Mid-Day calls Sourabh Mukherjee 'one of the front-runners in Indian crime fiction' and The Asian Age calls him 'one of the most popular writers of Indian crime fiction'. India Today has honoured him as one of the “ten celebrated role models of 2022” and Outlook calls him one of the “top ten personalities to look upon if you are looking for an inspiration”.
Sourabh Mukherjee is the author of true-crime books 'The Great Indian Heists', 'The Highway Murders' and 'Death Served Cold' as well as thriller novels - 'The Web of Lies', 'The Trail of Blood', 'The Sinners', and 'In the Shadows of Death'.
He has written three collections of short stories - 'Loves Lost'; 'Beyond 22 Yards', a collection of 2 titles about Love and Crime from the world of cricket; 'It's All About Love', a collection of 7 short stories titled 'The Gift', 'The Cookery Show and a Love Story', 'A Special Day', 'Masks', 'An Autumn Turmoil', 'The Hunt', and 'The Death Wish'.
His books in Bengali include thrillers titled 'Chandralekha Nihato', 'Oindrila Ghore Phereni', 'Ratisanghar', 'Shonitakshar', 'Roktorin' and collections of short stories titled 'Roshe Doshe' and 'Bhalobasar Satkahon', apart from stories in popular anthologies and periodicals.
Sourabh has co-authored a textbook 'Big Data Simplified' published by Pearson. He has also written columns for Yahoo! Sports.
The audiobooks of his titles are also very popular. The 2 titles in the 'Beyond 22 Yards' series, the 7 titles in the series 'It's All About Love' as well as 'The Highway Murders', 'The Trail of Blood', 'Death Served Cold' and 'The Sinners' have been adapted into audiobooks in Amazon Audible. 'In the Shadows of Death' is on Storytel and Google Play Books. The regional language audiobooks for 'Death Served Cold' are on KukuFM. The audiobook of his Bengali novel 'Chandralekha Nihoto' is a topper in Suspense Top 50 chart of PocketFM, a leading audiobook platform of the country.
His books have featured in bestseller lists in bookstores and online stores. His books are in consideration for screen adaptations, including 'The Highway Murders' being acquired by a leading production house and an earlier edition of ‘The Web of Lies’ being long-listed in WordToScreen conducted by Mumbai Academy of Moving Image (MAMI), Mumbai International Film Festival.
Sourabh has been honoured with several awards. He received the Golden Pen Award in the Sulekha Monsoon Romance Contest (2014), Juggernaut Selects Award (2019), Literoma Hall of Fame in The Literoma International Symposium on Literature and Festival (2020), The Man of Excellence Award from Indian Achievers' Forum (2021), Munshi Premchand Award for Literature (2023) and Alokeranjan Dasgupta Smarok Puroskar (2026). He is invited regularly to book fairs and literary events across the country. His books have received accolades from readers, book critics and the mainstream national media.
বাংলায় প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকের জন্য সিরিয়াস রহস্যকাহিনি খুব কম লেখা হয়নি। তবু, ক্রাইম থ্রিলার বা খুনখারাপির জগতে কিছুদিন পর-পরই "নতুন লেখা চাই!" দাবি ওঠে। বদলে যাওয়া সময় ও রুচির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পাঠকেরা খুঁজে নিতে চান 'মুখোমুখি বসিবার' জন্য নিজস্ব নতুন অন্ধকার। সেই চাহিদা মেটাতেই সৌরভ মুখার্জি পেশ করেছেন এই রহস্যকাহিনি— চন্দ্রলেখা নিহত! কলামন্দিরে নাটক চলাকালীন প্রপসের নকল বন্দুকের বদলে আসল বন্দুক রেখে দিয়েছিল কেউ। তার ট্রিগারে চাপ পড়ায় খুন হলেন বিখ্যাত অভিনেত্রী চন্দ্রলেখা। তদন্ত শুরু করলেন এসিপি অগস্ত্য পুরকায়স্থ। তাঁর কানে ধরা পড়ল, অতীতের তীর হতে বয়ে আসা অনেক দীর্ঘশ্বাস। ব্যথিত বাতাস নিয়ে এল শুকনো রক্ত আর অশ্রুর নোনা গন্ধ। বেরিয়ে এল একের-পর-এক মৃত্যু! নাকি হত্যা? পাদপ্রদীপের আলোর নীচে জমাট অন্ধকার, রঙমাখা গালে পুরোনো কালশিটে, মিডিয়া আর রাজনীতির সাংঘাতিক চাপ— সব সামলে, নির্মম ও নির্মোহ হয়ে খুনির দিকে এগিয়ে গেলেন অগস্ত্য। তিনি কি পারলেন দুষ্টের দমন করতে?
