একজন মেয়ে, সকাল বেলা বয়স যার দশ, বিকেল বেলা ষাটের উপরে, একা থাকলে ছেলে। একই মানুষ একই সাথে নিজের মাঝে ধারণ করতে পারে কি একাধিক সত্ত্বা? এক সত্ত্বা খবর জানে না অন্য সত্ত্বার। এমন কি হয়? ব্যাপার গুলো একটু বিশ্বাসের জায়গায় নাড়া দিবেই। নৃ কথা বলে না কখনও বাবা মায়ের সাথে। কথা বলার একমাত্র মানুষ বশির স্যার, যে কিনা রক্তের সম্পর্কের কেউ ই নয়। নৃ খেতে চায় না আমরা যা খাই, খেয়ে বেরায় রঙ, সাবান, কাঠ, যে সবকে বলি আমরা অখাদ্য। নৃ একা একা কথা বলে যেন কার সাথে। জানে না কেউ। যেমন কথা বলতেন নৃর দাদী। যে বাড়িটায় এসেছে সবাই সে বাড়িটা থেকে হারিয়ে যেত মানুষ। লাশ গুলোর পাওয়া যেত না কোন খোঁজ। রাসেলের শরীরের আতরের ঘ্রাণটা মাঝে মাঝেই পায় স্নেহা, দূরে বহুদূরের অন্ধকারে পায় মৃন্ময়। স্নিগ্ধা ভেবে বসে আছে ঠিক পারবে সব জটিলতার একটা সমাধান দিতে রাদিব। টুকরো ছায়া টুকরো মায়া রহস্যের উপন্যাস, কিছু সুখ দুঃখের উপন্যাস, কিছু ভালবাসার উপন্যাস, জটিল কিছু মানসিক সমস্যার উপন্যাস, পুরোটা জুড়ে একটা সূত্রের উপন্যাস। যে সূত্রের প্রতিপাদন উপন্যাসের প্রতিটা লাইন।