কমলেশবাবুর সঙ্গে তাঁর ভাড়াটের সম্পর্ক ছিলো বেশ ভালোই। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ সেই ভাড়াটে পরিবারের কর্তা একসময় শয্যাশায়ী হয়। মাসের পর মাস ভাড়া দিতে পারে না ঐ পরিবার। কমলেশ বাবুও সৌজন্যতার খাতিরে কিছু বলেন না। বেশ কিছুদিন পর এক খদ্দের বেশ ভালো দাম দিয়ে তার বাড়ির নীচের তলাটা কিনে নিতে চান। কমলেশ বাবুও রাজি হয়ে যান। কিন্তু বাড়ি ছাড়তে রাজি হন না ঐ ভাড়াটে পরিবার। শয্যাশায়ী কর্তার বড়ো কন্যা পারমিতা দীর্ঘ বাগবিতণ্ডার পর কমলেশবাবুকে জানায়, সেই নীচ তলাটা কিনে নেবে। কমলেশ বাবুও রাজি হন। তিনি জানতেন, পারমিতার চাকরির সামান্য টাকায় আগের বাড়িভাড়া শোধ করে নীচতলা কিনে নেওয়া ওর পক্ষে কখনই সম্ভব নয়। কিন্তু কমলেশবাবুকে চমকে দিয়ে নির্দিষ্ট দিনে নিজের কথা রাখে পারমিতা।
🍁
কমলেশবাবু হতচকিত হয়ে যান। এতো টাকা এতো কম সময়ে পারমিতা পায় কোথা থেকে? লোন নেওয়াও সম্ভব নয় ওর পক্ষে। দুশ্চিন্তার কারণে তিনি শরণাপন্ন হন দীপুকাকুর।
📗
পারমিতার টাকার উৎস কি? তার উত্তর ই দেবে সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় এর "প্রাপকের খোঁজে"।