গতিময়, নির্মেদ ও রক্তলাল রহস্যকাহিনি রচনায় সৌরভ মুখার্জি নিজের দক্ষতা ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছেন ইংরেজিতে তাঁর লেখা 'অগ্নি মিত্র' সিরিজের 'ইন দ্য শ্যাডোজ অফ হেট' এবং 'দ্য কালার্স অফ প্যাশন' বইদুটিতে। এবার বাংলা লেখাতেও তিনি নিজের কুশলী প্লটনির্মাণ, চরিত্রচিত্রণ এবং গতিময়তা দেখিয়ে দিলেন এই বইয়ে। সত্যি বলছি, অনেকদিন পর রহস্যভেদী বাসবের কথা মনে পড়ে গেল অগস্ত্য পুরকায়স্থ'র কীর্তিকলাপ দেখে। লেখক আগামী দিনে আমাদের আরও এমন লেখা উপহার দেবেন— এই আশায় রইলাম। কয়েকটি ছোটোখাটো বানান ছাড়া বিভা পাবলিকেশনের এই বইটি সর্বাঙ্গসুন্দর বলেই আমার মনে হয়েছে। কৃষ্ণেন্দু মণ্ডলের করা প্রচ্ছদটিও দস্তুরমতো চিত্তাকর্ষক। সুযোগ পেলে অবশ্যই পড়ুন।
প্রিয়নাথ দারোগা থেকে শুরু করে শবর দাশগুপ্ত অবধি, ফিকশন নন-ফিকশন মিলিয়ে বাংলা সাহিত্যে পুলিশ-গোয়েন্দা কম্বো বড় একটা কম নেই। তবু কেন জানি না এইসবের মধ্যে সুভাষ ধরের পুলিশ কাহিনী সিরিজের মত ক্রেজ অন্য কারোর লেখায় পাইনি তেমন। সেখানকার খাকি পোশাকে ঘেমো গন্ধ, কলকাতার অলিগলির অমন ডিটেল প্রোজেকশন আর অন্য কলমে কোথায়!
তবে বইখেকোদের খোঁজাখুঁজি আর কবে থেমেছে। আমার হাতেই আছে একখান। বইয়ের নাম চন্দ্রলেখা নিহত। লেখক সৌরভ মুখার্জি। তার গোয়েন্দা চরিত্র অগস্ত্য পুরকায়স্থ হোমিসাইড বিভাগের এসিপি। ব্যাক কভারের এইটুকু পড়েই আমার খোঁজারু ঘুণপোকা ডুব দিল পেপার ব্যাকের মধ্যিখানে। প্লট সামান্যই। সেই খুনের অভিনয় করতে গিয়ে, অস্ত্র বদলে ফেলায় ঘটে যাওয়া সত্যিকারের খুন। এ প্লট বোধহয় গোয়েন্দা গল্পের জন্ম থেকেই একঘেয়ে ব্রণর মতো ঠিক কলমে কলমে এসে পড়ে একবার না একবার। এখানেও অভিনেত্রী চন্দ্রলেখা বোস একইভাবে খুন হন। অগস্ত্য তদন্তে নামেন এবং ধাপে ধাপে গল্প এগিয়ে যায় সমাধানের দিকে, অ্যাজ ইউজাল। আঁটোসাটো প্লট বোঝাতে লেখায় বাঁধুনি কথাটা খুব চলে। সেভাবে বলতে গেলে এই গল্পের বাঁধুনি কিছুটা টেস্ট পেপারের মতো। শেষ অবধি টেকে না, টুকরো টুকরো হয়ে পড়ে। আলগা সুতোয় এক প্লটের নীচে গাদা গুচ্ছের সাব প্লট গজিয়ে ওঠে নিমেষেই। এখানেও তাই, গোয়েন্দা চরিত্রটিকে পাঠকের মনে গেঁথে ফেলার জন্য লেখক পাতার পর পাতা ইতিহাস লিখে গেছেন। কোনও কারণ ছাড়াই তার দুই ছেলে, এক্সট্রা চার্জড বাবা, আততায়ীর হাতে মারা যাওয়া স্ত্রী (উইথ ফুল ভিসুয়াল ও ইমোশনাল ডিটেলস) সবই হুড়হুড়িয়ে ঢুকে আসে গল্পে। একটা শুধুমাত্র তদন্ত নির্ভর গল্পে যেখানে ডিডাকশন ছাড়া এক্সট্রা কোনও রকম থ্রিলের জায়গা নেই, সেখানে তদন্তকারী গোয়েন্দা মশাইয়ের পারিবারিক ইতিহাস কি লেখকের পরিমিতি বোধের অভাবটাই আরও স্পষ্টভাবে দাগিয়ে দেয় না? বিশেষ করে যখন অগস্ত্যর ওপর সব রং খরচা করে ফেলায় তারই অ্যাসিস্ট্যান্ট বিকাশ রায়কে পাঠক চিনতেই পারেন না তেমন!
