সুবোধ ঘোষের গল্প বলার কায়দা যেমন ভালো, তাঁর বেশিরভাগ গল্পের প্লট আমার কাছে লেগেছে সেরকমের একঘেয়ে।
মানে, তাঁর গল্প বলার কেতা বাংলা সাহিত্যে মাইলফলক না হলেও যেমন আলাদা করে বলবার মতই ভালো, তাঁর একেকটা গল্পও তেমন ক্লান্তিকর। যতক্ষণ সুবোধ ঘোষ কথা বলেছেন, রক্ষা, চরিত্রেদের হাতে মাইক চলে গেলে আর দেখতে হবে না। আর গল্পের প্রেক্ষাপটও অনেক, শেষমেষ একঘেয়েই, আমি ত ক্রমশ হাই তুলবার উদ্যোগ নিচ্ছিলাম। তবে হয়ত টানা পড়তে হলো বলেই এরকমটা মনে হয়েছে। ভাট তিলকের গল্পটাই ধরুন, শুরুতে ত বেশ ছিলো, তারপর কী অবলীলায় লেখক ঝুলিয়ে দিলেন! কিংবা কালাগুরু, দুত্তোর ছাই।
তবুও সুন্দরম, তিন অধ্যায়, এদের মনে থাকবে, গল্প বলার ঢঙের জন্য হলেও, বা শেষ বাক্যে ধরা খাইয়ে দেবার জন্য। হয়ত পাণিপথের গল্পটাও থাকবে, বা শিবালয়, বা কাঞ্চনসংসর্গাৎ, লিখেছেন ত ভালোই। অযান্ত্রিকও থাকবে, কিন্তু ছবিটা দেখে মাথাটা আগেই ওদিকে ঘুরে গেছে কী না, তাই একটু হেলে থাকা এড়াতে পারছি না।
লিখতে জানতেন ভালো, কিন্তু গল্পের বিচারে, সুবোধ সাহেব কিঞ্চিৎ নিরাশই করলেন। নাকী এটা সম্পাদকের দায়? বলতে পারি না।