Jump to ratings and reviews
Rate this book

ময়ূখ চৌধুরী রচনাসমগ্র

Rate this book

472 pages, Hardcover

Published August 1, 2012

1 person is currently reading
3 people want to read

About the author

Mayukh Chowdhury

30 books3 followers
One of the most talented comics artists in India whose works were in Bengali language. He wrote under a pseudonym (real name Shaktiprasad Raychowdhury). He refused to take photographs of himself. He still has not recieved the recognition he deserves for his works. Much about him still remains unknown

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (40%)
4 stars
1 (20%)
3 stars
1 (20%)
2 stars
1 (20%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Chowdhury Arpit.
188 reviews5 followers
June 2, 2022
ময়ূখ চৌধুরী রচনাসমগ্র প্রথম খন্ড"
লালমাটি প্রকাশন, ভারত। সম্পাদনা দেবাশিস সেন
পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪৭২।
মোট ছোটো গল্প বাইশটি। চারটি উপন্যাস/বড় গল্প। সেসাথে ময়ূখ চৌধুরীর নিজ হাতে আঁকা অজস্র চিত্রকর্ম, সবই অরণ্য ও অরণ্যের অভিযান নিয়ে।
.
পাঠ অভিজ্ঞতাঃ বইটির পজিটিভ দিক হলো এর বর্ণনা, সহজ ভাষা ও অরণ্যর নানা জানা অজানা বিষয় ফুটিয়ে তোলা।
আপনি কখনো চলে যাবেন জুলু সাম্রাজ্যের নেপোলিয়ন সাকা জুলুর সাম্রাজ্যে (বাঘিনী)
কখনো বা স্পেনিশ গায়ানায় ছুটবেন সোনালী ডোরাডো মাছের পিছনে (মরণ ফাঁদ)
কখনো বা আরিজোনার ওয়েস্টার্ন কাউবয়দের সাথে হবে ডুয়েল (নিশানা নির্ভুল)
আবার তামিলনাড়ুর গহিন জঙ্গলে সন্তান হারানো এক মা চিতার দুঃখে আপনিও হবেন সমব্যাথী (জেহাদ)
.
বইটিতে এসেছে কেশরহীন সিংহ, এসেছে প্রতিহিংসাপরায়ণ চিতা, মানুষখেকো পুমা, আফ্রিকার মহিষাসুর কেপ বাফেলো, এসেছে ডাঙার সবচে হিংস্র জন্তু হায়না, এসেছে অস্ট্রেলিয়ার লাল আতঙ্ক ডিংগো, ক্যামেরুনের কুমির খেকো জলহস্তী, গায়ানার বিভীষিকা কেম্যান, পৃথিবীর সবচে বিশাল মাংসশাসী জন্তু গ্রিজলি, এসেছে কাউবয়দের কথা, এপাচেদের কথা, এসেছে আফ্রিকার মাসাই, জুলু, মোম্বোটোটো, পিগমি, অ্যাংকোল, বাটুদের কথা। এসেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, এসেছে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ে ভেসে চলা জাহাজ, এসেছে জাপানি ক্যারাতে, এসেছে মিশরীয় মমি, এসেছে বর্শা হাতে রেড ইন্ডিয়ান, এসেছেন পর্যটক আত্তেলিও গত্তি, এসেছেন বাঙালির দেবী চৌধুরানী।
.
আমার ব্যক্তিগতভাবে অগ্নিপরীক্ষা, আত্না ও দুরাত্না, দুঃস্বপ্নের রাত ও অস্ট্রেলিয়ার লাল আতঙ্ক - এই অভিজ্ঞতা গুলো সবচে বেশি ভালো লেগেছে। বাকিগুলোও দুর্দান্ত।
.
বইয়ের যে অনুবাদটি সবচে দুর্দান্ত লেগেছে তা হলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভেটেরান আত্তিলিও গত্তির আফ্রিকা অভিযানের বিবরণ "কায়না"। যথাক্রমে লেখাটিতে স্থান করে নিয়েছে কায়না নামের এক মৃত্যুগহ্বর, টোয়াবেনি নামের এক শয়তান জুলু যাদুকর ও সিংহঘেরা জুলুল্যান্ড, আফ্রিকার শাকাহারী আতঙ্ক মহিষ, কঙ্গোর মাম্বুটি পিগমি ট্রাইবের সাথে মোয়ামি নগাগি নামের এক ভীষণ গরিলার শত্রুতা, চফু-মায়া নামের এক নরখাদক কুমির ও সর্বশেষ মোজাম্বিকের এক খুনী গজরাজের সাথে গত্তির দ্বন্ধযুদ্ধ।
.
অধিকাংশ অভিযানই সত্য কাহিনীর রূপান্তর। যেমন শিকারী ক্যানেথ এন্ডারসন, এপাচে লিডার জেরোনিমো, দক্ষিণ আমেরিকার বিখ্যাত জাগুয়ার হান্টার সাশা সিমেল, আরিজোনার বিখ্যাত কাউবয় স্লটার, আফ্রিকায় পর্যটক আত্তেলিও গত্তি - এঁরা সবাই রক্তমাংসের ঐতিহাসিক মানুষই।
এছাড়াও বইয়ের শেষ লেখা "ডুয়েল" এ অজস্র দ্বন্দ্ব যুদ্ধের বিবরণ আছে - পশু বনাম মানুষ আবার মানুষ বনাম মানুষ উভয় রকমই। এই ডুয়েলে এসেছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিল থেকে রাশিয়ান প্রথম সার্কাসবিদ বরিস অ্যাডার প্রমুখ।
.
বইটির নেগেটিভ সাইড বলতে গেলে নেই৷ তবে কয়েকটি জায়গায় হয়তো অতিরঞ্জিত মনে হতে পারে পাঠকের। যেমন ক্যামেন আদপে অতটা বিশাল হয়না। হিংস্রতাও কম। পাশাপাশি পুমা মানুষখেকো হবার ঘটনা নেই বললেই চলে। এরকম দুয়েকটি ফ্ল বাদ দিলে প্রতিটি বিবরণই মশলায় ভরপুর।
.
আর বইটিতে ময়ূখের আঁকা যেসকল ছবি আছে - সেগুলো ভাষায় প্রকাশ করবার মত নয়।
.
উল্লেখ্য - বর্তমানে অকারণে জঙ্গলের প্রাণীহত্যা মহাপাপ ও আইনত দন্ডনীয় বটে। সুতরাং অতীতের বইটিকে একজন শিকারী হিসাবে না পড়ে একজন অরণ্যপ্রেমী ও এডভেঞ্চার লাভার হিসাবে পড়ার অনুরোধ রইলো।
.
পরিশেষে, ময়ূখ চৌধুরীকে শ্রদ্ধা। তাঁর মত গুণীর কদর এবাংলায় সঠিকভাবে হয়নি। তাঁর সাবলীল অনুবাদ ও জীবন্ত অজস্র ছবিই তাঁর প্রতিভার প্রমাণ।
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.