A concise history of East Bengal F.C. by renowned sports journalist and a life long East Bengal fan, Rupak Saha.
ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গল: পিঠে কাঁটাতারের দাগ নিয়ে 'ছিন্নমূল রিফিউজি'র তকমা পাওয়া একটা জাতির আকাশ ছোঁয়া স্পর্ধার নাম- ইস্টবেঙ্গল।
যন্ত্রণায় ভেঙে পড়া অশীতিপর বৃদ্ধের ঝুঁকে পড়া শরীর থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জেগে ওঠা যুবতীর রোমান্টিসিজমের রং লাল-হলুদ।
জমাটবাঁধা অন্ধকার থেকে আলোয় উদ্ভাসিত হওয়া এক একটি মশালের নাম- ইস্টবেঙ্গল।
অবিচারের প্রতিবাদে জন্ম নেওয়া একটা ক্লাব। বহু সংঘর্ষ, প্রতিবন্ধকতা, ব্যর্থতার হার্ডল পেরিয়ে বার বার ফিরে আসার এক-একটা জার্নি। ১৯২০ থেকে ২০১৯। আবেগ, ভালোবাসা, নাড়ির টান, সাফল্য-ব্যর্থতার ‘লাল-হলুদ’ আবির মেখে ভারতীয় ফুটবলের মানচিত্রে সফলতম ক্লাবটি পেরিয়ে এল একশোটি 'লাল-হলুদ বসন্ত। শতবর্ষের প্রাকালেও ফিফা ক্রমপর্যায়ে লাল-হলুদ ভারতের এক নম্বর ক্লাব (১৪৩২ পয়েন্ট)।
জন্মলগ্নে ক্লাবের পতাকার রং লাল-হলুদ বা ক্লাবের প্রতীক 'জ্বলন্ত মশাল' নির্বাচন করার গল্পই হোক বা আঁতুরঘরে আগলে রাখা কর্মকর্তাদের লালন থেকে আজকের কর্মকর্তাদের অবদানের ধারাপাত। পঞ্চপাণ্ডবের ‘বীরগাথা’ হোক বা জাকার্তার মাটিতে ভারতীয় ফুটবলের ধ্বজা উড়িয়ে দেওয়ার সোনালি সাফল্য, শ্যামবাজার মোড়ে পড়শি ক্লাবের গাড়ি থেকে ভেঙ্কটেশকে ছিনতাই অথবা বর্ধমান স্টেশনে মুম্বই মেল থেকে হাবিব আকবরকে ছিনিয়ে নেওয়ার রোমহর্ষক গল্প যে কোনো থ্রিলারকে বলে বলে পাঁচ গোল দেবে।
প্রথম ভারতীয় ক্লাব হিসেবে এফএ ম্যানুয়েলে স্থান পাওয়া, প্রথম ইউরোপের মাটিতে খেলতে যাওয়া, প্রথম বিদেশে গিয়ে তিনটি টুর্নামেন্ট জেতা– বিগত একশো বছরে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে সোনায় বাঁধানো সব রেকর্ড। জাকার্তায় গিয়ে ফিফা ক্রমপর্যায়ে এগিয়ে থাকা, পেশাদার ক্লাবগুলোকে হারিয়ে আশিয়ান কাপ জয়ের তুল্যমূল্য পর্যালোচনা নিজের ভেতরে সযত্নে লালিত ইস্টবেঙ্গল প্রেম, পরম নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রমের বিনিময়ে লিপিবদ্ধ করেছেন বিশিষ্ট ফুটবল সাংবাদিক তথা ভারতীয় ফুটবলের সংস্কারক রূপক সাহা।
এই গ্রন্থ প্রকৃতপক্ষে সুদীর্ঘ গবেষণার এক ঐতিহাসিক দলিল ।
Rupak Saha Started his journalistic career as a freelance journalist in “AnandaBazar Patrika”, before shifting to the sports section. He later became the sports editor for” Ananda Bazar Patrika”. After serving as a sports editor for twelve years he was transferred to their films oriented magazine called “Anandalok”. In 2004 he became the editor of “Anandalok”. Here his tenure was for few years. At present he is the sports Editor of the newspaper “Sakalbela”
As a sports editor he had to cover World Cup Football, World Cup Cricket, Olympic Games and Asian Games for which he had widely traveled abroad. He is also seen as an authority on football and cricket in the panel of experts he was associated with various news channel.
