ভূত নিয়ে আসলে কী বলে বিজ্ঞান? এত এত ভূতের ঘটনা, তাও কেন বিজ্ঞান ভুতীর অস্তিত্ব স্বীকার করেনা?
তার কারণ, প্রতিটা ঘটনারই সম্ভাব্য ব্যাখ্যা বিজ্ঞানের হাতে আছে।
গভীর রাতে, অথবা কুয়াশার আড়ালে যে সাদা জিনিসটাকে তুমি উড়তে দেখেছো হতে পারে সেটা জাস্ট একটা চাদর। রাতে দরজার ঠকঠক হতে পারে বাতাসের শব্দ। পুকুরে জ্বলতে থাকা গ্যাস থেকে হয় ভূতের আলো। পরিবেশ, পরিস্থিতি, স্মৃতি বিভ্রম অনেক স্বাভাবিক ঘটনাকে বড় করে তোলে।
তার ওপর অনেক ঘটনা আছে যেটা মটেও স্বাভাবিক নয়। ধরো একটা ভূতের বাড়িতে গেলেই মানুষের অস্বাভাবিক অনুভূতি হয়। অনেকেই ভৌতিক জিনিস দেখে। এর ব্যাখ্যা হতে পারে ওই বাড়িতে ইনফ্রাসাউন্ডের সোর্স আছে, ম্যাগনেটিক ফিল্ড আছে, অথবা কোনও কেমিক্যাল আছে। যে খনিতে ভূতের হাতে অনেক মানুষ মারা গেছে, আর যারা বেঁচে ফিরেছে তারা সবাই ভয়ংকর কিছু দেখেছে - হতে পারে সেখানে আসলে ছিল কার্বন মনোক্সাইড।
সিজোফ্রেনিয়া অদ্ভুত পরিবর্তন করে মানুষের ব্রেইনে। উল্টাপাল্টা দেখে, যা আর কেউ দেখতে পারেনা। ডিসোসিয়েটিভ আইডেন্টিটি ডিজঅর্ডার হলে মানুষের ব্রেইনে অনেক সত্ত্বার জন্ম হয়, অন্যের গলায় কথা বলে। অন্য নাম, অন্য পরিচয় ধারন করে। সাথে তীব্র ডিপ্রেশন থাকলে হয়ত নিজেকে কাটাছেড়া করে পরে নিজেই ভুলে যায়। এক্সপ্লোডিং হেড সিন্ড্রম হলে গভীর রাতে তীব্র শব্দে জেগে ওঠে মানুষ। অ্যাড্রেনালিন রাশের সময় শরীরে শক্তি অনেক বেড়ে যায়, কয়েকজন টেনে ধরে রাখতে পারেনা। এদেশে মানসিক রোগ অনেক বেশি, কুসংস্কারের কারনে এখানে সাইকিট্রিস্ট দেখায়না কেউ, রোগ পুষে রেখে বড় করে।
তার উপর আছে ভন্ড বাবারা। হাত দেখে ভবিষ্যৎ বলে দেয় জ্যোতিষী, শূন্যে ভেসে থাকে লেভিটেশন বাবা। ভুয়া টেলিপ্যাথির দাবিদার নাকি মনের কথা পড়তে পারে, ই এস পি মাতা চোখ মেললে দেখতে পারে ভবিষ্যৎ!
এইসব হাজারো কুসংস্কার ডিবাঙ্ক করে সাজানো হয়েছে ব্যাঙাচির প্রথম সংখ্যা - ভূত। সবই বিসিবির মেম্বারদের লেখা, কিন্তু সব যাচাই বাছাই করে নেয়া। প্রকাশিত হচ্ছে আজ ১৪ই মে, বিসিবির জন্মদিন। আশা করি সবার ভাল লাগবে। - নাঈম হোসেন ফারুকী, প্রতিষ্ঠাতা, ব্যাঙের ছাতার বিজ্ঞান।
#bcb_review #ব্যাঙাচি প্রথম সবকিছুরই একটা আলাদা গল্প থাকে তাই না? আমাদের হৃদয়ে একটা আলাদা জায়গা নিয়ে বসে থাকে৷ ব্যাঙের ছাতার বিজ্ঞান গ্রুপের প্রকাশিত প্রথম ম্যাগাজিন ব্যাঙাচিও সেরকম।
এই ম্যাগাজিনটা ডেডিকেশন শব্দের বাস্তবিক উদাহরণ। কেউ ধারণা করবে এটার রাধুনীরা অল্পবয়সী, অনভিজ্ঞ কঠোর পরিশ্রমীর দল? বা এর প্রস্তুত প্রণালীতে রয়েছে অপ্রকাশিত লেখকদের সমাহার?