মূল আসামীর কথায় পরে আসছি, তার আগে বলি গোয়েন্দা গল্পে ইতিহাস আমরা আগেও পড়েছি, সেগুলো হয়তো গল্পের সাথে যুক্তও নয় তেমন। কিন্তু, “উপস্থাপনা” নামক বস্তুটি তাকে দিব্যি গল্পের সাথে মিশিয়ে দেয়। কিন্তু, “একটু আগে বারান্দার টিউবলাইটগুলো জ্বেলে গেছে। একটা ছেলে অগস্ত্যর সামনে রেখে গেছে ধূমায়িত চায়ের কাপ, বিকাশ গেছে সমুদ্রর ধারে হেঁটে আসছে।“ প্রত্যেকটা বাক্যে এরকম ‘গেছে’, “গেছে” করলে গল্পের প্রতি মনোযোগ ও গতি দুইই ঠিক রাখা মুস্কিল। অথচ গল্পের মালমশলা ভাল রকমেরই ছিল। সব কিছু সরিয়ে মূল প্লটের ওপর টর্চ ফেলুন। বড় একটা আলগা নয় কিন্তু। লুপ হোল…এক মিনিট, হোল্ড অন। এইখানে একটু বলার আছে।
গোয়েন্দা গল্পের একটা অলিখিত নিয়মই হল― গোয়েন্দার সঙ্গে পাঠককে জুড়ে পাঠকের ভাবার মতো একটু জায়গা ছেড়ে রাখা। এ সুযোগ এখানেই যে শুধু নেই তা নয়, মূল আসামীর ছায়াও দেখতে পাবেন না শেষ চ্যাপ্টারের আগে। উল্লেখই নেই। মানুষটার কথাই যদি না থাকে, তাহলে পাঠকের সন্দেহ করার জায়গাও থাকে না। শেষে গিয়ে জানা যায় স্টেজের একপাশে জ্যান্ত জেমস বন্ড চাদর মুড়ি দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি বৃদ্ধ রিটায়ার্ড কনস্টেবল হলে কী হবে, কোমরের কাছে পিস্তল রেখে নায়িকার কপালে গুলি চালাতে পারেন দিব্যি। এমনকী লেখকের বর্ণনায়, ইন্টারোগেশনে, সন্দেহ তালিকায় সুন্দর ভ্যানিশ হয়ে যেতে পারেন। তারপর একদম শেষে গিয়ে যখন জানা যায় তিনিও ছিলেন, তখন মশাই একটু রাগই হয়। কারণ ক্যামোফ্লেজ আর ভ্যানিশ এক বস্তু নয়।
মোরাল অফ দ্য রিভিউঃ এতকিছুর পরেও প্লট হোল বলতে যেটা বোঝায় সেটা কিন্তু নেই, অযাচিত জ্ঞান দেওয়া নেই। তাই ভাষা, বাঁধুনি আর ক্লাইম্যাক্স নিয়ে কাজ করলেই এ বই হয়তো এক অন্য মাত্রা পেত। লাইটস অফ!