In 1994, he wrote his first novel “Juwari”, when this was published in “Ananda Bazar Patrika” it brought him instant fame two of his novels “Juwari” & “Lal Ranger Prithivi” were made into films. He wrote sixteen novels the last one titled “Reality Slow” which was recently published. This new concept was well received by his fans. Even in the small screen he made his presence felt in the form of two serial “Sada Patay Kalo Daag” and Football in Zee TV. There were several telefilms and also another serial “Chorapothey Chiriakhana”. Rupak Saha also had contributed to several books on football. He was the proud recipient of the “Best Sports Journalist” award by the Govt. of West Bengal.
যা আমার ভালো লেগেছেঃ ১. ইস্ট বেঙ্গল কে নিয়ে এধরনের লেখা আগে কখনও হয় নি। এই প্রচেষ্টাটি প্রথম। ২. ক্লাব চালাতে গিয়ে গভীরের পলিটিক্স ও কর্মকান্ডের ব্যাপারে হদিস পাওয়া যায় বইটিতে। ৩. আমরা, যারা ৯০এর দশক থেকে খেলা দেখছি, তারা এটি থেকে এমন অনেক কিছুই জানতে পারি যা আগে অজানা ছিল।
যা আমার ভালো লাগেনিঃ ১. বইটিকে একটি historical non-fiction বললে ভুল বলা হবে। আমার পড়ে মনে হয়েছে, যে এটি একটি সমর্থকের সোনালী দিনের রমন্থন। খুব পরিপাটি করে দশক ধরে বিশ্লেষন এতে নেই। ২. প্রথম পয়ন্টের রাশ ধরে, বইটিতে কিন্ত ৬০র বা ২০১০র দশকের ব্যাপারে কিচ্ছুটি লেখা নেই। আর লেখা থাকলেও যৎসামান্য। কারন, এই পিরিয়ডে ক্লাব খুব একটা ভালো কিছু করতে পারেনি। আমার আশা ছিল, যে এই সময়গুলি নিয়েও লেখা হবে। ব্যার্থতা বিচার না হলে, সাফল্য কি করে দেখব, এটা বুঝলাম না। ৩. প্লেয়ারদের নিয়ে আসা, বিশেষ করে বিদেশী প্লেয়ার, যেমন ওমোলো, চিমা, ওকরো বা ডগলাসকে কিভাবে স্পট করে রিক্রুট করা হল, তার কিছুই নেই। এমনকি, প্রথম বিদেশী কোচ রাইডার বা তারপরে মরগ্যান কে আনার পেছনে কি কাহিনি তাও এতে বলা হল না।
বিঃ দ্রঃ আমি ইস্ট বেঙ্গলের সাপর্টার হওয়ার সাথে সাথে লিভারপুল ক্লাবকেও সমর্থন করি। সেই ক্লাব কে নিয়ে 4 খন্ডে একটি ইতিহাস গোছের রচনা করেছে সাইমন হিউস। তার মধ্যে একটি বই কিন্তু পুরটাই সেই ক্লাবের অন্ধকার দিন, মানে ১৯৯০-২০০০, নিয়ে লেখা। কাউকে রেয়াত করেননি উনি। আমার কাছে এটাই যোগ্য কাজ। নিজের দলের ভুল যদি আমরা নিজেরাই লুকোই তাহলে শুধরবে কে?
Rupak Saha is a veteran sports journalist, so I had picked this up hoping a proper book on history of the club. What this book actually is, is a collection of anecdotes, conjectures without much analysis or even citation of sources. Plus journalists post 1970s have this uncontrollable urge to cram football books with stories (& hyperbole) about transfers. This book wasn't an exception to that. Good read, thanks to a lucid writing style but not an informative read.