বছরের শুরুতেই পড়েছিলাম এই সিরিজের প্রথম পর্ব 'মহাতীর্থের শেষ যাত্রী', ভীষণ মুগ্ধ হয়েছিলাম। সেই ১৯৫৬ সালে কিশোর বিমল দে লাসা থেকে কৈলাস সরোবর ভ্রমনের সময় রাতের গভীরে দেখা পেয়েছিলেন এক রহস্যময় সাধু বাবা'র। এরপর ৫০ বছর ধরে নানা সময় তাঁর স্বপ্ন ও কল্পনায় বারবার ঘুরেফিরে এসেছে সেই বাবা। তাই ৫০ বছর পর আবার তিব্বতে আসেন বিমল দে সেই সাধু বাবা'র সন্ধানে (বিমল দে যার নাম দিয়েছেন কৈলাসবাবা)। প্রথম পর্বের সেই কিশোর বিমল দে'র ভ্রমণ মন কেড়ে নিলেও এই পর্বটি একটু স্লো মনে হয়েছে। তবুও পড়ে মজা পেয়েছি।