বাই অ্যাডিং লণ্ঠনঃ বইয়ের ফাটাফাটি ক্যালিগ্রাফিটা কৃষ্ণেন্দু মণ্ডলের করা। আমার ভীষণ পছন্দ হয়েছে। আর প্রচ্ছদ, মোটামুটি লাগল। ঠিকঠাক।
গল্পের শুরুতে দেখা যায়, একটি স্টেজ শো তে নাটক চলাকালীন চন্দ্রলেখা মুখার্জী নামক এক জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে নাটকের শেষ দৃশ্যে নকল গুলি করার বদলে আসল গুলি চালিয়ে খুন করা হয়৷ নাটকের নায়কই গুলিটা চালিয়েছিল..তাহলে সেই কি সত্যিকারের খুনী? না এর পিছনে অন্য রহস্য লুকিয়ে আছে৷ চন্দ্রলেখার মৃত্যুর পাঁচ দিন আগে থেকেই রোজ রাত এগারোটার সময় কে একজন ফোন করে হুমকি দেয় যে তাকে কোনো একটা পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে তার প্রাণ দিয়ে৷ চন্দ্রলেখা ভয় পেয়ে এ বিষয়টা পুলিশে জানালে সেই হুমকি ফোনের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেওয়ার এবং তার সাথে চন্দ্রলেখাকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব পরে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড বিভাগের এ.সি.পি. অগস্ত্য পুরকায়স্থের উপর৷ কিন্তু তিনি চন্দ্রলেখার মৃত্যুকে আটকাতে ব্যর্থ হন৷ চন্দ্রলেখার এই হত্যা রহস্যের কিনারা করার ভার এ.সি.পি. অগস্ত্য পুরকায়স্থের উপরেই পরে৷ এ.সি.পি. তদন্ত করতে গিয়ে দেখে চন্দ্রলেখার জীবন অনেক রহস্যে ঘেরা৷ একের পর এক রহস্যের জট ছাড়াতে গিয়ে দেখা যায় চন্দ্রলেখাকে হত্যার পিছনে প্রচুর লোকের মোটিভ আছে৷ আর বেশী কিছু বলব না..সেই মোটিভ গুলো কি কি এবং চন্দ্রলেখাকে হত্যার জন্য কে দায়ী, সেসব জানতে গেলে অবশ্যই পড়তে হবে "চন্দ্রলেখা নিহত" বইটা৷ আমি ডিটেকটিভ জঁরের বই পড়তে খুব পছন্দ করি৷ অনেক বড় বড় লেখকদের লেখা পড়েছি, কিন্তু এরকম একজন নতুন লেখকের থেকে এত সুন্দর একটা ডিটেকটিভ গল্প উপহার পাব সেটা আশা করিনি৷ গল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টান-টান উত্তেজনা৷ আর বিশেষ করে গল্পের শেষের দিকে যা চমকের পর চমক অপেক্ষা করে আছে, সেটা সত্যিই দারুন৷ মোটকথা আমার বইটা চমৎকার লেগেছে৷ ভবিষ্যতে লেখকের থেকে আরো ডিটেকটিভ জঁরের গল্প পাওয়ার অপেক্ষায় রইলাম৷
***
"What an amazing thriller, loved this one. Both the characters Agastya and Chandralekha were superbly sketched. The surprise element in the end blew off my mind. Recommended to all thriller lovers."