এই ম্যাগাজিনে আপনি জানবেন বিজ্ঞানের কাছে ভুতের মূল্য কতটুকু। বা টেলিপ্যাথি, ইএসপি সম্পর্কিত তথ্যবহুল আলোচনা। আর্সেনিকের গল্প জানতে চান? কীভাবে এই ভয়াল দানবের থাবায় একসময় প্রাণ হারিয়েছে শতশত মানুষ৷
হাত দেখিয়ে আশাহত? রাশিচক্রের ফাদে আপনার আত্মবিশ্বাস? গ্রহ-নক্ষত্রের আবর্তনের প্রভাব সত্যিই কী আপনার ভাগ্যে এসে পরে? এগুলো জানতে হয়। পড়তে হয়। না জানলে মানুষ ছ্যা ছ্যা করবে তো!
জাপানে এক জঙ্গল আছে না? সবাই যেয়ে আত্মহত্যা করে? আমি নিশ্চিত এ ব্যাপারে হাজারটা আর্টিকেল অথবা টিভি এপিসোড দেখে থাকবেন। কিন্তু এর রহস্যময় ব্যাপারগুলোর গভীরে যেয়ে এর পেছনের বিজ্ঞান খোজার চেষ্টা করেছেন কী? ওয়েল, এটাই সুযোগ।
কারো সাথে তর্কে পারছেন না কারণ তার যুক্তি আপনার মাথার ওপর দিয়ে যাচ্ছে? ওয়েল সেই ব্যাটাকে বোঝান লজিক্যাল ফ্যালাসি বা কুযুক্তি কী আর কত প্রকার। (আক্ষরিক অর্থেই)
সৌদির জ্বীনের পাহাড় টিভিতে দেখে থাকবেন। গাড়ি নিউট্রাল গিয়ারে দিয়ে রাখলেও মনে হয় উচু রাস্তা বেয়ে উঠছে। এর বিজ্ঞান কী? পড়েন না কেন?
ও, যদিও এটা ভুত আর অতিপ্রাকৃতর খন্ডন সংখ্যা, তারপরেও করোনা ভাইরাস নিয়ে আছে বেশ কিছু প্রবন্ধ।
এছাড়াও আছে বিজ্ঞানের কবিতা, মিম, ডেসমস এপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে বিভিন্নরকম ইকুয়েশন ব্যবহার করে আকা গ্রুপের লোগো। ❤
কথা দিচ্ছি, এমন মজার ও সহজ করে লেখা প্রবন্ধ সংকলন আর কোথাও পড়েননি। ক্লাস সিক্স সেভেন এইট যেমন আনন্দ নিয়ে পড়তে পারবে, তেমনই উপভোগ করবে বড় বড় ডিগ্রিধারী ভাইয়া আপুরা।
মুদ্রার ওপিঠঃ কিছু বিষয় যেগুলো পরবর্তী সংখ্যায় আরো নজর দেয়া উচিৎ, সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আগে আসে বানান। অনেক অনেক বানান ভুল ছিল যেগুলো দৃষ্টিকটু লেগেছে। এডিটরের এবিষয়ে যত্নবান হওয়া উচিৎ ছিল। তরকারিতে দেয়া সেই অতিরিক্ত হাফ চামচ লবণের মত বিষয়টা৷ Has the potential to ruin a perfect dish.
সূচিপত্র ও কভারের লেখার অমিল।
তবে, প্রথম সংখ্যা হিসেবে এগুলো ব্যাপার স্বাচ্ছন্দ্যেই এড়িয়ে যাওয়া যায়। এডিটরিয়াল টিম নিশ্চয়ই অনেক চাপের মাঝে কাজ শেষ করেছেন। পরেরবারের জন্য অনেক শুভকামনা।
আর শেষতক নাইম ভাইয়া, অনেক অভিনন্দন আপনাকে আপনার প্রথম ম্যাগাজিনের জন্য। নিকট ভবিষ্যতে ব্যাঙাচি লাফিয়ে লাফিয়ে পুরো দেশের শিশু-কিশোর-যুবক-বৃদ্ধদের হাতে বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ ও চিন্তাশৈলী পৌছে দিক এ আশা রেখে আমার রিভিউ শেষ করছি।
ভূত সম্পর্কে ধারনা অনেক পাল্টেছে। আগেও ভূত বিশ্বাস করতাম না, তবে এখন বিজ্ঞান ভিত্তিক কিছু ব্যখ্যা জানতে পারলাম এই ম্যাগাজিনটি পড়ে। ভূতের বেশ কয়েকটি সুন্দর ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। ভূত দেখার অনূভূতি কেন হয়, হঠাত গা ছমছমে শব্দ শোনার কারণ এগুলো ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তবে ছাদে ভূতের/জ্বিনের শব্দ শোনার ব্যাখ্যাটা আমার তেমন পছন্দ হয়নি। কেনোনা আমাদের বাসায়ও শোনা যায় এমন শব্দ। কিন্তু কোন ছাদের সাথে এটাস্ট না। আর বেশ কিছু বানান ভুল আছে। কিছু কিছু যায়গায় শব্দ রয়ে গেছে। প্রথম সংখ্যা হিসেবে ভালোই করেছে। ভবিষ্যতে এগুলো খেয়াল রাখলে আরো ভালো মানের ম্যাগাজিন হবে।
This is quite a nice and well decorated Magazine with a beautiful front page. Maybe this is the first release of this Magazine. Most of the articles are based on so called "Ghostly incidents". As it's a science Magazine it has revealed the real and scientifical causes behind those so called Ghostly activities. I, personally like this. This magazine also contains one of my articles :') This magazine is going to be one of the most popular magazines throughout the country.
