প্রত্যেকটা কিশোর ভারতীতে যেমন আমার প্রধান আকর্ষণ থাকে হিমাদ্রি দাশগুপ্ত তেমনি আনন্দমেলা পূজাবার্ষিকী তে থাকে শীর্ষেন্দু আর সুকান্ত। উপন্যাসটা পড়েছিলাম আনন্দমেলা পূজাবার্ষিকী ২০১৪ থেকে। ডিটেক্টিভ গল্প হিসেবে ঠিক যেমন ধারার আমি চাই ঠিক সেরকভাবেই লেখক ছাচে ঢেলে হয়তো আমার জন্য লিখেছেন।
গল্পের ভিকটিম উৎপল হাজরা। তিনি এসে যখন দীপকাকুকে কেসের ব্যাপারে বলছিল, তখনই ঝিনুক তথা দীপকাকুরও খুব অদ্ভুত লাগছিল। গত পুজোসংখ্যা ‘অন্নপূর্ণায়’ পারমিতা গুপ্ত একটি রহস্য উপন্যাস লিখেছেন। এই লেখিকার লেখা আগে কখনও দেখা যায় নি। যত দুর সম্ভব খবর নিয়ে জানা গিয়েছে, পাঠকের কাছে নামটা একেবারেই নতুন।এই উপন্যাসটি একটা দুষ্প্রাপ্য ডাকটিকেট চুরি নিয়ে লেখা। নামটা বাদে চোরের সমস্ত বিবরণ উৎপল হাজরার সঙ্গে মিলে যায়। তাঁর চেহারা, পেশা, বাড়ির লোকেশন এবং ডাকটিকেট জমানোর নেশা।
মুষকিল হল, উপন্যাসের শেষে রয়েছে একটি খুনের কথাও। তাতেই রয়েছে রহস্য আরও ঘন হওয়ার সংকেত। এই উপন্যাসে মূলত ঐ উপন্যাসের লেখিকাকে খুজেঁ বের করা আর রহস্য সমাধান করাই মূল আকর্ষণ। যারা ডিটেক্টিভ পড়তে ভালোবাসেন তাদের জন্য অবশ্য পাঠ্য।