দেশ দেখার নেশায় কম বয়সে ঘর ছেড়েছিলেন প্রখর রুদ্র। বিচিত্র সেসব অভিজ্ঞতা। একই পাড়ার লালামোহন গাঙ্গুলির সাথে তাঁর ছিলো গভীর সখ্যতা। লালমোহনবাবু বয়সে বড় হলেও তাঁদের বন্ধুত্বের মাঝে তা কখনই অন্তরায় হয়নি। তাই তো প্রখর রুদ্র বিচিত্র সেসব অভিজ্ঞতা রঙিন কিম্বা সাদাকালো ছবিওয়ালা পোস্টকার্ডে লালমোহন বাবুকে নিয়মিত লিখে জানাতেন। একা মানুষ লালমোহনবাবু সেসব অভিজ্ঞতায় নিজের কল্পনার রঙ মিশিয়ে ছোটদের জন্য লিখেছিলেন বেস্ট সেলার রহস্য রোমাঞ্চ সিরিজ।
সত্যিকারের প্রখর রুদ্র কেমন ছিলেন তা কি কোনোদিনও জানতেন লালমোহনবাবু? বয়সকালে প্রখর রুদ্র ফিরে আসেন কোলকাতাতে ভাইয়ের সংসারে। সেখানেই নিরুপদ্রব জীবন কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু ফেলা আসা অতীত যে পিছু পিছু তাঁর জন্যই কোলকাতায় এসে ফাঁদ পেতেছে, তা কি তিনি জানতেন! সব কবিতায় অন্ত্যমিল হয় না, আর সব নায়করা বাস্তবের মাটিতে জিতে যায় না। তাই ছন্দে বাঁধুক ধন্দ।
কৌশিক রায়ের জন্ম ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে, কলকাতার উপকণ্ঠ সোনারপুরে। কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেছেন রামকৃষ্ণ মিশন আবাসিক মহাবিদ্যালয়, নরেন্দ্রপুর থেকে। কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করেছেন তামিলনাড়ুর ভেলোর ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি থেকে। পেশায় তথ্যপ্রযুক্তিবিদ। কর্মসূত্রে ব্যাঙ্গালোর প্রবাসী। ফরেনসিক বিজ্ঞানে বিশেষ আগ্রহ। ২০২২ সালে ফরেনসিক সায়েন্স অ্যান্ড ডি এন এ ফিঙ্গারপ্রিন্টিং-এর উপর ইন্টারন্যাশনাল ফরেনসিক সায়েন্স থেকে করেছেন শর্ট টার্ম সার্টিফিকেট কোর্স। একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকে লেখালেখির জগতে আবির্ভাব। ভালোবাসেন দেশ-বিদেশের নানাজাতীয় রহস্য ও থ্রিলারধর্মী বই পড়তে।