***
অভিষেক গুপ্ত:
Sourabh Mukherjee - র প্রথম বাংলা উপন্যাস "চন্দ্রলেখা নিহত" পড়ে বেশ ভালো লাগলো। এর আগে সৌরভদার দুটি ইংরেজি উপন্যাসে অগ্নি মিত্র নামে এক পুলিশ গোয়েন্দার সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। এই গল্পে অগস্ত্য নামের আরেক লাল বাজারের গোয়েন্দার সঙ্গে আলাপ হলো। দুজনেই ক্ষুরধার বুদ্ধিসম্পন্ন ও প্রথিতযশা। উপন্যাসটি তাই এই নায়ক অগস্ত্যর জন্যই হয়ে উঠেছে অত্যন্ত মনোগ্রাহী। যেভাবে নায়ক অপরাধীর মনস্তত্ত বুঝে ধীরে ধীরে রহস্যের উন্মোচন করেছেন তা রুদ্ধশ্বাসে পড়ে যেতে হয়। অবশ্যই কাহিনীর অন্য আকর্ষণ হলেন অভিনেত্রী চন্দ্রলেখা, যার রহস্যময় হত্যা ঘিরে গড়ে উঠেছে এই কাহিনীর পটভূমি। ফ্ল্যাশব্যাকে যতবার ওনার পূর্বকথা বর্ণিত হয়েছে, ততবার নতুন কোনো সূত্র পাওয়ার জন্য মন ব্যাকুল হয়ে উঠেছে। আসলে আমি গোয়েন্দা কাহিনী পড়ি যখন, নিজেও হয়ে উঠি গোয়েন্দা। গল্পের গোয়েন্দা সফল হওয়ার আগে নিজেই রহস্য উন্মোচন করা যায় কিনা, সেই চেষ্টায় ব্রতী হই সবসময়; অনুমান ক্ষমতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। আর ঠিক যখন আমার নিজের অনুমান আর গল্পের পরিণতি প্রায় অনেকটা মিলে গেছে বলে আশ্বস্ত হয়েছি, তখনই এসেছে শেষ চমক, যা ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত। আর এখানেই লেখকের মুনশিয়ানা, পাঠকের থেকে তিনি এক কদম এগিয়ে থেকেছেন শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত। তাই উপসংহারে বলা যায় গল্পটি শুরু থেকে শেষ অবধি খুবই আকর্ষনীয়, বিনোদনে ভরপুর! বাংলা সাহিত্যে এক নতুন গোয়েন্দার আবির্ভাব ঘটানোর জন্য সৌরভদা তোমায় অনেক ধন্যবাদ। আরো অনেক অনেক বাংলা উপন্যাস হোক, অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করব।
***
দেবযানী মিত্র:
grab a copy of this book if you are a thriller lover ..The plot of thriller here is different one ..there are two kinds of thrillers which are very unpredictable and which are predictable ..but every moment it will change your thinking ,you will think it’s predictable one ,then you will think oh it’s unpredictable one, again you will think oh it’s predictable one ! in every page the story will turn to a new climax ,it will thrill you till the last moment ...once you started reading it you will not be able to stop till u read the last page ! Must appreciate writer’s innovative thought here ...A good one indeed ..
***
Pradipta Bhattacharyya:
"অসম্ভব ভালো একটি থ্রিলার।।। শেষ পাতা পর্যন্ত টান টান উত্তেজনা জিইয়ে রেখেছেন লেখক মহাশয়।।। আমরা যখনই কোনো থ্রিলার পড়ি তখনই গোয়েন্দার সাথে নিজেরাও গোয়েন্দা হয়ে যাই এবং লক্ষ্য করি আমাদের চিন্তাধারা বইয়ের গোয়েন্দার চিন্তাধারার সাথে মিলে যাচ্ছে কিনা।। কিন্তু না , এই গল্পে পরতে পরতে এত টুইস্ট যে যখনই ভেবেছি ইনি খুনি তখনই অন্যজন সামনে চলে আসছে ।।।। আর আমরা বোকা বনে যাচ্ছি।।।।এখানেই লেখকের মুন্সিয়ানা।। আশা করবো লেখক মহাশয় এই রকম আরো কিছু গল্প আমাদের উপহার দেবেন।।।অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকলাম।।।।।"
