অটিজম একটি কিশোরীকে দিয়ে কি-কি করিয়ে নিতে পারে?মানসিক অসুস্থতার কারণে করে ফেলা ভুলের কারণে,কিভাবে শেষ হয়ে যায় একটি সুখী পরিবার?!দুই বোনের সম্পর্কের কি সমীকরণ ছিলো?পরবর্তীতে ওই বাড়িতে কি নিশ্চিন্তে থাকতে পারবে অভিন্ন হৃদয় দুই বোন টিয়া ও পিয়া!নাকি তাদের জন্য অপেক্ষা করছে মর্মান্তিক কোনো দুর্ঘটনা?ওই বাড়ির অতীন্দ্রিয় প্রহরায় রয়েছে একটি অভিশপ্ত বালিঘড়ি....যার সময়সীমা তিন ঘন্টা।এছাড়াও,এই সংকলনে রয়েছে আরও দুটি গল্প, "অশরীরীর খোঁজে" ও "অমানব" । অশরীরীর খোঁজে যাওয়া বন্ধুরা কি সশরীরে ফিরবে?কে এই অমানব?সেকি আদৌ মুক্তি পাবে,তার অভিশাপ থেকে?কিভাবে?
এই সময়ে সামাজিক আখ্যান রচনায় যে ক'জন জনপ্রিয় ও মান্য, তাঁদের অন্যতম হলেন সাথী দাস। তাঁর তিনটি লেখা স্থান পেয়েছে এই শীর্ণকায় সংকলনে। লেখা তিনটি হল~ ১. সেই তিন ঘণ্টা ২. অমানব ৩. অশরীরির খোঁজে প্রথম লেখাটি বৃহত্তম— যার বিরাশি পাতার মধ্যে ষাট পাতা ব্যয় হয়েছে সম্পর্কের নানা রঙের প্রতিষ্ঠা ও ব্যাখ্যায়। অন্য দুটি লেখা নিতান্তই হ্রস্ব। কিন্তু সেখানেও অলৌকিক বা আতঙ্কের উপস্থিতি নিতান্তই গৌণ। সব মিলিয়ে এদের সুলিখিত সামাজিক আখ্যান হিসেবে পড়াই শ্রেয়। বইটির ছাপা ও লে-আউট চমৎকার। মাত্র কয়েকটি বানান ভুল ছাড়া কোনো ত্রুটি পাইনি। তবে মলাটের মতো কাহিনির সঙ্গেও ক'টি অলংকরণ থাকলে ভালো হত। আবারও বলি, এই সময়ের নানা ভয়াল-ভয়ংকর লেখার সঙ্গে এরা তুলনীয় নয়। কিন্তু খোলা মনে, সামাজিক কাহিনিতে কিছু মোচড়— এভাবে পড়লে লেখাগুলো সত্যিই উপভোগ্য বলে মনে হবে। অলমিতি।