লীলা মজুমদার লিখেছিলেন, তিন ধরনের গল্প সবসময় শ্রোতাদের খুশি করে~ বাঘের গল্প, চোরের গল্প, আর ভূতের গল্প। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভূতেদের জয়যাত্রা অব্যাহত। বাঘের গল্প জমিয়ে লিখতে পারলে সেটাও লোকে বড়ো-বড়ো চোখ করে শোনে বা পড়ে। কিন্তু চোরের গল্পের তেমন জনপ্রিয়তা আর নেই। দিনবদলের চক্করে চোর আর পুলিশ - দুয়ের অবস্থা আর অবস্থানই প্রচুর বদলে গেছে এই বাংলায়। সঞ্জীবকুমার দে প্রবীণ সাহিত্যিক। তিন দশকেরও বেশি আগে তিনি দিকপতি দারোগা আর সনাতন চোরকে কেন্দ্রে রেখে কিছু মজার গল্প লিখতেন। সেগুলোতে গ্রামীণ পরিবেশ, কথার কেরামতি আর হালকা মজাই হত মুখ্য আকর্ষণ। সেইরকম পনেরোটি গল্প স্থান পেয়েছে এই সুমুদ্রিত, সু-অলংকৃত বইয়ে। মুশকিল হল, গল্পগুলো আজ থেকে ত্রিশ বছর আগে কেমন লেগেছিল তা আমার মনে নেই। এখন পড়তে গিয়ে এতে আমি কোনো চার্ম বা মজা পেলাম না। হয়তো আমার দোষ, বা সময়ের। বাকি সিদ্ধান্ত আপনার।
রিভিউ:- সঞ্জীবকুমার দে-র এই বইটা জাস্ট ফাটাফাটি (নয়) ! লেখক দিকপতি দারোগা আর সনাতন চোরের মধ্যে যে বুদ্ধির লড়াইটা দেখিয়েছেন , সেটা অর্ডিনার ই বলা চলে, এমন কোনো হিউমার ছিল না।
তবে এটা ছোটবেলায় পড়লে আরো হয়তো ভালো লাগতো।(হয়তো সময়ের দোষ কিংবা বয়সের)
ছোটদের জন্য একেবারেই আইডিয়াল বই, কোনো মারপিট বা আজেবাজে জিনিস নেই, একদম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হাসির গল্প।
সহজ ভাষায় লেখা তবে যেহেতু এটা একটা সংকলন একসাথে পুরোটা পড়ে নেওয়া চাপের,বোরিং লাগবে হয়তো ।
সেজন্য অল্প অল্প করে পড়েছি। মন খারাপ থাকলে বা বোর হলে এই বইটা নির্মল আনন্দ দিতে পারে। কমিকস আর হাসির নাটক যারা ভালোবাসেন, তাদের এই বইটা ভালো লাগবে।