ফাঁসির দড়ি এড়িয়ে নির্জন এক বাথানে পৌছাল জন ক্যালকিন। কোন পুরুষ নেই এখানে, কোন কাউবয়ও নেই; শুধু আছে সাবেক দুই অভিনেত্রেঈ। রহস্যময় এদের কাজকারবার। বিশৃঙ্খল র্যাঞ্চটা গুছিয়ে দেওয়ার জন্য কিছুদিন থেকে যেতে মনস্থির করল জন, কিন্তু ঘুনাক্ষরেও ভাবেনি ষড়যন্ত্র, বিদ্বেষ, ঈর্ষা আর খুনাখুনির সঙ্গে জড়িয়ে পড়বে। দুই মহিলাকে র্যাঞ্চ থেকে উৎখাত করতে চাইছে ধান্দাবাজ কিছু লোক, জনই ওদের পথের একমাত্র বাধা। এদিকে কোত্থেকে এসে হাজির হয়েছে অপূর্ব সুন্দরী এক তরুনী- র্যাঞ্চটাকে নিজের সম্পত্তি বলে দাবি করছে, অথচ সরু সুতার উপর ঝুলছে মেয়েটার জীবন।
পিংকটনের এক গোয়েন্দা, ভাড়াটে এক খুনী আর ধুরন্ধর এক ইংরেজের উপস্থিতিতে জমে উঠল নাটক। ধাঁধায় পড়ে গেল জন, কারপক্ষ নেবে?
পপলার শহরে গলা ভেজাতে আর যাস্ট ক্ষুধা নিবারনের জন্য ঢোকে জন ক্যালকিন। উঠতি এক রংবাজের চোখ পড়ে জনের উপরে। ভাবে জন সহজ সরল তাকে হ্যারাস করে কিছু নাম কামানো যাবে। কিন্তু ওটাই জীবনের শেষ ভুল ছিল বেচারার। যদিও ফেয়ার ডুয়েলে জিতেছিল জন তবুও তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয় তারা। তবে মজা করার জন্য ফাঁসি কার্যকর না করে ঘোড়ায় বসিয়ে ড্রিংস করতে যায় তারা। এই ফাকে কেটে পরে জন। যদিও তার পিছু ধাওয়া করতে থাকে।
পালাতে পালাতে সামনে এক র্যাঞ্চে আশ্রয় নেয় জন। মজার বিষয় হল র্যাঞ্চে দুইজন সাবেক অভিনেত্রী ছাড়া কেউ নেই। বিবেকের তাড়নায় থেকে যায় র্যাঞ্চটাকে পুনরায় দাড় করিয়ে দিতে। এবং অজান্তেই জড়িয়ে যায় একটা বিশাল ষড়যন্ত্রে। অভিনেত্রী দুইজনকে বিতাড়িত করতে নিয়মিত হুমকি দিতে আসে। আর এক রাতে পিংকটনের এক ডিটেকটিভ খুজতে আসে ত্রিসোর্ধ এক স্বর্নকেশীকে খুজতে। সব যট পাকিয়ে যায় জনের কাছে। অবস্থা আরো ঘোরালো হয় যখন পুব থেকে অনিন্দ্য সুন্দরী এক মেয়ে এসে র্যাঞ্চের মালিকানা দাবি করে। জনকে পারবে এই ষড়যন্ত্রের জাল ছিড়ে বের হতে?