Read it as soon as you can. It's an E-magazine. So, you can read it for free. Happy reading :)
বিসিবি অর্থাৎ ব্যাঙের ছাতার বিজ্ঞান গ্রুপটি বাংলাদেশে বিজ্ঞানচর্চা জনপ্রিয়করণে,বিজ্ঞানমনষ্কতা সৃজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।ইতোমধ্যে গ্রুপটির ১ বছর পূরণ হয়েছে আর ২৫ হাজারের বেশি ছাড়িয়ে গেছে এর সদস্য সংখ্যা। যা সত্যি অভাবনীয়। আমি কয়েকদিন আগে গ্রুপটা সম্পর্কে জানতে পারি এবং সদস্য হই।গ্রুপ প্রতিষ্ঠার ১ বছর পূর্তির কয়েকদিন আগে গ্রুপে যোগ দিই।অনেক মজাদার আর্টিকেল মিস করেছি(যদিও তা পড়া যাবে,তবে পুরনো লেখা খুঁজে পড়ার ধৈর্য সবসময় থাকে না)।তাই বলে সদস্য হবো না একথা ভাবিনি, কারণ ইংরেজিতে একটা প্রবাদ আছে BETTER LATE THAN NEVER।
একবছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আমার এক প্রিয় বিজ্ঞান লেখক, বিসিবি প্রধান,নাঈম হোসেন ফারুকী বিজ্ঞানচর্চাকে আরো এক ধাপ সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঘোষণা দেন যে ব্যাঙাচি নামক একটি মাসিক ই-ম্যাগাজিন প্রকাশিত হবে ১৪ই মে,১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন(যদিও আমার মত এই যে ভবিষ্যতে এর হার্ডকপি প্রকাশ করা উচিত)।শুনে খুবই খুশি হই।এই ম্যাগাজিন এই গ্রুপে পোস্ট করা ভালো ভালো লেখা নিয়ে সাজানো হয়েছে।এসব লেখাগুলো সংরক্ষণ করার এ প্রয়াস সত্যই প্রশংসার দাবিদার। 'ব্যাঙাচি' বিজ্ঞান সাময়িকী পড়ে জানা-অজানা অনেক বিষয় সম্পর্কে অবগত হয়েছি।প্রকৃতপক্ষে অজানা বিষয় জানার পাল্লাটাই ভারী।স্লিপ প্যারালাইসিসের ব্যাখ্যা,ভৌতিক অনুভূতি সৃষ্টি ও তার কারণ, দৃষ্টিভ্রম ও ভূতদর্শন ইত্যাদি নিয়ে সরল বর্ণনায় ভুতের ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে এই ম্যাগাজিনে। উদাহরণ হিসেবে একটা বিষয়ের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা তুলে ধরি।যেমন ধরুন বোবায় ধরা।রাতে মাঝেমধ্যে ঘুম থেকে তড়িঘড়ি করে উঠতে গেলে আমরা যাকে বোবায় ধরা ভেবে ভয় পাই সেটা আসলে স্লিপ প্যারালাইসিস(প্যারালাইসিস পড়ে ঘাবড়াবেন না যেন)। অর্থাৎ ব্যাপারটা এমন যে ঘুম ভেঙে আপনার অনেকটা চেতনা এসেছে কিন্তু মস্তিষ্ক গোটা দেহের নিয়ন্ত্রণ পায়নি তাই আপনার দেহ নড়াচড়া করতে পারছে না,কথা বলতে পারছে না।আপনি তাই সাতপাঁচ ভেবে আতঙ্কিত, আপনার মাথায় কাছ করছে বোবায় ধরার ভয়। কিন্তু এই বিষয়টি যখন আপনি পড়ে জানবেন, এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বুঝবেন,তখন আপনার সাথে এমন ঘটনা ঘটলে আর যাই হোক ভয় পাবেন না।