***
প্রতনু চক্রবর্তী:
বইমেলা থেকে বিভা প্রকাশিত ও সৌরভ মুখার্জি লিখিত এই বইটা কিনেছিলাম। বইটি মূলত থ্রিলার যার প্রেক্ষাপট বাংলা চলচ্চিত্র জগত ও কেন্দ্রে রয়েছেন সেই জগতের স্বনামধন্য অভিনেত্রী চন্দ্রলেখা মুখার্জি। কাহিনী শুরু হয় একটি মঞ্চস্থ নাটকের শেষ দৃশ্যে চন্দ্রলেখার মৃত্যু নিয়ে। এই মৃত্যুর তদন্তের ভার দেওয়া হয় এসিপি অগস্ত্য পুরকায়স্থকে। বর্তমান তদন্ত ও অতীতের অপরাধ সমান্তরাল ভাবে চলতে থাকে। চলচ্চিত্র জগতের সাথে জড়িত কলাকুশলীদের ব্যক্তিগত জীবন, তাদের পেশাগত জীবন, পেশাগত বাধা-রেষারেষি ইত্যাদি সুন্দরভাবে কাহিনীতে দেখানো হয়েছে। একটার পর একটা জট ছাড়িয়ে অগস্ত্য পুরকায়স্থ তদন্ত সমাধান করেন। শিকার চন্দ্রলেখা মুখার্জি কিন্তু শিকারী.........বাকিটা নয় বইতেই থাক।
***
সৌম্য ব্যানার্জী:
দু দিনে পড়ে শেষ করলাম এই রহস্য উপন্যাসটি । অামার মতে চুপি চুপি অাসছের পর এবছর বিভার অারেকটি ব্লকব্লাস্টার রহস্য থ্রিলার এই বইটি । রহস্য উপন্যাসটির প্লট প্রথম থেকেই রহস্য ঘন । বিখ্যাত চলচিত্র ও থিয়েটারের অভিনেত্রী চন্দ্রলেখা মুখার্জ্জী বহুদিন পর স্টেজে নাটকে অভিনয় করার সময় নাটকের ক্লাইম্যাক্সে নায়কের নকল পিস্তলের গুলিতে অস্বাভাবিক ভাবে নিহত হন । অাশ্চর্যজনক ভাবে নায়কের হাতের নকল পিস্তল কি ভাবে জেনো বদলে যায় অাসল পিস্তলে । এই ঘটনার কিছু দিন অাগে থেকে চন্দ্রলেখা কে হত্যার হুমকি ও দেওয়া হচ্ছিল নিয়মিত ভাবে , চন্দ্রলেখা পুলিশকে বিষয়টা জানালে পুলিশ তাকে অতিরিক্ত সিকিউরিটি দেয় । এসপি অগস্ত্য পুরকায়স্থ ঘটনার তদন্ত শুরু করে ও ছিল । কিন্তু তাও অগস্ত্যর উপস্থিতিতে সকলের চোখের সামনে চন্দ্রলেখা নিহত হলে মিডিয়াতে শোরগোল পড়ে যায় । অগস্ত্য ঘটনার জোড়ালো তদন্ত শুরু করে । অতপর তার সামনে ফুটে উঠতে থাকে চন্দ্রলেখার অতীত জীবনের রহস্যঘন অধ্যায় , অপরদিকে তার কর্মস্থল চিত্রজগতে ও রয়েছে একধিক শত্রু ফলে রহস্যের গোলক ধাঁধায় অগস্ত্য জড়িয়ে যায় । অগস্ত্য কি ভাবে এই রহস্যের সমাধান করে তা জানতে হলে পাঠককে পড়তে হবে এই উপন্যাস । পুরো উপন্যাসটি জুড়ে লেখক প্রচুর ছোট ছোট টুইস্ট রেখেছেন যা পড়তে গিয়ে পাঠক অালাদা রোমাঞ্চ অনুভব করবে । সাধারন মানুষের চেনা চিত্রজগতের অালো ঝলমল গ্ল্যামার জীবনের পেছনে যে একটা অন্ধকার অাচ্ছন্ন অালাদা দুনিয়া রয়েছে , তা খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন লেখক সৌরভ মুখার্জ্জী এই উপন্যাসে । উপন্যাসটি পড়লে জানা যায় এই অন্ধকার দুনিয়াতে মানবিকতার কোনো জায়গা নেই বরন বিশ্বাসঘাতকতা এখানে প্রতিপদে মানুষের সঙ্গী । সেখানে রয়েছে শুধু হিংসা , ক্রোধ , লালসা, একে অপরকে মাড়িয়ে এগিয়ে যাওয়ার অনৈতিক লড়াই । রহস্য উপন্যাটির রহস্য সমাধান ও লেখক বেশ যুক্তিযুক্ত ভাবে করেছেন ,একেবারে শেষ মুহূর্তে ও পাঠকদের জন্য রেখেছেন বেশ ভালো চমক । এখন থেকেই পরবর্তী তে লেখকের কাছ থেকে অগস্ত্যর অারো কাহিনি পাবো এই অাশায় রইলাম । সব মিলিয়ে একটা জমজমাট হু ডান ইট গোত্রের রহস্য কাহিনি পড়তে চাইলে বিভা পাবলিকেশনের এই পাতলা রহস্য কাহিনিটি পাঠক পড়তেই পারেন অাশাকরি হতাশ হবেন না ।
