরি অবস্থা উঠে যাওয়ার পর পরই জেল থেকে বেরিয়ে জীবিকার সন্ধানে অনেক রকম কাজ করেছেন তিনি। কলেজ স্ট্রিটে উদ্দেশ্যহীন , অক্লান্ত ঘুরে বেড়ানোর সময় তিনি বসতেন দে'জ পাবলিশিং আর শৈব্যা প্রকাশনী বিভাগে। তার প্রথম বই প্রকাশও সেই দে'জ পাবলিশিং থেকে। .
.
🥃
.এক অসাধারণ প্রেক্ষাপটে তার উপন্যাসের সূচনা। যেখানে সুতানু বটব্যাল, আফজল আলী লস্কর আর মেঘু সাঁওতাল বসেছিল সরস্বতী মিদদের বাংলা মদের ঠেকে। তারা তো মরে গেল সেদিন - তা হবে পঁয়ত্রিশ- ছত্রিশ বছর আগে সি আর পি-র মুখোমুখি ' এনকাউন্টার' -এ। তারা আবার আজ সাড়ে তিন দশক পর বেঁচে উঠে, রেডিওতে বিবিধ ভারতী থেকে বাজতে থাকে স্মৃতি- জাগানিয়া গান। মদের ঠেকের ঠিক পিছনের বুজে যাওয়া জলাভূমির বুক ফুঁড়ে মাথা তোলে এক মায়াগাছ। তার গায়ে কালো রঙের বিষাক্ত সাপ। বৃক্ষের মাথায় বসে থাকে সুক ও শারি । তারা কথা বলে নিজেদের মধ্যে। .
🥃
.
প্রায় চার দশক পর এনকোন্টারের জায়গা, সরস্বতী মিদদের ঠেক - সব মিলিয়ে প্রাইজ কুড়োনো আর্ট ফিল্ম বানাতে চায় পার্থ বেদজ্ঞ। তার ঘাড়ের উপর এমন পনিটেলের দোলন, গালে ট্রিম করা কাঁচা পাকা দাড়ি। তারই মাঝে ঘেন্না আর ঝামেলি - সরস্বতী মিদদের দুই নাতনি , ববিতা আর যোগীতা নামে কয়েক হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে যায় মার্তন্ড সিংয়ের কাছে। তারা নাঙ্গা নাচের আসরে জামা কাপড় খুলতে থাকে একে একে। উত্তেজিত দর্শকরা তাদের কাঁধ থেকে রাইফেল নামিয়ে তখনই ফায়ার করতে থাকে শুন্যে।
🥃
.
বিপুল দারিদ্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে করতে স্কুলে পড়ার সময়েই সত্তরের উত্তাল আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন লেখক। বালকবেলা থেকেই তাকে তাড়া করে ফেরা মৃত্যুবোধ আর অনন্ত বিষাদ তাকে ঠেলে নিয়ে গেছে মাক্সবাদের দিকে। তার ছায়াপাত ঘটেছে এই উপন্যাসে সর্বত্র। .
🥃
.
১৯৭৭ -এ জরুরি অবস্থা উঠে যাওয়ার পর পরই জেল থেকে বেরিয়ে জীবিকার সন্ধানে অনেক রকম কাজ করেছেন তিনি। কলেজ স্ট্রিটে উদ্দেশ্যহীন , অক্লান্ত ঘুরে বেড়ানোর সময় তিনি বসতেন দে'জ পাবলিশিং আর শৈব্যা প্রকাশনী বিভাগে। তার প্রথম বই প্রকাশও সেই দে'জ পাবলিশিং থেকে। .
.
🥃
.এক অসাধারণ প্রেক্ষাপটে তার উপন্যাসের সূচনা। যেখানে সুতানু বটব্যাল, আফজল আলী লস্কর আর মেঘু সাঁওতাল বসেছিল সরস্বতী মিদদের বাংলা মদের ঠেকে। তারা তো মরে গেল সেদিন - তা হবে পঁয়ত্রিশ- ছত্রিশ বছর আগে সি আর পি-র মুখোমুখি ' এনকাউন্টার' -এ। তারা আবার আজ সাড়ে তিন দশক পর বেঁচে উঠে, রেডিওতে বিবিধ ভারতী থেকে বাজতে থাকে স্মৃতি- জাগানিয়া গান। মদের ঠেকের ঠিক পিছনের বুজে যাওয়া জলাভূমির বুক ফুঁড়ে মাথা তোলে এক মায়াগাছ। তার গায়ে কালো রঙের বিষাক্ত সাপ। বৃক্ষের মাথায় বসে থাকে সুক ও শারি । তারা কথা বলে নিজেদের মধ্যে। .
🥃
.
প্রায় চার দশক পর এনকোন্টারের জায়গা, সরস্বতী মিদদের ঠেক - সব মিলিয়ে প্রাইজ কুড়োনো আর্ট ফিল্ম বানাতে চায় পার্থ বেদজ্ঞ। তার ঘাড়ের উপর এমন পনিটেলের দোলন, গালে ট্রিম করা কাঁচা পাকা দাড়ি। তারই মাঝে ঘেন্না আর ঝামেলি - সরস্বতী মিদদের দুই নাতনি , ববিতা আর যোগীতা নামে কয়েক হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে যায় মার্তন্ড সিংয়ের কাছে। তারা নাঙ্গা নাচের আসরে জামা কাপড় খুলতে থাকে একে একে। উত্তেজিত দর্শকরা তাদের কাঁধ থেকে রাইফেল নামিয়ে তখনই ফায়ার করতে থাকে শুন্যে।
Displaying 1 - 1 of 1 review


