দ্বীপের রাজা কন্ট্রা দ্বীপের রাজপুত্র র্যামি তিন গোয়েন্দার বন্ধু। ওর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কন্ট্রায় গেছে তিন গোয়েন্দা। চুরি গেল রাজার, অর্থাৎ র্যামির বাবার একাত্তরটা সোনার বার। সন্দেহভাজনদের মধ্যে আসল অপরাধী কে? রহস্য সমাধানে তদন্তে নামতে দেরি করল না কিশোর, মুসা, রবিন।
গুপ্তনগরী তুরস্কের প্রাচীন এক গুপ্তনগরীতে বন্দি হয়েছে কিশোর আর মুসা। স্বঘোষিত এক রাজা বলি দিতে চায় ওদেরকে। পালাবার সব পথ বন্ধ। সম্বল শুধু উপস্থিত বুদ্ধি। দেখা যাক, কী হয়!
ম্যাক লরেন্সের উইল ম্যাক লরেন্সের উইল অনুযায়ী সত্যিই কি আছে গুপ্তধন? না, শুধু গুপ্তধন নয়, এটা চুরি, ডাকাতি, বিষ প্রয়োগ, অপহরণ, অগ্নিকাণ্ড ও নরহত্যার জটিল কেস! তিন গোয়েন্দা হাড়ে হাড়ে টের পেল, যেকোনও মুহূর্তে মারা পড়বে এখন; তবুও জেদ ধরল, সব সমাধান না করে ছাড়বে না ওরা!
Qazi Anwar Hussain (born 19 July 1936) is a well known and very famous Bangladeshi writer who mainly writes detective and adventure based novels most of which are adaptation translation from or heavily influenced by foreign literature.
ম্যাক লরেন্সের উইল গল্পটার জন্যই বইটা কেনার যোগ্য। বাকী দুইটা গল্প একেবারেই আবর্জনা। স্রেফ ভলিউম বানানোর জন্য যোগ করা হয়েছে। তিন গোয়েন্দার আবার সিংগেল বই ফরম্যাটে ফিরে যাওয়া উচিত। ম্যাক লরেন্সের উইলে কিছুটা পুরনো তিন গোয়েন্দার স্বাদ পাওয়া যাবে। বিশেষ করে বুদ্ধির ঝিলিক, কাকাতুয়া রহস্য, ঘড়ির গোলমালের তিন গোয়েন্দা যারা ধাঁধা সমাধান করছে আর ছোঁকছোঁক করে গুপ্তধন খুঁজে বেড়াচ্ছে। সমস্যা হলো গল্পটা অতিরিক্ত লম্বা। যেন পৃষ্ঠা ভরানোর জন্য টেনে লম্বা করা হয়েছে। আর কিশোর/মুসা/রবিনের ব্যাকগ্রাউন্ড আর কাজকর্মে ধারবাহিকতার অভাবও লক্ষ করেছি বইটাতে। যদিও লেখক সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন বিদেশী বইয়ের চরিত্রগুলাকে অ্যাডাপ্ট করার। সব মিলিয়ে কেনার মত একটা বই। এখন তো প্রতি ৫/৬টা ভলিউমে একটা ভাল গল্প থাকে। এই ভলিউমটা সেটার একটা।