***
Souvik Mukherjee:
বিভা থেকে সদ্য প্রকাশিত রহস্য কাহিনী চন্দ্রলেখা নিহত বইটি পড়ে মনে হলো অনেকদিন পর একটি নো ননসেন্স ক্রাইম ফিকশন পড়লাম| বইটি তথাকথিত থ্রিলার ধর্মী নয় বরং বলা যেতে পারে এটি একটি বিশুদ্ধ রহস্য অনুসন্ধানের দলিল| শেষ পাতা অবধি বোঝা যাবে না প্রকৃত খুনি কে! আর এখানেই লেখকের সাফল্য! মুখ্য গোয়েন্দা চরিত্র অগস্ত্য পুরকায়��্থর সাথে শীর্ষেন্দুবাবুর শবরের বেশ চারিত্রিক মিল ..... চুপচাপ কোনো টেনশন না নিয়ে ধীরে ধীরে পেয়াঁজের মতো এক এক করে রহস্যের পর্দা উন্মোচন করে| একটু কাঠখোট্টা লোক বললেও ভুল হয় না| গল্পের একটা নজর করার মতো দিক হলো এতে কোনো চরিত্রই সম্পূর্ণ ভালো বা সম্পূর্ণ মন্দ নয়| কাহিনীতে বহু চরিত্রের ভিড় থাকলেও সবাই স্বকীয়তায় ভাস্বর আর কোনো চরিত্রকেই অবান্তর মনে হয়নি| গল্পটি অহেতুক টেনে হিঁচড়ে দীর্ঘ করা হয়নি, জ্ঞানগর্ভ কথা বা hidden message দেয়ার প্রয়াস করা হয়নি| একেবারে মুচমুচে পাঁপড়ের মতো উপাদেয়| যাকে ঘিরে এই গল্প সেই চন্দ্রলেখার প্রতি পাঠকের মনে কখনো করুনা আবার কখনো বিদ্বেষ অনুভূত হবে| তবে কাহিনীতে সংলাপের আধিক্য মাঝে মাঝে গল্পটিকে আখ্যানের চাইতে নাট্যরূপে প্রতিভাত করেছে| তাতে সাহিত্যমাধুর্য কিঞ্চিৎ হ্রাস পেয়েছে বলে আমার মনে হয়েছে| সৌরভ মুখার্জির এটিই প্রথম বাংলা রহস্য উপন্যাস| এর আগে তিনি ইংলিশে থ্রিলারধর্মী উপন্যাস লিখেছেন যা বহু প্রসংশিত |
***
Dr. Saptarsi Goswami
"Finally after some hide n seek, collected my copy of Chandralekha Nihato by Sourabh da. It is a 144 page book priced at 123 Rs. It's a thriller and it's impossible to guess the culprit. A detective with an unusual name and more unusual modus operandi, focusing not on clues, but more on psych of the criminals. My only complain is it ate away 1.5 hours of sleep on a weekday. It is simply unputdownable."
বিশুদ্ধ রহস্য উপন্যাস। প্লট বেশ জমাটি।সঙ্গে আছে যৌন সুড়সুড়ি।শেষপর্যন্ত জানা মুশকিল আসল খুনি কে ? প্রচ্ছদ আকর্ষনীয়।বহু চরিত্রের সমাবেশ। অতিরিক্ত কথোপকথনে কখনও কখনও ধৈয্য হারাচ্ছিলাম। তবে শেষে আছে এক চমক, যা একেবারেই অপ্রত্যাশিত।
জনপ্রিয় অভিনেত্রী চন্দ্রলেখা মুখার্জী। রাতের দিকে তাকে কেউ ফোন করে থ্রেট করে ও মৃত্যুর হুমকি দেয়। এরপর একদিন স্টেজে অভিনয় চলাকালীন হলভর্তি মানুষের চোখের সামনেই তিনি খুন হন। তদন্তে নামেন হোমিসাইড ডিপার্টমেন্টের অগস্ত্য পুরকায়স্থ। চন্দ্রলেখা মুখার্জীর আসল খুনি কে ? খুনের মোটিভ কি ? কিভাবে খুনের ছক করা হয় ?