এরকম ভূত ও ভৌতিকতার ব্যবচ্ছেদ নিয়েই ব্যাঙাচি ভূত সংখ্যার আয়োজন। সাহিত্যের পাতায়,রূপকথার জগতে ব্রহ্মদৈত্য, মেছোভূত, গেছোভূত, মামদোভূত, শাঁকচুন্নি, পিশাচিনী থাকুক;হাত-পা বাড়িয়ে,গলা বাঁকিয়ে তাদের কেরামতি দেখাক,মানুষকে জ্বালাক।কিন্তু বাস্তব জগতে ভূতের কুসংস্কার থেকে মানুষ মুক্তি পাক।
কিছু বিষয় আমার নজরে পড়েছে,যা নিচে লিখছি--- ১।সূচিপত্রে কিছু ভুল-ভ্রান্তি নজরে পড়েছে।যেমন-মীরপুরের ভূতের বাড়ির দুই বোন আর গাছমানবী রহস্য লেখা দুটির কথা সূচি��ত্রে নেই। আবার জ্যোতিবিহীন জ্যোতিশাস্ত্র আর্টিকেলের কথা দুবার উল্লেখ করা হয়েছে।একটিতে পেজ নম্বর সঠিক, অন্যটিতে ভুল। তাছাড়াও,ফেসবুকের ভূত,ছাদের উপরের ভূত,জ্বীনের পাহাড় এবংবারমুডা ট্রায়েঙ্গেল শীর্ষক আর্টিকেলগুলোর পেজ নাম্বার ভুল দেওয়া হয়েছে।এবিষয়ে সচেতন হতে হবে। ২।প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত টুকটাক কিছু ভুল-ভ্রান্তি আছে।বানান ভুল পেয়েছি বেশ,যা চোখে লাগে।অনেকক্ষেত্রে চন্দ্রবিন্দুর ব্যবহার হয়নি।আবার একই অর্থে ব্যবহৃত একই শব্দের বানান একই আর্টিকেলে দুই রকম,যেমন- পচা এবং পঁচা ;আমার জানা মতে 'পচা' ঠিক,অন্তত অভিধান তো তাই বলে। তাছাড়া সাধারণ বর্ণনায় আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার করা হয়েছে।এক্ষেত্রে গল্পে কোনো চরিত্রের বক্তব্যে অবশ্য অসুবিধে নেই।তবে এমনি বর্ণনায় আঞ্চলিকতা বাদ দিলেই ভালো হতো।আবার কিছু বাক্যে অসংগতির জন্য পাঠোদ্ধার করতে বেগ পেতে হয়েছে। উপরোক্ত বিষয় দুটির ক্ষেত্রে সম্পাদকমন্ডলী এবং প্রকাশকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তবে হ্যাঁ,প্রথমে এসব হতেই পারে।কারণ একটা ম্যাগাজিন প্রকাশ করা তো চাট্টিখানি কথা নয়!তবে আপনারা এ বিষয়ে আরো সতর্ক হবেন আশা রাখি।প্রুফরিডিং-এর ব্যবস্থা রাখলে ভালো হবে। প্রতি মাসের ম্যাগাজিনে রসায়ন,পদার্থবিজ্ঞান,জ্যোতির্বিজ্ঞান আর জীববিজ্ঞান,তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে একটা নিয়মিত বিভাগ চালু করা যায়।।আর গ্রুপে করা ভালো ভালো কয়েকটা প্রশ্ন আর বিশেষজ্ঞদের উত্তর নিয়ে একটা প্রশ্নোত্তর বিভাগ রাখা হলে বেশ হয়। সবশেষে প্রতি মাসে এমন বিজ্ঞান বিষয়ক ম্যাগাজিন পেলে তো ভালোই হয়।ব্যাঙাচির জন্য শুভকামনা। জয়, বিজ্ঞানের জয় হোক!
