অগ্রজ বিজ্ঞানী বলতে লেখক, যাঁকে লাগল এক ক্ষুরধার বিজ্ঞান সাংবাদিক, অন্য দেশের বিজ্ঞানী কুদরত-এ-খুদাকে যেমন রেখেছেন; তেমনি স্বশিক্ষায় শিক্ষিত ও পরিচর্যিত–তথা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ট্যাগ ছাড়া–গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্যকেও রেখেছেন। মেদহীন লেখা–বিশেষণ দিতে দিতে পাগল করে ফেলার মতো ব্যাপার একেবারেই ঘটে নি। তবে সবই বিজ্ঞানীদের ইতিবাচক দিক; নেতিবাচক দিক বা সমালোচনা নেই–তাতে হয়তো হালকা হয়েছে বইটা। কিন্তু লেখকের নানান জর্নাল-পত্রপত্রিকা এবং বৈজ্ঞানিক বইপত্রে গমনাগমন যে খুব সাবলীল ছিল, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। তবে সম্পাদনার অভাব রয়েছে। বৈজ্ঞানিক নামও যখন বাঁকা ছাঁদে রাখা না হয়, তখন সেটা বিরক্তিকর।
প্রথমেই দুটো অপ্রিয় কথা বলে নেই.. লেখার মধ্যে editing এর অভাব আছে একটু topic wise গোছানো হলে ভালো হতো.. দ্বিতীয়ত বইটা পড়ে মন ভরলো না, কেবলি অসম্পূর্ণ মনে হলো.যদিও লেখক নিজেই বলেছেন সবাইকে উনি রাখতে পারেন নি তবুও যারা আছে তাদের পরিচয় তা আরেকটু দীর্ঘ হলেই ভালো হতো মনে হয়.. এই বই পরে আমাদের বিজ্ঞান জগতের পরিপূর্ণতার পরিচয় পাওয়া গেলো..বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে আমি গর্ব বোধ করি যে দেবেন্দ্র মোহন বসুর মতো বিজ্ঞানী আমাদের মধ্যে ছিলেন যিনি powell এর নোবেল বিষয়ক গবেষণার দিকে অনেকদূর এগিয়েও শুধু পারিপার্শ্বিকতার অভাবে আটকে গেলেন যদিও powell তাকে উপযুক্ত সম্মান জানিয়েছিলেন.এরকম বহু অজানা তথ্য এই বইটি আমাদের উপহার দেয় এবং সেটা আরেক বিজ্ঞানীর দৃষ্টিকোণ থেকে.কাজেই বইটির মূল্য অপরিসীম বাঙালি পাঠকের জন্য. আরেকটি কথা না বললেই নয় সেটা হলো এই বইয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আছে মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চার উল্লেখ যার জন্য প্রয়োজন মাতৃভাষায় পাঠ্য পুস্তকের..অথচ আমরা এর সহজ সমাধান করে ফেলেছি ইংরেজি কে first language করে..এখন তো আবার বানানের বালাই নেই..এসব জানলে এখন এইসব বিজ্ঞানীরা কি বলতেন জানার ইচ্ছে করছে নাকি? ভেবে বলুন তো