রাসূলুল্লাহ স.-এর কথা ছিল সংক্ষিপ্ত তবে ব্যাপক অর্থবোধক। আর এরকমই কিছু মৌলিক হাদীসের আলোচনা নিয়ে মাজলিস করেছিলেন আবূ আমর ইবনুস সালাহ রহ.। তিনি সেখানে ছাব্বিশটি মৌলিক হাদীস বর্ণনা করেছেন। বলা হতো, সমগ্র দ্বীন এ ছাব্বিশটি হাদীসে অন্তর্ভুক্ত। পরবর্তীকালে ইমাম নববি রহ. প্রয়োজনের দিকে লক্ষ করে যুক্ত করলেন আরও কয়েকটি হাদীস। এতে করে হাদীস সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল বিয়াল্লিশে। মুসলিম-বিশ্বে যুগ যুগ ধরে ইমাম নববি সংকলিত এ হাদীসগুলো ‘ইমাম নববির চল্লিশ হাদীস’ নামে খুব সমাদৃত হয়ে আসছে। আরও পরে ফিকহ-শাস্ত্রের বিখ্যাত ইমাম ও মুহাদ্দিস ইবনু রজব হাম্বলি রহ. তাঁর অনুসারীদের বারংবার অনুরোধে বুঝতে পারলেন, ইমাম নববি সংকলিত বিয়াল্লিশটি হাদীসের উপর একটি আলাদা ব্যাখ্যাগ্রন্থ প্রয়োজন। তিনি ‘জামিউল উলুমি ওয়াল হিকাম ফি শারহি খামসিনা হাদীসাম মিন জাওয়ামিইল কালিম’ নামে সহস্রাধিক পৃষ্ঠার একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ প্রণয়ন করলেন। এ গ্রন্থে তিনি ইমাম নববি সংকলিত বিয়াল্লিশটি হাদীসের সাথে আরও আটটি হাদীস জুড়ে দিলেন। মোট হাদীসের সংখ্যা দাঁড়াল পঞ্চাশ-এ। কালোত্তীর্ণ এ গ্রন্থটি শতাব্দীর-পর-শতাব্দী পাঠকদের প্রিয়-গ্রন্থের তালিকায় স্থান করে আছে। নিজে আমল করা ও অন্য ভাইয়ের কাছে দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার জন্য গ্রন্থটিতে উল্লেখিত প্রতিটি হাদীস ও সালাফদের বাণীগুলো মুখস্থ করে রাখার মতো। ‘দাওয়াহ ও আত্মগঠনে’ উৎসাহী সকল মুসলিম ভাই-বোনের জন্য বইটি উপকারী হবে বলে আশা রাখি।
আলহামদুলিল্লাহ্, চমৎকার একটি হাদীসের বই পড়ে শেষ করলাম। ইমাম ইবনু রজব হাম্বলি রাহ. এর বাছাইকৃত ৫০ টি হাদীস এবং সেই সাথে সালাফদের পরামর্শ সম্বলিত সংগ্রহে রাখার মত বই। সবগুলো হাদীস জানা খুবই প্রয়োজন প্রতিটি মুসলিমের জন্য। বইয়ের মুদ্রণ,বাধাই, প্রচ্ছদ খুবই চমৎকার। সব মিলিয়ে পাঁচে পাঁচ পাবার মত বই।
অনেক সুন্দর একটি বই। ৫০টি চমৎকার সহিহ্ হাদিস এবং হাদিসের আলোকে দেয়া হয়েছে সালাফের পর্যালোচনা মিশ্রিত তাঁদের প্রজ্ঞা পূর্ণ কথামালা যা পাঠকের চিন্তাকে আলোকিত করে।