বই- ব্যাঙাচি (১ম সংখ্যা) লেখক- কার কার নাম বলব প্রকাশক- ব্যাঙের ছাতার বিজ্ঞান পৃষ্ঠা- ১১৫ ব্যক্তিগত রেটিং- ৮.৯/১০ ভূত প্রেত জ্বীন এসব কি? এসব কি শুধুই অনুভবের ব্যাপার নাকি অন্য কিছু? আচ্ছা এদের তো দেখা যায় না। আবার অনুভবও করা যায় না। আবার দেখা গেলেও কখনো অনুভব করা যায় আবার কখনো যায় না। এরকম দোটানায় থাকার পরও মানুষ এদের অস্তিত্বকে বিশ্বাস করে। কিন্তু কেন? এটাই আসল প্রশ্ন। একসময় মনগড়া কুসংস্কারের সাপেক্ষে যুক্তি দিয়ে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হতো। কিন্ত বিজ্ঞান! সে তো আর সেই যুক্তি দিয়ে চলে না। সে চলে প্রমাণ,ব্যাখ্যা ইত্যাদির উপর। তো বিজ্ঞান কি বলে এদের সম্পর্কে? ধরলাম একদিন রাতে আমি একটা পুরাতন বাড়িতে বেড়াতে গেলাম। হঠাৎ রাতে একটা শব্দে ঘুম ভেঙে গেল। দেখলাম আশে পাশে কেউ নেই। তখন আমার মনে প্রশ্ন জাগবে আশেপাশে কেউ নেই তাহলে শব্দটা আসলো কোথা থেকে? এই প্রশ্ন আসাটাই স্বাভাবিক। তারপর যখন কোনো মনমতো যুক্তি দিয়ে নিজেকে শান্ত করতে না পারি মনে হয় আশেপাশে কোনো অতিপ্রাকৃত ঘটনা ঘটেছে। মনে একটা ভয় চলে আসে। তখনই নানা অযৌক্তিক চিন্তা মাথায় আসে। মনে করি ভূত! কিন্তু যদি একটু সাহস করে যদি আশপাশটা একটু ভালোভাবে লক্ষ্য করি তবে এর আসল ঘটনা বুঝতে পারব। আবার রাতে একা রাস্তায় হাটতে গিয়ে হঠাৎ করেই মনে হলো আমার পিছনে কেউ আছে। আমাকে অনুসরণ করছে। হাটার সাথে সাথে একটা আওয়াজ শুনছি। অথচ পিছনে তাকালে দেখি কেউ নেই। তখনও সেই একই ভয় অনুভব করি। মনে করি আশেপাশে কোনো অতিপ্রাকৃত ঘটনা ঘটেছে। মনে করি আমার পিছনে ভূত লেগেছে। কিন্তু ঘটনাটা যদি একটু ভালো করে দেখি তবে দেখব হয়তো জুতার তলায় একটা কাঠি লেগে আছে। যার কারণে হাটার সময় একটা শব্দ হয়। এসব নানা অদ্ভুত ঘটনার কারণে মানুষ মনে ভুতের ধারণা ঢুকে। একমাত্র যর্থাত বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তা ভাবনা ও পর্যবেক্ষণই আসল ঘটনা বুঝতে সাহায্য করে। তাহলে যে এত ভুতের গল্প প্রচলিত আছে সেগুলো কি সত্য না? আসলে সবকিছুই তো একটা বিজ্ঞানভিত্তিক কারণ আছে। সেগুলো নিয়ে একটু চিন্তা ভাবনা করলেই আসল নকল বুঝা যায়। মুলত এই সব নিয়েই বইটি। বই বলব না ম্যাগাজিন বলব বুঝতে পারছি না। ম্যাগাজিনটা একটা বইয়ের থেকে কোনো অংশে কম না। এতে ভুত কি, ভুত সম্পর্কে নানা ভৌতিক ঘটনার অ্যানাটমি, তার নাড়ি নক্ষত্র জানার জন্য একেবারে বিজ্ঞানের নানা বর্ননার গভীর থেকে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। মোটকথা ম্যাগাজিনটা থেকে আপনি অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে পারবেন। So happy reading❤❤❤
ভৌতিক অভিযান অসাধারণ ছিলো, লাশ না পঁচার কারণ, বারমুডা ট্রায়াংগেলের কাহিনির মতো মানুষের যতো ভুয়া, অন্ধ বিশ্বাস ছিলো এগুলো নিয়ে যে কারো অন্ধ বিশ্বাসকে গুলি মেরেছে এই ম্যাগাজিন! প্রতিটি পাতায় ছিলো রহস্যে ঘেরা কতাবার্তা! আলাদাভাবে টপিক উল্লেখ করে ম্যাগাজিনটির প্রশংসা করতে গেলে আরেকটা ম্যাগাজিন তৈরি হয়ে যাবে! আর মাঝে মাঝে যে Meme গুলো দেওয়া, সেগুলোর কথা আর নাই বললাম🤣!