📖 চন্দ্রলেখা নিহত ✍️সৌরভ মুখার্জি Sourabh Mukherjee 📚বিভা পাবলিকেশন BIVA Publication 💲123/-
◻️রহস্য উপন্যাসটির প্লট প্রথম থেকেই রহস্য ঘন । একটি নাটকের শেষ দৃশ্যে বিখ্যাত চলচিত্র ও থিয়েটারের অভিনেত্রী চন্দ্রলেখা মুখার্জি নায়কের নকল পিস্তলের গুলিতে অস্বাভাবিক ভাবে নিহত হন। আশ্চর্যজনক ভাবে নায়কের হাতের নকল পিস্তল বদলে যায় আসল পিস্তলে। এই ঘটনার কিছু দিন আগে থেকে চন্দ্রলেখাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হচ্ছিল নিয়মিত ভাবে, পুলিশকে বিষয়টা জানালে পুলিশ তাকে অতিরিক্ত সিকিউরিটিও দেয়, তাও শেষরক্ষা হয়না। তদন্তে উঠে আসে এক অন্ধকার অতীত। ভারপ্রাপ্ত এসিপি অগস্ত্য কিভাবে এই রহস্যের সমাধান করে তা জানতে হলে পাঠককে পড়তে হবে এই উপন্যাস ।
◻️এটি একটি বিশুদ্ধ রহস্য অনুসন্ধানের গল্প। অহেতুক টেনে হিঁচড়ে দীর্ঘ করা হয়নি, জ্ঞানগর্ভ কথা বা hidden message দেয়ার প্রয়াস করা হয়নি। পুরো উপন্যাসটি জুড়ে রয়েছে যুক্তিযুক্ত সমাধান এবং প্রচুর ছোট ছোট টুইস্ট রেখেছেন যা পড়তে গিয়ে পাঠক রোমাঞ্চ অনুভব করবে, যার মধ্যে শেষ টুইস্টটা তো অবশ্যই উল্লেখযোগ্য। সাধারন মানুষের চেনা চিত্রজগতের অালো ঝলমল গ্ল্যামার জীবনের পেছনে যে একটা অন্ধকারাচ্ছন্ন দুনিয়াও থাকতে পারে, যে দুনিয়ায় শুধু হিংসা , ক্রোধ , লালসা, একে অপরকে মাড়িয়ে এগিয়ে যাওয়ার অনৈতিক লড়াই, তা লেখক খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন।
◻️ অগস্ত্য চরিত্রটিও বেশ ইন্টারেস্টিং। চুপচাপ কোনো টেনশন না নিয়ে ধীরে ধীরে এক এক করে রহস্যের পর্দা উন্মোচন করে। তবে এই গল্পের একটা বিশেষ দিক হলো এতে কোনো চরিত্রই সম্পূর্ণ ভালো বা সম্পূর্ণ মন্দ নয়, সবাই নিজ নিজ স্থানে যথাযথ আর কোনো চরিত্রকেই অবান্তর মনে হয়নি।
◻️কুশলী প্লটনির্মাণ, চরিত্রায়ণ এবং গতিময় লেখনীসহ এটি একটি উপভোগ্য বই। আপনি যদি রহস্য-রোমাঞ্চ সাহিত্যের অনুরাগী হন, তাহলে এই বইটি পড়ে দেখতে পারেন। সম্ভবত Audio Story হিসেবে PocketFm-এও available.
কাহিনিটা জম্পেশ। এত বিরাট প্লটকে লেখক বেশ সাবলীল ভাবে সামলাতে পেরেছেন। গল্পে সামান্য কিছু জায়গায় একটু যেন অবাস্তবতার ছোঁয়া আছে, তবে তাতে আপত্তি চলে না। ফিকশনে এটুকু হয়ই। অন্তত গল্পের গরু গাছে ওঠেনি একটুও। শুধু ন্যারেটিভে আরেকটু বৈচিত্র্য আনলে পুরোপুরি জমে যেত। এক জায়গায় দেখলাম, 'ইস্পাতের মতো ঠান্ডা' এরকম একটা বিশেষণ প্রয়োগ করা হয়েছে। সবিনয়ে বলি, ইস্পাত জিনিসটা সচরাচর কাঠিন্যের মাত্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ওভার অল বেশ ভালো। বানান ভুল কম। প্রচ্ছদ আকর্ষক। এসিপি পুরকায়স্থের পুনরাগমন হোক।